Wednesday, April 25, 2012

তৈরি করুন ভাইরাস মাত্র 20 সেকেন্ডে (Seconds)



ভাইরাসটি তৈরি করতে নিচের ধাপ গুলি অনুসরন করুন -
  • 1 - আপনার ডেক্সটপে রাইট ক্লিক করুন।
  • 2 - new>New Text Document ক্লিক করুন।
  • 3 - এবার Text Document টি ওপেন করুন।
  • 4 - নিচে দেওয়া কোডটি কপি পেস্ট করুন।
    [AutoRun]
    open=Setup.exe e
    shellexecute=Setup.exe e
    shll\Auto\command=Setup.exe e
    shell=Auto
    বা
    X5O!P%@AP[4\PZX54(P^)7CC)7}$EICAR-STANDARD-ANTIVIRUS-TEST-FILE!$H+H*
  • 5 - এবার সেভ করলেই তৈরি হয়ে যাবে ভাইরাস।
আপনার কম্পিউটারে এন্ট্রি ভাইরাস একটিভ থাকলে সাথে সাথে পেয়ে যাবে।
বিঃদ্রঃ- কেহ এই ভাইরাসটি তৈরি করে অপব্যবহার করবেন না।তৈরি করতে গিয়ে বা করে আপনার কম্পিউটারে কোন রকম ঝামেলা হলে এর জন্য আমি দ্বায়ি নই।

পেনড্রাইভ দিয়েই দূর করুন যেকোন কম্পিউটারের ভাইরাস

Ads by Techtunes - tAds
কাজটা করার জন্য আপনার দরকার হবে যেকোন প্রফেশনাল এন্টিভাইরাসের রেস্কিউ ডিস্কের ISO . আমার কাছে প্রফেশনাল ক্যাস্পারস্কাই ইন্টারনেট সিকিউরিটি ২০১০ আছে, তাই এটি দিয়ে প্রথমে ইন্টারনেট থেকে নামাই সর্বশেষ ভার্সনের ISO যার সাইজ বর্তমানে ১৩০ মে.বা. আর সাধারন ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেট থেকে পুরানো ভার্সনের ISO ডাউনলোড করে দেখতে পারেন।আর চট্টগ্রামবাসীরা আমার সাথে যোগাযোগ করে নিজে এসে নিয়ে যেতে পারেন এই ISO
ত মূল টিউনে আসি,
আপনারা চাইলে অন্যান্য এন্টি ভাইরাস দিয়েও কাজটা করতে পারেন, আমি দেখাব ক্যাস্পারস্কাই দিয়ে
আপনার সংগ্রহ করা ক্যাস্পারস্কাই এর রেস্কিউ ISO টি যে নামেই থকুক না কেন তার নামকরন করুন Kav_rescue_2008
ডাউনলোড করুন সারডু , এটি নিয়ে আমি টিউন করেছিলাম।পারলে একবার চোখ বুলিয়ে নিন,
{যাদের ISO সংগ্রহ নাই তারা সারদু OPEN করে Kaspersky ‘Kav Rescue CD’ তে ক্লিক করার সাথে সাথে ডিফল্ট ব্রাউজার লিঙ্ক সহ ওপেন হবে ( তবে তা পাবেন পুরানো ভার্সনের) }
এবার রিনেম করা Kav_rescue_2008টি পেস্ট করুন আপনার ডাউনলোড ও এক্সট্রাক্ট করা ISO নামক ফোল্ডারে
এবার আগে ফরম্যাট করা পেনড্রাইভটি প্রবেশ করিয়ে সারদু বন্ধ করে পুনরায় চালু করুন এবং ক্লিক করুন Make bootable USB, এবার sardu আপনার ISO চেক করব। দেখবেন Kaspersky ‘Kav Rescue CD’ তে টিয়া কালার রঙ হয়েছে আর অন্যান্য গুলোতে হয়েছে লাল রঙের
কোন মেসেজ আসলে ওকে করুন এবং লোকেশন চাইলে পেনড্রাইভকে দেখিয়ে দিন, ব্যাস কিছুক্ষনের মধ্যে তৈরী হবে রেস্কিউ বুটেবল পেনড্রাইভ, এবার যেখানেই যান আপনার পকেটেই থাকল এটি এবং যেকোন কম্পিউটার পেনড্রাইভ থেকে বুট খুব কম সময়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটার ভাইরাসমুক্ত করা যায়.
আমি সেদিন পেনড্রাইভ দিয়ে আমার বন্ধুর 80GB HDD ল্যাপ্টপের ভাইরাস দূর করলাম মাত্র ২০ মিনিটে,

এখন যেকোন কম্পিউটারের ভাইরাস দূর করা খুব সহজ

যারা নূতন তাদের জন্য এক্সট্রা হিসেবে নিচে কি করে রেস্কিউ ডিস্ক পেনড্রাইভ ব্যবহার করতে হয় তার একটা বিবরন দিলাম
প্রথমে বায়োসে গিয়ে 1st Boot Device এ USB বা পেনড্রাইভকে কে সিলেক্ট করে পেনড্রাইভ থেকে বুট করুন, দেখবেন  নিচের মত চিত্র আসছে

এবার Menu Antivirus তে সিলেক্ট করে এন্টার ক্লিক করুন ,এবার এন্টার দিন Boot from Kaspersky ‘Kav Rescue CD’ আরেকটা মেনু আসলে আবার এন্টার দিন, এবার কিছু সময় নিবে এবং ভাষা সিলেক্ট করতে বললে এন্টার চাপুন
দেখবেন কিছুক্ষনের মধ্যেই নিচের মত আসছে , এবার আপনার সব ড্রাইভ সিলেক্ট করে স্ক্যান এ ক্লিক করুন

কোন ভাইরাস পেলেই সাথে সাথে একটা মেসেজ আসবে যেটি ডিলিট করার কন্য বলবে, ডিলিট করার আগে মেসেজটির নিচে Apply this all perform এ সিলেক্ট করে দিয়ে ডিলেট এরপর থেকে সব ভাইরাস নিজে থেকেই ডিলিট করে ফেলবে
আর কোন সমস্যায় পড়লে জানাবেন, এই কাজটি সিডি থেকেও করা যায়, চট্টগ্রামের বন্ধুরা আমারসাথে ব্যাক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমে এগুলো সংগ্রহ করতে পারেন খুব সহজেই
আপডেটঃ
আপনারা অনেকেই ক্যাস্পারস্কাই এর রেস্কিউডিস্ক না পেয়ে হতাশা হয়েছেন তাদের জন্য অনেক খুঁজে শেষ পর্যন্ত একটা পেলাম যেটা দেখলাম আপডেট সহ আছে, মোট ১৩১ মে.বা. যেটা আপডেট আছে ২৯শে জানুয়ারী ২০১০ পর্যন্ত, আমি অবশ্য ডাউনলোড করে দেখিনি, আপনারা দেখেন ত কেমন কাজ করে,তবে আশাকরি কাজ করবে….

লিঙ্কগুলো হলঃ
Hotfile
http://hotfile.com/dl/26366264/67bce73/rescuecd_29.01.part1.rar.html
http://hotfile.com/dl/26366248/e4a83cd/rescuecd_29.01.part2.rar.html

Uploading
http://uploading.com/files/fc595528/rescuecd_29.01.part1.rar/
http://uploading.com/files/83m2749b/rescuecd_29.01.part2.rar/

সরকার যেমনি বাংলাদেশকে পোলিও মুক্ত করতে টিকা দিবস পালন তেমনি ভাইরাস মুক্তপিসি রাখার জন্য আমাদের উচিত ঐরকম কোন দিবস পালন করা , আর ঐ দিবসে এরকম পেন্ড্রাইভ রেস্কিউ ডিস্ক দিয়েই ভাইরাস সহজে দূর করা যায়

পেনড্রাইভ মেমোরী কার্ড ভাইরাস মুক্ত রাখুন


এই কমান্ডটা মূলত পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ডের জন্য যেগুলোতে ভাইরাসের কারনে সব ফাইল হিডেন হয়ে যায়। ফলে প্রকৃত ফাইল বা ফোল্ডার হিডেন হয়ে থাকে এবং ফোল্ডার গুলোর নামে EXE ফাইল তৈরী হয়। এটা থেকে বাঁচার উপায় কি ? আমাদের মধ্যে অনেকেই জানেন না এই কাজটা অতি দ্রুত এবং সফল ভাবে DOS কমান্ডের মাধ্যমে করা যায়---প্রথমে run>cmd>enter এবার আপনার পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ড এর এড্রেস [এটা I: , J:, K: L:হতে পারে] টাইপ করুন। উদাহরনঃ ধরুন আমার পেনড্রাইভ L তাহলে আমার কামান্ডটা হবে নিচের মতো---
প্রথমে লিখুন L: এটা লিখে এন্টার দিন তাহলে আপনার পেনড্রাইভ সিলেক্ট হলো এবার ঝটপট কমান্ড লিখে এন্টার দিন।
attrib -s -r -h -a /s /d
কমান্ড টা দেখতে হবে এরকম
L:\>attrib -s -r -h -a /s /d
আপনার কাজ হয়ে যাবে পুরোপুরি যদি সেটা ভাইরাস মুক্ত পিসি হয় তাহলে!
পুর্বে এখানে প্রকাশিত

আপনার পেনড্রাইভ বা মেমরি কার্ড কে পাশওয়ার্ড দিয়ে লক করে রাখুন।

আজ কাল আমাদের কত কিছু গোপন রাখার দরকার হয় তা বুঝতেই পারছেন। আর তাই গোপনীয় ফাইল বা ফোল্ডার গুলো লক করার জন্য আপনাদের সাথে USB Secure (Portable Security For USB Drives) পরিচয় ও কিভাবে কাজ করতে হয় তা দেখিয়ে দিতে এই পোস্ট টি করলাম।
দারুন একটি সফটওয়্যার যা দিয়ে আপনি আপনার যেকোন মেমরি কার্ড বা পেনড্রাইভ পাশওয়ার্ড দিয়ে লক করে রাখতে পারবেন। লক করা পেনড্রাইভ বা মেমরি কার্ড যেকোন কম্পিউটারে লাগিয়ে ওপেন করলেই পাশওয়ার্ড চাইবে। এই সফটওয়্যার টি আপনার মেমরি কার্ড এ থেকে যাবে। এই সফটওয়্যার টি দিয়ে লক করলে আপনার সকল ফাইল অদৃশ্য হয়ে যাবে। এইটা দুই ভাবে লক ছাড়ানো যাবে। যেমন মনে করেন যে আপনি লক ছাড়াবেন না কিন্তু ফাইল গুলো দেখবেন তাও করতে পারনবেন। আর আপনি যদি চান যে সম্পুর্ন ভাবে লক ছাড়াব তাহলে তাও পারবেন।

কিভাবে পেন-ড্রাইভ বা মেমরি কার্ড পাশওয়ার্ড দিয়ে লক করবেনঃ

এখান ক্লিক করে সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করে Winrar বা Winzip দিয়ে USB নামের ফোল্ডার টি বের করুন। এখন মেমরি কার্ড বা পেন ড্রাইভ লক করবেন সেটা আপনার পিসির সাথে যুক্ত করুন তারপর আপনার বের করা USB ফোল্ডারটির মধ্যে থেকে setup.exe ফাইল টা ওপেন করুন।

আপনার পছন্দ মত ভাষা নির্বাচন করে OK বাটনে ক্লিক করুন।

এবার নেক্সট (NEXT) বাটনে ক্লিক করুন।
License Agreement পড়ার ইচ্ছে থাকলে পড়ে I Agree বাটনে ক্লিক করুন।
এবার আপনার পিসিতে যুক্ত হয়ে থাকা মেমরি কার্ড বা USB ডিক্স দেখাবে সেখানে আপনি যে ড্রাইভ টিকে লক করবেন সেটা নির্বাচন করে রেখে নেক্সট করুন।
এবার Launch USB Secure এ চেক দিয়ে Finish বাটনে ক্লিক করুন।
এবার  এই উইন্ডো টাতে Close বাটনে ক্লিক করুন।
আপনার USB ডিক্স ওপেন হয়ে যাবে সেখানে USB Secure.exe ফাইলটি ওপেন করুন।
ড্রাইভ টি লক করার জন্য Yes বাটনে ক্লিক করুন।
এখানে আপনার পছন্দ মত পাসওয়ার্ড দিয়ে Protect বাটনে ক্লিক করুন। পরের উইন্ডো তে EXIT বাটনে ক্লিক করবেন। এবার দেখুন প্রয়োজনীয় ৩ টি ফাইল ছাড়া সেই ড্রাইভে কিছু নেই। যেকোন কম্পিউটারে একই ব্যাপার।

এবার দেখুন কিভাবে পাসওয়ার্ড ছাড়াতে হয়ঃ

আপনার USB ডিক্স ওপেন করে সেখানে USB Secure.exe ফাইলটি ওপেন করুন (ডিক্স লাগালেই এটা অটোমেটিক ওপেন হওয়ার কথা)।
এখানে আপনার পাসওয়ার্ড টি দিন এখন যদি আপনি কিছুক্ষণের জন্য ড্রাইভ টি আনলক করতে চান তাহলে Open In Virtual Drive এ চেক দিন (তাহলে নতুন একটি ড্রাইভ এ ওপেন হবে) আর আপনি যদি সব সময়ের জন্য আন-লক করতে চান তাহলে Unprotect this drive এ চেক দিয়ে Unprotect বাটনে ক্লিক করুন।
আমার মতে এটি একটি কাজের সফটওয়্যার আপনাদের মত কি?

ইন্টারনেটের গতি কম? IP হ্যাক করে বেশি গতির নেট ব্যবহারের জন্য এটি দেখুন!!!

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালোই আছেন। আজকে যেটা নিয়ে লিখতে বসেছি তা হল হ্যাকিং। হ্যাকিং শব্দটা শুনলেই কেমন জানি আমাদের চোখ চকচক করে ওঠে! এটাকে অবশ্য হ্যাকিং না বলে ক্র্যাকিং বলাই ভাল! কারণ এখানে আমি যা লিখতে যাচ্ছি তা কোন গবেষণা নয় বরং ISP কে বোকা বানিয়ে অন্যের আইপি ব্যাবহার করে  বেশি ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করা। পোষ্টা প্রথমে দিতে চাইনি কিন্তু অনেকেই এই ট্রিক্সটা জানার জন্য উতালা হয়ে আছেন। আর তাই অবশেষে আমি এটা নিইয়ে লিখতে বসলাম। এ্যাডভান্সড ব্যবহারকারীরা অবশ্য আগে থেকেই এই ব্যপারে হাফেজ! কিন্তু যারা নতুন তাদের জন্যই এই টিউনটি করছি আর বড় ব্যাপার হল আপনি যদি বেশি ব্যান্ডউইথের কানেকশন নিয়েও ঠিক মত ইন্টারনেট ব্যবহার করতে না পেরে থাকেন, তবে এর সাহায্যে (যে সফটওয়্যার গুলো আমি দিব) আপনি আপনার কানেকশন অন্যকেও ব্যবহার করছে কিনা তাও হয়ত জানতে পারবেন।  যাই হোক এবার কাজের কথায় আসি। আপনারা যারা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করেন তারা খুব সহজেই আপনার ISP এর অন্য কোন ব্যবহারকারীর কানেকশন ব্যবহার করে উচ্চগতি লাভ করতে পারেন। তার জন্য আপনার নিচের সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করতে হবে। এরপর একে এক্সট্রাক্ট করার পর এর ভিতরে ipscan.exe রান করে আপনার হোস্টের IP গুলো দেখে নিন। নিচের ছবির মতো করে অনুসরণ করুন।
১. প্রথমে যা করবেন

২.

৩.

৪.

৫. এবার TMAC ইন্সটল করুন।

৬. TMAC এ্যাডমিনিস্ট্রেটর হিসেবে রান করুন।

৭. এর পর আপনার ম্যাক চেঞ্জ করে নিন এবং ঐ ম্যাকে ব্যবহৃত আইপি যোগ করুন। কোথায় কি করতে হবে তা সংক্ষেপে ছবিতে দেওয়া হল।

৮. কাজ শেষ এবার দেখুন আপনার আই ডি-ই পুরা চেঞ্জ। :) :)
আরও বিস্তারিত পরে কখোনও লিখব যদি প্রয়োজন হয়!!!
আর আপনাদের সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার গুলি একই আর্কাইভে দিয়ে দিলাম। এগুলো ফ্রী ওয়্যার তাই সিরিয়াল বা ক্র্যাকের ঝামেলা নেই। ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।
জানিনা কেমন লাগল আপনাদের। সবাই ভাল থাকবেন, এই কামনায় আজ এই পর্যন্তই। ভাল থাকুন সুস্থ্য থাকুন এই কামনায়।আর ভাল লাগলে মন্তব্য করতে ভুলবেননা। আল্লাহ হাফেজ।

সহজে হ্যাক করুন ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড (১০০% পরীক্ষিত)


কামন আছেন সবাই । অনেক দিন পর আপনাদের সামনে আমি হাজির হলাম একটা ছোট পোস্ট নিয়ে।  কিভাবে সহজে ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড হ্যাক করবেন ।অনেকেই হয়ত চেষ্টা করছেন না পেরে হাল ছেরে দিয়েছেন।তারা আবার একবার দেখতে পারেন। আমি অনেক দিন যাবত চেষ্টা করছি ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড হ্যাক করার জন্য। আজ আমি সফল হলাম তাই আমি আপনাদের সাথে শেয়ার না করে থাকতে পারলাম না।
ডাউনলোড করেন এখান থেকে  Minidwep-gtk   http://www.4shared.com/get/EGgBygVD/BEINI.html
beini Minidwep-gtk  সফটওয়্যার টি সিডি/ ডিভিডি তে রাইট করেন। অথবা পোর্টেবল ইউএসবি  বানান।
পোর্টেবল ইউএসবি বানাতে নিচের সফটওয়্যারে টি ডাউনলোড করেন আপনার উইন্ডোজ হিসেবে।
ডাউনলোড এখানে
উইন্ডোজ http://unetbootin.sourceforge.net/unetbootin-windows-latest.exe
লিনাক্স http://unetbootin.sourceforge.net/unetbootin-linux-latest
ম্যাক http://unetbootin.sourceforge.net/unetbootin-mac-latest.zip
screenshot
screenshot
Distribution-ubuntu এবং  -10.04_Live সিলেক্ট করেন।
Diskimage Minidwep-gtk   ইস্যু ইমেজ ফাইল টি দেখিয়ে দিন।
Type:USB Drive  Drive:D:\ আপনার ইউএসবি টি যে ড্রাইভ এ লাগানো থাকে ।
ইনসার্ট সিডি/ডিভিডি অথবা ইউএসবি । রিস্টার্ট কম্পিউটার এবং বুট করান সিডি/ডিভিডি অথবা ইউএসবি থেকে ।ঠিক উইন্ডোজ করার মত বুট করান।
১।বুট সফল হলে নিচের ছবির মত দেখতে পাবেন।  ক্লিক করেন Minidwep-gtk ।

২ নিচের ছবির মত একটা উইন্ডোজ আসবে  ok  ক্লিক করেন।

৩।এখন Minipwep-gtk প্রোগ্রাম টি খুলবে । ওয়ারলেস নেটওয়ার্ক খুজার জন্য ক্লিক  scan । নিচের ছবির মত।

৪। সিলেক্ট ওয়ারলেস নেটওয়ার্ক যেটা সাথে client আছে। । ক্লিক launch তাহলেই শুরু করবে ক্র্যাক প্রকসেস। নিচের ছবির মত।

ওয়ারলেস নেটওয়ার্ক  হ্যাক করতে চান তার  ডাটা প্রদান ব্যবহার অবস্তায় থাকতে হবে। তাহলে তারাতারি  ক্র্যাক প্রকসেস হবে ।যদি IVS value চালু না থাকে বা আস্তে আস্তে কাজ করে তার মানে router ডাটা প্রদান করে না।তাহলে অন্য সময় চেষ্টা করতে হবে যখন router ব্যবহার হয়। যে পাসওয়ার্ড টি শক্তিশালী তা   নাও হতে পারে।
নিচের ছবিটি দেখুন ।

৫।পাসওয়ার্ড টি খুজে পেতে সফল হলে নিচের ছবির মত দেখাবে।

WPA/WPA2 জন্য :
নিচের ছবির মত সেটিং করেন। দ 
ভাল লাগলে কষ্ট করে একটা কমেন্ট করবেন।

মোবাইলের জন্য জাবা বই বানান ।

প্রথমে এই লিংক DOWNLOAD থেকে এই সপ্টওয়ারটা নামান । আপনি যেই লিখাটিকে বই বানাতে চাচ্ছেন সেটা অবশ্যই বিজয় অর্থাথ (sutanny MJ) হতে হবে । একটি TEXT ফাইল ওপেন করে পেস্ট করুন, সেইভ করার সময় ANSI ফরমেটে সেইভ করেন । এবার ডাউনলোড করা ফাইলটি এক্সট্রাক্ট করে Shell নামের .EXE ফাইলটি ওপেন করুন । মেনু থেকে এড এ ক্লিক করে উল্লেখিত টেক্সট ফাইলটি ওপেন করুন । পন্ট থেকে (sutanny MJ) নির্বাচন করে দিন । তারপর আপনার যেভাবে ইচ্ছা, মোবাইলের জন্য সেভাবে কনফিগার করে নিতে পারেন । ফন্ট অপশনে মোবাইলের অনুযায়ী ভিউ করবে । স্ক্রিনশট গূলো দেখতে পারেন । শর্ট করে পেল্লাম ! মাপ করবেন পরীক্ষা চলতেছে, প্রয়োজনে পরে সময় নিয়ে আরও এডিট করে দিবো । যথারীতি মোবাইল (E71) থেকে ।