Tuesday, May 8, 2012

দোয়া ও মুনাজাতঃ ১. দোয়া কবুলের অনুকুল অবস্থা ও সময় ২. দোয়া কবুলের অন্তরায়সমুহ ৩. দোয়া প্রার্থনাকারী যা থেকে দুরে থাকবেন, ৪. দোয়া-মুনাজাতের আদাবসমুহ

দোয়া ও মুনাজাতঃ ১. দোয়া কবুলের অনুকুল অবস্থা ও সময় ২. দোয়া কবুলের অন্তরায়সমুহ ৩. দোয়া প্রার্থনাকারী যা থেকে দুরে থাকবেন, ৪. দোয়া-মুনাজাতের আদাবসমুহ



দোয়া ও মুনাজাত

দোয়া বিশেষ ধরনের ইবাদত। দোয়া যে ইবাদত তা সহীহ হাদিসে বর্ণিত রয়েছে। কোন রাসুল কিংবা অলীর জন্য যেমন সালাত আদায় করা চলেনা, তেমনিভাবে কোন রাসূল অথবা অলীর নিকট (তাদের মৃত্যুর পর) আল্লাহকে ছেড়ে কোন দোয়া চাওয়া যাবে না।

আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ “আল্লাহকে ছেড়ে কাউকে ডেকোনা, যে না তোমার কোন উপকার করতে পারবে, আর না কোন তি করতে পারবে। যদি তা কর অবশ্যই তুমি জালিমদের (মুশরিক) অন্তভূক্ত হয়ে যাবে”। (সুরা ইউনূস, ১০ঃ ১০৬ আয়াত)

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, “যখন কিছু চাও একমাত্র আল্লাহর নিকট চাও, আর সাহায্য চাইলেও তাঁর নিকট চাও”। (তিরমিজি)

দোয়া কবুলের অনুকুল অবস্থা ও সময়ঃ

# আযান ও যুদ্ধের ময়দানে যখন মুজাহিদগন সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে যান
# আযান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়
# সিজদার মধ্যে
# ফরজ নামাযের শেষে
# জুমআর দিনের শেষ অংশে
# রাতের শেষ তৃতীয়াংশে
# দুআ ইউনুস দ্বারা প্রার্থনা করলে
# মুসলিম ভাইয়ের অনুপস্থিতে তার জন্য দুআ করা
# সিয়ামপালনকারী, মুসাফির, মজলুমের দুআ এবং সন্তানের বিরুদ্ধে পিতা-মাতার দুআ
# আরাফাত দিবসে দুআ
# বিপদগ্রস্থ ও অসহায় ব্যক্তির দুআ
# হজ্ব ও ওমরাকারীর দুআ এবং আল্লাহর পথে অংশগ্রহনকারীর দুআ
# পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের পর মোনাজাত
(সালাত শেষে যে সকল দুআ ও জিকির হাদিস দ্বারা প্রমাণিত)

দোয়া কবুলের অন্তরায়সমুহঃ

# হারাম খাদ্য, হারাম পানীয় ও হারাম বস্ত্র
# সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ বর্জন করা
# দুআ কবুলে তাড়াহুড়ো করা
# অন্তরের উদাসীনতা
# ব্যক্তিত্বের এক বিশেষ ধরনের দুর্বলতা

দোয়া প্রার্থনাকারী যা থেকে দুরে থাকবেনঃ

# আল্লাহ ছাড়া অন্যের কাছে দুআ করা
# দুআয় সীমা লংঘন করা
# আল্লাহর রহমতকে সীমিত করার জন্য দুআ করা
# নিজের ও নিজের পরিবারের বা সম্পদের বিরুদ্ধে দোয়া করা
# সুর ও ছন্দ সহযোগে দুআ করা

দোয়া-মুনাজাতের আদাবসমুহঃ

# দুআ করার সময় তা কবুল হওয়ার ব্যাপারে দৃঢ় বিশ্বাস রাখা এবং দৃঢ়তার সঙ্গে দুআ করা
# বিনয় ও একগ্রতার সঙ্গে দুআ করা এবং আল্লাহর অনুগ্রহ লাভ ও তাঁর শাস্তি থেকে বাঁচার প্রবল আগ্রহ নিয়ে দুআ করা
# আল্লাহর কাছে অত্যন্ত বিনীত ভাবে ধর্না দেয়া এবং নিজের দুর্বলতা, অসহায়ত্ব ও বিপদের কথা আল্লাহর কাছে প্রকাশ করা
# দুআয় আল্লাহর হামদ প্রশংসা করা ও রাসুল (সাঃ) এর প্রতি দরুদ পেশ করা
# আল্লাহর সুন্দর নামসমুহ ও তাঁর মহৎ গুনাবলী দ্বারা দুআ করা
# পাপ ও গুনাহ স্বীকার করে প্রার্থনা করা
# প্রার্থনাকারী নিজের কল্যানের দুআ করবে নিজের বা মুসলিমের অনিষ্টের দুআ করবে না
# সৎ কাজের অসীলা দিয়ে দুআ করা
# বেশী বেশী ও বার বার দুআ করা
# সুখে-দুঃখে সর্বাবস্থায় দুআ করা
# দুআর বাক্য তিনবার করে উচ্চারণ করা
# দুআ-মুনাজাতে উচ্চস্বর পরিহার করা
# দুআ-প্রার্থনার পূর্বে অযু করা
# দুআয় দুহাত উত্তোলন করা
# কিবলামুখী হওয়া

বিজ্ঞানের এই যুগে যেকোনো কাজ করার পেছনে অর্থ বা যৌক্তিকতা খোজার চেষ্টা করলেও একটি জায়গায় আমরা বরাবরই মূর্খ রয়ে গেছি।

বিজ্ঞানের এই যুগে যেকোনো কাজ করার পেছনে অর্থ বা যৌক্তিকতা খোজার চেষ্টা করলেও একটি জায়গায় আমরা বরাবরই মূর্খ রয়ে গেছি।

আসসালামুআলাইকুম।

বর্তমান যুগ বিজ্ঞানের যুগ। এই যুগে আমরা যেকোনো কাজ করার আগে তার অর্থ বা এই কাজ করার যৌক্তিকতা তালাশ করি। কিন্তু দূর্ভাগ্যজনকভাবে বলতে হয়, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের উপর দৈনন্দিন যে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত/নামায ফরজ করেছেন তা আমরা বুঝে পড়ি না বা বোঝার চেষ্টাও করিনা(সালাত/নামায কেন এবং কীভাবে পড়বো তাও হয়তো অনেকে জানি না)। হাশরের ময়দানে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সালাত/নামাযের হিশাব সর্বপ্রথম নিবেন। তাই আমাদের সকলকে সালাত/নামাযের প্রতি যত্নবান হওয়া প্রয়োজন। নিচে সালাত/নামাযে আমরা কী পড়ি এবং আল্লাহর সাথে অগোচরে কী ওয়াদা(নামাযে বলছি একরকম, বাস্তবে তা করছি আরেকরকম) করছি সে সম্পর্কে সংক্ষেপে তুলে ধরা হল।


.তাকবীরে তাহরীমাঃ

উচ্চারণঃ আল্লাহু আকবার

অর্থঃ আল্লাহ সবচেয়ে বড়।

.ছানাপড়াঃ

উচ্চারণঃ সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওবিহামদিকা ওতাবারাকাছমুকা ওতাআ'লাজাদ্দুকা ওলাইলাহাগইরুক।

অর্থঃ আয়আল্লাহ! আমি তোমারই পবিত্রতা বর্ণনা করিতেছি তোমার প্রশংসার সহিত, বরকতময় তোমার নাম। সুউচ্চ তোমার মহিমা। এবং তুমি ভিন্ন কোন মা'বুদনাই।

.আউযুবিল্লাহ পড়াঃ

উচ্চারণঃ আউযুবিল্লা হিমিনাশ শায়তানির রাঝিম।

অর্থঃ আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

.বিসমিল্লাহ পড়াঃ

উচ্চারণঃ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।

অর্থঃ পরমকরুনাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।

.আলহামদু শরীফ তথা সূরায়ে ফাতিহা পড়াঃ

উচ্চারণঃ ()আলহামদুলিল্লাহি রব্বিল আলামিন, ()আররাহমানির রাহিম, ()মালিকি ইয়াওমিদ্দিন, ()ইয়্যাকা না'বুদু ওইয়্যাকা নাসতাঈন, ()ইহদিনাসসিরাতাল মুসতাকীম, ()সিরাতল্লাযিনা আনআমতা আলাইহিম, ()গাইরিলমাগদুবি আলাইহিম ওয়ালাদ্দ—লিন।(আমীন)
অর্থঃ ()সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, ()যিনি সমস্ত জগতসমূহের সৃষ্টিকর্তা, রক্ষাকর্তা, পালনকর্তা। ()যিনি দয়াময়, অত্যন্ত দয়ালু, যিনি বড় মেহেরবান। ()যিনি কর্মফল দিবসের একচ্ছত্র মালিক। ()আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদাত করিতেছি এবং তোমারই নিকট সাহায্য প্রর্থনা করিতেছি। ()আমাদেরকে দোখাও সঠিক সরল পথ। ()তাদের পথ যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করিয়াছ। যারা তোমার অনুগ্রহের পাত্র হইয়াছেন। তাদের পথ নয় যাদের প্রতি তোমার পক্ষ থেকে গযব নাযিল হয়েছে।
বিঃ দ্রঃ উক্ত সূরা(ফাতিহা) শেষ করার পর আমীন বলতে হবে এবং সূরা ফাতিহা তথা আলহামদুর সাথে অন্য সূরা মিলানো ওয়াজিব। তবে ফরয নামাযের প্রথম দুই রাকাতে তা নির্দিষ্ট।

. রুকুর তাসবীহ পড়াঃ

উচ্চারণঃ সুবহানা রাব্বিয়াল আযিম।
অর্থঃ আমার মহান প্রতিপালকের পবিত্রতা বর্ণনা করিতেছি।

. রুকু হইতে উঠিবার সময়ের তাসবীহ পড়াঃ

উচ্চারণঃ সামিআল্লাহুলিমান হামিদাহ
অর্থঃ যে আল্লাহর প্রশংসা করিয়াছে, আল্লাহ তাহার প্রশংসা কবুল করিয়াছেন।

. রুকু থেকে উঠে দাড়িয়ে থেকে পড়তে হবেঃ

উচ্চারণঃ রাব্বানা লাকাল হামদ হামদান কাছীরান ত্বাইয়্যেবান মুবারাকানফিহ।
অর্থঃ হে আমাদের প্রতিপালক অধিক অধিক প্রশংসা ও পবিত্রতা তোমারই। (এখানে রাব্বানা লাকাল হামদ পর্যন্ত পড়লেও হবে।)

. সেজদায় তাসবীহ পড়াঃ

উচ্চারণঃ সুবহানা রাব্বিয়াল আ'লা।
অর্থঃ আমার মহান প্রতিপালকের পবিত্রতা বর্ণনা করিতেছি।

১০. উভয় বৈঠকে(বসা অবস্থায়) তাশাহুদ বা আত্তাহিয়্যাতু পড়াঃ

উচ্চারণঃ আত্যাহিয়্যাতু লিল্লাহি ওস্ সলাওয়াতু ওত্ তয়্যেবাতু আসসালামুআলাইকা আয়্যুহান্নাবিয়্যু ওরাহমাতুল্লাহি ওবারাকাতুহু আসসালামুআলাইনা ওয়া'লা ঈবাদিল্লাহি সসলিহিনা আশহাদুআল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াশহাদু আন্না মুহাম্মাদাং আবদুহু ওয়ারাসূলুহ।
অর্থঃ সমস্ত মৌখিক ইবাদাত, সমস্ত শারীরিক ইবাদাত এবং সমস্ত পবিত্র বিষয় আল্লাহ তা'আলার জন্য। হে নবী! আপনার উপর শান্তি ও তাহার বরকতসমূহ নাযিল হউক। আমাদের প্রতি ও আল্লাহ তা'আলার নেক বান্দাদের প্রতি তাঁহার শান্তি বর্ষিত হউক। আমি সাক্ষ্য দিতেছি যে, আল্লাহ তা'আলা ব্যতীত আর কোন মা'বুদ নাই। আমি আরো সাক্ষ্য দিতেছি যে, হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁহার বান্দা ও রাসূল।

১১.দুরুদ শরীফ পড়াঃ

উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা সল্লেআ'লা মুহাম্মাদিও ও'য়ালা আলি মুহাম্মদ কামা সল্লেইতা'আলা ইবরাহিমা ওয়া'লা আলি ইবরাহিমা ইন্নাকা হামিদুম্মাজিদ। আল্লাহুম্মা বারিকআ'লা মুহাম্মাদিও ও'য়ালা আলি মুহাম্মদ কামা বারাকতা'আলা ইবরাহিমা ওয়া'লা আলি ইবরাহিমা ইন্নাকা হামিদুম্মাজিদ।

অর্থঃ হে আল্লাহ! তুমি রহমত বর্ষণ কর মুহাম্মদ(সা.)-এর প্রতি ও তাঁহার পরিবার পরিজনের প্রতি, যেমন রহমত বর্ষণ করিয়াছ ইবরাহীম(.)-এর প্রতি ও তাঁহার পরিবার পরিজনের প্রতি। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসিত ও সন্মানিত। হে আল্লাহ! তুমি বরকত নাযিল কর মুহাম্মদ(সা.)-এর প্রতি ও তাঁহার পরিবার পরিজনের প্রতি, যেমন বরকত নাযিল করিয়াছ ইবরাহীম(.)-এর প্রতি ও তাঁহার পরিবার পরিজনের প্রতি। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসিত ও সন্মানিত।

১২. দু'আয়ে মাসূরা পড়াঃ

উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা ইন্নি যলামতুনাফসি যুলমাং কাসিরাও ওলা ইয়াগফিরুজ্জুনুবা ইল্লা আংতা ফাগফিরলি মাগফিরাতাম মিনইংদিকা ওয়ারহামনি ইন্নাকা আংতাল গফুরুর রাহিম।

অর্থঃ হে আল্লাহ! আমি আমার আত্মার উপর অসংখ্য জুলুম করিয়াছি এবং তুমি ব্যতীত পাপ সমূহ ক্ষমা করিবার আর কেহই নাই। অতএব আমাকে ক্ষমা কর তোমার নিজের পক্ষ হইতে এবং আমাকে দয়া কর। নিশ্চয়ই তুমি ক্ষমাশীল, দয়াবান।
এখন আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ বলে ডানদিকে ও বামদিকে সালাম দিয়ে নামায শেষ করতে হবে। অর্থঃ (হে মুক্তাদী ও ফেরেশ্তাগন) তোমাদের উপর আল্লাহর শান্তি ও রহমত বর্ষিত হোউক।

বিতরের নামাযে দু'আয়ে কুনুত পড়াঃ

উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা ইন্না নাসতাঈনুকা ওয়ানাসতাগফিরুকা ওয়ানু'মিনুবিকা ওয়ানাতাওয়াক্কালু আ'লাইকা ওয়ানুছনি আ'লাইকাল খইর, ওয়ানাশকুরুকা ওয়ালানাকফুরুকা ওনাখলা'উ ওয়ানাতরুকু মাঈয়াফ যুরুকা, আল্লাহুম্মা ইয়্যা কানা'বুদু ওয়ালাকানুসল্লি ওয়ানাসযুদু ওয়ালাইকানাস'আ ওয়ানাহফিদু ওনারযু রাহমাতাকা ওয়ানাখশা আ'যাবাকা ইন্না আ'যাবাকা বিলকুফ্ফারি মুলহিক।

অর্থঃ আয় আল্লাহ! আমরা তোমার নিকট সাহায্য ভিক্ষা করিতেছি এবং তোমার নিকট ক্ষমা প্রর্থনা করিতেছি এবং তোমার উপর ঈমান আনিতেছি এবং তোমার উপর ভরসা করিতেছি। তোমার উত্তম প্রশংসা করিতেছি এবং (চিরকাল) তোমার শুকুরগুজারী করিব, কখনও তোমার নাশুকারী বা কুফুরী করিব না। তোমার নাফরমানী যাহারা করে(তাহাদের সহিত আমরা কোন সম্পর্কও রাখিব না।) তাহাদের আমরা পরিত্যাগ করিয়া চলিব। হে আল্লাহ! আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদাত করিব,(অন্য কাহারও ইবাদাত করিব না।) একমাত্র তোমার জন্য নামায পড়িব, একমাত্র তোমাকেই সেজদা করিব,(তুমি ব্যতীত আর কাহাকেও সেজদা করিব না।) এবং একমাত্র তোমার আদেশ পালন ও তাবেদারীর জন্য সর্বদা(দৃঢ় মনে) প্রস্তুত আছি। (সর্বদা) তোমার রহমতের আশা এবং তোমার আযাবের ভয় অন্তরে রাখি। (যদিও) তোমার আসল আযাব নাফরমানদের উপরই হইবে।(তথাপি আমরা সেই আযাবের ভয়ে কম্পমান থাকি।)

ডাউনলোড করুনঃ

উপরের আর্টিকেলটি

অডিও লেকচার- ওজু ও নামায শিক্ষা

বই-সালাত/নামাযে আমরা কি পড়ি?

সহজে অনলাইন থেকে উপার্জন এবং ১০ ডলার ফ্রী পাওয়ার উপায়

সহজে অনলাইন থেকে উপার্জন এবং ১০ ডলার ফ্রী পাওয়ার উপায়


Monday, May 7, 2012

Java সফটওয়্যার দিয়ে SSC, HSC রেজাল্ট দেখুন




আজ ২০১২ সালের এস.এস.সি পরিক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হবে।
আপনার Java এনাবল মোবাইলে নিচের সফটওয়্যার ইনষ্টল করুন। এটা দিয়ে SSC, HSC রেজাল্ট দেখতে পারবেন। আপনার Exam Board, Exam Type(SSC), Year(2012), Your Roll দিয়ে Set/Ok বাটন Press করুন।

সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে নিচে ক্লিক করুন।
Website থেকে দেখতে চাইল ভিজিট করুন

এস.এস.সি-দাখিল ও ভোকেশনাল-পরীক্ষার রেজাল্ট ৭ মে 2012 পাবলিশ হচ্ছে অনলাইনে-দুপুর 2.30।পাশা-পাশি দেখুন,কোন কলেজে ভর্তি হবেন। এই মাএ পাওয়া পরীক্ষার রেজাল্ট এর পাশের হার ও বিকল্পো আরেকটি ওয়েব সাইট google Ads থেকে পাওয়া ।(আপডেট)




সুপ্রিয় টেকটিউনস এর বন্ধুগণ।
‘আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ’
  • কেমন আছেন সবাই,আসা করি ভাল…সবাই ভাল থাকুন এই কামনা করে আজকের টিউন।দৈহিক সুস্থতার জন্যে প্রয়োজন সুষম খাবার গ্রহণের পাশাপাশি শারীরিক পরিশ্রম। কিন্তু পরিশ্রম পরিকল্পিত না হলে দৈহিক সৌন্দর্য ও সুস্থতা নিশ্চিত হয় না। দেহের প্রতিটা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের পরিমিত সঞ্চালন ও সক্রিয়তা না হলে দেহবিন্যাস সুষম ও সুগঠিত হতে পারে না। এজন্যেই দেহের জন্য দরকার হয়ে পড়ে পরিকল্পিত শরীরচর্চা বা ব্যায়ামের।কষ্ট হলেও নামাজ পড়ুন শরীরচর্চা বা ব্যায়াম হবে।এই বলে আজকে আপনাদের জন্য টিউন।

'''S.S.C 2012

পরীক্ষার- রেজাল্ট''''


*আজ সোম বার ৭ মে 2012 প্রকাশিত হচ্ছে এসএসসি, দাখিল ও এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষার ফল। নিচের লিঙ্ক থেকে ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবেন।

****ওয়েব সাইট থেকে****

****টেলিটকের - সাইট থেকে রেজাল্ট ।****

****মোবাইল থেকে রেজাল্ট জানা যাবে।****

আপনার এডমিট কার্ডটি হাতে নিন।তারপর পরীক্ষার নাম,বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর,রোল নম্বর,বছর লিখে (নিচের নিয়মটা দেখুন)সেন্ড করুন।
SSC Dha 123456 2012
Dakhil Mad 123456 2012
Send To 16222
  • *বেশি কিছু বললাম না, তারপর পেয়ে জাবেন আপনার ১০ বছরের ফল।
  • A++++++++++
  • বলতে গেলে;টেকটিউনস আছে বলেই আপনার খুশির সংবাদটি আমাদের মত টিউনারদের দ্বারা সহজেই পেয়ে যাচ্ছেন।তাই, খুশির আন্দটা টেকটিউনস কে নতুন টিউনের মাধমে খুশি করুন।তাহলে সবার মুখের মিষ্টি হাসিঁ টাই দোয়া পরিনিত হবে আপনার জন্য।
  • পাশ করার সাথে সথে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করতে ভুলবেন না।রেজাল্ট দেখার  সাথে-সাথে সবাই একবার বলি।
  • '''''আল-হামদুল্লিলাহ্''''

*আপনারদের রেজাল্ট  পাবলিশ হল, কিন্তু কোথায় H,S.C পড়াশুনা করবেন তা কি আপনারা জানেন।তাহলে এবার জেনে নিন আপনার পছন্দের কলেজের  নাম, ঠিকানা ও ভর্তির কার্যক্রম।

আমার -এই টিউনটি দেখুন:-----------এস.এস.সি 2011-2012(ভর্তিযুদ্ধে) সেশনের ছাত্র-ছত্রীরা এবার কলেজে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবে । সরকারী কলেজ এই প্রথমবারের মত অনলাইনে ভর্তির কর্যক্রম শুরু করেছে।(আপডেট)

এই মাএ পাওয়া(আপডেট)


*ক্লিক-(google Ads থেকে পাওয়া) করুন তার পর একটু নিচের দিকে গেলেই পেয়ে জাবেন।এখন Educationboard সার্ভার বেস্তো থাকলেও এই সাইটি আপনের কাজে দিবে।
এই মাএ পাওয়া- পরীক্ষার রেজাল্ট এর পাশের হার:

সকল বোর্ডের ৮৬.৩৭%

কুমিল্লা জেলা -৮৫.৬৪%.
  • ১ম -কুমিল্লা জিলা স্কুল।
  • ২য়-ফেনী গার্লস ক্যাডেট।
  • ৩য়-কুমিল্লা ক্যাডেট।
কুমিল্লা-জি.পি.এ.- ৫ -পেয়েছে:

  • জি.পি.এ ৫ -----৫,১৭৯

বরিশাল জেলা -৮৬.৮৬%

  • ১ম বরিশাল ক্যাডেট কলেজ।
  • ২য় বরিশাল সদর গার্সল স্কুল।
  • ৩য় বরিশাল জিলা স্কুল।
বরিশাল-জি.পি.এ.- ৫ -পেয়েছে:
  • জি.পি.এ ৫ -----২,৭৩০

সিলেট ৯১.৭৮%

  • ১ম সিলেট ক্যাডেট কলেজ।
  • ২য়  ব্লু বার্ড স্কুল এন্ড কলেজ।
  • ৩য় সিলেট পাইলট বালক উচ্চবিদ্যালয়।
সিলেট-জি.পি.এ.- ৫ -পেয়েছে:

  • জি.পি.এ ৫ ---২,৬১১

চট্রগ্রাম ৭৮.৯৬%

যোশোর ৮৭.১৬%

রাজশাহী ৮৮.৩৩%

দিনাজপুর-৮৭.১৬%

আপনাদের সুবিধার্থে বিভক্ত করেছি.
এই প্রত্যাশা রেখে
আল্লাহ হাফেজ”

Saturday, May 5, 2012

কিভাবে চিনবেন ফেসবুকের ফেক প্রোফাইল? ঠকতে না চাইলে আগে ভাগেই জেনে নিন বুঝে নিন :P




ফেসবুক এখন কতটা জনপ্রিয় তা নতুন করে বলার কিছু নেই। কিছুদিন আগে আমাদের দেশে সরকার ফেসবুক নিষিদ্ধ করে দিয়েছিল। তখন ফেসবুক ব্যবহার না করতে পেরে অনেকে খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দিয়েছিল। :P (যদিও আমি তখনও ব্যবহার করেছি)
তো এই জনপ্রিয়তাকে পুজি করে জন্ম হয়েছে ফেক প্রোফাইল। এক সমিক্ষায় দেখা গেছে নতুন প্রোফাইলের ৪০% ফেক!
তাহলে বুঝেন কত ভয়াবহ অবস্থা!

কেন ফেক প্রোফাইল তৈরি করা হয়?

  • স্রেফ মজা করার জন্য।
  • স্পাম করার জন্য।
  • আইডি হ্যাক করার জন্যেও অনেক সময় তৈরি করা হয়।
এছাড়া কিছু মানসিক অসুস্থ মানুষ আছে যারা ফেক আইডি কেন বানায় তা নিজেরাও জানে না!

কিভাবে চিনবেন ফেসবুকের ফেক প্রোফাইল?

  • *যদি দেখেন আপনাকে বারাক ওবামা বা সেলেব্রেটি কেউ এড রিকুয়েস্ট করেছে। :P :P ;) (আমাকে একবার নায়িকা পপি করেছিল)
  • * যদি দেখেন ছবি মাত্র একটা। আর বাকিগুলা গরু ছাগলের ছবি দিয়ে ভরা। X(
  • *যদি দেখেন গনহারে সবাইকে এড করছে যেন বড় মনের মানুষ।
  • *যদি দেখেন আইডি ওপেন করেছে কিছুদিন আগে কিন্তু ফ্রেন্ড সংখ্যা ৪০০০ ছাড়িয়ে গেছে।
  • *যদি দেখেন জন্মদিনের ডেট ০১-০১ বা ০১-১২ দিয়ে শুরু।
  • * যদি দেখেন প্রাইভেসি সেটিংস সবার জন্য ওপেন।
  • *যদি দেখেন প্রোফাইলের তথ্য দায়সারাভাবে দেয়া।
  • *যদি দেখেন কোন সাইটের লিঙ্ক দিয়ে সবাইকে বলছে জয়েন করতে।
  • *যদি দেখেন কোনদিন স্ট্যাটাস আপডেট করে না।
এছাড়া আপনার অভিজ্ঞতার অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে সনাক্ত করেন ফেক প্রোফাইল। (আমার তিন বছরের অভিজ্ঞতা) :P:P
আপনারাও আইডিয়া শেয়ার করতে পারেন। এড করে দিব। :)

  • কর্নেল ব্লেড বলেছেন: যদি দেখেন হট মাইয়া মাইনসের পিক দেয়া কেউ আপনারে এড মারসে। ;)
  • আসিফ মুভি পাগলা বলেছেন: একটা ফেক প্রোফাইল দেখসিলাম । মেয়ের নাম মেয়ের ছবি । কিন্তু কলেজ লেখা নটরডেম=p~ =p~=p~
  • বাংলার আগন্তুক বলেছেন: যদি কোনো মাইয়া নিক খালি প্রেমের আর একাকিত্বের স্ট্যাটাস দেয়। যেমন: একবার যদি কেউ ভালোবাসতো, আমার ন্যন দুটি জলে ভাসতো.......................... হে আমার জ্ঞাতি ভাই সকল .... তুমরা ফেক চিপায় লুল ঢালিও না ..... ফিউচারে ক্রাইছিচ হইতে পারে .... /:) /:)
  • লুথা বলেছেন: যদি দেখেন যে মেয়ের ছবি কিন্তু ছবিতে ছেলের নামের প্রোফাইল ট্যাগ করা... ;)

চলুন দেখি কিছু ফেক প্রোফাইল:




শুধু মাত্র মজার জন্য এই টিউন!

Friday, May 4, 2012

আপনি চাইলে Ram গতি বাড়িয়ে নিতে পারেন।

 টিউন করেছেন : সজিব আহমেদ | প্রকাশিত হয়েছে : 26 May, 2011 on 10:46 pm | 2,686 বার দেখা হয়েছে |  27
Ads by Techtunes - tAds


পিসি অনেক কারনেই স্লো হয়ে যায়। তার মধ্যে একটি কারন হচ্ছে র‌্যামের সল্পতা।আমরা যখন পিসিতে কাজ করি তখন Ram অনেক তথ্য জমা হয়।পরে বিভিন্ন ক্লিনার দ্বারা ঐ ফাইল গুলো কে মুছে ফেলতে হয়।কিন্তু এখন তার আর কোন দরকার নেই।কারণ কম্পিউটার সেটি নিজে নিজে করবে।
 কম্পিউটার বন্ধ করার সময় ভার্চুয়াল মেমোরি হিসেবে কাজ করা পেইজ ফাইল মুছে ফেলে র‌্যামের গতি বাড়ানো যায়।
 এ জন্য Start থেকে control panel-এ যান। এখান থেকে Administrative Tools->Local Security Policy->Security Settings->Local Policies->Security Options ঠিকানায় যান।
 ডানপাশের Shutdown : Clear virtual memory page file অপশনে ডাবল ক্লিক করুন এবং অপশনটি Enable করে OK দিয়ে বের হয়ে আসুন। এখন কম্পিউটার বন্ধের সময় virtual memory page file স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যাবে।

আশা করি কাজ হবে। যদি কাজ হয় তা হলে জানাবেন কিন্তু।

সবাই কে ধন্যবাদ।