Monday, May 21, 2012

আর নয় এন্টিভাইরাসঃ নিজেই দূর করুন ভাইরাস ছড়ানো

১. খুব সহজেই বন্ধ করুন পেনড্রাইভ দিয়ে ভাইরাস ছড়ানো

virus.jpg

আগে আমরা দেখি ভাইরাস ছড়ায় কেমন করে। ভাইরাস আক্রান্ত পিসিতে পেনড্রাইভ লাগালে ভাইরাসটি পেনড্রাইভে তার একটা কপি তৈরি করে। আর একটা autorun.inf  ফাইল তৈরি করে দেয়। এই আক্রান্ত পেনড্রাইভটি অন্য পিসিতে লাগানোর পর এর সাথে জড়িত যেকোন “Event” ঘটলে (যেমন open বা explore করলে ) autorun.inf ফাইলটি সক্রিয় হয়ে ভাইরাসটিকে Execute  করে দেয়। তার মানে কোনভাবে এই autorun.inf ফাইলকে তৈরি হতে দেয়া না হলে, ভাইরাস পেনড্রাইভে থাকলেও Execute  করবে না।
এখন সমাধান হল আগে থেকে আপনি আপনার পেনড্রাইভে একটা autorun.inf নামে “ফোল্ডার” (ফাইল নয়) তৈরি করে রাখুন। তাহলেই তাকে রিপ্লেস করে আক্রান্ত পিসির ভাইরাসটি নিজস্ব autorun.inf ফাইল তৈরি করতে পারবে না। কারণ, বেশিরভাগ ভাইরাস নির্মাতারা এই বিদঘুটে সমভাবনাটা এড়িয়েই যান।

 ২. সবসময় সিস্টেম ফাইল Show করুন

ভাইরাসের এক্সিকিউটেবল (*.exe) ফাইলগুলোর Attibute হয় সাধারনত Hidden এবং System File যা সাধারনত Show করা থাকে না। তাই আপনি বুঝতেও পারেননা আপনার পেনড্রাইভে ভাইরাস আছে কিনা। এধরনের ফাইল চিহ্নিত করতে Tools মেনু থেকে Folder Options এ গিয়ে View ট্যাব থেকে Show Hidden Files and Folders রেডিও বাটন সিলেক্ট করুন।এবার ঠিক তার নিচের  Hide Extensions for known File Types এবং Hide Protected Operating System Files লেখা দুটি চেকবক্স আনচেক করে Apply দিয়ে Ok করে বেরিয়ে আসুন।
এবারে পেনড্রাইভে সন্দেহজনক কোন Hidden  এক্সিকিউটেবল (*.exe) ফাইল দেখলে ডিলিট করে দিন।

৩. Drive Letter টাইপ করে পেনড্রাইভ খুলুন

dialogbox.JPGভাইরাস আক্রান্ত বা সন্দেহজনক পেনড্রাইভ কখনোই ডাবলক্লিক করে অথবা রাইট বাটনে ক্লিক দিয়ে (Open বা Explore করে) খুলবেন না। Address Bar থেকে Drive Letter (যেমনঃ D:\ বা I:\) টাইপ করে খুলবেন। এতে ভাইরাস থাকলেও তা আপনার পিসিকে আক্রান্ত করার সুযোগ পাবে না।
একইভাবে হার্ডডিস্কের অন্যান্য পার্টিশনে ভাইরাস থাকলে তা ডিলিট করুন এবং পিসি রিস্টার্ট দিন।

৪. স্টার্টআপ পরিষ্কার রাখুন

আপনার পিসি Boot করার পর যেসব প্রোগ্রাম লোড করে তা থাকে স্টার্টআপে। নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রামগুলো ছাড়া অন্যান্য প্রোগ্রামগুলোর চেকবক্স আনচেক করে দিন। এটি আপনি পাবেন উইন্ডোজের Run থেকে msconfig লিখে এন্টার দিলে যে ডায়ালগ বক্স আসবে তার Startup ট্যাব থেকে। এবারে পিসি রিস্টার্ট দিন।

৫. অপ্রয়োজনীয় Process দূর করুন

অনেকসময় ভাইরাস ফাইল চিহ্নিত করার পরেও তা ডিলিট করতে গেলে এরর দেয় বা “Access is Denied” দেখায়। এরকম হলে বুঝতে হবে ভাইরাস Process টি বর্তমানে Running অবস্থায় আছে যা আগে বন্ধ করতে হবে। আপনি Ctrl+Alt+Delete চেপে Task Manager থেকে প্রসেসটি বন্ধ করতে পারেন। কিন্তু সমস্যা হয় তখনই যখন প্রসেসটি থাকে Hidden যা  Task Manager এ Show করে না। এক্ষেত্রে আপনি HijackThis নামের সফটওয়্যারটি ব্যবহার করতে পারেন যা বেশ ভাল একটি Spyware Remover।

টি আপনি ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। HijackThis স্টার্ট করে Scan করে তৈরি করা লগ ফাইলটি http://www.hijackthis.de/ এই সার্ভিসের মাধ্যমে সাবমিট করে কোন প্রোগ্রামের প্রসেস কিরকম বা রেটিং জেনে আপনি অনায়াসে Hidden Process গুলো দূর করতে পারবেন।

৬. দূর করুন সাধারণ ভাইরাস সমস্যা

পেন ড্রাইভের মাধমে যে ভাইরাস গুলো ধরে সেগুলো সাধারণ কিছু সমস্যা সৃষ্টি করে এই যেমন Disk Access নষ্ট করা, Folder Option Access নষ্ট করা ইত্যদি। ডিস্ক হিল ব্যবহার করে খুব সহজেই এইসব সমস্যার সমাধান করা যায়। এই সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন টিউনার মেহদির এই টিউনটিতে

তাহলে শুরু করে দিন আপনার নিজে নিজে ভাইরাস নিধন অভিযান। আর কোন সমস্যায় পরলে আমি তো আছিই.. ;-)

৪২১ ভাইরাস থেকে বাঁচুন আজই

Ads by Techtunes - tAds
Dueza.com

কোন কোন সময় ভাইরাস দ্বারা কমপিউটার আক্রান্ত হলে USB drive এর ফোলডার গুলোতে ৪২১ দেখায়, যার ফলে কোন কোন কমপিউটারে আপনার ফাইল গুলো hide হয়ে যায়। আবার কোন গুলোতে দেখালেও তা open করতে গেলে নতুন windows open হয়। এর ফলে অনেকটা বিরক্তি লাগে। এই বস সহজে যেতে চাইনা। আর এয় ৪২১ বসকে দেখার হাত থেকে বাঁচতে হলে নিচের ধাপ গুলো অনুসরণ করলে আশা করা যায় আর দেখাবেনা।

প্রথমে আপনার pen drive অথবা memory card থেকে আপনার ফাইল গুলো কপি করে কমপিউটারের অন্য কোন drive এ রাখুন। desktop এ একটি নতুন folder তৈরি করুন এবং Folder টির আইকোন পরিবর্তন করুন । আইকোন পরিবর্তন করতে Folder টি open করে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করুন (customize this folder)-option এ ক্লিক করুন। এর পর change icon option ক্লিক করে ইচ্ছে মত আইকোন পরিবর্তন করুন। এই বার আপনার pen drive এর ফাইল গুলো এই ফোলডারে পেস্ট করুন।

এবার আপনার pen drive format করুন। এখন আপনার নতুন folder তৈরি কৃত আপনার সকল ফাইল আপনার pen drive এ পেস্ট করুন।

কোন সফটওয়ার ছাড়া, এক সাথে যত খুশি তত Yahoo open করুন।


Dueza.com
সালাম সবাই কে, আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন। আজকে আমি দেখাব কি করে কোন সফটওয়ার ছাড়া, এক সাথে যত খুশি তত Yahoo open করতে পারবেন।
প্রথমে start এ যান, তারপর Run এ click করুন। এবং সেখানে regedit লিখুন। তারপর OK press করুন।
HKEY_CURRENT_USER  এর বামে "+" এ click করুন
একই ভাবে software এর বামে "+" এ click করুন
একই ভাবে yahoo এর বামে "+" এ click করুন
একই ভাবে pager এর বামে "+" এ click করুন
তারপর Test এর উপর একটি click করুন এবং ডানে পাশে লক্ষ করুন
এখন এখানে mouse এর right buttome এ click করে, নতুন একটি DWORD Value তৈরি করুন, এবং ইহা rename করুন "plural"
এখন plural এর উপর mouse এর right buttome এ click করে Modify তে click করুন
DWORD Value টির Value data "0" দেওয়া থাকবে, ইহা পরিবর্তন করে "1" করে নিন। এবং ok press করুন। ব্যাস হয়ে গেল...
প্রতিবার যেন এত কষ্ট করতে না হয় সে জন্য আপনি চাইলে ইহার জন্য একটি regedit file তৈরি করে রাখতে পারেন।
যেভাবে তৈরি করতে হবে......
Test এর উপর mouse এর right buttome এ click করে  "Export" এ click করলে একটি save option আসবে।
তারপর আপনি ইহাকে যে কোন নাম দিয়ে save করে রাখুন।
save করার পর এমন দেখাবে.... file টিকে যত্ন সহকারে save করে রাখুন।
এরপর থেকে পুরো কাজ না করে শুধু file টিতে দু্ই বার click করার পর  OK press করলেই চলবে। আপনি চাইলে এই file টি অন্য যে কোন কম্পিউটারে ব্যবহার করতে পারবেন।
এবার যত খুশি তত Yahoo open করুন।
জানিনা টিউনটি আপনাদের কাছে কেমন লেগেছে, ভাল লাগলে জানাবেন....
ভাল থাকবেন সবাই........
আসসালামুআলাইকুম

Computer open করুন পাসওয়ার্ড ছাড়া।


Post an ad on ClickBD.com and win an iPhone 4 every month
আসসলামুয়ালাইকুম। এটা আমার প্রথম টিউন ভুল হলে মাফ করবেন।
আজকে আমি আপনাদের দেখাব কিভাবে password ছাড়া computer open করবেন।
এই কাজের জন্য আমাদের যা যা লাগবে
১. একটা pen drive
2. windows password bypass.rar
এবার কাজ শুরু করা যাক। প্রথমে windows password bypass.rar এ ক্লিক করে সফটওয়্যারটি download করে নিন।
এখন একটি নতুন folder এ windows password bypass.rar  extract করুন।

এখন YUMI-0.0.1.3.exe open করুন।

click to I Agree.
এখন আপনি আপনার pen drive এর letter সিলেক্ট করুন।
Format এর পাশের box এ টিক দিন।

এখন select a distribution from the following box to put on your usb থাকে kon-boot Floppy Image সিলেক্ট করুন এবং create button এ click করুন।

yes button এ ক্লিক করুন।
এখন যে কম্পিউটার এর password ছাড়া খুলতে চান ,সে computer এর usb 2.0 port এ pen drive টি লাগান এবং computer চালু করুন ।এখন computer চালু হওয়ার সাথেসাথে DEL button press করে bios setup এ যান।

Bios setup থাকে advanced BIOS features থাকে First boot device এ removable সিলেক্ট করুন।

এখন ENTER press করুন এবং F10 Press করে এর পর  Y press করে enter press করুন।

এখন Computer restart হবে।
এখন computer start হলে windows এর logo না এসে YUMI multiboot আসবে।

এখন YUMI multiboot usb থাকে other operating systems and tools সিলেক্ট করুন।

Kon boot সিলেক্ট করুন।

এখন Boot kon boot সিলেক্ট করুন।
এখন দেখতে থাকুন আর কিছু করার দরকার নেই।।


এখন দেখবেন password ছাড়াই computer open হয়ে গেছে...
Please comment.........

Tuesday, May 8, 2012

দোয়া ও মুনাজাতঃ ১. দোয়া কবুলের অনুকুল অবস্থা ও সময় ২. দোয়া কবুলের অন্তরায়সমুহ ৩. দোয়া প্রার্থনাকারী যা থেকে দুরে থাকবেন, ৪. দোয়া-মুনাজাতের আদাবসমুহ

দোয়া ও মুনাজাতঃ ১. দোয়া কবুলের অনুকুল অবস্থা ও সময় ২. দোয়া কবুলের অন্তরায়সমুহ ৩. দোয়া প্রার্থনাকারী যা থেকে দুরে থাকবেন, ৪. দোয়া-মুনাজাতের আদাবসমুহ



দোয়া ও মুনাজাত

দোয়া বিশেষ ধরনের ইবাদত। দোয়া যে ইবাদত তা সহীহ হাদিসে বর্ণিত রয়েছে। কোন রাসুল কিংবা অলীর জন্য যেমন সালাত আদায় করা চলেনা, তেমনিভাবে কোন রাসূল অথবা অলীর নিকট (তাদের মৃত্যুর পর) আল্লাহকে ছেড়ে কোন দোয়া চাওয়া যাবে না।

আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ “আল্লাহকে ছেড়ে কাউকে ডেকোনা, যে না তোমার কোন উপকার করতে পারবে, আর না কোন তি করতে পারবে। যদি তা কর অবশ্যই তুমি জালিমদের (মুশরিক) অন্তভূক্ত হয়ে যাবে”। (সুরা ইউনূস, ১০ঃ ১০৬ আয়াত)

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, “যখন কিছু চাও একমাত্র আল্লাহর নিকট চাও, আর সাহায্য চাইলেও তাঁর নিকট চাও”। (তিরমিজি)

দোয়া কবুলের অনুকুল অবস্থা ও সময়ঃ

# আযান ও যুদ্ধের ময়দানে যখন মুজাহিদগন সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে যান
# আযান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়
# সিজদার মধ্যে
# ফরজ নামাযের শেষে
# জুমআর দিনের শেষ অংশে
# রাতের শেষ তৃতীয়াংশে
# দুআ ইউনুস দ্বারা প্রার্থনা করলে
# মুসলিম ভাইয়ের অনুপস্থিতে তার জন্য দুআ করা
# সিয়ামপালনকারী, মুসাফির, মজলুমের দুআ এবং সন্তানের বিরুদ্ধে পিতা-মাতার দুআ
# আরাফাত দিবসে দুআ
# বিপদগ্রস্থ ও অসহায় ব্যক্তির দুআ
# হজ্ব ও ওমরাকারীর দুআ এবং আল্লাহর পথে অংশগ্রহনকারীর দুআ
# পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের পর মোনাজাত
(সালাত শেষে যে সকল দুআ ও জিকির হাদিস দ্বারা প্রমাণিত)

দোয়া কবুলের অন্তরায়সমুহঃ

# হারাম খাদ্য, হারাম পানীয় ও হারাম বস্ত্র
# সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ বর্জন করা
# দুআ কবুলে তাড়াহুড়ো করা
# অন্তরের উদাসীনতা
# ব্যক্তিত্বের এক বিশেষ ধরনের দুর্বলতা

দোয়া প্রার্থনাকারী যা থেকে দুরে থাকবেনঃ

# আল্লাহ ছাড়া অন্যের কাছে দুআ করা
# দুআয় সীমা লংঘন করা
# আল্লাহর রহমতকে সীমিত করার জন্য দুআ করা
# নিজের ও নিজের পরিবারের বা সম্পদের বিরুদ্ধে দোয়া করা
# সুর ও ছন্দ সহযোগে দুআ করা

দোয়া-মুনাজাতের আদাবসমুহঃ

# দুআ করার সময় তা কবুল হওয়ার ব্যাপারে দৃঢ় বিশ্বাস রাখা এবং দৃঢ়তার সঙ্গে দুআ করা
# বিনয় ও একগ্রতার সঙ্গে দুআ করা এবং আল্লাহর অনুগ্রহ লাভ ও তাঁর শাস্তি থেকে বাঁচার প্রবল আগ্রহ নিয়ে দুআ করা
# আল্লাহর কাছে অত্যন্ত বিনীত ভাবে ধর্না দেয়া এবং নিজের দুর্বলতা, অসহায়ত্ব ও বিপদের কথা আল্লাহর কাছে প্রকাশ করা
# দুআয় আল্লাহর হামদ প্রশংসা করা ও রাসুল (সাঃ) এর প্রতি দরুদ পেশ করা
# আল্লাহর সুন্দর নামসমুহ ও তাঁর মহৎ গুনাবলী দ্বারা দুআ করা
# পাপ ও গুনাহ স্বীকার করে প্রার্থনা করা
# প্রার্থনাকারী নিজের কল্যানের দুআ করবে নিজের বা মুসলিমের অনিষ্টের দুআ করবে না
# সৎ কাজের অসীলা দিয়ে দুআ করা
# বেশী বেশী ও বার বার দুআ করা
# সুখে-দুঃখে সর্বাবস্থায় দুআ করা
# দুআর বাক্য তিনবার করে উচ্চারণ করা
# দুআ-মুনাজাতে উচ্চস্বর পরিহার করা
# দুআ-প্রার্থনার পূর্বে অযু করা
# দুআয় দুহাত উত্তোলন করা
# কিবলামুখী হওয়া

বিজ্ঞানের এই যুগে যেকোনো কাজ করার পেছনে অর্থ বা যৌক্তিকতা খোজার চেষ্টা করলেও একটি জায়গায় আমরা বরাবরই মূর্খ রয়ে গেছি।

বিজ্ঞানের এই যুগে যেকোনো কাজ করার পেছনে অর্থ বা যৌক্তিকতা খোজার চেষ্টা করলেও একটি জায়গায় আমরা বরাবরই মূর্খ রয়ে গেছি।

আসসালামুআলাইকুম।

বর্তমান যুগ বিজ্ঞানের যুগ। এই যুগে আমরা যেকোনো কাজ করার আগে তার অর্থ বা এই কাজ করার যৌক্তিকতা তালাশ করি। কিন্তু দূর্ভাগ্যজনকভাবে বলতে হয়, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের উপর দৈনন্দিন যে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত/নামায ফরজ করেছেন তা আমরা বুঝে পড়ি না বা বোঝার চেষ্টাও করিনা(সালাত/নামায কেন এবং কীভাবে পড়বো তাও হয়তো অনেকে জানি না)। হাশরের ময়দানে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সালাত/নামাযের হিশাব সর্বপ্রথম নিবেন। তাই আমাদের সকলকে সালাত/নামাযের প্রতি যত্নবান হওয়া প্রয়োজন। নিচে সালাত/নামাযে আমরা কী পড়ি এবং আল্লাহর সাথে অগোচরে কী ওয়াদা(নামাযে বলছি একরকম, বাস্তবে তা করছি আরেকরকম) করছি সে সম্পর্কে সংক্ষেপে তুলে ধরা হল।


.তাকবীরে তাহরীমাঃ

উচ্চারণঃ আল্লাহু আকবার

অর্থঃ আল্লাহ সবচেয়ে বড়।

.ছানাপড়াঃ

উচ্চারণঃ সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওবিহামদিকা ওতাবারাকাছমুকা ওতাআ'লাজাদ্দুকা ওলাইলাহাগইরুক।

অর্থঃ আয়আল্লাহ! আমি তোমারই পবিত্রতা বর্ণনা করিতেছি তোমার প্রশংসার সহিত, বরকতময় তোমার নাম। সুউচ্চ তোমার মহিমা। এবং তুমি ভিন্ন কোন মা'বুদনাই।

.আউযুবিল্লাহ পড়াঃ

উচ্চারণঃ আউযুবিল্লা হিমিনাশ শায়তানির রাঝিম।

অর্থঃ আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

.বিসমিল্লাহ পড়াঃ

উচ্চারণঃ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।

অর্থঃ পরমকরুনাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।

.আলহামদু শরীফ তথা সূরায়ে ফাতিহা পড়াঃ

উচ্চারণঃ ()আলহামদুলিল্লাহি রব্বিল আলামিন, ()আররাহমানির রাহিম, ()মালিকি ইয়াওমিদ্দিন, ()ইয়্যাকা না'বুদু ওইয়্যাকা নাসতাঈন, ()ইহদিনাসসিরাতাল মুসতাকীম, ()সিরাতল্লাযিনা আনআমতা আলাইহিম, ()গাইরিলমাগদুবি আলাইহিম ওয়ালাদ্দ—লিন।(আমীন)
অর্থঃ ()সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, ()যিনি সমস্ত জগতসমূহের সৃষ্টিকর্তা, রক্ষাকর্তা, পালনকর্তা। ()যিনি দয়াময়, অত্যন্ত দয়ালু, যিনি বড় মেহেরবান। ()যিনি কর্মফল দিবসের একচ্ছত্র মালিক। ()আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদাত করিতেছি এবং তোমারই নিকট সাহায্য প্রর্থনা করিতেছি। ()আমাদেরকে দোখাও সঠিক সরল পথ। ()তাদের পথ যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করিয়াছ। যারা তোমার অনুগ্রহের পাত্র হইয়াছেন। তাদের পথ নয় যাদের প্রতি তোমার পক্ষ থেকে গযব নাযিল হয়েছে।
বিঃ দ্রঃ উক্ত সূরা(ফাতিহা) শেষ করার পর আমীন বলতে হবে এবং সূরা ফাতিহা তথা আলহামদুর সাথে অন্য সূরা মিলানো ওয়াজিব। তবে ফরয নামাযের প্রথম দুই রাকাতে তা নির্দিষ্ট।

. রুকুর তাসবীহ পড়াঃ

উচ্চারণঃ সুবহানা রাব্বিয়াল আযিম।
অর্থঃ আমার মহান প্রতিপালকের পবিত্রতা বর্ণনা করিতেছি।

. রুকু হইতে উঠিবার সময়ের তাসবীহ পড়াঃ

উচ্চারণঃ সামিআল্লাহুলিমান হামিদাহ
অর্থঃ যে আল্লাহর প্রশংসা করিয়াছে, আল্লাহ তাহার প্রশংসা কবুল করিয়াছেন।

. রুকু থেকে উঠে দাড়িয়ে থেকে পড়তে হবেঃ

উচ্চারণঃ রাব্বানা লাকাল হামদ হামদান কাছীরান ত্বাইয়্যেবান মুবারাকানফিহ।
অর্থঃ হে আমাদের প্রতিপালক অধিক অধিক প্রশংসা ও পবিত্রতা তোমারই। (এখানে রাব্বানা লাকাল হামদ পর্যন্ত পড়লেও হবে।)

. সেজদায় তাসবীহ পড়াঃ

উচ্চারণঃ সুবহানা রাব্বিয়াল আ'লা।
অর্থঃ আমার মহান প্রতিপালকের পবিত্রতা বর্ণনা করিতেছি।

১০. উভয় বৈঠকে(বসা অবস্থায়) তাশাহুদ বা আত্তাহিয়্যাতু পড়াঃ

উচ্চারণঃ আত্যাহিয়্যাতু লিল্লাহি ওস্ সলাওয়াতু ওত্ তয়্যেবাতু আসসালামুআলাইকা আয়্যুহান্নাবিয়্যু ওরাহমাতুল্লাহি ওবারাকাতুহু আসসালামুআলাইনা ওয়া'লা ঈবাদিল্লাহি সসলিহিনা আশহাদুআল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াশহাদু আন্না মুহাম্মাদাং আবদুহু ওয়ারাসূলুহ।
অর্থঃ সমস্ত মৌখিক ইবাদাত, সমস্ত শারীরিক ইবাদাত এবং সমস্ত পবিত্র বিষয় আল্লাহ তা'আলার জন্য। হে নবী! আপনার উপর শান্তি ও তাহার বরকতসমূহ নাযিল হউক। আমাদের প্রতি ও আল্লাহ তা'আলার নেক বান্দাদের প্রতি তাঁহার শান্তি বর্ষিত হউক। আমি সাক্ষ্য দিতেছি যে, আল্লাহ তা'আলা ব্যতীত আর কোন মা'বুদ নাই। আমি আরো সাক্ষ্য দিতেছি যে, হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁহার বান্দা ও রাসূল।

১১.দুরুদ শরীফ পড়াঃ

উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা সল্লেআ'লা মুহাম্মাদিও ও'য়ালা আলি মুহাম্মদ কামা সল্লেইতা'আলা ইবরাহিমা ওয়া'লা আলি ইবরাহিমা ইন্নাকা হামিদুম্মাজিদ। আল্লাহুম্মা বারিকআ'লা মুহাম্মাদিও ও'য়ালা আলি মুহাম্মদ কামা বারাকতা'আলা ইবরাহিমা ওয়া'লা আলি ইবরাহিমা ইন্নাকা হামিদুম্মাজিদ।

অর্থঃ হে আল্লাহ! তুমি রহমত বর্ষণ কর মুহাম্মদ(সা.)-এর প্রতি ও তাঁহার পরিবার পরিজনের প্রতি, যেমন রহমত বর্ষণ করিয়াছ ইবরাহীম(.)-এর প্রতি ও তাঁহার পরিবার পরিজনের প্রতি। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসিত ও সন্মানিত। হে আল্লাহ! তুমি বরকত নাযিল কর মুহাম্মদ(সা.)-এর প্রতি ও তাঁহার পরিবার পরিজনের প্রতি, যেমন বরকত নাযিল করিয়াছ ইবরাহীম(.)-এর প্রতি ও তাঁহার পরিবার পরিজনের প্রতি। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসিত ও সন্মানিত।

১২. দু'আয়ে মাসূরা পড়াঃ

উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা ইন্নি যলামতুনাফসি যুলমাং কাসিরাও ওলা ইয়াগফিরুজ্জুনুবা ইল্লা আংতা ফাগফিরলি মাগফিরাতাম মিনইংদিকা ওয়ারহামনি ইন্নাকা আংতাল গফুরুর রাহিম।

অর্থঃ হে আল্লাহ! আমি আমার আত্মার উপর অসংখ্য জুলুম করিয়াছি এবং তুমি ব্যতীত পাপ সমূহ ক্ষমা করিবার আর কেহই নাই। অতএব আমাকে ক্ষমা কর তোমার নিজের পক্ষ হইতে এবং আমাকে দয়া কর। নিশ্চয়ই তুমি ক্ষমাশীল, দয়াবান।
এখন আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ বলে ডানদিকে ও বামদিকে সালাম দিয়ে নামায শেষ করতে হবে। অর্থঃ (হে মুক্তাদী ও ফেরেশ্তাগন) তোমাদের উপর আল্লাহর শান্তি ও রহমত বর্ষিত হোউক।

বিতরের নামাযে দু'আয়ে কুনুত পড়াঃ

উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা ইন্না নাসতাঈনুকা ওয়ানাসতাগফিরুকা ওয়ানু'মিনুবিকা ওয়ানাতাওয়াক্কালু আ'লাইকা ওয়ানুছনি আ'লাইকাল খইর, ওয়ানাশকুরুকা ওয়ালানাকফুরুকা ওনাখলা'উ ওয়ানাতরুকু মাঈয়াফ যুরুকা, আল্লাহুম্মা ইয়্যা কানা'বুদু ওয়ালাকানুসল্লি ওয়ানাসযুদু ওয়ালাইকানাস'আ ওয়ানাহফিদু ওনারযু রাহমাতাকা ওয়ানাখশা আ'যাবাকা ইন্না আ'যাবাকা বিলকুফ্ফারি মুলহিক।

অর্থঃ আয় আল্লাহ! আমরা তোমার নিকট সাহায্য ভিক্ষা করিতেছি এবং তোমার নিকট ক্ষমা প্রর্থনা করিতেছি এবং তোমার উপর ঈমান আনিতেছি এবং তোমার উপর ভরসা করিতেছি। তোমার উত্তম প্রশংসা করিতেছি এবং (চিরকাল) তোমার শুকুরগুজারী করিব, কখনও তোমার নাশুকারী বা কুফুরী করিব না। তোমার নাফরমানী যাহারা করে(তাহাদের সহিত আমরা কোন সম্পর্কও রাখিব না।) তাহাদের আমরা পরিত্যাগ করিয়া চলিব। হে আল্লাহ! আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদাত করিব,(অন্য কাহারও ইবাদাত করিব না।) একমাত্র তোমার জন্য নামায পড়িব, একমাত্র তোমাকেই সেজদা করিব,(তুমি ব্যতীত আর কাহাকেও সেজদা করিব না।) এবং একমাত্র তোমার আদেশ পালন ও তাবেদারীর জন্য সর্বদা(দৃঢ় মনে) প্রস্তুত আছি। (সর্বদা) তোমার রহমতের আশা এবং তোমার আযাবের ভয় অন্তরে রাখি। (যদিও) তোমার আসল আযাব নাফরমানদের উপরই হইবে।(তথাপি আমরা সেই আযাবের ভয়ে কম্পমান থাকি।)

ডাউনলোড করুনঃ

উপরের আর্টিকেলটি

অডিও লেকচার- ওজু ও নামায শিক্ষা

বই-সালাত/নামাযে আমরা কি পড়ি?

সহজে অনলাইন থেকে উপার্জন এবং ১০ ডলার ফ্রী পাওয়ার উপায়

সহজে অনলাইন থেকে উপার্জন এবং ১০ ডলার ফ্রী পাওয়ার উপায়