Monday, May 28, 2012

পেপাল $ কিভাবে বাংলাদেশে আনবেন সহজ টিপস।

পেপাল $ কিভাবে বাংলাদেশে আনবেন সহজ টিপস।

কিছুদিন আগে আমি একটা কাজ পাই বায়ার আমাকে সরাসরি পেপালে পেমেন্ট করেন। আমি পেপালের একাউন্ট মাষ্টারকার্ড দিয়ে ভেরিফাই করি যার কারনে আমি ভাবছি মাষ্টারকার্ড দিয়ে টাকা তোলা যাবে। আমি ইন্ডিয়ার পেপাল একাউন্ট করছি কিছুদিন আগে আমি  আগে আমি পেপাল থেকে ম্যাসেজ পাই যে পেপালের টাকাম মার্চের ১ তারিখের পর টাকা পেপাল টু পেপাল সেন্ড করা যাবে না এবং অনলাইন থেকে কিছুই কিনা যাবে না তাই আমি সিদ্ধান্ত নেই আমার পেপালের টাকা sell করে দিব। আমি কার কাছে sell করব? পেপাল টাকা কে কিনবে? আবার পেমেন্ট কিভাবে নিব ?এতো ঝামেলা আমার ভাল লাগে নাই তাই এক ভাই আমাকে একটা বুদ্ধি দিল যে তুমি
Freelancer কাজ পোষ্ট নিজেকে উইন  করে টাকা মাষ্টারকার্ড দিয়ে নিয়ে নাও।এটে তোমার ফিডব্যাক হবে। পেমেন্ট তুলতে ঝামেলে হবে না। এই সিস্টেমে আমার ৮ ডলার লস করতে হবে। বায়ার হিসাবে ৩ ডলার এবং ওয়ারকার হিসাবে ৫ ডলার। আপনারা যারা পেপালে টাকা তুলতে সমস্যায় আছেন এই পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন।
আর একটা কথা  আমার পেপার $ দিয়ে আমি হোষ্টিং রিসেলার কিনছি। ভাল   ডোমেইন এবং হোস্টিং এর জন্য সরাসরি  এইখানে দেখতে পারেন।

একজন ফিল্যান্সার হিসাবে সবচেয়ে কম দামে আর ২৪ ঘন্টা সাপোর্ট পাবেন।

paypal.com একাউন্ট খোলার সহজ উপায় !

paypal.com একাউন্ট খোলার সহজ উপায় !

একটু বুদ্ধি খাটালেই খুব সহজে paypal.com এর একাঊন্ট খুলতে পারবেন একটু কষ্ট করে নিচের ধাপ গুলো অনুসরন করুন ঃ
1. প্রথমেই paypal.com এর signup link এ যান এর পর ইচ্ছা মত country(USA করুন) সিলেক্ট করুন এরপর Personal একউন্ট এ সিলেক্ট করুন।
২। এরপর Email address, password, First name, Last name ফিল্ডগুলোতে নিজের তথ্য ব্যবহার করুন।
৩। এরপর আপনাকে একটা full address খুজে বের করতে হবে , যে দেশটি প্রথমেই সিলেক্ট করেছিলেন নিচের example টা দেখুন
45-04,48 avenue. 250 jackson heights,NY
New york, NY 10039
এরকম হাজার হাজার ঠিকানা পাবেন শুধু Google.com গিয়ে সার্চ করেন "usa street address example" অথবা "usa street address sample"
৪। এখন যে বিষয় টা আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে তাহলো State এবং City যেটা সিলেক্ট করবেন তার সাথে যেন ZIP code এর মিল থাকে যদি মিল না পান তাহলে এবার সরাসরি যান http://www.zip-code-database.org/ এর কাছে এরপর city নাম আর state select করুন আর নিন zip code এর list
৫। এবার একটা ফোন নাম্বার ! এবার এই লিঙ্কে যান http://www.google.com/search?q=new+york+phone+number+example&hl=en&biw=1152&bih=674&prmd=ivnscm&source=univ&tbm=plcs&tbo=u&psj=1&ei=ds3KTYH1BoK8uwPM7vnxBQ&sa=X&oi=local_group&ct=more-results&resnum=5&ved=0CHEQtQMwBA
আরো সহজ উপায় হলো আপনার কোন facebook ফ্রেইন্ড এর সাহায্য নিতে পারেন অথবা answers.yahoo.com গিয়ে একটা প্রশ্ন করে দেখতে পারেন,
এরপর সবার শেষে agree and create account এ ক্লিক মেরে একাউন্টা খুলতে পারবেন আশা করা যায়, তার আগে email confirmation টা করা লাগতে পারে !!
এছাড়াও যেকোন ঠিকানা ও ফোন নাম্বার খুজে পেতে চাইলে Google map এর সাহায্য নিয়ে দেখতে পারেন,
সবাই ভাল থাকবেন ...

Online মাষ্টার কার্ড

Online মাষ্টার কার্ড

আজকাল সবাই খুব অনলাইনে অ্যাকাউন্ট ওপেন করছে! কেউ কি ছিন্তা করেছে কিভাবে তারা এই টাকা কিভাবে
উঠাবে!

চিন্তা নেই! অনলাইন এ টাকা উঠানর আনেক কুল উপায়ে আছে!
Payoneer er Prepaid Master Card - http://www.payoneer.com
অনেকে হয়তো জানে যে Freelancer.com - oDesk - Scriptlancer - Guru - elancer থেকে মাস্টার কার্ড দেই!
Freelancer.com থেকে Master Card er Order দিতে atleast ৩০ ইউএসডি থাকার লাগে
বাকি সব mostly Free ta order dite dei।
এই কার্ড ওয়ার্ল্ড এর যে কোন area theke access করতে পারবেন!
Online Paying - Receiving Access Everything will be on your hand!

GIFT

আমার মনে হয় যে নিচের section সবচাইতে ভাল online earning  এর জন্য
1) Website Design
2) HTML
3) Joomla
4) WordPress
5) Graphics Design
6) Logo Design
7) SEO
and 8) Data Entry.

কিভাবে Payoneer – Master Card কার্ড Activate করতে হয় চলুন দেখি!

কিভাবে Payoneer – Master Card কার্ড Activate করতে হয় চলুন দেখি!

কিভাবে Payoneer - Master Card কার্ড Activate করতে হয় চলুন দেখি!
অনেকেই হয়তো Payoneer r Master Card সম্পর্কে জানেন কিন্তু অনেকেই বুঝতে পারেন না কিভাবে কার্ড Activate করবেন!
তো যারা কার্ড পাবেন তাদের তো কার্ড Activate ও করবে হবে।
চিন্তা করবেন না। Activation ফ্রী
just check the video out..
Video Link: http://joomexperts.com/priamcse.swf
File Size : ১.৬৫ এমবি মাত্র

সময়কাল ঃ  1:43 miniute

প্রথমে আপনার ওয়েব ব্রাউজার ওপেন করুন
লগ ইন করুন ঃ  https://myaccount.payoneer.com/Login/Login.aspx
ইউজার নাম ও পাসওয়ার্ড দিন!
Click here to activate card...................
কার্ড এর ১৬ বিশিষ্ট নাম্বার টা দিন!
৪ নাম্বার বিশিষ্ট নাম্বার দিন।(মনে রাখবেন টাকা উঠাতে এই নাম্বার লাগবে!)
কার্ড এ টাকা না থাকলে ATM booth এ use korben na.  করলে আপনার কার্ড ATM Booth Card রেখে দিবে!

বাংলাদেশ থেকে অনলাইন আয় রোজগারের ১০ উপায়(কপি+পেষ্ট পোষ্ট, মূল লিংক পোষ্টের শেষে)

বাংলাদেশ থেকে অনলাইন আয় রোজগারের ১০ উপায়(কপি+পেষ্ট পোষ্ট, মূল লিংক পোষ্টের শেষে)

তুমি কি বাংলাদেশে থাকো? তুমি কি অনলাইনে আয় রোজগারের সঠিক উপায় খুঁজছো? তাহলে, আমার এই নিবন্ধটি পড়ো। এটি তোমার জন্য একটা সহায়ক হিসেবে কাজ করবে কারণ, অনলাইনে যে কিভাবে ঘরে বসে অনেকভাবে অর্থ উপার্জন করা যায়, তা এই নিবন্ধ পড়লে তুমি জানতে পারবে। আমি তোমাকে বলে রাখতে চাই যে, অনলাইনে আয় করা বাস্তব জীবনে আয় করার মতোই কঠিন। এখানে এমন কিছু রাস্তা আছে যেগুলোতে কাজ শুরু করা সহজ কিন্তু, এগুলো থেকে বেশী টাকা রোজগার করা যায় না। এ তুলনায় অন্যান্য উপার্জনের পন্থায় ভালো আয়ও হয় আবার, তা ধারাবাহিকভাবে বজায় থাকে। বাংলাদেশ থেকে অনলাইন আয় রোজগারের উপায়গুলো নিম্নরুপ,

১।পেড রিভিউ-এর মাধ্যমে আয় রোজগার

undefinedসার্ভে বা জরিপ একটা পুরাতন পদ্ধতি আর আমার মনে হয় তুমি এ বিষয়ে জানো। “সার্ভে” সাইটে তুমি গিয়ে নিবন্ধিত হবে আর সার্ভে বা জরিপ আসার অপক্ষা করবে; সার্ভে ফর্ম পূরণ করে তোমার মতামত জানাবে, ব্যস! প্রতিটি সার্ভের জন্যে তুমি টাকা পাবে। এখানে, এমন কিছু ব্যবস্থাও আছে যেখানে, ইমেইল পড়ার ও জবাব দেওয়ারও কাজ থাকে। সার্ভে সাইট হিসেবে অন্যতম জনপ্রিয় সাইট হচ্ছে-সার্ভে সেভী।

২।নিবন্ধ লিখে আয় রোজগার

এমন অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলো পাঠকদের লেখায় আপডেট হতে থাকে। কোন কোন সাইটে তারা লেখকদের সাথে মুনাফা ভাগ করে নেয়। তুমি এখানে বিভিন্ন নিবন্ধ লিখতে পারো আর তোমার আর্টিকেল বা নিবন্ধ যতো বেশি পাঠক পড়বে, তুমি ততো বেশি টাকা পাবে। “শুভং” নামক একটা ওয়েবসাইট আছে যারা তাদের লেখকদের সাথে শতকরা ১০ ভাগ গুগল এডসেন্স-এর লভ্যাংশও ভাগ করে নেয়।

৩।পিটিসি বা পেড-টু-ক্লিক এ আয় রোজগার

পিটিসি বা পেড-টু-ক্লিক এর সাহায্যে তুমি ওয়েবসাইট(শুধুমাত্র স্পনসরড্ সাইটগুলো‌)ব্রাউজ করার জন্যে টাকা পাবে। এতে আরো উপায় আছে যাতে ওয়েবসাইট সার্ফ করে, ওয়েবসাইট দেখে আর ওয়েবসাইট সার্চ করে টাকা উপার্জন। সত্যকথা বলতে কি, এই সাইটগলো আয়ের তুলনায় অনেক বেশী সময় অপচয় করে। এরা তোমার একেক ইউনিট এডের পেছনে তোমার ব্যয়ের তুলনায় খুবই কম টাকা দেয়। একটা জনপ্রিয় পিটিসি সাইট যারা ভালো অর্থ প্রদানও করে থাকে সেটি হচ্ছে- বাকস্‌.টু

৪।তোমার তোলা ছবির মাধ্যমে অর্থ উপার্জন

যদি তুমি একজন ফটোগ্রাফার বা চিত্রগ্রাহক হয়ে থাকো, তবে তোমার তোলা আকর্ষনীয় ছবিগুলো অনলাইনে বিক্রি করতে পারো। অনলাইনের ডিজাইনার্‌রা তাদের প্রজেক্টের জন্যে অনেক ছবি খুঁজে থাকেন, তুমি তাদের নিকট তোমার ছবিগুলো বিক্রি করতে পারো। তুমি তোমার ছবিগুলো আই-স্টক-ফটোস্‌ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিক্রিও করতে পারো।

৫।গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে আয় রোজগার

গুগল এডসেন্সে আয় করার জন্যে তোমার একটা সচল ওয়েবসাইট অথবা ব্লগ প্রয়োজন। তুমি নিশ্চয়ই দেখেছো এমন বিলবোর্ড বা পোস্টার যেখানে তারা(জনৈক অসাধু ব্যবসায়ীরা) দাবি করে যে, তুমি এখান ১০ থেকে ২০ ডলার দৈনিক আয় করতে পারবে- এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা! গুগল এডসেন্স থেকে ইনকাম হয় তখন যখন, কেউ গুগলের সেসব এডে ক্লিক করে। কিন্তু, এখানে ইনকাম করার পূর্বে তোমাকে একটা তথ্যসমৃদ্ধ ওয়েবসাইট তৈরী করে নিতে হবে। কিন্তু, তোমাকে সেসব নকল এডসেন্স শেখার জায়গায় এই সেখানো হয় যে, কিভাবে চুরির লেখা দিয়ে একটা নকল ওয়েবসাইট বানাতে হয়, এটাতো আসল নয় কারণ এটা একটা ধোঁকাবাজি।
google.com/adsense

৬।তোমার মতামত প্রকাশের জন্যে টাকা পাবে

হ্যাঁ, এটিই নতুন দিনের আয় রোজগার মাধ্যম, এখন তুমি টাকা নিয়ে যেকোন ওয়েবসাইট বা কোম্পানীর ব্যাপারে তোমার মতামত দিয়ে একটা নিবন্ধ লিখে ফেলো তোমার ব্লগে। পেড রিভিউ সাইটগুলো কল্যাণে, এখন তারা(কোম্পানী বা ওয়েবসাইটগুলো) তোমাকে তাদের ব্র্যান্ড, পন্য বা ওয়েবসাইটের বিষয়ে লেখার জন্যে অর্থ পরিশোধ করবে। তোমার এই মতামত বা ব্লগ  তাদের নিয়ে বাজারে আলোড়ন সৃষ্টি করবে আর তারা পাবে অধিক পাঠক ও ক্রেতা। এরকম একটা জনপ্রিয় পেড্‌ রিভিউ সাইট হচ্ছে-সোস্যালস্পার্ক

৭।এফাইলিয়েট মার্কেটিং-এর মাধ্যমে আয় রোজগার(সেবামূলক গোষ্ঠীর সাহায্য করা)

এটি একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে তুমি তোমার ওয়েবসাইটে কোন পন্যের প্রচার করবে আর যখন পন্য বিক্রি হবে, তখন তুমি এর থেকে কমিশন পাবে। এখানে অনেক আধুনিক আর ভালো পন্য আছে যেগুলো বিক্রি করা যায় আর মানুষ কিনতেও আগ্রহী; তুমি একজন এফাইলিয়েট হয়েও কাজ করতে পারো। তুমি “ক্লিক ব্যাংক”-এর মাধ্যমে একজন এফাইলিয়েট হয়ে পন্য বিক্রয় করতে পারো।

৮।ব্যানার এডস্‌ বা “ব্যানার” জাতীয় বিজ্ঞাপন বিক্রি করে আয় রোজগার

যদি তোমার একটা প্রতিষ্ঠিত ওয়েবসাইট বা ব্লগ থাকে, তবে বিজ্ঞাপনদাতারা তোমার ব্লগে তাদের বিজ্ঞাপন দিতে দ্বিধাবোধ করবে না। একেই বলে, ব্যানার এডস্‌ অথবা সরাসরি ইনকামের সুযোগ। তোমার ওয়েবসাইটের জনপ্রিয়তা যতো বেশি হবে তোমার পাঠক সংখ্যা বাড়বে ততো বেশি হবে আর তোমার আয়ও বাড়তে থাকবে।

৯।ফ্রি-লেন্সিং বা অস্থায়ী কর্মী হিসেবে অর্থ উপার্জন

ঘরে বসে ফ্রি-লেন্সিং করা আয় রোজগারের একটা চমৎকার সুযোগ। তোমার যদি ডাটা এন্ট্রি, গ্রাফিক্স ডিজাইন অথবা এড্‌মিনিস্ট্রেশন বা তদারকির কাজে দক্ষতা থাকে তাহলে, তুমি অনলাইনে এসব কাজ করে আয় রোজগার করতে পারো। তুমি চাইলে ফ্রিলেন্সিংভিত্তিক একটা ক্যারিয়ারই গড়ে তুলতে পারো।

১০।টুইটার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আয় করা

বিজ্ঞাপনদাতাগণ বর্তমানে তাদের ক্যাম্পেইন বা বিজ্ঞাপন উদ্যোগগুলো “টুইটার” বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে চাচ্ছেন। এজন্যে, তোমার কোন ব্লগ কিংবা ওয়েবসাইট থাকারও প্রয়োজন নেই। এমন অনেক কোম্পানী রয়েছে, যারা টুইটার বিজ্ঞাপনের কাজ করে থাকে যেমন- মেগ-এ-পাই।

অনলাইনে আয়ের টাকা বাংলাদেশে কিভাবে পাবেন?

ক।চেকে টাকা পাওয়া
এটা একটা ব্যাংকের চেক যেটি তুমি যেকোন ব্যাংক থেকেই উত্তোলন করতে পারবে। এডসেন্স ও অন্যন্য সাইট এরকম চেকে টাকা পাঠিয়ে থাকে। এটা বাংলাদেশে টাকা পাঠানোর সবচেয়ে সাধারণ ও জনপ্রিয় মাধ্যম।

খ।পেপেল-এর মাধ্যমে টাকা পাওয়া

পেপেল টাকা পাওয়ার একটি জনপ্রিয় মাধ্যম, যেটি তোমাকে অনলাইনে টাকা পেতে সাহায্য করবে। অবশ্য, এখনও পেপেল বাংলাদেশে আসেনি কিন্তু শীঘ্রই আসবে।

গ।পেওনিয়ার প্রিপেইড ডেবিট মাস্টারকার্ড

এটা বাংলাদেশে অনলাইনের টাকা পাওয়ার জন্যে নতুন একটা রাস্তা। তুমি অডেস্ক থেকে মাস্টারকার্ড পেয়ে সেই কার্ড থেকে টাকা উঠাতে পারো। পড়ে নাও-বাংলাদেশে অডেস্ক পেওনিয়ার প্রিপেড ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে অর্থ প্রাপ্তি।
ঘ।মানিবুকারস্‌ থেকে টাকা প্রাপ্তি
মানিবুকারস্‌ অনেকটা পেপেলের মতোই আর এটা তোমার ব্যাংক একাউন্টের মতনও। বাংলাদেশে এটা প্রচলিত আছে। মানিবুকারস্‌
ঙ।এলার্টপে-এর মাধ্যমে টাকা পাওয়া
এটিও পেপেলের মতোই আর বাংলাদেশে প্রচলিত আছে। তুমি এর টাকা ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন থেকে উঠাতে পারো। এলার্টপে
চ।ই-গোল্ড ব্যবহার টাকা প্রাপ্তি
পেপেলের মতোই…ই-গোল্ড

আমি অনলাইনে কত টাকা আয় করতে পারবো?

এটা তোমার পরিশ্রম, দক্ষতা আর পদ্ধতির উপর নির্ভর করবে, তুমি চাইলে ৫০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা প্রতি মাসে আয় করতে পারবে। আয় সম্পূর্ণ নির্ভর করে তোমার বিশ্বস্ততা ও পরিশ্রমের উপর। এখন, তুমি চাইলে ১৫,০০০ থেকে ৩০,০০০ টাকা বা উপরে ৫০,০০০ প্রতি মাসে উপার্জন করতে পারো। আমার একটা পরামর্শ নিতে পারো, এখানে সত্যিই অনেক টাকা বানানো যায় আর এটা কোন ফাজলামো নয়, তুমি যাই করো গম্ভীর হয়ে করবে আর কঠোর পরিশ্রম করবে। কখনো চুরি, ধোঁকাবাজি করবে না আর তোমার কাজের প্রতি সৎ থাকার চেষ্টা করবে।
এটি আমার মৌলিক পোষ্ট না। আমিতো অনলাইনে আয় এখনো শুরুই করিনি। তবে পোষ্ট টি পড়তে গিয়ে মনে হলো নবীণদের সাথে শেয়ার কারাটা জরুরী। মূল পোষ্ট টি এখানে ,

বাংলাদেশ থেকে অনলাইন আয় রোজগারের ১০ উপায়

প্রশ্ন আসতে পারে, আমি অনুমতি নিয়েছি কিনা। এ ব্যপারে লেখক পূর্বানুমতি দিয়ে বলেছেন, "কোন প্রশ্ন থাকলে করে ফেলো আর দয়া করে এই পোস্টটি তোমার প্রিয় সোস্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করো।"

ইন্টারনেটে ফ্রীল্যান্স লেখালেখি এবং উপার্জন [এটি কোন সহজ আয়ের টিউন নয়]

ইন্টারনেটে ফ্রীল্যান্স লেখালেখি এবং উপার্জন [এটি কোন সহজ আয়ের টিউন নয়]

[মুখবন্ধঃ ইন্টারনেটে ফ্রীল্যান্স কাজ বা লেখালেখি করে আজকাল অনেকেই একটা নিয়মিত আয়ের সুযোগ করে নিয়েছেন। এই ফ্রীল্যান্স ফিল্ডে আমাদের অর্থাৎ বাংলাদেশের তুলনায় অনেক দেশ এগিয়ে আছে শুধুমাত্র একটি পরিষ্কার ধারণা ও গুছিয়ে কাজ করবার জন্য তাদের যথেষ্ট জ্ঞান থাকার কারণে। ফ্রীল্যান্স লেখালেখিতে কিছুটা সাফল্য পেয়ে আমার মনে হয়েছিল, এটি আমাদের তরুণদের জন্য একটি অপার সম্ভাবনাময় জগত উন্মোচিত করতে পারে। আর তাই প্রায় ২-৩ বছর আগে আমার মাত্র ৪-৫ মাস অভিজ্ঞতার আলোকে একটি আর্টিকেল লিখেছিলাম। তখন আমি একের পর এক ব্লগে নিবন্ধন করে চলেছি, বিভিন্ন ছদ্মনামে। আর প্রায় প্রত্যেকটি ব্লগেই আমি এই লেখাটা পোস্ট করেছিলাম। পরে কয়েকটি ব্লগে একই আর্টিকেল পুনরায় লিখার জন্য কয়েকজনের কাছে রীতিমত তিরস্কৃত হই। টেকটিউনস একটি অন্যরকম জগত। আমি মনে করি আমার ঐ লেখাটি এখানে দিলে একই অপরাধে আমাকে দণ্ডিত হতে হবে না। আরেকটি ব্যাপার, এখানের অনেক কিছু লিখা আছে যা অনেক পাঠকেরই জানা, তবে নতুনদের জন্য অজানা হতে পারে, লেখাটি ২-৩ বছর আগে লিখা - এটি বিবেচনায় রাখতে অনুরোধ করা হল]
__________________________________________________________________________________________________________________________________________

ই-কমার্স বা অনলাইন বিজনেস সম্পর্কে আমরা সবাই হয়তো কিছু না কিছু জানি। কিন্তু, ইন্টারনেটের বদৌলতে আমাদের নিজস্ব সৃজনশীল প্রতিভাকে আমরা কিভাবে কাজে লাগাতে পারি, সে সম্পর্কে আমরা অনেকেই মোটেই সচেতন নই। আপনি কি জানেন, কোনরকম দৈহিক পরিশ্রম বা পুঁজি ছাড়াই শুধুমাত্র আপনার মেধা ও মননকে কাজে লাগিয়ে আপনি ঘরে বসেই মোটামুটি সম্মানজনক একটা আয় করতে পারেন? এই আয় হতে পারে আপনার প্রধান আয়ের চেয়ে অনেকগুন বেশি। আপনি যদি একজন কম্পিউটার/সফটওয়ার্ প্রোগ্রামার, গ্রাফিক ডিজাইনার, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর অথবা ওয়েব ডেভেলপার হয়ে থাকেন, তাহলে ইন্টারনেট কর্মসংস্থান সাম্রাজ্যের অনেকটাই আপনার। মাসিক ভিত্তিতে আপনার জন্য হাজার কিংবা লাখ ডলারের কাজ আপনার জন্য অপেক্ষা করছে। ওয়েবে যেয়ে খুঁজলেই আপনি পেয়ে যাবেন এই অফুরন্ত সম্ভবনা। কিভাবে? একজন দক্ষ কম্পিউটার ব্যবহারকারী হিসেবে সেকথা আপনাকে বলা বাহুল্য। এই লেখাটি যেহেতু সাধারণ কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের জন্য লেখা, আমাদের বিষয়বস্তুটি কিছুটা ভিন্ন।
লেখালেখির কাজ আমরা অনেকেই করে থাকি। কেউ হয়তো নিতান্তই আত্ত্বিক  বা মানসিক পরিতৃপ্তির জন্যই লিখে থাকি। কেউ হয়তো কাগজে বা ম্যাগাজিনে এই লেখালেখির মাধ্যমে কিছুটা উপার্জনও করি। কিন্তু আপনি জানেন কি, ইন্টারনেটে লেখকদের জন্য রয়েছে এক অমিত সম্ভবনা। শুধুমাত্র কয়েকশ শব্দের বিনিময়ে আপনি প্রতিদিন আয় করতে পারেন বেশ কিছু ডলার। ইন্টারনেটে মেধাভিত্তিক কাজের মাধ্যমে ঘরে বসে যারা আয় করতে উৎসাহী, তাদের অনেকই জানেন না কোথায় শুরু করতে হবে। যারা লেখক হিসেবে এই সুযোগটি কাজে লাগাতে চান, তাদের অবস্থাও একই রকম। আমি এই শুরু করা সম্পর্কেই কিছু কথা বলব। তার আগে, আসুন জেনে নেই কি ধরনের কাজ আপনার জন্য এই সম্ভাবনাময় জগতে অপেক্ষা করছে।
ইন্টারনেটের লেখকদের জগত মূলতঃ দুটি ভাগে বিভক্ত। প্রথমটি পেশাদার লেখকদের জন্য আর অপরটি ফ্রীল্যান্স লেখকদের। দুটি জগতেই রয়েছে নিম্নলিখিত ধরনের কাজঃ
  • Essay/paper/research writing
  • Article writing
  • Creative writing (গদ্য, কবিতা, সিনেমা বা বিজ্ঞাপনের কাহিনী ইত্যাদি)।
  • Technical writing (টেকনিক্যাল ম্যানুয়াল, how-to articles ইত্যাদি)
  • Website content writing (ওয়েবসাইটের বিভিন্ন শাখার লেখা)
  • Copywriting (কোন পণ্যের বাজারজাতকরণের জন্য promotional content লেখা)
  • News/press release writing
  • Blog posting (ব্লগ এ লেখা)
  • Forum posting (ফোরাম এ লেখা)
  • Review writing (কোন পণ্যের গুণগত বিশ্লেষণ লেখা)
  • SEO অথবা Search Engine Optimization Writing (কোন বিষয়কে এমনভাবে লেখা যেন তা search engine সহজে খুঁজে পায়)
  • Rewriting (পুনঃলিখন)

পেশাদার লেখার কাজ

আপনি যদি পেশাদার লেখক হন, তাহলে বেশ কয়েকটি ওয়েবসাইটে আপনি সদস্য হয়ে লিখতে পারেন। এখানে আপনাকে নির্দিষ্ট চুক্তির অধীনে কাজ করতে হবে আর আপনাকে কিছু বিষয়ে সম্যক জ্ঞান রাখতে হবে, যেমনঃ
  • চুক্তির বিভিন্ন শর্তসমূহ।
  • পেশাদার লেখকদের জন্য নির্দিষ্ট নিয়মকানুন।
  • বিভিন্ন প্রচলিত লেখনীর ধরন যেমন MLA অথবা APA স্টাইল।
  • ভাষার উপর যথেষ্ট দখল।
পেশাদার লেখার কাজটা একটু জটিল এবং এর বাধ্যবাধকতাও অনেক। তবে পেশাদার লেখকদের সম্মানীর পরিমাণটাও বহুলাংশে বেশি।

ফ্রীল্যান্স লেখার কাজ


অপরদিকে আপনি যদি নিতান্তই একজন সাধারণ বা ফ্রীল্যান্স লেখক হয়ে থাকেন, ইন্টারনেটে আপনার জন্য আছে বিস্তর কাজ। আসুন জেনে নেই, কোথায় এবং কিভাবে আপনি এই বিশাল জগতে পা বাড়াবেন।

ফ্রীল্যান্স আর্টিকেল ডিরেক্টরি বা সাইট


ফ্রীল্যান্স লেখকদের জন্য বেশ কিছু ওয়েবসাইট আছে যা মূলতঃ article directories হিসেবে পরিচিত। ফ্রীল্যান্স লেখকদের জন্য বেশ কিছু ওয়েবসাইট আছে যা মূলতঃ article directories হিসেবে পরিচিত। Ezine Articles, Google Knol, ArticleDashboard, Article Pros, Article Directory, Triond ইত্যাদি এমন কিছু সাইট। এখানে আপনি আপনার পছন্দের বিষয়ভিত্তিক লেখা জমা দিয়ে পারিশ্রমিক পেতে পারেন। এই পারিশ্রমিক হতে পারে সরাসরি কিংবা কোন affiliate program এর আওতাভূক্ত। যেমন, আপনি যদি ডিজিটাল ক্যামেরা নিয়ে একটি আর্টিকেল লিখেন এবং ওয়েবসাইটে আপলোড করেন তাহলে হয়তো একই ওয়েব পেইজে Google AdSense এর মত কিছু সম্পর্কিত বিজ্ঞাপন (contextual ad) ভেসে উঠবে। আপনার লেখা পড়তে পড়তে কোন পাঠক যখন ঐ বিজ্ঞাপনগুলো click করবে তখন sponsor ওয়েবসাইট এবং সেখানে বিজ্ঞাপনদাতা উভয়েই একটি নির্দিষ্ট অংকের অর্থ আয় করবে। এই বিজ্ঞাপনের আয়ের কিছু লভ্যাংশ আপনি পেয়ে যাবেন। তবে জেনে রাখা ভাল, এ ধরনের ফ্রীল্যান্স লেখার মাধ্যমে আয়ের পরিমাণ সাধারণতঃ কম হয়ে থাকে।

ফ্রীল্যান্স ‘নিলাম’ সাইট


ফ্রীল্যান্স লেখকদের জন্য আমার মতে সবচেয়ে লাভজনক হল online writing bid বা লেখালেখির নিলাম। তবে এই নিলামের শর্ত প্রচলিত নিলামের মত কঠিন নিয়মের বেড়াজালে আবদ্ধ নয়। ব্যাপারটা একটু স্পষ্ট করে বলি।
ধরা যাক, আপনি একজন ফ্রীল্যান্স লেখক (রচনা/লেখা বিক্রেতা) এই নিলামের একটি ওয়েবসাইটে গিয়েছেন এবং registered user (সাধারণতঃ ফ্রী) হয়েছেন। এখানে আপনি পাবেন বিভিন্ন গ্রাহক বা ক্রেতার দেয়া লেখালেখি সম্পর্কিত অনেক প্রজেক্ট। যেকোন একটি প্রজেক্ট ক্লিক করলে আপনি সাধারণতঃ নিচের বর্ণনাগুলো পাবেনঃ
  • প্রজেক্টের ধরণ (article, copywrite, review, rewrite ইত্যাদি)
  • বিভিন্ন শর্তাবলী যেমনঃ
  • রচনার শব্দসীমা (৪০০/৫০০ শব্দ)
  • রচনার সময়সীমা (১ দিন/ ১১ ঘন্টা/ ৩ সপ্তাহ)
  • বিড লিমিট অর্থাৎ গ্রাহকের বেঁধে দেয়া সর্বনিম্ন ও সর্বউচ্চ নিলামের ডাক (যেমনঃ $30-60, $90 maximum ইত্যাদি)।
  • বিড লিমিটের বাইরে নির্ধারিত কোন rate (যেমনঃ $1 per 200 words, $0.005 per word ইত্যাদি)
  • রচনার কাঠামো (প্যারাগ্রাফ, শিরোনাম, ফাইলের ধরন যেমন টেক্সট, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, জিপ ইত্যাদি)।
  • নির্দিষ্ট কোন শব্দের নির্দিষ্ট সংখ্যক পুনরাবৃত্তি keyword density (যেমনঃ digital camera শব্দগুচ্ছটির ৫০০ শব্দে অন্ততঃ ৩ বার ব্যবহার, Nikon শব্দটির ৩০০ শব্দে অন্ততঃ ৫ বার ব্যবহার ইত্যাদি)।
  • Plagiarism (সাধারণ অর্থে - অন্যের লিখা নকল করা) সম্পর্কিত সতর্কীকরণ। এর প্রতিকারের জন্য আপনার গ্রাহক সাধারণতঃ কিছু শক্তিশালী সফটওয়ার্ (যেমন copyscape) ব্যবহার করবেন।
  • লেখার ধরন (যেমনঃ conversational, third person, first person, informal, funny, US/UK English ইত্যাদি)।
  • নমুনা লেখা বা sample writing জমা দেবার নির্দেশ।
  • অন্য কোন নির্দেশনা।
প্রজেক্টের শর্তাবলী যদি আপনার পছন্দ হয় তাহলে আপনি এখন বিড করবেন। ধরা যাক আপনি digital camera এর উপর একটি আর্টিকেল পছন্দ করেছেন। এই লেখাটি আপনি ১ দিনের মধ্যে লিখতে পারবেন। তাহলে বিড অপশনে গিয়ে আপনি ৫ ডলারে ১ দিনের মধ্যে আর্টিকেলটির জন্য বিড করুন। গ্রাহক যদি আপনার লেখার নমুনা এবং বিড পছন্দ করে তাহলে আপনি পেয়ে যাবেন কাজটি। একদিনের মধ্যে লিখে ফেলুন চমৎকার একটি লেখা আর তা জমা দিয়ে আয় করে নিন ৫ ডলার।

কিছু জানার বিষয়

  • আপনার লেখার জন্য সম্মানী দুইভাবে পেতে পারেনঃ
- ওয়েবসাইটের পেমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে। গ্রাহক আপনার পাওনা ওয়েবসাইটে আপনার একাউন্টে জমা করবে, যা আপনি বিভিন্ন প্রচলিত money transfer অপশনের মাধ্যমে (যেমন PayPal, Moneybookers, Wire Transfer, Cheque) আপনার ব্যাংক একাউন্টে স্থানান্তর করতে পারবেন।
- ওয়েবসাইটের সিস্টেমের বাইরে যেয়ে সরাসরি PayPal, Moneybookers ইত্যাদির মাধ্যমে।
  • ফ্রীল্যান্স নিলাম সাইটগুলোতে লেখা থেকে অর্জিত সম্মানীর একটি অংশ কমিশন হিসেবে ওয়েবসাইট গ্রহণ করে।
  • সম্মানী সম্পর্কিত কোন মতবিরোধ হলে ওয়েবসাইটের conflict resolution বা arbitration এর মাধ্যমে আপনি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত পেতে পারেন। তবে ওয়েবসাইটের সিস্টেমের বাইরে টাকাপয়সা আদানপ্রদানের ক্ষেত্রে আপনি কোন সাহায্য পাবেন না বরং এক্ষেত্রে সম্মানী না পাবার সম্পূর্ণ ঝুঁকি আপনার।
  • আপনি যদি এসমস্ত ওয়েবসাইটের সাধারণ সদস্য হন তাহলে অনেক ক্ষেত্রে আপনি মাসে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যার বিড করতে পারবেন। আনলিমিটেড বিড এর জন্য আপনাকে নির্দিষ্ট অংকের চাঁদা দিয়ে সদস্য হতে হবে।
  • বিড জেতার জন্য আপনাকে একটি যৌক্তিক বিড করতে হবে। ৫০০ শব্দ সম্বলিত ২০০ টি লেখা আপনি যেমন একদিনে দিতে পারবেন না, তেমনি, ১০০০ শব্দের একটি আর্টিকেল লেখার জন্য ১০ দিন সময় নেয়াটাও অযৌক্তিক।
  • আপনার জমাকৃত  নমুনা লেখাটি আপনার বিড জেতার মূল শক্তি হিসেবে কাজ করবে। তাই নমুনা হিসেবে একটি ভাল লিখা পাঠান।
অনলাইন বিড এর জন্য সাইটসমূহ
আর বসে থাকা কেন? নেমে পড়ুন আপনার এক নতুন অর্থবহ (এবং অর্থকরীও বটে!) যাত্রায়। বছর ঘুরে আসার আগেই হয়ে যান একজন নিয়মিত অনলাইন লেখক আর আয় করতে থাকুন অতিরিক্ত কিছু টাকা।
পরবর্তী লেখায় উপরের সাইটগুলোর কিছু বিশেষত্ব তুলে ধরতে চেষ্টা করব।
__________________________________________________________________________________________________________________________________________
[পরিশিষ্টঃ এই আর্টিকেলটি বিডিনিউজ২৪ এর  বাংলা ব্লগে লিখেছিলাম মুক্তচিন্তা নামে, আমাদের প্রযুক্তি ফোরামে লিখেছিলাম আমিনেই নামে আর প্রজন্ম ফোরামে লিখেছিলাম বাংলাআমারদেশ নামে। কিন্তু আজ লেখাটি সার্চ দিতে যেয়ে দেখি ভয়ংকর অবস্থা। আমার লেখাটি Ctrl+C ও Ctrl+V হয়েঃ অনলাইনফরআর্নিং নামে একটি ব্লগে দুটি ভাগে ভাগ করে এখানেএখানে পোস্ট করা হয়েছে। রংমহল ফোরামে ভবঘুরে নামের একজন পোস্ট করেছেন এখানেMe-Mine নামের ব্লগে একজন পোস্ট করেছেন এখানে। ইফতি নামে একজন আড্ডা ব্লগে লিখেছেন এখানে। একমাত্র নিয়াম নামে একজন বিডিঅনলাইন২৪ব্লগএখানে পোস্টটি দিয়ে উল্লেখ করেছেন যে তার কাছে ভাল লাগার কারণে তিনি এটা শেয়ার করলেন। আমার আসলে কোনটাতেই আপত্তি নেই। আমি চাই আমার জানা-টুকু ছড়িয়ে যাক আমার দেশের মানুষের মাঝে]

আপনার অবসর সময়কে কাজে লাগান, ফ্রিলেন্সিং দিয়ে আয় শুরু করুন । আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হউন ।

আপনার অবসর সময়কে কাজে লাগান, ফ্রিলেন্সিং দিয়ে আয় শুরু করুন । আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হউন ।

হ্যাঁ, আপনার অবসর ও মূল্যবান সময়কে কাজে লাগিয়ে মাসে ২০০/৩০০ ডলার বা তার চেয়েও বেশী আয় করা সম্ভব। আর এটা একমাত্র সম্ভব হয়েছে ফ্রিলেন্সিং বা ডাটা আউটসোর্সিং দিয়ে। বাংলাদেশের হাজার হাজার মানুষ এখন ফ্রিলেন্সিং দিয়ে নিজেদের জীবনে নিয়ে এসেছে স্বচ্ছলতা। একজন ফ্রিলেন্সার হিসেবে আপনি যে কোন কাজই এখানে করতে পারবেন। প্রোগামিং, ওয়েব ডিজাইনিং/প্রোগামিং, ইঞ্জিনিয়ারিং, গ্রাফিক ডিজাইন, থ্রিডি এনিমিশন, অডিও/ভিডিও এ্যাডিটিং, ডাউনলোডিং, আর্টিকেল রাইটিং, এমএস ওয়ার্ড/এক্সেল/এক্সেস/পাওয়ার পয়েন্ট, ডাটা এন্ট্রি বা সাধারণ কপি পেষ্ট বা দেখে দেখে কিছু লেখা ছাড়াও আরো অনেক কাজ থেকে আপনি বেছে নিতে পারেন আপনার পছন্দের কাজটি। আমাদের জেনে অবশ্যই ভাল লাগবে যে, আমাদের দেশ এখন ফ্রিলেন্সিং বা ডাটা আউটসোর্সিং-এ ৮ম স্থানে অবস্থান করছে। আর এই আয় শুরু করতে আপনার দরকার হবে একটি ইন্টারনেটযুক্ত কম্পিউটার। ইন্টারনেটের খরচ ছাড়া আপনাকে আর কোনো বাড়তি টাকা খরচ করতে হবেনা। আসুন তাহলে দেখি কোথায়, কিভাবে কাজ শুরু করবেন। নীচে কাজ শুরু করা থেকে পেমেন্ট পাওয়া পর্যন্ত বিস্তারিত আলোচনা করা হলোঃ
প্রথমেই এই লিংকটি ক্লিক করে ফ্রিল্যাংসিং সাইটটি খুলুন। এবার নীচের নির্দেশ গুলো ক্রমানুসারে অনুসরণ করুনঃ
১। ফ্রিল্যাংসিং সাইটটির উপরে ডান দিকে Register লেখাটিতে ক্লিক করুন।
২। User name এর জায়গায় আপনার ইউজার নেমটি লিখুন। (যেমনঃ rahim786)।
৩। Email Address এর জায়গার আপনার ইমেইল Address টি লিখুন।
৪। Password এর জায়গায় আপনার Password টি লিখুন (যেমনঃ
rahim2011),
Repeat Password এর জায়গায় আবার একই Password লিখুন।
৫। Full Name, Phone, Address, Country, State এর জায়গায় যথাসম্ভব
চেষ্টা করুন আপনার National ID Card, Driving License, Passport
দেখে দেখে লেখার জন্য; কারণ অনেক সময় আপনার একাউন্টি বিশেষভাবে ভেরিফাই
করার জন্য তারা কপিটি চায়, না থাকলেও সমস্যা নেই, কারণ আমি এগুলো ছাড়াই
আল্লাহার হুকুমে টাকা উঠাতে পেরেছি। কদাচিত বা আপনি যদি তাদের সাইটের মাধ্যমে
কাউকে আপনার Email Address দিয়ে সরাসরি কাজ করতে চান, তখন তারা
আপনার একাউন্টি ব্লক করে দিবে এবং উপরোক্ত কাগজ পত্র চাইবে। তাই কোনরুপ
অসাধুপায় অবলম্বন না করাটাই ভাল।
৬। Currency এর জায়গায় USD রেখে, Time Zone এর জায়গায়
Asia/Dhaka করে দিন।
৭। Looking to both hire and work এই লেখা বক্সের পাশে টিক চিহ্ন দিন।
এর অর্থ হলো আপনি কাজ করতেও চান এবং আপনার কাজ গুলো অন্য কারো দিয়ে
করাতেও চান। আপনি যখন একটু Expert হয়ে যাবেন। তখন আপনার কাজ অন্যদের
দিয়ে করিয়ে বেশি আয় করতে পারবেন।
৮। এবার নীচের ২টি বক্সে টিক চিহ্ন দিন। তার পরের দুই ঘর পূরণ করতে হবে না।
৩য় বক্সটি গোল্ড মেম্বার হওয়ার জন্য। এটাও খালি রেখে Submit লেখা বাটনের উপর
ক্লিক করুন।
৯। Submit করার পর তারা আপনাকে একটি মেইল পাঠাবে। এবার আপনার ইমেইল চেক
করে তাদের নির্দেশ অনুযায়ী আপনার একাউন্টি ভেরিফাই করে নিন।

আপনার একাউন্টি এখন ভেরিফাই হয়ে গেছে। এবার আপনি নীচের পদ্ধতি গুলো অনুসরন করে আপনার অনলাই আয় শুরু করুন।
১। এবার My Profile এ গিয়ে My Qualification এ ক্লিক করুন। এখান দিয়ে
বেছে নিন যে ২৫ ধরণের কাজ আপনি করতে চান। তার পর নীচে দেয়া Profile গুলো
Copy করে Other Skills, Vision, Keywords, Your Profile লেখা
ঘর গুলিতে বসিয়ে দিন।

Other Skills: Graphics, Photoshop,Webdesign, Illustrator Writing, Editing, Copywriting, Ms Office, eBooks Reviews, Advertising, Data entry Marketing, Accounting, Craigslist.
Vision: To become a successful professional in the field of Information Technology and to work in an innovative and competitive world. To provide the best solution and support to the clients and to become best service provider company.
Keywords: Graphics, Photoshop,Web-design,Writing, Editing, Copy writing, Ms Office, Reviews, Advertising, marketing, Accounting, Craigslist and other posting, All offline and online work. photoshop art Masking Vector Art, Logo, Web, Brochure, Stationery, e-Covers, Posters, Flyer, Corporate identity, Packaging Flyer Design illustrations Corporate ID Designing Icons Brochures Designing banners, Data Entry.
Your Profile: Good command in Graphics, Photoshop, Web-design,Writing, Editing, Copy-writing, Ms Office, Article Writing, Reviews, Advertising, marketing, Accounting, Craigslist and other posting.
Ability to provide services to the customers to meet their needs.
Ability to work independently as well as a team member.
Ability to work under pressure.
Dependable, Highly-Organized, Self-Motivated, and Responsible.

» The name of quality.
» You will get the best works from us.
» We are highly skilled (designers) who can provide Best of
the Best.

I consider myself to have a very strong grip in the field of Computer Science and Applications aspects with good knowledge of networking. I am very confident of my ability to work in a team. I would be grateful to work with your organization and serve well. We are team of professionals expertise in graphics designing and expert in logo designing, using Photoshop, Illustrator, Free Hand, Coral Draw, Flash MX we are highly experience in logo designing and web design project.
I hereby declare that the information furnished above is true to the best of my knowledge.
২। এবার Save করে বেরিয়ে পড়ুন।
৩। এবার Browse Jobs এ ক্লিক করে আপনি যে ধরণের কাজ করবেন তাতে ক্লিক
করুন। য়েমন ধরেন আপনি যদি Article Rewriting এর কাজ করতে চান, তবে
তাতে ক্লিক করুন।
৪। এবার আপনার পছন্দের কাজটির উপর মাউস রাখলে আপনি কাজের বিবরণ দেখতে
পারবেন। প্রথম অবস্থায় Trial লেখা কাজ গুলো Bid করার চেষ্টা করবেন। তারপর
আপনার পছন্দের কাজের উপর ক্লিক করুন।
৫। এবার Bid on this project লেখার উপর ক্লিক করুন।
৬। এবার Bid On Project Form টি পূরণ করুন। আপনাকে চেষ্টা করতে হবে কম
বিড করে কাজ টি নেয়ার, তাই USD লেখা ঘরে আপনি কত কম ডলারে সম্পূর্ণ কাজটি
করে দিবেন তার ডলার অংকটি বসান।
৭। এবার কত দিনে করবেন ও কত ডলার অগ্রিম হিসেবে আপনি নিবেন তা বসান। অগ্রিমের
ক্ষেত্রে অনেকে উল্লেখ করে দেয় যে, কোন অগ্রিম দেয়া হবে না, সেই ক্ষেত্রে বায়ারের বা যে
কাজ দিচ্ছে তার ফিডব্যাক স্কোর বা সে আগে কাজ করিয়েছে কিনা তা দেখে নিবেন। যারা
অল্প কাজ করতে করতে টাকা পেমেন্ট করে তাদের কাজ বা যারা নিয়িমত কাজ করাচ্ছে
তাদের কাজ করা ভাল। তাছাড়া একটু ঝুঁকি নেয়া যেতে পারে।
৮। Make your bid highlighted এ বক্সটিতে টিক দেয়ার প্রয়োজন নেই।
৯। Provide the details of your bid এ ঘরটিতে যা লেখা হয় তা সবাই দেখতে
পায়, তাই এখানে শুধু লিখুন “Hello Sir, Please see pm,Thanks”
pm (private message)।
১০। তার পরের বক্স দুটিতে টিক করুন। দ্বিতীয় বক্সে টিক করলে লেখার জন্য যে জায়গাটি
আসবে তা শুধু বায়ার বা যার জন্য কাজ করবেন সে দেখতে পারবে। এখানে আপনি
আপনার অভিজ্ঞতার কথা ও কাজ পাওয়ার জন্য যা যা লেখা প্রয়োজন তা লিখুন।যেমনঃ

Bid Letter Example:- —————————————————————
Hello Sir,

I am an English graduate (4 years) and able to write good article on any subject, which definitely passes copy escape.
I am attaching one of my samples here.
Waiting to start the project.
Thanks from,
Mr.B
—————————————————————
বিঃদ্রঃ যে কাজটি করবেন, তার একটি Sample (আপনার নিজের বা নেট থেকে
নামানো) Browse করে Attach করে দিলে, কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বহুগুণে বেড়ে যায়।

১১। তারপর Place Bid এ ক্লিক করুন। এখানেই আপনার বিড করা শেষ। বিড অর্থই
হলো আপনি কত কমে বা বেশীতে কাজটি করবেন। তবে এ ক্ষেত্রে সবাই কমই বিড করে।
১২। আপনি কাজটি পেলে বা বায়ার আপনাকে পছন্দ করলে তা আপনার Email
Address, উপরে অবস্থিত Inbox অথবা সবচেয়ে ভাল হয় mouse pointer
উপরে projects এর উপর নিলে দুইটি জিনিস দেখাবে, আপনি my projects এ
ক্লিক করে নীচের দিকে চলে যাবেন। সেখানেই আপনার জন্য mail আসবে। আপনি
mail পেলে সে অনুযায়ী seller/buyer কে উত্তর ও ধন্যবাদ দিয়ে কাজটি শুরু
করবেন।

এবার আসি Payment এর ব্যাপারে। Payment বায়ার এই ফ্রিলেন্সিং কোম্পানিতে অথবা বায়ার সরাসরি কোন অনলাইন ব্যাংকে প্রদান করতে পারে। ভাল হয় কোম্পানীতে নিয়ে, আপনি পরে আপনার অনলাইন ব্যাংকে তা ট্রান্সফার করে নিলেন। কোম্পানী থেকে আপনার অনলাইন ব্যাংকে টাকা ট্রান্সফার করলে প্রথম বার ১৫ দিন সময় নিবে। তারপর ৭ দিনেই আসবে। তারপর অনলাইন ব্যাংক থেকে আপনার দেশের ব্যাংকে ট্রান্সফার করে আনতে মাত্র ৭২ ঘন্টা লাগবে। এক্ষেত্রে এই ফ্রিলেন্সিং কোম্পানি যে অনলাইন ব্যাংককে সাপোর্ট করে সেখানে সাইনআপ করতে হলে এখানে ক্লিক করুন । আপনি সাইনআপ করার পরে আপনার একাউনেট প্রবেশ করলে দেখবেন Address এর পাশে লেখা আছে Verify। সেখানে ক্লিক করে আপনার বর্তমান বা যে Address এ আপনাকে তারা ডাকযোগে কোডসহ চিঠি পাঠালে আপনি তা পেতে পারেন সেইটি দিন। চিঠি পেলে সে অনুযায়ী কোডটি পূরণ করলে আপনার Address/একাউন্ট ভেরিফাই হয়ে যাবে। একাউন্ট ভেরিফাই হয়ে গেলে আপনি আপনার দেশের যে ব্যাংক একাউন্টে টাকা তুলবেন; সে ব্যাংকে গিয়ে SWIFT কোড চাইলেই তারা দিয়ে দিবে। এবার সেই কোডটি আপনার অনলাইন ব্যাংকের Withdraw তে গিয়ে ব্যাংক একাউন্ট নাম্বর ও কোডটি লিখে OK করলেই save হয়ে যাবে। এবার আপনি ফ্রিলেন্সিং সাইটটি দিয়ে Payments অপশানে গিয়ে Withdraw funds এ ক্লিক করে সেই অনলাইন ব্যাংকে ক্লিক করে আপনার Dollar Amount টি উল্লেখ করে অনলাইন ব্যাংটির Email Address দিয়ে দিলে ডলার গুলো প্রথমবার ১৫ দিনে তার পর ১/২ দিনেই আপনার অনলাইন ব্যাংকে এসে যাবে। তারপর, সেখান থেকে Withdraw তে ক্লিক করে ডলারের এমাউন্ট দিয়ে OK করলে আপনার জন্ম তারিখ চাইবে সেটা দিয়ে OK করলে ৭২ ঘন্টার মধ্যে আপনার দেশের ব্যাংকে Dollar/টাকা এসে যাবে।
ধন্যবাদ।

অনলাইনে আয় করা টাকা নিয়ে আসুন মোবাইলে

অনলাইনে আয় করা টাকা নিয়ে আসুন মোবাইলে

Paypal to mobile $ transfer
বেশ কিছু দিন হয়ে গেলো আবার পোস্ট করছি কিছু। আমাদের মধ্যে অনেকেই অনলাইনে টুকটাক কাজ করি তারপর ঝামেলায় পরি টাকা দেশে আনতে গিয়ে। যারা অনেক ডলার আয় করতে পারেন তাদের সমস্যা হয় না। তারা ব্যাংক বা ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে তা করে থাকেন। কিন্তু যারা সামান্য আয় করেন যা দিয়ে হয়ত টাকার ট্রান্সফারের ফি-ই উঠবে না ! তারা সহজেই অল্প খরচে নিজস্ব ফোনে (মোবাইল) টাকা আনতে পারেন। আর এতে মোবাইলে নেট চালালে সেটার বিল সহজেই পরিশোধ করতে পারেন।
আমি আজকে এরকম ২ টা সাইট নিয়ে লিখব যারা এক্ষেত্রে এরকম সেবা দেয় ।এর আগে প্রথমে পেপাল-এ একটা অ্যাকাউন্ট খুলে ফেলুন। আশ্চর্য হবার কিছু নাই বাংলাদেশে এখনো ইনার আগমন ঘটে নাই। অস্ট্রেলিয়ার কোন অ্যড্রেস গুগুলে সার্চ দিয়ে পোস্টাল কোড বা সেখানকার কোন নাম্বার ইউস করতে পারেন। ভেরীফাই করার কোন দরকার নাই। শুধু কোন রকমে একটা অ্যকাউন্ট খুলেন। আর অনেকেই বলেন পেপেল আই পি চেক করে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয় আমার ৭ মাসের মত হল কোন সমস্যা হয় নাই। তাও সাবধান থাকা ভাল।

১) flexiload.com

এখানে সর্বনিম্ন ৫০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত টাকা পাঠানো যাবে। শুধুমাত্র বাংলালিঙ্কে সর্বচ্চ ৩০০ টাকা পাঠানো যাবে।
নীচে ছবি দিয়ে দিলাম কত ডলারে টাকা পাঠানো যাবে তা দেখার জন্য।
আর বলে রাখি এ সাইটের রেট তুলনামূলক বেশি হওয়ায় আমি এ সাইট থেকে টাকা পাঠাই না। আপনারা নিচের সাইটের সাথে তুলনা করলেই তা বুঝতে পারবেন আশা করি

ছবি বড় করে দেখতে চাইলে ছবির উপর ক্লিক করুন

2) remit2cell.com

তুলনামূলক কম খরচে টাকা পাঠানো যায় তাই এটা আমি পছন্দ করি। সর্বনিম্ন ১০০ (১.৯৮ ডলার) টাকা থেকে ২,০০০ (৩৩.৫০ ডলার) টাকা পর্যন্ত টাকা পাঠানো যাবে। প্রথমে Remit2Cell এ যান ।
তারপর টাকার পরিমাণ নির্বাচন করুন।
তারপরের পেজে মোবাইল নাম্বার দিয়ে Add to Cart ক্লিক করুন ।
এরপর Proceed to checkout নামের হলুদ বাটনে ক্লিক করুন
এখন আপনি রি-ডিরেক্টেড হয়ে পেপাল এর পেজে চলে আসছেন। তো লগ-ইন করুন পেপাল এ ব্যবহার করা ই-মেইল আর পাসওয়ার্ড দিয়ে।
পরের পেজটিতে নীচের দিকে Pay Now বাটন টিতে ক্লিক করুন।
পরের পেজ-এ আপনাকে নিশ্চিত করা হবে ট্রাঞ্জাকশানের ব্যাপারে। কাজ শেষ এখন অপেক্ষা করতে হবে। আপনি রাতে পাঠালে সকালে টাকা মোবাইলে পেয়ে যাবেন। আর সকালে পাঠালা অল্প সময়ের মধ্যেই তা পাবেন। । আমি আমার অভিজ্ঞতা থেকে বললাম । সবাইকে ধন্যবাদ লেখা কষ্ট করে পড়ার জন্য। আর লেখাতে কোন ভুল থাকলে জানাবেন। ঠিক করে দিব।

আপনার ব্লগ বা ওয়েব সাইটটির ফ্রি ১৬০ Directory Submission করুন

আপনার ব্লগ বা ওয়েব সাইটটির ফ্রি ১৬০ Directory Submission করুন


সবাই ভাল আছেন নিশ্চই ! আর আপনার ব্লগ বা ওয়েব সাইটটি কেমন আছে ? মানে নিয়মিত ব্লগটির SEO করছেন তো ? না করলে কিন্তু পালাবার রাস্তা পাবেন না একসময়...এবার যদি আমাকে প্রশ্ন করেন SEO কি তাহলে কিন্তু আমি সরাসরি techtunes.com.bd এর ডান পাশের সার্চ বক্সটির দিকে নজর দিব এবং কষ্ট করে খুজে নিতে বলব... কারন এর আগেই অনেক SEO expert রা তাদের টিউন গুলো দিয়ে techtunes কে প্রসিদ্ধ করে তুলেছেন..... আর আমার SEO জ্ঞান খুব একটা ভাল বলা যাবে না তাই এই জঠিল টোপিকস নিয়ে আমি আর প্যাচাল বাড়াতে চাই না।
কিন্তু যারা ইতোমধ্যেই techtunes এর কল্যানে একটু-আধটু SEO সর্ম্পকে জেনেছেন তারা হয়তো Directory Submission এর term টার সাথে জেনে থাকবেন...আর নতুনদের জন্যে এটা অনেকটা ঝামেলার কাজও বটে আর তাই আপনাদের জন্যে একটি ফ্রি সাইটের সন্ধান দিতে এই টিউনটি করলাম।
যেভাবে Directory Submission করবেন !
১। প্রথমেই এই http://easysocialbookmarking.com/seopanel লিঙ্কটিতে যান
২। ডান কোনায় sign up লিঙ্ক এ ক্লিক করে একটি একাউন্ট খুলে নিন।
৩।এরপর লগিন করুন
৪। এখন ডান কোনায় User Panel এ ক্লিক করে Website Manager এ আপনার ওয়েব সাইটের তথ্য দিন। Proceed দিয়ে সেইভ করুন
৫। এবার উপরে Seo Tools এ ক্লিক করে Directory Submission এ যান Automatic Submission এ ক্লিক করুন।
৬। এবং সবশেষে ওয়েব সাইট সিলেক্ট করুন। আর Directory page rank সিলেক্ট করে Show Details এ ক্লিক করুন এখানে আপনি চাইলে আপনার ওয়েব সাইটটির multiple title অথবা Description যোগ করে দিতে পারেন যা SEO এর জন্যে key word পেতে সাহায্যে করবে...

একে একে সব Directory সাবমিট করে দিন। এবং কিছু দিন অপেক্ষা করুন এবং email confirmation করুন।
সবাই ভাল থাকবেন। কাজে লাগলে ধন্যবাদ দিবেন

ব্লগারদের জন্য এড পাবলিশ করে অনলাইনে আয়ের সুযোগ

ব্লগারদের জন্য এড পাবলিশ করে অনলাইনে আয়ের সুযোগ


প্রয়োজনীয় তথ্য-
১। একটি ব্লগ বা ওয়েব সাইট।
২। সাইট ডিজাইন এন্ড ডেবলাপমেন্ট।
৩। কন্টেন্ট পাবলিশ।
৪। সার্চ ইঞ্জিণ অপটিমাইজেশন।
৫। এড এপ্লাই।

আপনার ফ্রী or নিজস্ব সাইট থেকে আয়ের জন্য গুগলের এড পেতে নিচের লিংকটিতে ক্লিক করে সাইনআপ করুন।তার আগে আপনার সাইটটি ডিজাইন ও ডেবলাপ করে নিবেন।ভাল ভাল তথ্যপূর্ণ্য আরটিকোল বা কন্টেন্ট দিয়ে সাইটটিকে সাজিয়ে নিবেন।
https://www.google.com/adsense
সহজেই এড পাওয়ার জন্য নিচের সাইটগুলোর সাহায্য নিন।
http://www.hubpages.com
http://www.indyarocks.com
http://hpage.com
http://www.docstoc.com
http://www.weebly.com
ফ্রী সাইট পাওয়ার জন্য ভিজিট করুন-
www.blogspot.com

www.weebly.com

www.hpage.com

www.20m.com

ফ্রী সাইট থেকে গুগলের এড পাওয়া দুটি সাইট ঘুরে দেখুন।সামান্য কিছু কন্টেন্ট পাবলিশ করেও এড পাওয়া যায়।তবে তার জন্য কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে।বিস্তারিত ভিডিও টিউটরিয়ালে দেখুন।
http://obaydul.hubpages.com/hub/Ohom-group-ltd
http://freeservicesbd24.blogspot.com/
http://www.earn24net.hpage.com/

১ কে করুন ১০০ ডলার তা আবার ১০০%

১ কে করুন ১০০ ডলার তা আবার ১০০%

প্রিয় টিউনার ভাইরা কেমন আছে ? আসা করি ভালই আছেন । আজ আমি যে বিষয় সম্পকে বলতে যাচ্ছি তা অনেকই খুব ভাল লাগবে , তবে যদি ব্যাপারটা ভালভাবে বুঝেন । আবার এও যানি অনেকে না বুঝেই নানা রকম মন্তব্য করবে । তবে এটা আমার কাছে খুব ভাল লেগেছে । কেন ভাল লেগেছে তার কিছু পয়েন্ট নিচে তুলে ধরলাম ।
প্রথমত এ থেকে রেজিষ্টেশনের পরের দিনই প্রথম পেমেন্ট পেয়েছি । নিচে তার প্রমান দিয়ে দিলাম ,একটু ভালভাবে দেখুন বুঝতে পারবেন

দ্বিতীয়ত এটা কোন স্কাম বা হ্যাকিং না । এটা বলা চলে এক ধরনের সেলিং প্রক্রিয়া । যে যত মাকেটিং করতে পারবেন তার সেল তত বেশি হবে ।
যাই হোক এবার মূল কথায় আসা যাক ।
এটা একটি সেলিং ওয়েবসাইট , এখানে জয়েন করা বাবদ আপনাকে এক ডলার ফি দিতে হবে যা এককালীন এর পরে আপনার কাছে আর কোন ফি চাওয়া হবে না । এই $1 এর বিনিময়ে আপনি পাবেন একটি নিজস্ব কনটোল প্যানেল , এখানে আপনার একটা নিজস্ব রেফার লিংক দেওয়া হবে । এই রেফার লিংক এ কেউ প্রবেশ করলে মূল ওয়েব সাইট এর মত সাইট এ প্রবেশ করবে অথ্যাৎ আপনি জয়েন এর সময় যে পেজটি এসেছিল । এখন আপনার পেজের ভিজিটর যখন জয়েন করবে তখন তার জয়েন্ট কৃত এক ডলার সরাসরি আপনার এল্যাটপে একাউন্ট এ এসে জমা হবে । এভাবেই আপনার যত সেল আপনার তত আয় হবে ।
আপনাকে যা যা করতে হবে ।
প্রথমে নিচের ব্যনার টিতে ক্লিক করে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন ।

এবার এই ওয়েব সাইটে JOIN NOW এ ক্লিক করুন । এর পর পেমেন্ট পেজ আসবে । আপনার এল্যাটপে একাউন্ট এ লগইন করুন এবং পেমেন্ট করুন । এর পরে একটি নতুন পেজ আসবে , এটা হলো রেজিস্টশন পেজ , এখানে আপনার নাম ঠিকানা ও ইমেল দিয়ে রেজিষ্টেশন করে নিন । রেজিষ্টেশন শেষে আপনার নিজস্ব Control panel এর পেজ আসবে । যেখানে Your Account এ ক্লিক করে আপনি আপনার রেফার আইডি পাবেন । আর এখান থেকে আপনার নাম , ইমেল , ও পাসওয়াড যে কোন সময় পরিবতন করতে পারবেন । এছারা আপনার Cpanel থেকে Instructions এ ক্লিক করে আপনি বিস্তারিত জানতে পারবেন কিভাবে আপনি 72 ঘন্টার মধ্যে ১০০ ডলার আয় করতে পারবেন ।
তবে আপনার ইমেল আইডি ও এল্যাটপে একাউন্ট এর ক্ষেত্রে একটু কৌশল অবলম্বন করতে হবে । কৌশল টা নিচে দেখুন ।
এল্যাট পে একাউন্ট
আপনাকে খেয়াল রাখবে হবে আপনি যে ইমেল আইডি দিয়ে রেজিষ্টশন করবেন । সেই ইমেল আইডি তে আপনার একটা এল্যাটপে একাউন্ট থাকতে হবে । কারন আপনার রেফার আইডি থেকে আপনার যত বার সেল হবে তত ডলার আপনার এই এল্যাটপে একাউন্টে জমা হবে । যদিও আপনি আপনার cpanel থেকে আপনার ইমেল পরিবতন করতে পারবেন ।

আবার যাদের একাউন্ট এ আনেক ডলার যদি মনে করেন এটা হ্যাকিং , যদিও এটা হ্যাকিং না ।
আপনি জয়েন করার সময় যে কোন একাউন্ট থেকে এক ডলার খরচ করতে পারেন কিন্তু আপনার সেল এর পেমেন্ট পাবার জন্য নতুন একটা এল্যাটপে একাউন্ট খোলাই উত্তম তবে সেটা অবশ্যই হতে হবে Personal Starter একাউন্ট । ভাবছেন Personal Starter একাউন্ট কেন, কারন আপনার যদি Personal Pro একাঊন্ট হয় তাহলে প্রতি বার যখন $1 ডলার রিসিভ করবেন তখন এল্যাটপে তাদের মানি রিসিভ ফি বাবদ $0.62 ডলার কেটে নিবে তাহলে আপনি প্রতি সেলের জন্য আপনি $1 এর পরিবতে $0.38 ডলার পাবেন । কিন্তু আপনার যদি Personal Starter একাউন্ট থাকে তাহলে আপনি প্রতি সেলের জন্য $1 ডলার করেই পাবেন কারন Personal Starter একাউন্ট এর জন্য মানি রিসিভ ফি বাবদ কোন ফি এল্যাটপে নেয়না । নিচের ছবি দেখুন এল্যাটপে একাউন্ট খোলার সময় প্রথমে আপনাকে Personal Starter সিলেক্ট করতে হবে ।

নতুন Alertpay Personal Starter একাউন্ট খোলার জন্য নিচের ব্যনারে ক্লিক করুন ।


তাহলে আর দেরি করে কেন শুরু করে দিন । মাত্র $1 ডলার এর ব্যাপার । যা উঠে আসবে একবার রেফার বা সেল হলেই ।
আমি নিজেই অনেকবার পেমেন্ট পেয়েছি। তাই আমি আত্ত্ববিশ্বাসী এই ব্যাপারে। কোন সমস্যা হলেই তার সমাধান দিতে চেষ্টা করব। কমেন্ট করুন।
ধন্যবাদ ।

অনলাইনে আয়ের সহজতম পথ সাইট টক!! পর্ব -৩

অনলাইনে আয়ের সহজতম পথ সাইট টক!! পর্ব -৩

আসালামু ওয়ালাইকুম। আশা করি সকলে ভাল আছেন। আপনাদের ব্যপক সাড়া আমাকে ৩য় পর্বে হাত দেওয়ার সাহস জোগাল। তাহলে চলুন শুরু করি।
প্রায় নতুন একটি স্যোসাল নেটওয়ার্কিং সাইট হিসেবে ইতোমধ্যে সাইট টক ব্যপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। গত কয়েক দিন আগে সাইট টকের নতুন ভার্সন চালু হয়েছে। sitetalk.com এর হোম পেজটা অনেক সুন্দর করা হয়েছে। যাই হোক আজ আমি আপনাদের জানাবো কিভাবে জয়েন করে একজন অ্যাক্টিভ মেম্বার হিসেবে আপনি আয় কারতে পারবেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, যত বেশী Referrer থাকবে তত বেশী আয় করা সম্ভব ।

একজন অ্যাক্টিভ মেম্বার হিসাবে আপনাকে কি করতে হবেঃ
  • বন্ধুদের সাথে চ্যাট করতে হবে।
  • সাইট টকে বিচরণ করবে পারেন এবং অন্য বন্ধুদের Status বা Comments পড়তে পারেন।
  • আপনার স্ট্যাটাস আপডেট করতে পারেন।
  • কোন বন্ধুকে অ্যাড করতে পারেন।
  • কাউকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাতে পারেন।
  • একটি গ্রুপ তৈরি করতে পারেন।
  • আপডেট কমেন্ট করতে পারেন।
  • কোন গ্রুপে সক্রিয় থাকতে পারেন।
  • আপনার প্রোফাইল আপডেট করতে পারেন।
  • প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করতে পারেন।
সপ্তাহে এক দিন উপরে উল্লেখিত যে কোন একটি কাজ করলে আপনি অ্যাক্টিভ মেম্বার হিসাবে গন্য হবেন।
কিভাবে আয় করবেনঃ
  • যত বেশী সম্ভব আপনার Refer তৈরি করুন।
  • তাদেরকে সাইন আপ করান আপনার রেফারেল লিঙ্কে ( আপনার রেফারেল লিঙ্ক হবেঃ www.sitetalk.com/username)
  • নতুন মেম্বারদের অ্যাক্টিভ মেম্বার হতে সাহায্য করুন।
কিভাবে আপনার আয় পাবেনঃ
  • যখন আপনার সুবিধা হবে তখন একটি মেম্বারশীপ প্যাকেজ ক্রয় করতে পারেন ( বিস্তারিত জানতে পুরো পোস্টটি পড়ুন)
  • প্যাকেজ কেনার পর আপনি একটি মাস্টার কার্ড পাবেন যা দিয়ে আপনি যে কোন সময় যে কোন দেশ থেকে টাকা উঠাতে পারবেন।
  • যদি আপনার সরাসরি লিঙ্কে ১০০ জনের উপর অ্যাক্টিভ মেম্বার থাকে তাহলে আপনি আয় করবেন ১৫০০০+ টাকা।
  • আবার আপনার কাজ শেষ, আপনার অ্যাক্টিভ মেম্বাররা কাজ করলে আপনার কাজ সহজ হয়ে গেল ( অ্যাক্টিভ মেম্বার না থাকলে আপনাকেই কষ্ট করতে হবে)
সাইট টক মেম্বারশীপ প্যাকেজ সমূহঃ
  • ব্যসিক মেম্বারশীপ প্যাকেজঃ মূল্য ১৪৯  ইউরো
সুবিধাঃ
আপনি একটি Towah Master Card পাবেন যা দিয়ে আপনি বিশ্বের যে কোন দেশ থেকে টাকা উঠাতে পারবেন।
  • ব্রোঞ্জ মেম্বারশীপ প্যাকেজঃ মূল্য ৫০০ ইউরো
সুবিধাঃ
* Towah Master Card
*Holidayplus ( ভ্রমনকালীন সময়ে বিশ্বের যে কোন দেশের পাচ তারকা হোটেলে  থাকা ফ্রী)
* Mandatory অ্যাকাউন্টঃ ৫০ ইউরো ( সাথে সাথে ব্যাক)
* ২০০০ অ্যাড ক্লিক্স।
* Oxford Module (MBA Degree).
* OFC পাবেন ১০০০+
  • গোল্ড মেম্বারশীপ প্যাকেজঃ মূল্য ২০০০ ইউরো
সুবিধাঃ
* Towah Master Card
* Holiday plus ( ভ্রমনকালীন সময়ে বিশ্বের যে কোন দেশের পাচ তারকা হোটেলে  থাকা ফ্রী
* Mandatory অ্যাকাউন্টঃ ২৫০ ইউরো ( সাথে সাথে ব্যাক)
* ১০০০০ অ্যাড ক্লিক্স।
* Oxford Module (MBA Degree).
* সাইট টক সিম কার্ড( ২৩০+ দেশে রোমিং ফ্রী এবং স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক কাভারেজ)।
* ব্যক্তিগত ব্যবসায়ীক ইমেইল অ্যাকাউন্টঃ ............@sitetalk.com
* OFC পাবেন ৮০০০+
ব্রোঞ্জ ও গোল্ড মেম্বারশীপ প্যাকেজে আরও অনেক বিশেষ গিফট আছে!!

সাইট টক সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য নিচের ওয়েবসাইট গুলো দেখতে পারেনঃ
http://www.presidentclub.biz/
http://www.alexa.com/siteinfo/sitetalk.com
http://www.mysitecost.com/
http://www.unaico.com/
http://www.sitetalk.com/
http://www.sitetalkmail.com/
http://www.sitetalksim.com/
http://www.sitetalkcoffee.com/
http://www.sitetalkme.com/
http://www.presidentclub.biz/
http://www.sitetalkmall.com/
http://www.oxfordprogramme.co.uk/
http://www.towahbanking.com/
http://www.sitetalktravel.com/
http://www.sitetalkcare.org/

ইন্টারনেট থেকে আয়; সত্যি কি সম্ভব?

ইন্টারনেট থেকে আয়; সত্যি কি সম্ভব?


ইন্টারনেটে ঘরে বসে কি সত্যি টাকা কামানো যায়? –এই নিয়ে সন্দেহ আর বিশ্বাস-অবিশ্বাসের দোলাচলে ভুগছেন অনেকেই। অনেকের কাছেই এটা ভুয়া গল্প মাত্র, আবার অনেকেই ভালো ফলও পাচ্ছেন। আর কেউ কেউ আছেন, যাঁরা বিশ্বাস বুকে নিয়ে চেষ্টা করে যাচ্ছেন, সাফল্যের মুখ দেখতে পারছেন না তাঁদের ভুল পদ্ধতি কিংবা ভুয়া পথে হাঁটার জন্যে।
হ্যা, ইন্টারনেট থেকে টাকা কামানো যায়। তবে একটা বিষয় সত্যি, আপনি খুঁজলে যে পথগুলো পাবেন তার সিংহভাগই স্ক্যাম; আর একারণেই অনেকের বিশ্বাস উঠে গেছে, ভুয়া গল্প মনে করছেন। অনলাইন আর্নিং-এ (আউটসোর্সিং) বাংলাদেশ বেশ ভালো করছে, কিছুদিন আগে একটা প্রতিবেদনে পড়েছিলাম- বিশ্বের শহরগুলোর মধ্যে আউটসোর্সিং-এ ঢাকার অবস্থান তৃতীয়!
আপনি যদি ভেবে থাকেন যে ঘরে বসে থাকবেন, দুই-চারটা ক্লিক করবেন আর টাকা আপনার পকেটে চলে আসবে, তাহলে বলবো আপনি নেহায়ত একটা বোকা। একটা ব্যাপার ভাবুন, আপনি যে চাকুরীটা করেন সেখানে আপনাকে সাত-আট ঘণ্টা সময় দিতে হয়। এক্ষেত্রেও আপনাকে পরিশ্রম করতে হবে। তবে হ্যা, আউটসোর্সিং-এ পথভেদে আপনাকে পরিশ্রম কম-বেশি করতে হতে পারে। চলুন দেখি ইন্টারনেট থেকে টাকা কামানোর কী কী পথ আছে-
১. গুগোল এডসেন্সঃ এটি সবচেয়ে জনপ্রিয়, আলোচিত এবং অবশ্যই বিশ্বস্ত পদ্ধতি। এক্ষেত্রে আপনার নিজের একটি ওয়েবসাইট থাকতে হবে। Google-এর বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করবেন আপনার সাইটে, ভিজিটররা সেই বিজ্ঞাপনের লিংকে ক্লিক করলে আপনি নির্দিষ্ট অংকের টাকা পাবেন। সেক্ষেত্রে আপনার সাইট গুগোল কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে। এ বিষয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত আলোচনা করবো।
২. ফ্রিল্যান্সঃ এটিই মূলত বহুল প্রচলিত পদ্ধতি। আপনাকে ফ্রিল্যান্সিং সাইটে নিবন্ধন করে সদস্য হতে হবে। যাঁদের কাজ করিয়ে নেওয়া দরকার তাঁরা এইসব সাইটে কাজের বিজ্ঞাপন দিবেন। সেটি হতে পারে প্রোগ্রামিং বিষয়ক কিছু, বাগ ফিক্সিং, ওয়েব সাইট তৈরি অথবা ব্যক্তিগত সহকারীর কাজ! আপনি আপনার যোগ্যতা অনুযায়ী সেখানে আবেদন (বিড) করবেন। কাজদাতা যদি আপনাকে পছন্দ করেন, তাহলে আপনি তাঁর কাজ করে দিয়ে বাজেট অনুযায়ী টাকা পাবেন। এক্ষেত্রে দক্ষতা এবং সততা যথেষ্ট হওয়া উচিৎ।
৩. এফিলিয়েট মার্কেটিংঃ এটি সোজা ভাষায় দালালী। কোনও কোম্পানির এফিলিয়েট মেম্বার হলে তারা আপনাকে একটা লিংক দেবে। সেই লিংক আপনি বিভিন্ন জায়গায় ব্যবহার করবেন। আপনার লিংকে ক্লিক করে কেউ যদি ওই পন্য কেনে, তাহলে লভ্যাংশ থেকে একটা নির্দিষ্ট অংশ আপনি পাবেন।
৪. পিটিসিঃ আপনাকে কিছু লিংক দেওয়া হবে, আপনি সেই লিংকে ক্লিক করবেন। এটি মূলত বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের উল্টো বিষয়। এক্ষেত্রে আপনার ক্লিক থেকে তারা যে লাভ পাচ্ছে, তার একটা ভাগ পাচ্ছেন আপনি।
৫. ডোমেইন-হোস্টিং বিক্রয়ঃ ডোমেইন বিক্রয় এবং হোস্টিং রিসেল করে আপনি ভালো পরিমান একটা অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।
৬. ডোমেইন পার্কঃ ধরুন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট নেই। আপনি তাঁর নামে একটা ডোমেইন কিনে রাখলেন। তিনি যখন ডোমেইন কিনতে গিয়ে দেখবেন তাঁর নামের ডোমেইন আপনি কিনে রেখেছেন, তখন নিশ্চয়ই সেটি তিনি পেতে চাইবেন। এবার আপনি ঝোপ বুঝে কোপ মারবেন। মাত্র ১০ডলারে কেনা ডোমেইন business.com বিক্রী হয়েছিল ৭ লাখ ডলারে। আর বারাক ওবামার নামের একটি ডোমেইন এখন পর্যন্ত ২১ লাখ ডলার দাম উঠেছে। (সুত্রঃ আর্নহেল্প) এটি ডোমেইন পার্কিং। ডোমেইন পার্ক করার পদ্ধতি নিয়ে পরে আলোচনা করা হবে।
৭. আর্টিকেল লেখাঃ বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করায় এমন ব্লগের জন্যে আর্টিকেল লিখে দিতে পারেন আপনি। এটি অনেক ভালো একটি উপায়। ইংরেজিতে ভালো দক্ষতা থাকলেই এই কাজে সাফল্য সম্ভব। প্রতি ৫০০ শব্দের আর্টিকেল লিখে ২ থেকে ১২ ডলার পর্যন্ত পাওয়া যায়।
৮. অন্যান্যঃ এছাড়াও ডিজিটাল পন্য তৈরি করে বিক্রি করতে পারেন। ইবুক লিখে অনেকেই ভালো অংকের টাকা কামাচ্ছেন। কেনা-বেচা করেও আপনি অর্থের মুখ দেখতে পারবেন, কিছু কিনে রাখলেন পরবর্তীতে তুলনামূলক বেশি দামে বিক্রি করে দিবেন। একটা পদ্ধতি হল সার্ভে, বিভিন্ন প্রকার জরীপে অংশ নিতে পারেন আপনি। আরও কিছু পদ্ধতি হয়তো বাদ পরে গেছে, নিজে একটু ভাবুন, জানার চেষ্টা করুন।
পদ্ধতি যেটাই হোক, আপনাকে হতে হবে সৎ, নিষ্ঠাবান আর পরিশ্রমী। নয়তো শেষ পর্যন্ত আপনিও বলে বসবেন ‘ধুর! সব ভুয়া!’। আরেকটা বিষয় হল- আপনাকে অবশ্যই বিশ্বস্ত মাধ্যমে কাজ করতে হবে। কোথাও কাজ করার আগে সেটির বিযয়ে খোঁজখবর নিন।
ভালো থাকুন। দেশকে সমৃদ্ধ করতে সহায়তা করুন। সবার জন্যে শুভকামনা।

খুব সহজেই ফেসবুক থেকে আয় করুন $$$ DOLLER

খুব সহজেই ফেসবুক থেকে আয় করুন $$$ DOLLER

এটা সত্যিই যে আপনার একটা  ফেসবুক থাকলে আপনি খুব সহজেই ফেসবুক থেকে কিছু টাকা আয় করতে পারেন।এজন্য আপনার বিষেষ কিছুই করতে হবে না শুধু
এখানে
গিয়ে আপনার ফেসবুক ACCOUNT টি LOG IN করুন। LOG IN করলে একটা ফেসবুকের "EASYCASH APPLICATION" আসবে, সেখানে "ALOWED" নামে একটা অপশন দেখবেন। আর আপনি নিঃশ্চয় জানেন যে কোনো কিছুতে যোগ দিতে চাইলে নাম ঠিকানা দিয়ে রেজিষ্টার করতে হয। তাই এখানেও সেটা চাইবে কিন্তু এজন্য আপনাকে নতুন করে এসব দিতে হবে না "ALOWED" করলেই আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে নেওয়া হবে। "ALOWED" করলে আপনি একটা PAGE দেখতে পাবেন সেটাতে আপনাকে বন্ধুদের কে এই "EASYCASH APPLICATION" এ যোগ দেওযার জন্য রেফার করতে বলা হবে। আর আপনি আপনার বন্ধুদের রেফার করবেন। আপনার রেফারে যদি আপনার বন্ধুরা এই EASYCASH APPLICATIONএ যোগ দেন তাহলে আপনি প্রতি রেফার করার জন্য যে "ALOWED" করবে তার 10% $1=$0.01 পাবেন। আর "ALOWED" করলেই যেহেতু সবাইকে $1 বোনাস দেওযা হয়। তাই আপনার রেফারে KEU যোগ দিলে আপনি সাথে সাথেই $0.01 পাবেন। এছারাও APPLICATION টাতে খুব সহজে আয় করার আরোও কিছু অফার পাবেন। মাএ $5 DOLAR হলেই PAYPAL এর মাধ্যমে PAYOUT করতে পারবেন।
ভাবছেন এভাবে কতদিনে আয় করবো? জানেন তো বাংলায একটা প্রবাদ আছে সবুরে নেওয়া ফলে। তবুও তারাতারি আয় করার জন্য কিছু টিপস দিচ্ছি। APPLICATION টা "ALOWED"করলে আপনি একটা আপনার রেফারেল লিংক দেখতে পাবেন সেটা COPY করুন , পারলে লিংকটা ছোটো করে নেবেন। এবার ফেসবুকে MONEY, MAKE MONEY, EARN MONEY ETC লিখে সার্চ দিন। সার্চ দিলে অনেক PAGE আসবে সেগুলি LIKE করুন। তারপর এগুলোর দেয়ালে আপনার লিংকটা দিয়ে ফেসবুক থেকে খুব সহজে টাকা আয়ের একটা POST দিন ।
এই পেজগুলিতে অনেকে কিভাবে নেট থেকে টাকা ইনকাম করা যায় সে বিষয়ে POST দেন, এগুলোতে আপনার POST টা মন্তব্য হিসাবে দিন। এছারাও বিভিন্ন ওয়েব সাইটে আপনার পোষ্টটা তুলে দিন। দেখবেন কিছুদিনের মধ্যেই আপনার $5 পার হয়ে যাবে।[/COLOR] আর সত্যিকারেই PAYOUT করা যাবে কিনা সে বিষয়ে টাকা যে পাওযা যাবে তার 99% নিঃশ্চিত থাকতে পারেন। তবে "শর্তাবলি" গুলি পরে নেবেন ও অবশ্যই সেগুলি আপনাকে মানতে হবে। আশাকরি বিষেষ কোনো সমস্যার সম্মুখীন হবেন না। তবুও কোনো সমস্যা হলে জানাবেন। সাধ্যমত সমাধান করতে চেষ্টা করবো । সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ ।

আয় করুন মাসে 35 ডলার থেকে 50 ডলার শুধু Capcha Entry কাজ করে কোন বিড ছাড়াই!!!

আয় করুন মাসে 35 ডলার থেকে 50 ডলার শুধু Capcha Entry কাজ করে কোন বিড ছাড়াই!!!

আমরা অনেকে ক্যাপচা টাইপ এর কাজ করেছি অথবা কাজ করছি অথবা শুনেছি। তো সেখানে সময়ের অনেক বাধা ধরা নিয়ম থাকে যেমন রাত ১২ টায় কাজ করতে হয়,বেশি ভুল হলে ঐ ক্যাপচার সার্ভার বন্ধ হয়ে যায়, টাকার পরিমান কম যেমন ৩৫ টাকা অথবা ৪০ টাকা। তবে আমি যে ধরনের ক্যাপচার কাজের কথা বলছি সেখানে একটা সাইটে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে যা ১৪৩০ ক্যাপচা টাইপে ১ ডলার দিবে এবং এই ১ ডলার(Minimum Payout) এলার্টপেতে
ট্রান্সফার করা যাবে । এলার্টপের কথা কেন বললাম কারন আমাদের দেশে এলার্টপে সাপোর্ট করে। কেউ যদি এলার্টপের ডলার টাকায় রুপান্তর করতে চান তবে এই ইমেইলে যোগাযোগ করুন:
nomanvay@gmail.com
রেজিষ্ট্রেশনের ফরমে আপনাকে আপনার ইউজারনেম,পাসওয়ার্ড মানে পরবর্তিতে যে ইউজারনেম ,পাসওয়ার্ড দিয়ে সাইটে ঢুকে কাজ করতে হবে তা সেট করতে হবে এবং ঐ ফরমে আপনার এলার্টপের একাউন্টের জন্য যে ইমেইল ব্যবহার করা হয়, সেই ইমেইল ঠিকানা বসাতে হবে । এরপর সাবমিট বাটনে ক্লিক করলে পরবর্তি নির্দেশ আসবে ইমেইল ভেরিফিকেশন করার জন্য। আপনার ইমেইল  এ ঢুকে ভেরিফিকেশন করে ঐ সাইটে ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড লিখে লগ ইন করে 'Earn Credits' এ ক্লিক করে কাজ করতে হবে। এখানে প্রতিটি ক্যাপচা আসতে ৩০ থেকে ৪৫ সেকেন্ড সময় নেয় তাই আপনার রেফারেন্সে আরেকটা একাউন্ট অথবা তার ও বেশী খুলে কাজ করতে পারেন। এতে সময় বাচলো এবং অধিক টাকা ইনকাম করতে পারছেন। আরেকটা বিষয় বলে রাখি আপনার রেফার করা একাউন্টে কাজ করার জন্য মেইন একাউন্টে Extra income হবে। সুতরাং আপনার দুই দিকেই লাভ......।
মনে রাখবেন আপনার রেফার করা অ্যাকাউন্ট থেকে Income পেতে হলে অবশ্যয় আপনাকে Main অ্যাকাউন্টা নিয়ে কাজ করতে হবে। সুতরাং Main account সহ সর্বোচ্চ তিনটি অ্যাকাউন্ট  নিয়ে কাজ করতে পারেন। এতে আপনি Risk মুক্ত থাকবেন। আমি এভাভেই কাজ করি।
Free Registration করতে এখানে ক্লিক করুন
আপনি চাইলে নিচের Software ব্যবহার করেও ক্যাপচা টাইপ করতে পারেন ফলে বারবার ঐ সাইটে প্রবেশ করে কাজ করতে হবে না। Automatic স্ক্রীনে ভেসে উঠবে কিছুক্ষণ পর পর ফলে এর পাশাপাশি আপনি অন্যান্য কাজও  করতে পারবেন
Software টির নাম  jCutGui
নামিয়ে নিন নিচের ঠিকানা থেকে
তার আগে আপনাকে নিম্মের Software টি ডাউনলোড করে ইন্সটল করতে হবে তাহলে উপরের Software টি ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারবেন :
Software টির নাম
Java Runtime Environment
Alertpay Account না থাকলে নিচের লিঙ্ক থেকে রেজিষ্ট্রেশন করে নিতে পারেনঃ
ও হ্যাঁ Alertpay-এর account category-তে তিনটি option আছে। আপনি অবশ্যয় Personal pro টি select করবেন। তাহলে আপনি কিছু সুবিধা পাবেন।
Alertpay Free Registration করতেএখানে ক্লিক করুন
নিচের এ সাইট থেকে আমার Payment Proof এর Snapshot দেয়া হলঃ
Picture
Picture
এক নজরে এই সাইটের সুবিধাসমূহঃ
১. প্রতিটি ক্যাপচা= ৭ ক্রেডিট
২. ১০০০০ ক্রেডিট= ১০০ সেন্ট
৩. মিনিমাম পে আউট= ১ ডলার শুধুমাত্র এলার্টপের ক্ষেত্রে,পেপাল ২.৫ ডলার + চার্জ
৪. একাধিক একাউন্ট সাপোর্ট করে
৫. রেফারেল সুবিধা
পরামর্শ: নতুন একাউন্টে প্রথমে 45 second পর Data আসে,আর একটু কাজ করলে 5-15 second এ ডাটা আসে।
সমস্যা হলে আমাকে ফোন করতে ভুলবেননা।
একদম নিচে আমার ফোন নাম্বার দেওয়া আছে।
Phone 01736005629, 01676689556

আয় করুন ডাটা এন্ট্রি করে

আয় করুন ডাটা এন্ট্রি করে

যারা  ফ্রিলেন্সিং এ পারদর্শী নয় তাদের অনলাইনে আয়ের কথা মনে হলেই ডাটা এন্ট্রি কাজের কথা মাথায় আসে। ডাটা এন্ট্রি কাজ মানেই সহজে ডলার ইনকাম নয়। কাজের ধরণটা অনেক সহজ কিন্তু এখানেও আপনাকে কাজ করে ইনকাম করতে হবে। আজকাল অনেকেই কেপচা এন্ট্রি র কাজের কথা বলে। কিন্তু এ কাজ করে আয় করা নিয়ে আমার দিমত আছে। কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট সম্পর্কে বেসিক ধারনা থাকলে আপনিও আয় করতে পারবেন যদি পরিস্রম করার মানসিকতা থাকে। বাংলাদেশে অনেকেই ছোট পরিসরে কাজ দিচ্ছে। তেমনি একটি দেশী  সাইটের সাথে আজ আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিব।ডাটা এন্ট্রি র কাজ দিচ্ছে, সুনামের সাথে এগুচ্ছে বাংলাদেশী এই প্রতিসটান। সাইট ভিসিত করে বিস্তারিত জানতে পারেন। সাইট ভিসিত করতে এখানে ক্লিক করুন। 

এখানে সবসময় কাজ পাওয়া যায়। ১০০% জেনুইন । আশা করি যারা ডাটা এন্ট্রি কাজ করতে চান তাদের উপকার হবে।

ফ্রীল্যান্সিং কি?

ফ্রীল্যান্সিং: কী, কেন এবং কীভাবে?


ফ্রীল্যান্সিং কি?
ইংরেজি সংজ্ঞাঃ

A freelancer, freelance worker, or freelance is somebody who is self-employed and is not committed to a particular employer long term. These workers are often represented by a company or an agency that resells their labor and that of others to its clients with or without project management and labor contributed by its regular employees.
সাধারন বাংলায় "একজন ফ্রীল্যান্সার এমন একধরনের কর্মী যিনি কোন একজন নির্দিষ্ট ব্যাক্তি কিংবা কোম্পানীর কাছে দীর্ঘদিন চুক্তিবদ্ধ থাকে না এবং সে স্বনির্ভর।সে তার একজন ক্ল্যায়েন্টের জন্য একটা জিনিস প্রস্তুত করে কিন্তু লম্বা সময় ধরে সেটার পরিচালনার কাজে থাকেনা"।
ধারনা টা পাওয়া যাচ্ছে যে একজন ফ্রীল্যান্সার কে এবং কি।
বাংলাদেশে ফ্রীল্যান্সাররা সাধারনত বড় অনলাইন ফ্রীল্যান্সিং নেটওয়ার্কে কাজ করে থাকেন।বাংলাদেশে ফ্রীল্যান্সিং এ যেসব কাজ সাধারনত আসেঃ
১.ওয়েব ডিজাইনিং[ আপনাকে বায়ারের জন্য একটি ওয়েব লেয়াউট বানাতে হবে]
২.ওয়েব ডেভলপমেন্ট[ আপনাকে বায়ারের জণ্য একটি ডায়নামিক ওয়েবসাইট কিংবা ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন বানাতে হবে]
৩.গ্রাফিক্স ডিজাইন[ আপনাকে বায়ারের জন্য লোগো,পোষ্টার,কার্টুন কিংবা ফেশিয়াল ক্যারেক্টর ডিজাইন করতে হবে]
৪.আর্টিকেল রাইটিং[ আপনাকে বায়ারের জন্য কোন নির্দিষ্ট কিংবা অনেকগুলো র‍্যান্ডম টপিকের ওপর আর্টিকেল লিখতে হবে,অনুবাদ করতে হবে,ভাষান্তর করতে হবে,শুদ্ধিকরণ করতে হবে কিংবা কপি করতে হবে]
৫.অ্যানিমেশন [আপনাকে বায়ারের জন্য ফ্ল্যাশ অ্যানিমেশন বানাতে হবে যার মধ্যে আছে ব্যানার,ফ্ল্যাশ বাটন,ফ্ল্যাশ-অ্যাকশন স্ক্রিপ্ট এ্যাপ্লিকেশন কিংবা একটা পুরো ফ্ল্যাশ সাইট]

সাধারনত এই সব কাজ বাংলাদেশে বেশি আসে।এই কাজ গুলোর মধ্যে নানা রকম বিভাগ আছে।আসুন ধাপে ধাপে দেখি।

ওয়েব ডিজাইনিং

এই সেক্টরে সাধারনত একটা সাইটের ব্যাসিক লেয়াউট তৈরী করতে হয়।সেখানে আপনাকে একটা টেমপ্লেট থেকে শুরু করে গোটা একটা সাইট বানাতে হবে।কিংবা একই অথবা ভিন্ন ডিজাইন এর একাধিক পেজ বানাতে হবে।
দরকারী প্রোগ্রামিং: HTML,CSS,JavaScript
সাইটকে ইন্টার অ্যাকটিভ করতে দরকারঃ jQuery,prototype,mootools এই ধরনের javascript লাইব্রেরী গুলো।

এগুলো শেখার লিঙ্ক গুলোও দিয়ে দিচ্ছি একে একেঃ
HTML Learning

CSS learning 

javaScript Learning

এগুলো সাধারন কাজে লাগবে।আপনার ওয়েব পেজ কে আরো সুন্দর এবং ইন্টার অ্যাকটিভ করার জন্য দরকার হবে জাভাস্ক্রিপ্ট লাইব্রেরী গুলোর।চলুন সেটাও শিখে আসি।

jQuery শেখার জণ্য এই সাইট টা খুব ভালো। এখানে একদম অ্যামেচার থেকে প্রফেশনাল লেভেল পর্যন্ত টিউটোরিয়াল দেয়া আছে।
ProtoType এর জন্য তেমন ভালো কোন সাইট আমি পাইনি।যা আছে সব হ য ব র ল অবস্থা।আমি এটা খুব একটা ব্যবহার করি না।[আসলে তেমন একটা জানি না,ব্যবহার করবো কেমনে?]
Mootools এর বেশ কিছু ভালো টিউটোরিয়াল আছে এখানে ।আর শুরু থেকে শেখার জণ্য এখানে

এই সাইট টা তেও চোখ বুলিয়ে আসতে পারেন।jQuery বনাম Mootools এর কম্পেয়ার করে সাইট টা বানানো।অনেক কাজের জিনিস পাবেন এখানে।
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট 
এই সেক্টর এ বাংলাদেশে সাধারনত তিন ধরনের কাজ আসে।
১. CMS[Content management system] ডিজাইন,কাষ্টোমাইজেশন,এক্সটেনশন ডিজাইন এবং থিম ডেভেলপমেন্ট
২. ই-কমার্স সাইট ডিজাইন[CMS দিয়েও করতে বলে অনেকে] সাথে পেপাল,এলার্টপে এবং মানি বুকার্স এ পি আই ইন্টিগ্রেশন।
৩. ডায়নামিক সাইট/কন্টেন্ট ডিজাইন[সোজা বাংলায় PHP-MySQL এ্যাপ্লিকেশন]

CMS[Content management system]
এই ক্ষেত্রে রাজত্ব করে দুইজন।জুমলা এবং ওয়ার্ডপ্রেস।এই দুটোর যে কোন একটাতে ভালো জ্ঞান থাকতে হবে যদি ওয়েব ডেভলপমেন্ট সেকশন এ কাজ করতে চান।

জুমলা সাধারনত ডায়নামিক সাইট ডিজাইন এ ব্যবহার হয়।এটার ব্যবহার খুবই সহজ।এটার থিম মার্কেট ও বেশ ভালো।এটার ব্যবহার,ডাউনলোড এবং যাবতীয় এক্সটেনশন এখানে পাবেন।
ওয়ার্ডপ্রেস কে বলা হয় ব্লগ কিংডম এর সম্রাট।পৃথিবীর বেশির ভাগ ব্লগ সাইট চলে ওয়ার্ডপ্রেস এ।বলা বাহুল্য এটার মার্কেট ও অনেক চাঙ্গা।এটার থিম মার্কেট সবচেয়ে বেশি ষ্টং।পাশাপাশি ওয়ার্ডপ্রেস জুমলার তুলনায় নিরাপদ,সহজে ব্যবহার যোগ্য এবং সাইজে ছোট। এর জন্মকুন্ডলী পাবেন এখানে। 
এদের বাহিরে ড্রুপাল,এক্সপুজ সহ আরো বেশ কয়েকটী আছে।তবে মার্কেট এক চেটিয়া ভাবে দখলে রেখেছে উপররে দুইটা।
ডায়নামিক সাইট,কন্টেন্ট
এই সেক্টর এর কাজ অনেক।তবে আপনাকে প্রথমে জানতে হবে PHP এবং SQL ল্যাংগুয়েজ সম্পর্কে। সাধারনত পি এইচ পির জন্য MySQL ডাটাবেজ ব্যবহার হয়,এ জন্য আপনাকে এই দুইটার কোডিং সম্প্ররকে জানলে হবে না,সেই সাথে কিভাবে কাজ করে এবং কিভাবে এটা ডাটা প্রসেস কর সেটাও জানতে হবে।
PHP learning and Details

MySQL Learning And Details

এখানে আপনাকে পুরো একটা সাইট ডিজাইন করতে হতে পারে যার তথ্য গুলো ডাটাবেজে থাকবে।পি এইচ পির মাধ্যমে সেটাকে কল করতে হবে এবং ব্রাউজারে প্রদর্শন করতে হবে।অথবা আপনাকে সাইটের কোণ একটা ছোট্ট অংশ ডিজাইন করতে হবে।যেমন অর্ডার প্রসেসিং,ফিডব্যাক প্রসেসিং কিংবা ফর্ম প্রসেসিং।আরো অনেক কিছু।এটা আগে থেকে বলে নেই যে ওয়েব ডেভলপমেট এর যে কোন সেকশন এ কাজ করতে আপনাকে PHP-MySQL প্রোগ্রামিং এবং ইন্টিগ্রেশন সম্পর্কে জানতে হবে।সেটা সি এম এস ই হোক আর ই কমার্স ই হোক।
ই-কমার্স
এই ক্ষেত্রে সাধারনত অনলাইন বেচা কেনার কাজ বোঝানো হয়,একটা সাইট যেখান থেকে অনলাইনে অর্ডার করা যাবে এবং অনলাইনে কিংবা অফলাইনে পেমেন্ট করা যাবে।অনলাইন পেমেন্ট থাকলে সে ক্ষেতে পেপাল,এলার্টপে কিংবা মানি বুকার্সের এ পি আই এর ব্যবহার জানতে হবে।
এই টাইপের সাইট আপনি PHP-MySQL ব্যবহার করে নিজেও বানাতে পারেন।আবার যে কোন সি এম এস ব্যবহার করতে পারেন।এই সেক্টর এ ম্যাগিনটো,ও এস কমার্স এবং যেন কার্ট এর ভালো মার্কেট রয়েছে।
OS COMMERCE

ZEN CART

Magento

উপরে যে সেক্টর গুলো সম্পর্কে লিখলাম সেগুলো সম্পর্কে আমার [মোটামুটি/বেশ/হালকা পাতলা/অল্প সল্প] জ্ঞান আছে। বাকি সেক্টর গুলোর ওপর নাই।
এতক্ষন বর্ননা করলাম ফ্রীল্যান্সিং এ কি কি ধরনের কাজ আছে এবং সেগুলো কিভাবে শেখা যায়।এবার আসবো ফ্রীল্যান্সিং কিভাবে করা যায়।
www.odesk.com

www.freelancer.com

www.elance.com

www.guru.com

www.vworker.com

www.scriptlance.com

www.getacoder.com

ঊপরের সাইট গুলো সব গুলোই ফ্রী ল্যান্সার নেটওয়ার্ক,এর মধ্যে আমার ব্যাক্তিগত পছব্দ www.freelancer.com এবং www.odesk.com । এদের কাজের রেঞ্জ বেশি,ঝামেলা কম।

এর মধ্যে যে সাইট টীতে আপনার রেজিষ্ট্রেশন করতে ইচ্ছে করবে সেখানে রেজিষ্ট্রেশন করুন।আপনি কি কি কাজ পারেন সেই ক্রাইটেরিয়া গুলো সিলেক্ট করুন।আপনি যে সব অপশন সিলেক্ট করবেন তার ভিত্তিতে আপনাকে কাজের লিষ্ট দেখাবে।এর পর আপনি কাজের ক্যাটাগরী অনুযায়ী কাজ ব্রাউজ করে যেটা পারবেন বলে মনে হয় সেটাতে বিড করুন। freelancer.com এ মাসে ৫০ টা বিড করার সুযোগ থাকে। odesk.com e কিছু টেষ্ট পাস করার আগে ২ টা বিড করার সুযোগ থাকে।টেষ্ট পাস করার পর বিডের লিমিটেশন বাড়ানো হয়।
আজ শুধু ব্যাসিক টা লিখলাম।এর পর freelancer.com নিয়ে লিখবো।ফ্রীল্যান্সিং করতে গেলে কিছু জিনিস অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে।
-আপনাকে ইংরেজি তে যথেষ্ট ভালো হতে হবে।প্রয়োজনে আপনাকে ক্ল্যায়েণ্টের সাথে ভয়েস চ্যাট ও করতে হতে পারে।তাই ইংরেজি স্কিল খুব জরুরী।নিখুঁত ইংরেজি লিখতে ও বলতে পারা আপনার কাজ পাওয়াকে অনেক সহজ করে দেবে।
-আপনি যে কাজ পারবেন না সেটা কখনোই বিড করবেন না।পরে কাজ না হলে আপনার রেপুটেশন খারাপ হবে।যে সব কাজ আপনি সন্দিহান যে পারবেন কিনা,সেটা দেখে শুনে বিড করুন।
-যে কাজ টা পাবেন আগে সেটা ভালো ভাবে বুঝে নিন।প্রয়োজনে ক্ল্যায়েন্টের সাথে বিস্তারিত কথা বলুন।অনেক সময় কাজের বিবরন দেখে যেমন মনে হয় কাজ করতে গেলে দেখা যায় তা নয়।আমি একবার একটা কাজ পেয়েছিলাম একটা ডায়নামিক ফর্ম বানাতে হবে যেখানে সবার যাবতীয় ডিটেইলস থাকবে।কাজ এ হাত দেয়ার পর ক্লায়েন্ট বলে দেশ বিভেদে ফর্ম আলাদা হবে।উদাহরন সরূপ ইউ এস এর জন্য সোশ্যাল সিকিউরিট নম্বর এর ফিল্ড থাকবে এবং ইন্ডিয়ার জন্য আই কার্ড নম্বর[এটা কাজে ছিলো না,উদাহরন দিলাম]।,শুনে তো আমার মাথায় হাত।
-যথা সম্ভব চেষ্টা করুন সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে।এতে আপনার রেপুটেশন বাড়বে।আর বিড করার সময় আপনি যে সময়ের মধ্যে শেষ করতে পারবেন সেই সময় ই উল্লেখ করুন।অযথা কম বা বেশি সময় দেবেন না
-যে কোন কাজ শেষ করার পর কয়েক দফা রিভিউ করুন।ওয়েব ডিজাইন সেকশন এর কাজ হলে যতো গুলো ব্রাউজারে সম্ভব টেষ্ট করুন।দেখুন সব গুলোতে ঠিক দেখাচ্ছে কিনা।
-কাজের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ক্লায়েন্টের সাথে ভালো যোগাযোগ রাখুন।বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট যদি আপনার কাজে খুশি হয়,ভবিষৎ এ সেই আপনাকে আরো কাজ এনে দেবে,নিজের বা অন্যের।আমি আমার এক ক্লায়েন্টের কাছ থেকে ছোট ছোট অনেক গুলো কাজ পেয়েছিলাম।
-পেমেন্টের ব্যাপারে আগে থেকে নিশ্চিত হয়ে নিন।কিভাবে পেমেন্ট নেবেন সে প্রসেস ঠিক করে নিন।আর বিড করার সময় আপনার যতো $ হলে আপনি কাজ টি করতে পারবেন সেটার নিচে বিড করবেন না।পরে কাজের সময় নিজে থেকেই আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন।তাই আপনার চাহিদার সাথে কাজের সমন্বয় করুন।
-আপনার ব্যাপারে কোন ভূল তথ্য ক্লায়েন্ট কে দেবেন না।যতোটা সম্ভব সৎ থাকার চেষ্টা করুন।যদি কোন কাজ না পারেন,ক্লায়েন্ট কে সরাসরি জানিয়ে দিন।

যদি ফ্রীল্যান্সিং কিংবা আউটসোর্সিং নিয়ে কোন প্রশ্ন থাকলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেনঃ nomanvay@gmail.com