Monday, May 28, 2012

অনলাইনে আয়ের সহজতম পথ সাইট টক!! পর্ব -৩

অনলাইনে আয়ের সহজতম পথ সাইট টক!! পর্ব -৩

আসালামু ওয়ালাইকুম। আশা করি সকলে ভাল আছেন। আপনাদের ব্যপক সাড়া আমাকে ৩য় পর্বে হাত দেওয়ার সাহস জোগাল। তাহলে চলুন শুরু করি।
প্রায় নতুন একটি স্যোসাল নেটওয়ার্কিং সাইট হিসেবে ইতোমধ্যে সাইট টক ব্যপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। গত কয়েক দিন আগে সাইট টকের নতুন ভার্সন চালু হয়েছে। sitetalk.com এর হোম পেজটা অনেক সুন্দর করা হয়েছে। যাই হোক আজ আমি আপনাদের জানাবো কিভাবে জয়েন করে একজন অ্যাক্টিভ মেম্বার হিসেবে আপনি আয় কারতে পারবেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, যত বেশী Referrer থাকবে তত বেশী আয় করা সম্ভব ।

একজন অ্যাক্টিভ মেম্বার হিসাবে আপনাকে কি করতে হবেঃ
  • বন্ধুদের সাথে চ্যাট করতে হবে।
  • সাইট টকে বিচরণ করবে পারেন এবং অন্য বন্ধুদের Status বা Comments পড়তে পারেন।
  • আপনার স্ট্যাটাস আপডেট করতে পারেন।
  • কোন বন্ধুকে অ্যাড করতে পারেন।
  • কাউকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাতে পারেন।
  • একটি গ্রুপ তৈরি করতে পারেন।
  • আপডেট কমেন্ট করতে পারেন।
  • কোন গ্রুপে সক্রিয় থাকতে পারেন।
  • আপনার প্রোফাইল আপডেট করতে পারেন।
  • প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করতে পারেন।
সপ্তাহে এক দিন উপরে উল্লেখিত যে কোন একটি কাজ করলে আপনি অ্যাক্টিভ মেম্বার হিসাবে গন্য হবেন।
কিভাবে আয় করবেনঃ
  • যত বেশী সম্ভব আপনার Refer তৈরি করুন।
  • তাদেরকে সাইন আপ করান আপনার রেফারেল লিঙ্কে ( আপনার রেফারেল লিঙ্ক হবেঃ www.sitetalk.com/username)
  • নতুন মেম্বারদের অ্যাক্টিভ মেম্বার হতে সাহায্য করুন।
কিভাবে আপনার আয় পাবেনঃ
  • যখন আপনার সুবিধা হবে তখন একটি মেম্বারশীপ প্যাকেজ ক্রয় করতে পারেন ( বিস্তারিত জানতে পুরো পোস্টটি পড়ুন)
  • প্যাকেজ কেনার পর আপনি একটি মাস্টার কার্ড পাবেন যা দিয়ে আপনি যে কোন সময় যে কোন দেশ থেকে টাকা উঠাতে পারবেন।
  • যদি আপনার সরাসরি লিঙ্কে ১০০ জনের উপর অ্যাক্টিভ মেম্বার থাকে তাহলে আপনি আয় করবেন ১৫০০০+ টাকা।
  • আবার আপনার কাজ শেষ, আপনার অ্যাক্টিভ মেম্বাররা কাজ করলে আপনার কাজ সহজ হয়ে গেল ( অ্যাক্টিভ মেম্বার না থাকলে আপনাকেই কষ্ট করতে হবে)
সাইট টক মেম্বারশীপ প্যাকেজ সমূহঃ
  • ব্যসিক মেম্বারশীপ প্যাকেজঃ মূল্য ১৪৯  ইউরো
সুবিধাঃ
আপনি একটি Towah Master Card পাবেন যা দিয়ে আপনি বিশ্বের যে কোন দেশ থেকে টাকা উঠাতে পারবেন।
  • ব্রোঞ্জ মেম্বারশীপ প্যাকেজঃ মূল্য ৫০০ ইউরো
সুবিধাঃ
* Towah Master Card
*Holidayplus ( ভ্রমনকালীন সময়ে বিশ্বের যে কোন দেশের পাচ তারকা হোটেলে  থাকা ফ্রী)
* Mandatory অ্যাকাউন্টঃ ৫০ ইউরো ( সাথে সাথে ব্যাক)
* ২০০০ অ্যাড ক্লিক্স।
* Oxford Module (MBA Degree).
* OFC পাবেন ১০০০+
  • গোল্ড মেম্বারশীপ প্যাকেজঃ মূল্য ২০০০ ইউরো
সুবিধাঃ
* Towah Master Card
* Holiday plus ( ভ্রমনকালীন সময়ে বিশ্বের যে কোন দেশের পাচ তারকা হোটেলে  থাকা ফ্রী
* Mandatory অ্যাকাউন্টঃ ২৫০ ইউরো ( সাথে সাথে ব্যাক)
* ১০০০০ অ্যাড ক্লিক্স।
* Oxford Module (MBA Degree).
* সাইট টক সিম কার্ড( ২৩০+ দেশে রোমিং ফ্রী এবং স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক কাভারেজ)।
* ব্যক্তিগত ব্যবসায়ীক ইমেইল অ্যাকাউন্টঃ ............@sitetalk.com
* OFC পাবেন ৮০০০+
ব্রোঞ্জ ও গোল্ড মেম্বারশীপ প্যাকেজে আরও অনেক বিশেষ গিফট আছে!!

সাইট টক সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য নিচের ওয়েবসাইট গুলো দেখতে পারেনঃ
http://www.presidentclub.biz/
http://www.alexa.com/siteinfo/sitetalk.com
http://www.mysitecost.com/
http://www.unaico.com/
http://www.sitetalk.com/
http://www.sitetalkmail.com/
http://www.sitetalksim.com/
http://www.sitetalkcoffee.com/
http://www.sitetalkme.com/
http://www.presidentclub.biz/
http://www.sitetalkmall.com/
http://www.oxfordprogramme.co.uk/
http://www.towahbanking.com/
http://www.sitetalktravel.com/
http://www.sitetalkcare.org/

ইন্টারনেট থেকে আয়; সত্যি কি সম্ভব?

ইন্টারনেট থেকে আয়; সত্যি কি সম্ভব?


ইন্টারনেটে ঘরে বসে কি সত্যি টাকা কামানো যায়? –এই নিয়ে সন্দেহ আর বিশ্বাস-অবিশ্বাসের দোলাচলে ভুগছেন অনেকেই। অনেকের কাছেই এটা ভুয়া গল্প মাত্র, আবার অনেকেই ভালো ফলও পাচ্ছেন। আর কেউ কেউ আছেন, যাঁরা বিশ্বাস বুকে নিয়ে চেষ্টা করে যাচ্ছেন, সাফল্যের মুখ দেখতে পারছেন না তাঁদের ভুল পদ্ধতি কিংবা ভুয়া পথে হাঁটার জন্যে।
হ্যা, ইন্টারনেট থেকে টাকা কামানো যায়। তবে একটা বিষয় সত্যি, আপনি খুঁজলে যে পথগুলো পাবেন তার সিংহভাগই স্ক্যাম; আর একারণেই অনেকের বিশ্বাস উঠে গেছে, ভুয়া গল্প মনে করছেন। অনলাইন আর্নিং-এ (আউটসোর্সিং) বাংলাদেশ বেশ ভালো করছে, কিছুদিন আগে একটা প্রতিবেদনে পড়েছিলাম- বিশ্বের শহরগুলোর মধ্যে আউটসোর্সিং-এ ঢাকার অবস্থান তৃতীয়!
আপনি যদি ভেবে থাকেন যে ঘরে বসে থাকবেন, দুই-চারটা ক্লিক করবেন আর টাকা আপনার পকেটে চলে আসবে, তাহলে বলবো আপনি নেহায়ত একটা বোকা। একটা ব্যাপার ভাবুন, আপনি যে চাকুরীটা করেন সেখানে আপনাকে সাত-আট ঘণ্টা সময় দিতে হয়। এক্ষেত্রেও আপনাকে পরিশ্রম করতে হবে। তবে হ্যা, আউটসোর্সিং-এ পথভেদে আপনাকে পরিশ্রম কম-বেশি করতে হতে পারে। চলুন দেখি ইন্টারনেট থেকে টাকা কামানোর কী কী পথ আছে-
১. গুগোল এডসেন্সঃ এটি সবচেয়ে জনপ্রিয়, আলোচিত এবং অবশ্যই বিশ্বস্ত পদ্ধতি। এক্ষেত্রে আপনার নিজের একটি ওয়েবসাইট থাকতে হবে। Google-এর বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করবেন আপনার সাইটে, ভিজিটররা সেই বিজ্ঞাপনের লিংকে ক্লিক করলে আপনি নির্দিষ্ট অংকের টাকা পাবেন। সেক্ষেত্রে আপনার সাইট গুগোল কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে। এ বিষয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত আলোচনা করবো।
২. ফ্রিল্যান্সঃ এটিই মূলত বহুল প্রচলিত পদ্ধতি। আপনাকে ফ্রিল্যান্সিং সাইটে নিবন্ধন করে সদস্য হতে হবে। যাঁদের কাজ করিয়ে নেওয়া দরকার তাঁরা এইসব সাইটে কাজের বিজ্ঞাপন দিবেন। সেটি হতে পারে প্রোগ্রামিং বিষয়ক কিছু, বাগ ফিক্সিং, ওয়েব সাইট তৈরি অথবা ব্যক্তিগত সহকারীর কাজ! আপনি আপনার যোগ্যতা অনুযায়ী সেখানে আবেদন (বিড) করবেন। কাজদাতা যদি আপনাকে পছন্দ করেন, তাহলে আপনি তাঁর কাজ করে দিয়ে বাজেট অনুযায়ী টাকা পাবেন। এক্ষেত্রে দক্ষতা এবং সততা যথেষ্ট হওয়া উচিৎ।
৩. এফিলিয়েট মার্কেটিংঃ এটি সোজা ভাষায় দালালী। কোনও কোম্পানির এফিলিয়েট মেম্বার হলে তারা আপনাকে একটা লিংক দেবে। সেই লিংক আপনি বিভিন্ন জায়গায় ব্যবহার করবেন। আপনার লিংকে ক্লিক করে কেউ যদি ওই পন্য কেনে, তাহলে লভ্যাংশ থেকে একটা নির্দিষ্ট অংশ আপনি পাবেন।
৪. পিটিসিঃ আপনাকে কিছু লিংক দেওয়া হবে, আপনি সেই লিংকে ক্লিক করবেন। এটি মূলত বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের উল্টো বিষয়। এক্ষেত্রে আপনার ক্লিক থেকে তারা যে লাভ পাচ্ছে, তার একটা ভাগ পাচ্ছেন আপনি।
৫. ডোমেইন-হোস্টিং বিক্রয়ঃ ডোমেইন বিক্রয় এবং হোস্টিং রিসেল করে আপনি ভালো পরিমান একটা অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।
৬. ডোমেইন পার্কঃ ধরুন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট নেই। আপনি তাঁর নামে একটা ডোমেইন কিনে রাখলেন। তিনি যখন ডোমেইন কিনতে গিয়ে দেখবেন তাঁর নামের ডোমেইন আপনি কিনে রেখেছেন, তখন নিশ্চয়ই সেটি তিনি পেতে চাইবেন। এবার আপনি ঝোপ বুঝে কোপ মারবেন। মাত্র ১০ডলারে কেনা ডোমেইন business.com বিক্রী হয়েছিল ৭ লাখ ডলারে। আর বারাক ওবামার নামের একটি ডোমেইন এখন পর্যন্ত ২১ লাখ ডলার দাম উঠেছে। (সুত্রঃ আর্নহেল্প) এটি ডোমেইন পার্কিং। ডোমেইন পার্ক করার পদ্ধতি নিয়ে পরে আলোচনা করা হবে।
৭. আর্টিকেল লেখাঃ বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করায় এমন ব্লগের জন্যে আর্টিকেল লিখে দিতে পারেন আপনি। এটি অনেক ভালো একটি উপায়। ইংরেজিতে ভালো দক্ষতা থাকলেই এই কাজে সাফল্য সম্ভব। প্রতি ৫০০ শব্দের আর্টিকেল লিখে ২ থেকে ১২ ডলার পর্যন্ত পাওয়া যায়।
৮. অন্যান্যঃ এছাড়াও ডিজিটাল পন্য তৈরি করে বিক্রি করতে পারেন। ইবুক লিখে অনেকেই ভালো অংকের টাকা কামাচ্ছেন। কেনা-বেচা করেও আপনি অর্থের মুখ দেখতে পারবেন, কিছু কিনে রাখলেন পরবর্তীতে তুলনামূলক বেশি দামে বিক্রি করে দিবেন। একটা পদ্ধতি হল সার্ভে, বিভিন্ন প্রকার জরীপে অংশ নিতে পারেন আপনি। আরও কিছু পদ্ধতি হয়তো বাদ পরে গেছে, নিজে একটু ভাবুন, জানার চেষ্টা করুন।
পদ্ধতি যেটাই হোক, আপনাকে হতে হবে সৎ, নিষ্ঠাবান আর পরিশ্রমী। নয়তো শেষ পর্যন্ত আপনিও বলে বসবেন ‘ধুর! সব ভুয়া!’। আরেকটা বিষয় হল- আপনাকে অবশ্যই বিশ্বস্ত মাধ্যমে কাজ করতে হবে। কোথাও কাজ করার আগে সেটির বিযয়ে খোঁজখবর নিন।
ভালো থাকুন। দেশকে সমৃদ্ধ করতে সহায়তা করুন। সবার জন্যে শুভকামনা।

খুব সহজেই ফেসবুক থেকে আয় করুন $$$ DOLLER

খুব সহজেই ফেসবুক থেকে আয় করুন $$$ DOLLER

এটা সত্যিই যে আপনার একটা  ফেসবুক থাকলে আপনি খুব সহজেই ফেসবুক থেকে কিছু টাকা আয় করতে পারেন।এজন্য আপনার বিষেষ কিছুই করতে হবে না শুধু
এখানে
গিয়ে আপনার ফেসবুক ACCOUNT টি LOG IN করুন। LOG IN করলে একটা ফেসবুকের "EASYCASH APPLICATION" আসবে, সেখানে "ALOWED" নামে একটা অপশন দেখবেন। আর আপনি নিঃশ্চয় জানেন যে কোনো কিছুতে যোগ দিতে চাইলে নাম ঠিকানা দিয়ে রেজিষ্টার করতে হয। তাই এখানেও সেটা চাইবে কিন্তু এজন্য আপনাকে নতুন করে এসব দিতে হবে না "ALOWED" করলেই আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে নেওয়া হবে। "ALOWED" করলে আপনি একটা PAGE দেখতে পাবেন সেটাতে আপনাকে বন্ধুদের কে এই "EASYCASH APPLICATION" এ যোগ দেওযার জন্য রেফার করতে বলা হবে। আর আপনি আপনার বন্ধুদের রেফার করবেন। আপনার রেফারে যদি আপনার বন্ধুরা এই EASYCASH APPLICATIONএ যোগ দেন তাহলে আপনি প্রতি রেফার করার জন্য যে "ALOWED" করবে তার 10% $1=$0.01 পাবেন। আর "ALOWED" করলেই যেহেতু সবাইকে $1 বোনাস দেওযা হয়। তাই আপনার রেফারে KEU যোগ দিলে আপনি সাথে সাথেই $0.01 পাবেন। এছারাও APPLICATION টাতে খুব সহজে আয় করার আরোও কিছু অফার পাবেন। মাএ $5 DOLAR হলেই PAYPAL এর মাধ্যমে PAYOUT করতে পারবেন।
ভাবছেন এভাবে কতদিনে আয় করবো? জানেন তো বাংলায একটা প্রবাদ আছে সবুরে নেওয়া ফলে। তবুও তারাতারি আয় করার জন্য কিছু টিপস দিচ্ছি। APPLICATION টা "ALOWED"করলে আপনি একটা আপনার রেফারেল লিংক দেখতে পাবেন সেটা COPY করুন , পারলে লিংকটা ছোটো করে নেবেন। এবার ফেসবুকে MONEY, MAKE MONEY, EARN MONEY ETC লিখে সার্চ দিন। সার্চ দিলে অনেক PAGE আসবে সেগুলি LIKE করুন। তারপর এগুলোর দেয়ালে আপনার লিংকটা দিয়ে ফেসবুক থেকে খুব সহজে টাকা আয়ের একটা POST দিন ।
এই পেজগুলিতে অনেকে কিভাবে নেট থেকে টাকা ইনকাম করা যায় সে বিষয়ে POST দেন, এগুলোতে আপনার POST টা মন্তব্য হিসাবে দিন। এছারাও বিভিন্ন ওয়েব সাইটে আপনার পোষ্টটা তুলে দিন। দেখবেন কিছুদিনের মধ্যেই আপনার $5 পার হয়ে যাবে।[/COLOR] আর সত্যিকারেই PAYOUT করা যাবে কিনা সে বিষয়ে টাকা যে পাওযা যাবে তার 99% নিঃশ্চিত থাকতে পারেন। তবে "শর্তাবলি" গুলি পরে নেবেন ও অবশ্যই সেগুলি আপনাকে মানতে হবে। আশাকরি বিষেষ কোনো সমস্যার সম্মুখীন হবেন না। তবুও কোনো সমস্যা হলে জানাবেন। সাধ্যমত সমাধান করতে চেষ্টা করবো । সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ ।

আয় করুন মাসে 35 ডলার থেকে 50 ডলার শুধু Capcha Entry কাজ করে কোন বিড ছাড়াই!!!

আয় করুন মাসে 35 ডলার থেকে 50 ডলার শুধু Capcha Entry কাজ করে কোন বিড ছাড়াই!!!

আমরা অনেকে ক্যাপচা টাইপ এর কাজ করেছি অথবা কাজ করছি অথবা শুনেছি। তো সেখানে সময়ের অনেক বাধা ধরা নিয়ম থাকে যেমন রাত ১২ টায় কাজ করতে হয়,বেশি ভুল হলে ঐ ক্যাপচার সার্ভার বন্ধ হয়ে যায়, টাকার পরিমান কম যেমন ৩৫ টাকা অথবা ৪০ টাকা। তবে আমি যে ধরনের ক্যাপচার কাজের কথা বলছি সেখানে একটা সাইটে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে যা ১৪৩০ ক্যাপচা টাইপে ১ ডলার দিবে এবং এই ১ ডলার(Minimum Payout) এলার্টপেতে
ট্রান্সফার করা যাবে । এলার্টপের কথা কেন বললাম কারন আমাদের দেশে এলার্টপে সাপোর্ট করে। কেউ যদি এলার্টপের ডলার টাকায় রুপান্তর করতে চান তবে এই ইমেইলে যোগাযোগ করুন:
nomanvay@gmail.com
রেজিষ্ট্রেশনের ফরমে আপনাকে আপনার ইউজারনেম,পাসওয়ার্ড মানে পরবর্তিতে যে ইউজারনেম ,পাসওয়ার্ড দিয়ে সাইটে ঢুকে কাজ করতে হবে তা সেট করতে হবে এবং ঐ ফরমে আপনার এলার্টপের একাউন্টের জন্য যে ইমেইল ব্যবহার করা হয়, সেই ইমেইল ঠিকানা বসাতে হবে । এরপর সাবমিট বাটনে ক্লিক করলে পরবর্তি নির্দেশ আসবে ইমেইল ভেরিফিকেশন করার জন্য। আপনার ইমেইল  এ ঢুকে ভেরিফিকেশন করে ঐ সাইটে ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড লিখে লগ ইন করে 'Earn Credits' এ ক্লিক করে কাজ করতে হবে। এখানে প্রতিটি ক্যাপচা আসতে ৩০ থেকে ৪৫ সেকেন্ড সময় নেয় তাই আপনার রেফারেন্সে আরেকটা একাউন্ট অথবা তার ও বেশী খুলে কাজ করতে পারেন। এতে সময় বাচলো এবং অধিক টাকা ইনকাম করতে পারছেন। আরেকটা বিষয় বলে রাখি আপনার রেফার করা একাউন্টে কাজ করার জন্য মেইন একাউন্টে Extra income হবে। সুতরাং আপনার দুই দিকেই লাভ......।
মনে রাখবেন আপনার রেফার করা অ্যাকাউন্ট থেকে Income পেতে হলে অবশ্যয় আপনাকে Main অ্যাকাউন্টা নিয়ে কাজ করতে হবে। সুতরাং Main account সহ সর্বোচ্চ তিনটি অ্যাকাউন্ট  নিয়ে কাজ করতে পারেন। এতে আপনি Risk মুক্ত থাকবেন। আমি এভাভেই কাজ করি।
Free Registration করতে এখানে ক্লিক করুন
আপনি চাইলে নিচের Software ব্যবহার করেও ক্যাপচা টাইপ করতে পারেন ফলে বারবার ঐ সাইটে প্রবেশ করে কাজ করতে হবে না। Automatic স্ক্রীনে ভেসে উঠবে কিছুক্ষণ পর পর ফলে এর পাশাপাশি আপনি অন্যান্য কাজও  করতে পারবেন
Software টির নাম  jCutGui
নামিয়ে নিন নিচের ঠিকানা থেকে
তার আগে আপনাকে নিম্মের Software টি ডাউনলোড করে ইন্সটল করতে হবে তাহলে উপরের Software টি ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারবেন :
Software টির নাম
Java Runtime Environment
Alertpay Account না থাকলে নিচের লিঙ্ক থেকে রেজিষ্ট্রেশন করে নিতে পারেনঃ
ও হ্যাঁ Alertpay-এর account category-তে তিনটি option আছে। আপনি অবশ্যয় Personal pro টি select করবেন। তাহলে আপনি কিছু সুবিধা পাবেন।
Alertpay Free Registration করতেএখানে ক্লিক করুন
নিচের এ সাইট থেকে আমার Payment Proof এর Snapshot দেয়া হলঃ
Picture
Picture
এক নজরে এই সাইটের সুবিধাসমূহঃ
১. প্রতিটি ক্যাপচা= ৭ ক্রেডিট
২. ১০০০০ ক্রেডিট= ১০০ সেন্ট
৩. মিনিমাম পে আউট= ১ ডলার শুধুমাত্র এলার্টপের ক্ষেত্রে,পেপাল ২.৫ ডলার + চার্জ
৪. একাধিক একাউন্ট সাপোর্ট করে
৫. রেফারেল সুবিধা
পরামর্শ: নতুন একাউন্টে প্রথমে 45 second পর Data আসে,আর একটু কাজ করলে 5-15 second এ ডাটা আসে।
সমস্যা হলে আমাকে ফোন করতে ভুলবেননা।
একদম নিচে আমার ফোন নাম্বার দেওয়া আছে।
Phone 01736005629, 01676689556

আয় করুন ডাটা এন্ট্রি করে

আয় করুন ডাটা এন্ট্রি করে

যারা  ফ্রিলেন্সিং এ পারদর্শী নয় তাদের অনলাইনে আয়ের কথা মনে হলেই ডাটা এন্ট্রি কাজের কথা মাথায় আসে। ডাটা এন্ট্রি কাজ মানেই সহজে ডলার ইনকাম নয়। কাজের ধরণটা অনেক সহজ কিন্তু এখানেও আপনাকে কাজ করে ইনকাম করতে হবে। আজকাল অনেকেই কেপচা এন্ট্রি র কাজের কথা বলে। কিন্তু এ কাজ করে আয় করা নিয়ে আমার দিমত আছে। কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট সম্পর্কে বেসিক ধারনা থাকলে আপনিও আয় করতে পারবেন যদি পরিস্রম করার মানসিকতা থাকে। বাংলাদেশে অনেকেই ছোট পরিসরে কাজ দিচ্ছে। তেমনি একটি দেশী  সাইটের সাথে আজ আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিব।ডাটা এন্ট্রি র কাজ দিচ্ছে, সুনামের সাথে এগুচ্ছে বাংলাদেশী এই প্রতিসটান। সাইট ভিসিত করে বিস্তারিত জানতে পারেন। সাইট ভিসিত করতে এখানে ক্লিক করুন। 

এখানে সবসময় কাজ পাওয়া যায়। ১০০% জেনুইন । আশা করি যারা ডাটা এন্ট্রি কাজ করতে চান তাদের উপকার হবে।

ফ্রীল্যান্সিং কি?

ফ্রীল্যান্সিং: কী, কেন এবং কীভাবে?


ফ্রীল্যান্সিং কি?
ইংরেজি সংজ্ঞাঃ

A freelancer, freelance worker, or freelance is somebody who is self-employed and is not committed to a particular employer long term. These workers are often represented by a company or an agency that resells their labor and that of others to its clients with or without project management and labor contributed by its regular employees.
সাধারন বাংলায় "একজন ফ্রীল্যান্সার এমন একধরনের কর্মী যিনি কোন একজন নির্দিষ্ট ব্যাক্তি কিংবা কোম্পানীর কাছে দীর্ঘদিন চুক্তিবদ্ধ থাকে না এবং সে স্বনির্ভর।সে তার একজন ক্ল্যায়েন্টের জন্য একটা জিনিস প্রস্তুত করে কিন্তু লম্বা সময় ধরে সেটার পরিচালনার কাজে থাকেনা"।
ধারনা টা পাওয়া যাচ্ছে যে একজন ফ্রীল্যান্সার কে এবং কি।
বাংলাদেশে ফ্রীল্যান্সাররা সাধারনত বড় অনলাইন ফ্রীল্যান্সিং নেটওয়ার্কে কাজ করে থাকেন।বাংলাদেশে ফ্রীল্যান্সিং এ যেসব কাজ সাধারনত আসেঃ
১.ওয়েব ডিজাইনিং[ আপনাকে বায়ারের জন্য একটি ওয়েব লেয়াউট বানাতে হবে]
২.ওয়েব ডেভলপমেন্ট[ আপনাকে বায়ারের জণ্য একটি ডায়নামিক ওয়েবসাইট কিংবা ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন বানাতে হবে]
৩.গ্রাফিক্স ডিজাইন[ আপনাকে বায়ারের জন্য লোগো,পোষ্টার,কার্টুন কিংবা ফেশিয়াল ক্যারেক্টর ডিজাইন করতে হবে]
৪.আর্টিকেল রাইটিং[ আপনাকে বায়ারের জন্য কোন নির্দিষ্ট কিংবা অনেকগুলো র‍্যান্ডম টপিকের ওপর আর্টিকেল লিখতে হবে,অনুবাদ করতে হবে,ভাষান্তর করতে হবে,শুদ্ধিকরণ করতে হবে কিংবা কপি করতে হবে]
৫.অ্যানিমেশন [আপনাকে বায়ারের জন্য ফ্ল্যাশ অ্যানিমেশন বানাতে হবে যার মধ্যে আছে ব্যানার,ফ্ল্যাশ বাটন,ফ্ল্যাশ-অ্যাকশন স্ক্রিপ্ট এ্যাপ্লিকেশন কিংবা একটা পুরো ফ্ল্যাশ সাইট]

সাধারনত এই সব কাজ বাংলাদেশে বেশি আসে।এই কাজ গুলোর মধ্যে নানা রকম বিভাগ আছে।আসুন ধাপে ধাপে দেখি।

ওয়েব ডিজাইনিং

এই সেক্টরে সাধারনত একটা সাইটের ব্যাসিক লেয়াউট তৈরী করতে হয়।সেখানে আপনাকে একটা টেমপ্লেট থেকে শুরু করে গোটা একটা সাইট বানাতে হবে।কিংবা একই অথবা ভিন্ন ডিজাইন এর একাধিক পেজ বানাতে হবে।
দরকারী প্রোগ্রামিং: HTML,CSS,JavaScript
সাইটকে ইন্টার অ্যাকটিভ করতে দরকারঃ jQuery,prototype,mootools এই ধরনের javascript লাইব্রেরী গুলো।

এগুলো শেখার লিঙ্ক গুলোও দিয়ে দিচ্ছি একে একেঃ
HTML Learning

CSS learning 

javaScript Learning

এগুলো সাধারন কাজে লাগবে।আপনার ওয়েব পেজ কে আরো সুন্দর এবং ইন্টার অ্যাকটিভ করার জন্য দরকার হবে জাভাস্ক্রিপ্ট লাইব্রেরী গুলোর।চলুন সেটাও শিখে আসি।

jQuery শেখার জণ্য এই সাইট টা খুব ভালো। এখানে একদম অ্যামেচার থেকে প্রফেশনাল লেভেল পর্যন্ত টিউটোরিয়াল দেয়া আছে।
ProtoType এর জন্য তেমন ভালো কোন সাইট আমি পাইনি।যা আছে সব হ য ব র ল অবস্থা।আমি এটা খুব একটা ব্যবহার করি না।[আসলে তেমন একটা জানি না,ব্যবহার করবো কেমনে?]
Mootools এর বেশ কিছু ভালো টিউটোরিয়াল আছে এখানে ।আর শুরু থেকে শেখার জণ্য এখানে

এই সাইট টা তেও চোখ বুলিয়ে আসতে পারেন।jQuery বনাম Mootools এর কম্পেয়ার করে সাইট টা বানানো।অনেক কাজের জিনিস পাবেন এখানে।
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট 
এই সেক্টর এ বাংলাদেশে সাধারনত তিন ধরনের কাজ আসে।
১. CMS[Content management system] ডিজাইন,কাষ্টোমাইজেশন,এক্সটেনশন ডিজাইন এবং থিম ডেভেলপমেন্ট
২. ই-কমার্স সাইট ডিজাইন[CMS দিয়েও করতে বলে অনেকে] সাথে পেপাল,এলার্টপে এবং মানি বুকার্স এ পি আই ইন্টিগ্রেশন।
৩. ডায়নামিক সাইট/কন্টেন্ট ডিজাইন[সোজা বাংলায় PHP-MySQL এ্যাপ্লিকেশন]

CMS[Content management system]
এই ক্ষেত্রে রাজত্ব করে দুইজন।জুমলা এবং ওয়ার্ডপ্রেস।এই দুটোর যে কোন একটাতে ভালো জ্ঞান থাকতে হবে যদি ওয়েব ডেভলপমেন্ট সেকশন এ কাজ করতে চান।

জুমলা সাধারনত ডায়নামিক সাইট ডিজাইন এ ব্যবহার হয়।এটার ব্যবহার খুবই সহজ।এটার থিম মার্কেট ও বেশ ভালো।এটার ব্যবহার,ডাউনলোড এবং যাবতীয় এক্সটেনশন এখানে পাবেন।
ওয়ার্ডপ্রেস কে বলা হয় ব্লগ কিংডম এর সম্রাট।পৃথিবীর বেশির ভাগ ব্লগ সাইট চলে ওয়ার্ডপ্রেস এ।বলা বাহুল্য এটার মার্কেট ও অনেক চাঙ্গা।এটার থিম মার্কেট সবচেয়ে বেশি ষ্টং।পাশাপাশি ওয়ার্ডপ্রেস জুমলার তুলনায় নিরাপদ,সহজে ব্যবহার যোগ্য এবং সাইজে ছোট। এর জন্মকুন্ডলী পাবেন এখানে। 
এদের বাহিরে ড্রুপাল,এক্সপুজ সহ আরো বেশ কয়েকটী আছে।তবে মার্কেট এক চেটিয়া ভাবে দখলে রেখেছে উপররে দুইটা।
ডায়নামিক সাইট,কন্টেন্ট
এই সেক্টর এর কাজ অনেক।তবে আপনাকে প্রথমে জানতে হবে PHP এবং SQL ল্যাংগুয়েজ সম্পর্কে। সাধারনত পি এইচ পির জন্য MySQL ডাটাবেজ ব্যবহার হয়,এ জন্য আপনাকে এই দুইটার কোডিং সম্প্ররকে জানলে হবে না,সেই সাথে কিভাবে কাজ করে এবং কিভাবে এটা ডাটা প্রসেস কর সেটাও জানতে হবে।
PHP learning and Details

MySQL Learning And Details

এখানে আপনাকে পুরো একটা সাইট ডিজাইন করতে হতে পারে যার তথ্য গুলো ডাটাবেজে থাকবে।পি এইচ পির মাধ্যমে সেটাকে কল করতে হবে এবং ব্রাউজারে প্রদর্শন করতে হবে।অথবা আপনাকে সাইটের কোণ একটা ছোট্ট অংশ ডিজাইন করতে হবে।যেমন অর্ডার প্রসেসিং,ফিডব্যাক প্রসেসিং কিংবা ফর্ম প্রসেসিং।আরো অনেক কিছু।এটা আগে থেকে বলে নেই যে ওয়েব ডেভলপমেট এর যে কোন সেকশন এ কাজ করতে আপনাকে PHP-MySQL প্রোগ্রামিং এবং ইন্টিগ্রেশন সম্পর্কে জানতে হবে।সেটা সি এম এস ই হোক আর ই কমার্স ই হোক।
ই-কমার্স
এই ক্ষেত্রে সাধারনত অনলাইন বেচা কেনার কাজ বোঝানো হয়,একটা সাইট যেখান থেকে অনলাইনে অর্ডার করা যাবে এবং অনলাইনে কিংবা অফলাইনে পেমেন্ট করা যাবে।অনলাইন পেমেন্ট থাকলে সে ক্ষেতে পেপাল,এলার্টপে কিংবা মানি বুকার্সের এ পি আই এর ব্যবহার জানতে হবে।
এই টাইপের সাইট আপনি PHP-MySQL ব্যবহার করে নিজেও বানাতে পারেন।আবার যে কোন সি এম এস ব্যবহার করতে পারেন।এই সেক্টর এ ম্যাগিনটো,ও এস কমার্স এবং যেন কার্ট এর ভালো মার্কেট রয়েছে।
OS COMMERCE

ZEN CART

Magento

উপরে যে সেক্টর গুলো সম্পর্কে লিখলাম সেগুলো সম্পর্কে আমার [মোটামুটি/বেশ/হালকা পাতলা/অল্প সল্প] জ্ঞান আছে। বাকি সেক্টর গুলোর ওপর নাই।
এতক্ষন বর্ননা করলাম ফ্রীল্যান্সিং এ কি কি ধরনের কাজ আছে এবং সেগুলো কিভাবে শেখা যায়।এবার আসবো ফ্রীল্যান্সিং কিভাবে করা যায়।
www.odesk.com

www.freelancer.com

www.elance.com

www.guru.com

www.vworker.com

www.scriptlance.com

www.getacoder.com

ঊপরের সাইট গুলো সব গুলোই ফ্রী ল্যান্সার নেটওয়ার্ক,এর মধ্যে আমার ব্যাক্তিগত পছব্দ www.freelancer.com এবং www.odesk.com । এদের কাজের রেঞ্জ বেশি,ঝামেলা কম।

এর মধ্যে যে সাইট টীতে আপনার রেজিষ্ট্রেশন করতে ইচ্ছে করবে সেখানে রেজিষ্ট্রেশন করুন।আপনি কি কি কাজ পারেন সেই ক্রাইটেরিয়া গুলো সিলেক্ট করুন।আপনি যে সব অপশন সিলেক্ট করবেন তার ভিত্তিতে আপনাকে কাজের লিষ্ট দেখাবে।এর পর আপনি কাজের ক্যাটাগরী অনুযায়ী কাজ ব্রাউজ করে যেটা পারবেন বলে মনে হয় সেটাতে বিড করুন। freelancer.com এ মাসে ৫০ টা বিড করার সুযোগ থাকে। odesk.com e কিছু টেষ্ট পাস করার আগে ২ টা বিড করার সুযোগ থাকে।টেষ্ট পাস করার পর বিডের লিমিটেশন বাড়ানো হয়।
আজ শুধু ব্যাসিক টা লিখলাম।এর পর freelancer.com নিয়ে লিখবো।ফ্রীল্যান্সিং করতে গেলে কিছু জিনিস অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে।
-আপনাকে ইংরেজি তে যথেষ্ট ভালো হতে হবে।প্রয়োজনে আপনাকে ক্ল্যায়েণ্টের সাথে ভয়েস চ্যাট ও করতে হতে পারে।তাই ইংরেজি স্কিল খুব জরুরী।নিখুঁত ইংরেজি লিখতে ও বলতে পারা আপনার কাজ পাওয়াকে অনেক সহজ করে দেবে।
-আপনি যে কাজ পারবেন না সেটা কখনোই বিড করবেন না।পরে কাজ না হলে আপনার রেপুটেশন খারাপ হবে।যে সব কাজ আপনি সন্দিহান যে পারবেন কিনা,সেটা দেখে শুনে বিড করুন।
-যে কাজ টা পাবেন আগে সেটা ভালো ভাবে বুঝে নিন।প্রয়োজনে ক্ল্যায়েন্টের সাথে বিস্তারিত কথা বলুন।অনেক সময় কাজের বিবরন দেখে যেমন মনে হয় কাজ করতে গেলে দেখা যায় তা নয়।আমি একবার একটা কাজ পেয়েছিলাম একটা ডায়নামিক ফর্ম বানাতে হবে যেখানে সবার যাবতীয় ডিটেইলস থাকবে।কাজ এ হাত দেয়ার পর ক্লায়েন্ট বলে দেশ বিভেদে ফর্ম আলাদা হবে।উদাহরন সরূপ ইউ এস এর জন্য সোশ্যাল সিকিউরিট নম্বর এর ফিল্ড থাকবে এবং ইন্ডিয়ার জন্য আই কার্ড নম্বর[এটা কাজে ছিলো না,উদাহরন দিলাম]।,শুনে তো আমার মাথায় হাত।
-যথা সম্ভব চেষ্টা করুন সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে।এতে আপনার রেপুটেশন বাড়বে।আর বিড করার সময় আপনি যে সময়ের মধ্যে শেষ করতে পারবেন সেই সময় ই উল্লেখ করুন।অযথা কম বা বেশি সময় দেবেন না
-যে কোন কাজ শেষ করার পর কয়েক দফা রিভিউ করুন।ওয়েব ডিজাইন সেকশন এর কাজ হলে যতো গুলো ব্রাউজারে সম্ভব টেষ্ট করুন।দেখুন সব গুলোতে ঠিক দেখাচ্ছে কিনা।
-কাজের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ক্লায়েন্টের সাথে ভালো যোগাযোগ রাখুন।বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট যদি আপনার কাজে খুশি হয়,ভবিষৎ এ সেই আপনাকে আরো কাজ এনে দেবে,নিজের বা অন্যের।আমি আমার এক ক্লায়েন্টের কাছ থেকে ছোট ছোট অনেক গুলো কাজ পেয়েছিলাম।
-পেমেন্টের ব্যাপারে আগে থেকে নিশ্চিত হয়ে নিন।কিভাবে পেমেন্ট নেবেন সে প্রসেস ঠিক করে নিন।আর বিড করার সময় আপনার যতো $ হলে আপনি কাজ টি করতে পারবেন সেটার নিচে বিড করবেন না।পরে কাজের সময় নিজে থেকেই আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন।তাই আপনার চাহিদার সাথে কাজের সমন্বয় করুন।
-আপনার ব্যাপারে কোন ভূল তথ্য ক্লায়েন্ট কে দেবেন না।যতোটা সম্ভব সৎ থাকার চেষ্টা করুন।যদি কোন কাজ না পারেন,ক্লায়েন্ট কে সরাসরি জানিয়ে দিন।

যদি ফ্রীল্যান্সিং কিংবা আউটসোর্সিং নিয়ে কোন প্রশ্ন থাকলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেনঃ nomanvay@gmail.com

আয় শুরু হোক দেশি সাইট থেকেই

আয় শুরু হোক দেশি সাইট থেকেই

একটু দেরি করে হলেও আবারো ফিরে আসলাম মিনি ধারবাহিক এর ৩য় পর্ব নিয়ে। আশা করছি সবাই ভালোই আছেন এবং সাথে আছে প্রতিমুহূর্ত।

আমাদের এবার কাজ খোঁজার পালা। তাই আজকে দেখবো আমারা কিভাবে কাজের জন্য বিড করবো! চলুন তাহলে শুরু করে দেয়া যাকঃ-

প্রতিটি ব্লগের/সাইটেরই নির্দিষ্ট একটি রোলস বা নিয়ম থেকে থাকে। কারণ নিয়ম হীন প্রতিটি যায়গাতেই লক্ষ্য করে দেখবেন অনিয়ম শুরু হয়ে থাকে। এবং অনেক সময় তা মাত্রা ক্রস করে যায়। তাই সব কিছুতেই একটি পরিপূর্ণ নিয়ম থাকা অবশ্যক!
উপড়ের পিকচারটির মধ্যে যেই মেন্যু দেখতে পাচ্ছেন তাহলোঃ-
  • হোমঃ- প্রথম পাতায় আসার জন্য।
  • ব্রাউজ জবঃ- আমরা এখান থেকেই কাজ খোঁজবো।
  • কন্টাকঃ- যেকোনো সমস্যায় বা প্রয়োজনে ব্লগের পরিচালকদের সাথে যোগাযোগ কররা জন্য।
  • ট্রিমসঃ- সকল নীয়ম মালা।
  • হেল্পঃ- আপনার কোন সাহায্য প্রয়োজন হলে নক করবেন এখানে।
  • FAQ:- দেশি ওয়ার্কার সম্বন্ধে আলোচনা!
  • দেশি ওয়ার্কারের মাঝে যারা কাজ দেয়ায় ও কাজ করার মাঝে এগিয়ে আছেন তাদের লিস্ট।

“ব্রাউস জব” এর মাঝে যেয়ে এতো, এতো কাজ যদি আপনি না খুঁজতে চান। তবে ইচ্ছে করলে আপনি সর্বশেষ কাজের লিস্ট থেকেও কাজ খুঁজে নিতে পারবেন। এতে একটি সুবিধা হচ্ছে সর্বশেষ কাজ হবার ফলে আপনি যদি দ্রুত বিড করতে যান তবে সিরিয়ালে খুব একটা পড়তে হবে না। এবং সুন্দর করে আগে এপ্লাই কররা  ফলে কাজটি আপনি পেয়েও যেতে পারেন :) । আর এটি পাবেন হোমের নিচেই।

হোমের একেবারে নিচে দেখতে পাবেন “জনপ্রিয় বিভাগ সমূহ”। এতে করে এখান থেকে আপনি দেখতে পাবেন সাইটে এখন কোন, কোন বিভাগে কাজ রয়েছে। অতঃপর পছন্দ অনুযায়ী বিভাগ টির মাঝে বিড করুন।

এবার পালা বিড করারঃ-


ব্রাউজ জব থেকে আপনার পছন্দ অনুযায়ী কোন একটি / একাধিক (আপনি সাধারণত প্রতিদিন ৫ টি বিড করতে পারবেন) কাজ সিলেক্ট করুন।

উক্ত কাজটি ওপেন হবার পর যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তবে “BID ON THIS PROJECT” এ ক্লিক করুন।


  • আপনি এই কাজটির জন্য সর্বমোট যত টাকা চান তা লিখুন। আমি চেয়েছি ৫০০!
  • কাজটি কত দিনের মধ্যে করতে পারবেন তা দিন। আমি ৫ দিন দিয়েছি।
  • আপনি ৫০০ টাকা থেকে কত টাকা অগ্রিম চান তা লিখুন! আমি অগ্রিম চাই নি!
  • এবার প্রথম বক্সে সাধারণ কিছু লিখুন। যেমন Sir check your pm (pm= পার্সোনাল মেসেজ) , ভাইয়া আপনার মেসেজ টি দেখুন, Sir আমাকে কাজ টি দিন ….. ইত্যাদি, ইত্যাদি! তবে অবশ্যই খুব ভদ্র ও আকর্ষণীয় ভাবে!
  • ২ নাম্বার বক্সে দেখুন  আমি খুব পাম-পট্টি দিয়ে বায়ার কে একটি গোপন বার্তা দিয়েছি! যে আমি এই করি, ওই পারি। এভাবে করবো, সেভাবে করবো! ইত্যাদি, ইত্যাদি। আপনারা আপনাদের সঠিক কথা লিখে কাজ নেবার জন্য বায়ারকে মেসেজ করুন।
  • অতঃপর সবুজ টিক দেয়া “স্পন্সর হবে না” তে ক্লিক করে মেসেজ সেন্ড করুন সফল ভাবে।
আপনি যদি “স্পন্সর হবে তে ক্লিক করতেন তবে তারা আপনার কাছে টাকা চাইতো। যার ফলে আপনি প্রতিদিন ফ্রী ৫ বিড এর পরিবর্তে টাকা দিয়ে ২০ টি কাজে বিড করতে পারতেন” । তবে আমরা যেহেতু  নতুন আমাদের প্রতিদিন ৫ টি কাজই যথেষ্ট ;) । যখন কাজ শিখে যাবেন এবং স্পীড বাড়বে তখন না হয় পেইড হয়ে দেখা যাবে :D

দেখুন উক্ত কাজের নিচে গিয়ে আপনার বিড দেখাচ্ছে! ;)
আমি এই কাজ টিতে বিড কররা পর কাজটি আমি পাই। বায়ার আমাকে কাজটি দেয় এবং স্কাইপিতে সকাল ৯ টা থেকে ৫ টার ভেতর কথা বলতে বলে। আপনাদের স্ক্রীন শর্ট দেখাতে পারলাম না বলে দুঃখিত। কারণ সেটি আমি C প্রোগ্রাম এর পিকচার ফোল্ডারে রেখেছিলাম কিন্তু ভুলে ডিলেট হয়ে গিয়েছে :( যাই হোক সেটা কিছু না :)
আজকে এই পর্যন্তই, আগামীতে চূড়ান্ত পর্ব নিয়ে হাজির হতে পারবো ইনশাল্লাহ এই প্রত্যাশাই করি। সেই পর্যন্ত সবাই আশা করি সাথেই থাকবেন।
“সবাই ভালো থাকুন, ভালো থাকার চেষ্টা করুন”।