Monday, June 4, 2012

একবার পড়ে দেখুন ইন্টারনেটে টাকা আয় কঠিন কিছুই না, চাইলে আপনিও ঘরে বসে প্রতি মাসে ২৪০০০ টাকা আয় করতে পারবেন


যারা ইন্টারনেটের মাধ্যমে টাকা আয় করার কথা ভাবছেন তাদের জন্য সুখবর। কম্পিউটার ও ইন্টারনেট চালানোর সাধারণ জ্ঞান থাকলে সহজে ও বিনা রেজিষ্ট্রেশণ ফিতে ঘরে বসে আপনি টাকা আয় করতে পারেন। তবে অবশ্যই আপনার নিজস্ব কম্পিউটার ও ইন্টারনেট কানেকশন থাকা জরুরী। আপনি প্রতি দিন ২-৩ ঘন্টা ইন্টারনেট ইউজ করে এই টাকা আয় করতে পারেন। এটার নাম রেফারেন্স মার্কেটিং অথবা ফ্রেন্ডস এড জবও বলতে পারেন।
এখন দেখুন এটি কিভাবে আপনাকে টাকা আয় করতে সহযোগী ও মনযোগী করবে:

http://www.sitetalk.com/santoniloyএই লিংক এ ক্লি করে রেজিষ্ট্রেশন করুন। এটা একটি সোস্যাল নেটওয়ার্ক সাইট। এটিতে রেজিষ্ট্রেশন করার সাথে আপনি
http://www.unaico.com এর সদস্য হয়ে যাবেন। এই দুইটি সাইটে ডাটাবেজ কানেকশন একই বিধায় এই দুইটি সাইট আপনাকে তাদের গ্রাহক বাড়ানোর সহযোগীতার কারনে এই ইনকাম আপনাকে, আমাকে এবং সবাইকে দিচ্ছে।
কেউ কেউ ভাবছেন এটা একটা কঠিন কাজ, আমি মনে করি এটি তেমন কঠিন কাজ নয়। এই সাইটে কাজ করার ও ইনকাম করার কিছু নিয়মাবলী রয়েছে, প্রথমে সে গুলো জেনে নিন।
১. আপনাকে একটি সম্পূর্ণ প্রোপাইল তৈরি করতে হবে।
২. প্রোপাইলে একটি পিকচার এড করতে হবে।
৩. সাপ্তাহে কমপক্ষে তিনদিন এই সাইটে ভিজিট করতে হবে।

মাত্র তিনটি শর্ত মাধ্যমে আপনি মাসে সর্বোচ্চ ১০০০ ইউরো আয় করতে পারেন। নিম্নে টিপস গুলো ইউস করে আপনি সহজে ঘরে বসে এটি করতে পারেন:
১। আপনি মোট সাইটটক এ ১০০টি একাউন্ট তৈরি করবেন। আপনার রেফারেন্স লিংক ব্যবহার করে।
২। প্রত্যেকটি একাউন্টের জন্য ফটো সহ একটি প্রোপাইল তৈরি করবেন।
৩। একদিন ২০ টি একাউন্টের বেশি তৈরি করবেন না। নাহলে আপনার সকল একাউন্ট ব্লক হয়ে যেতে পারে।
৪। একটি বা দুইটি একাউন্ট আপনার নামে তৈরি করুন, আর বাকীগুলো ভিন্ন ভিন্ন নামে তৈরি করুন। (মেয়েদের নাম দিয়ে তৈরি করলে আপনার কাজ গুলো সহজে হয়ে যাবে।
৫। ১দিনে ২০টি করে একাউন্ট তৈরি করলে ৫দিনে আপনার একাউন্ট তৈরি হবে ১০০টি। আর এই একাউন্ট গুলোতে আপনার তৈরি করা সিরিয়াল অনুযায়ী সাপ্তাহে একদিন ভিজিট করুন।
৬। মন চাইলে কিছু লিখুন সাইটের ওয়ালে। না লিখলে সমস্যা নাই। তাহলে আপনার একাউন্ট ব্লক হওয়ার কোন সম্ভবনা নেই।
৭। এই ভাবে ১-২ ঘন্টা করে আপনাকে সাপ্তাহের ৫দিন কাজ করলে আপনার কাজ শেষ।
৮। বাকী থাকে একঘন্টা। আর বাকী এই একঘন্টা আপনি আপনার একাউন্টগুলোর রেফারেল লিকস আপনার ফেইসবুকের ফেন্ডসদের সাথে শেয়ার করুন।
৯। মাত্র ১০জন ভাল ফ্রেন্ডদের সাথে আপনার লিংকস গুলো ও উল্লেখিত নিয়মগুলো শেয়ার করতে পারেন তাহলে আপনার প্রতিদিন ফ্রেন্ডস পাবেন ২০০ করে তা প্রতি সাপ্তাহে তা বেড়ে দাড়াবে ১৪০০ করে।
১০। http://www.unaico.com সাইটে ফেন্ডসদের ৫০% করে আপনের দুইভাগে ভাগ করে লেফট এবং রাইটে সেট করে দিতে হবে। কিভাবে সেট করবেন তা সর্বনিম্নে দেখুন।
১১। http://www.unaico.com সাইট আপনাকে বাইনারী ভাবে হিসেব করে আপনার সর্বনিম্ন হেন্ড এর সংখ্যা হিবেক করে তার ১০% এর যত হয় তত বিপি প্রদান করবে। প্রতি সাপ্দতাহে ১৪০০ অনুযায়ী আপনার সর্বনিম্ন সংখ্যা ৬০০ ধরলে আপনার পয়েন্ট সাপ্তাহে দাড়ায় ৬০বিপি।
১২। ইউনাইকো.কম এর ১বিপি=১ইউরো, তাহলে ৬০ বিপি=৬০ইউরো দাড়ায়। এক ইউরো=৯৯.৯ টাকা হলে ৬০ ইউরো=৬০০০ টাকার কাছাকাছি।
১৩। সাপ্তাহে ৬০০০ টাকা হলে মাসে আপনার ইনকাম দাড়ায় ২৪০০০ টাকা একটি একাউন্টের ইনকাম।
১৪। ১৪৯ ইউরো দিয়ে প্রথমে আপনাকে ইউনাইকোর কাছ থেকে মেম্বারশীপ নিতে হবে। এর পরিবর্তে ইউনাইকো আপনাকে একটি ইন্টারন্যাশনাল প্রিপেইড কার্ড দিবে। যা দিয়ে আপনি ইন্টারন্যাশনাল এর যেকোন এটিএম বুথ থেকে আপনি আপনার ইনকাম করার টাকা তুলতে পারবেন।
১৫। বড় বিষয় হচ্ছে আপনি আপনার টাকা তুলার জন্য আর কোন টেনশন রইল না। এই কার্ড দিয়ে আপনি পেইপল ভেরিপাই, অনলাইন শপিং ও ই-কর্মাসের বিভিন্ন সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।
১৬। রেফারেন্স লিংক যার হবে ইনকাম সে পাইবে। অতএব আপনি আপনার রেফারেন্স লিংক সঠিক ভাবে শেয়ার করুন।

আর দেরি না করে এখনি রেজিষ্ট্রেশন করুন নিম্ন লিংক এ-
www.sitetalk.com/santoniloy

এতে রেজিষ্ট্রেশন করার সাথে সাথে ইউনাইকো সাইটের ও আপনার অটো একাউন্ট তৈরি হয়ে যাবে।...
একই আইডি ও পাওয়ার্ড দিয়ে আপনি ইউনাইকোডটকম এ লগিন করতে পারবেন। এই সাইটে লগিন করে আপনার রেফারেন্স ফেন্ডসদের সেট করে নিতে হবে লেফট ও রাইট-এ। সেট করা পদ্ধতি দেখুন :

মেইন ট্যাব হতে Genealogy এর আন্ডারে
Network Placement Sponsorshipএ Click করুন।
(আপনি কোন সাইটে নেটওর্য়াক সেট করতে চান তা নির্ধারণ করে )
Enter network placement এ ক্লিক করুন।
তাহলে আপনার নেটওয়াক পরিবর্তন হয়ে যাবে। আবার, যদি আপনি চান নেটওর্য়াক পরিবর্তন করতে তাহলে পুনরায় একই কাজ করুন।
আপনার নেটওয়ার্ক ট্রি দেখতে চাইলে Genealogy এর আন্ডারে
Genealogy Your network tree তে ক্লি করুন।

বিশেষ করে সবাইকে বলব যাতে কেউই রেফারেল লিংক ছাড়া রেজিষ্ট্রেশন না করে। আর আপনার ইচ্ছা এবং সাধনাই আপনাকে সঠিক স্থানে নিয়ে যাবে।
বিস্তারিত জানার জন্য যোগাযোগ করুন 01676679556, 01736005629

Monday, May 28, 2012

পেপাল $ কিভাবে বাংলাদেশে আনবেন সহজ টিপস।

পেপাল $ কিভাবে বাংলাদেশে আনবেন সহজ টিপস।

কিছুদিন আগে আমি একটা কাজ পাই বায়ার আমাকে সরাসরি পেপালে পেমেন্ট করেন। আমি পেপালের একাউন্ট মাষ্টারকার্ড দিয়ে ভেরিফাই করি যার কারনে আমি ভাবছি মাষ্টারকার্ড দিয়ে টাকা তোলা যাবে। আমি ইন্ডিয়ার পেপাল একাউন্ট করছি কিছুদিন আগে আমি  আগে আমি পেপাল থেকে ম্যাসেজ পাই যে পেপালের টাকাম মার্চের ১ তারিখের পর টাকা পেপাল টু পেপাল সেন্ড করা যাবে না এবং অনলাইন থেকে কিছুই কিনা যাবে না তাই আমি সিদ্ধান্ত নেই আমার পেপালের টাকা sell করে দিব। আমি কার কাছে sell করব? পেপাল টাকা কে কিনবে? আবার পেমেন্ট কিভাবে নিব ?এতো ঝামেলা আমার ভাল লাগে নাই তাই এক ভাই আমাকে একটা বুদ্ধি দিল যে তুমি
Freelancer কাজ পোষ্ট নিজেকে উইন  করে টাকা মাষ্টারকার্ড দিয়ে নিয়ে নাও।এটে তোমার ফিডব্যাক হবে। পেমেন্ট তুলতে ঝামেলে হবে না। এই সিস্টেমে আমার ৮ ডলার লস করতে হবে। বায়ার হিসাবে ৩ ডলার এবং ওয়ারকার হিসাবে ৫ ডলার। আপনারা যারা পেপালে টাকা তুলতে সমস্যায় আছেন এই পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন।
আর একটা কথা  আমার পেপার $ দিয়ে আমি হোষ্টিং রিসেলার কিনছি। ভাল   ডোমেইন এবং হোস্টিং এর জন্য সরাসরি  এইখানে দেখতে পারেন।

একজন ফিল্যান্সার হিসাবে সবচেয়ে কম দামে আর ২৪ ঘন্টা সাপোর্ট পাবেন।

paypal.com একাউন্ট খোলার সহজ উপায় !

paypal.com একাউন্ট খোলার সহজ উপায় !

একটু বুদ্ধি খাটালেই খুব সহজে paypal.com এর একাঊন্ট খুলতে পারবেন একটু কষ্ট করে নিচের ধাপ গুলো অনুসরন করুন ঃ
1. প্রথমেই paypal.com এর signup link এ যান এর পর ইচ্ছা মত country(USA করুন) সিলেক্ট করুন এরপর Personal একউন্ট এ সিলেক্ট করুন।
২। এরপর Email address, password, First name, Last name ফিল্ডগুলোতে নিজের তথ্য ব্যবহার করুন।
৩। এরপর আপনাকে একটা full address খুজে বের করতে হবে , যে দেশটি প্রথমেই সিলেক্ট করেছিলেন নিচের example টা দেখুন
45-04,48 avenue. 250 jackson heights,NY
New york, NY 10039
এরকম হাজার হাজার ঠিকানা পাবেন শুধু Google.com গিয়ে সার্চ করেন "usa street address example" অথবা "usa street address sample"
৪। এখন যে বিষয় টা আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে তাহলো State এবং City যেটা সিলেক্ট করবেন তার সাথে যেন ZIP code এর মিল থাকে যদি মিল না পান তাহলে এবার সরাসরি যান http://www.zip-code-database.org/ এর কাছে এরপর city নাম আর state select করুন আর নিন zip code এর list
৫। এবার একটা ফোন নাম্বার ! এবার এই লিঙ্কে যান http://www.google.com/search?q=new+york+phone+number+example&hl=en&biw=1152&bih=674&prmd=ivnscm&source=univ&tbm=plcs&tbo=u&psj=1&ei=ds3KTYH1BoK8uwPM7vnxBQ&sa=X&oi=local_group&ct=more-results&resnum=5&ved=0CHEQtQMwBA
আরো সহজ উপায় হলো আপনার কোন facebook ফ্রেইন্ড এর সাহায্য নিতে পারেন অথবা answers.yahoo.com গিয়ে একটা প্রশ্ন করে দেখতে পারেন,
এরপর সবার শেষে agree and create account এ ক্লিক মেরে একাউন্টা খুলতে পারবেন আশা করা যায়, তার আগে email confirmation টা করা লাগতে পারে !!
এছাড়াও যেকোন ঠিকানা ও ফোন নাম্বার খুজে পেতে চাইলে Google map এর সাহায্য নিয়ে দেখতে পারেন,
সবাই ভাল থাকবেন ...

Online মাষ্টার কার্ড

Online মাষ্টার কার্ড

আজকাল সবাই খুব অনলাইনে অ্যাকাউন্ট ওপেন করছে! কেউ কি ছিন্তা করেছে কিভাবে তারা এই টাকা কিভাবে
উঠাবে!

চিন্তা নেই! অনলাইন এ টাকা উঠানর আনেক কুল উপায়ে আছে!
Payoneer er Prepaid Master Card - http://www.payoneer.com
অনেকে হয়তো জানে যে Freelancer.com - oDesk - Scriptlancer - Guru - elancer থেকে মাস্টার কার্ড দেই!
Freelancer.com থেকে Master Card er Order দিতে atleast ৩০ ইউএসডি থাকার লাগে
বাকি সব mostly Free ta order dite dei।
এই কার্ড ওয়ার্ল্ড এর যে কোন area theke access করতে পারবেন!
Online Paying - Receiving Access Everything will be on your hand!

GIFT

আমার মনে হয় যে নিচের section সবচাইতে ভাল online earning  এর জন্য
1) Website Design
2) HTML
3) Joomla
4) WordPress
5) Graphics Design
6) Logo Design
7) SEO
and 8) Data Entry.

কিভাবে Payoneer – Master Card কার্ড Activate করতে হয় চলুন দেখি!

কিভাবে Payoneer – Master Card কার্ড Activate করতে হয় চলুন দেখি!

কিভাবে Payoneer - Master Card কার্ড Activate করতে হয় চলুন দেখি!
অনেকেই হয়তো Payoneer r Master Card সম্পর্কে জানেন কিন্তু অনেকেই বুঝতে পারেন না কিভাবে কার্ড Activate করবেন!
তো যারা কার্ড পাবেন তাদের তো কার্ড Activate ও করবে হবে।
চিন্তা করবেন না। Activation ফ্রী
just check the video out..
Video Link: http://joomexperts.com/priamcse.swf
File Size : ১.৬৫ এমবি মাত্র

সময়কাল ঃ  1:43 miniute

প্রথমে আপনার ওয়েব ব্রাউজার ওপেন করুন
লগ ইন করুন ঃ  https://myaccount.payoneer.com/Login/Login.aspx
ইউজার নাম ও পাসওয়ার্ড দিন!
Click here to activate card...................
কার্ড এর ১৬ বিশিষ্ট নাম্বার টা দিন!
৪ নাম্বার বিশিষ্ট নাম্বার দিন।(মনে রাখবেন টাকা উঠাতে এই নাম্বার লাগবে!)
কার্ড এ টাকা না থাকলে ATM booth এ use korben na.  করলে আপনার কার্ড ATM Booth Card রেখে দিবে!

বাংলাদেশ থেকে অনলাইন আয় রোজগারের ১০ উপায়(কপি+পেষ্ট পোষ্ট, মূল লিংক পোষ্টের শেষে)

বাংলাদেশ থেকে অনলাইন আয় রোজগারের ১০ উপায়(কপি+পেষ্ট পোষ্ট, মূল লিংক পোষ্টের শেষে)

তুমি কি বাংলাদেশে থাকো? তুমি কি অনলাইনে আয় রোজগারের সঠিক উপায় খুঁজছো? তাহলে, আমার এই নিবন্ধটি পড়ো। এটি তোমার জন্য একটা সহায়ক হিসেবে কাজ করবে কারণ, অনলাইনে যে কিভাবে ঘরে বসে অনেকভাবে অর্থ উপার্জন করা যায়, তা এই নিবন্ধ পড়লে তুমি জানতে পারবে। আমি তোমাকে বলে রাখতে চাই যে, অনলাইনে আয় করা বাস্তব জীবনে আয় করার মতোই কঠিন। এখানে এমন কিছু রাস্তা আছে যেগুলোতে কাজ শুরু করা সহজ কিন্তু, এগুলো থেকে বেশী টাকা রোজগার করা যায় না। এ তুলনায় অন্যান্য উপার্জনের পন্থায় ভালো আয়ও হয় আবার, তা ধারাবাহিকভাবে বজায় থাকে। বাংলাদেশ থেকে অনলাইন আয় রোজগারের উপায়গুলো নিম্নরুপ,

১।পেড রিভিউ-এর মাধ্যমে আয় রোজগার

undefinedসার্ভে বা জরিপ একটা পুরাতন পদ্ধতি আর আমার মনে হয় তুমি এ বিষয়ে জানো। “সার্ভে” সাইটে তুমি গিয়ে নিবন্ধিত হবে আর সার্ভে বা জরিপ আসার অপক্ষা করবে; সার্ভে ফর্ম পূরণ করে তোমার মতামত জানাবে, ব্যস! প্রতিটি সার্ভের জন্যে তুমি টাকা পাবে। এখানে, এমন কিছু ব্যবস্থাও আছে যেখানে, ইমেইল পড়ার ও জবাব দেওয়ারও কাজ থাকে। সার্ভে সাইট হিসেবে অন্যতম জনপ্রিয় সাইট হচ্ছে-সার্ভে সেভী।

২।নিবন্ধ লিখে আয় রোজগার

এমন অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলো পাঠকদের লেখায় আপডেট হতে থাকে। কোন কোন সাইটে তারা লেখকদের সাথে মুনাফা ভাগ করে নেয়। তুমি এখানে বিভিন্ন নিবন্ধ লিখতে পারো আর তোমার আর্টিকেল বা নিবন্ধ যতো বেশি পাঠক পড়বে, তুমি ততো বেশি টাকা পাবে। “শুভং” নামক একটা ওয়েবসাইট আছে যারা তাদের লেখকদের সাথে শতকরা ১০ ভাগ গুগল এডসেন্স-এর লভ্যাংশও ভাগ করে নেয়।

৩।পিটিসি বা পেড-টু-ক্লিক এ আয় রোজগার

পিটিসি বা পেড-টু-ক্লিক এর সাহায্যে তুমি ওয়েবসাইট(শুধুমাত্র স্পনসরড্ সাইটগুলো‌)ব্রাউজ করার জন্যে টাকা পাবে। এতে আরো উপায় আছে যাতে ওয়েবসাইট সার্ফ করে, ওয়েবসাইট দেখে আর ওয়েবসাইট সার্চ করে টাকা উপার্জন। সত্যকথা বলতে কি, এই সাইটগলো আয়ের তুলনায় অনেক বেশী সময় অপচয় করে। এরা তোমার একেক ইউনিট এডের পেছনে তোমার ব্যয়ের তুলনায় খুবই কম টাকা দেয়। একটা জনপ্রিয় পিটিসি সাইট যারা ভালো অর্থ প্রদানও করে থাকে সেটি হচ্ছে- বাকস্‌.টু

৪।তোমার তোলা ছবির মাধ্যমে অর্থ উপার্জন

যদি তুমি একজন ফটোগ্রাফার বা চিত্রগ্রাহক হয়ে থাকো, তবে তোমার তোলা আকর্ষনীয় ছবিগুলো অনলাইনে বিক্রি করতে পারো। অনলাইনের ডিজাইনার্‌রা তাদের প্রজেক্টের জন্যে অনেক ছবি খুঁজে থাকেন, তুমি তাদের নিকট তোমার ছবিগুলো বিক্রি করতে পারো। তুমি তোমার ছবিগুলো আই-স্টক-ফটোস্‌ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিক্রিও করতে পারো।

৫।গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে আয় রোজগার

গুগল এডসেন্সে আয় করার জন্যে তোমার একটা সচল ওয়েবসাইট অথবা ব্লগ প্রয়োজন। তুমি নিশ্চয়ই দেখেছো এমন বিলবোর্ড বা পোস্টার যেখানে তারা(জনৈক অসাধু ব্যবসায়ীরা) দাবি করে যে, তুমি এখান ১০ থেকে ২০ ডলার দৈনিক আয় করতে পারবে- এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা! গুগল এডসেন্স থেকে ইনকাম হয় তখন যখন, কেউ গুগলের সেসব এডে ক্লিক করে। কিন্তু, এখানে ইনকাম করার পূর্বে তোমাকে একটা তথ্যসমৃদ্ধ ওয়েবসাইট তৈরী করে নিতে হবে। কিন্তু, তোমাকে সেসব নকল এডসেন্স শেখার জায়গায় এই সেখানো হয় যে, কিভাবে চুরির লেখা দিয়ে একটা নকল ওয়েবসাইট বানাতে হয়, এটাতো আসল নয় কারণ এটা একটা ধোঁকাবাজি।
google.com/adsense

৬।তোমার মতামত প্রকাশের জন্যে টাকা পাবে

হ্যাঁ, এটিই নতুন দিনের আয় রোজগার মাধ্যম, এখন তুমি টাকা নিয়ে যেকোন ওয়েবসাইট বা কোম্পানীর ব্যাপারে তোমার মতামত দিয়ে একটা নিবন্ধ লিখে ফেলো তোমার ব্লগে। পেড রিভিউ সাইটগুলো কল্যাণে, এখন তারা(কোম্পানী বা ওয়েবসাইটগুলো) তোমাকে তাদের ব্র্যান্ড, পন্য বা ওয়েবসাইটের বিষয়ে লেখার জন্যে অর্থ পরিশোধ করবে। তোমার এই মতামত বা ব্লগ  তাদের নিয়ে বাজারে আলোড়ন সৃষ্টি করবে আর তারা পাবে অধিক পাঠক ও ক্রেতা। এরকম একটা জনপ্রিয় পেড্‌ রিভিউ সাইট হচ্ছে-সোস্যালস্পার্ক

৭।এফাইলিয়েট মার্কেটিং-এর মাধ্যমে আয় রোজগার(সেবামূলক গোষ্ঠীর সাহায্য করা)

এটি একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে তুমি তোমার ওয়েবসাইটে কোন পন্যের প্রচার করবে আর যখন পন্য বিক্রি হবে, তখন তুমি এর থেকে কমিশন পাবে। এখানে অনেক আধুনিক আর ভালো পন্য আছে যেগুলো বিক্রি করা যায় আর মানুষ কিনতেও আগ্রহী; তুমি একজন এফাইলিয়েট হয়েও কাজ করতে পারো। তুমি “ক্লিক ব্যাংক”-এর মাধ্যমে একজন এফাইলিয়েট হয়ে পন্য বিক্রয় করতে পারো।

৮।ব্যানার এডস্‌ বা “ব্যানার” জাতীয় বিজ্ঞাপন বিক্রি করে আয় রোজগার

যদি তোমার একটা প্রতিষ্ঠিত ওয়েবসাইট বা ব্লগ থাকে, তবে বিজ্ঞাপনদাতারা তোমার ব্লগে তাদের বিজ্ঞাপন দিতে দ্বিধাবোধ করবে না। একেই বলে, ব্যানার এডস্‌ অথবা সরাসরি ইনকামের সুযোগ। তোমার ওয়েবসাইটের জনপ্রিয়তা যতো বেশি হবে তোমার পাঠক সংখ্যা বাড়বে ততো বেশি হবে আর তোমার আয়ও বাড়তে থাকবে।

৯।ফ্রি-লেন্সিং বা অস্থায়ী কর্মী হিসেবে অর্থ উপার্জন

ঘরে বসে ফ্রি-লেন্সিং করা আয় রোজগারের একটা চমৎকার সুযোগ। তোমার যদি ডাটা এন্ট্রি, গ্রাফিক্স ডিজাইন অথবা এড্‌মিনিস্ট্রেশন বা তদারকির কাজে দক্ষতা থাকে তাহলে, তুমি অনলাইনে এসব কাজ করে আয় রোজগার করতে পারো। তুমি চাইলে ফ্রিলেন্সিংভিত্তিক একটা ক্যারিয়ারই গড়ে তুলতে পারো।

১০।টুইটার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আয় করা

বিজ্ঞাপনদাতাগণ বর্তমানে তাদের ক্যাম্পেইন বা বিজ্ঞাপন উদ্যোগগুলো “টুইটার” বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে চাচ্ছেন। এজন্যে, তোমার কোন ব্লগ কিংবা ওয়েবসাইট থাকারও প্রয়োজন নেই। এমন অনেক কোম্পানী রয়েছে, যারা টুইটার বিজ্ঞাপনের কাজ করে থাকে যেমন- মেগ-এ-পাই।

অনলাইনে আয়ের টাকা বাংলাদেশে কিভাবে পাবেন?

ক।চেকে টাকা পাওয়া
এটা একটা ব্যাংকের চেক যেটি তুমি যেকোন ব্যাংক থেকেই উত্তোলন করতে পারবে। এডসেন্স ও অন্যন্য সাইট এরকম চেকে টাকা পাঠিয়ে থাকে। এটা বাংলাদেশে টাকা পাঠানোর সবচেয়ে সাধারণ ও জনপ্রিয় মাধ্যম।

খ।পেপেল-এর মাধ্যমে টাকা পাওয়া

পেপেল টাকা পাওয়ার একটি জনপ্রিয় মাধ্যম, যেটি তোমাকে অনলাইনে টাকা পেতে সাহায্য করবে। অবশ্য, এখনও পেপেল বাংলাদেশে আসেনি কিন্তু শীঘ্রই আসবে।

গ।পেওনিয়ার প্রিপেইড ডেবিট মাস্টারকার্ড

এটা বাংলাদেশে অনলাইনের টাকা পাওয়ার জন্যে নতুন একটা রাস্তা। তুমি অডেস্ক থেকে মাস্টারকার্ড পেয়ে সেই কার্ড থেকে টাকা উঠাতে পারো। পড়ে নাও-বাংলাদেশে অডেস্ক পেওনিয়ার প্রিপেড ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে অর্থ প্রাপ্তি।
ঘ।মানিবুকারস্‌ থেকে টাকা প্রাপ্তি
মানিবুকারস্‌ অনেকটা পেপেলের মতোই আর এটা তোমার ব্যাংক একাউন্টের মতনও। বাংলাদেশে এটা প্রচলিত আছে। মানিবুকারস্‌
ঙ।এলার্টপে-এর মাধ্যমে টাকা পাওয়া
এটিও পেপেলের মতোই আর বাংলাদেশে প্রচলিত আছে। তুমি এর টাকা ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন থেকে উঠাতে পারো। এলার্টপে
চ।ই-গোল্ড ব্যবহার টাকা প্রাপ্তি
পেপেলের মতোই…ই-গোল্ড

আমি অনলাইনে কত টাকা আয় করতে পারবো?

এটা তোমার পরিশ্রম, দক্ষতা আর পদ্ধতির উপর নির্ভর করবে, তুমি চাইলে ৫০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা প্রতি মাসে আয় করতে পারবে। আয় সম্পূর্ণ নির্ভর করে তোমার বিশ্বস্ততা ও পরিশ্রমের উপর। এখন, তুমি চাইলে ১৫,০০০ থেকে ৩০,০০০ টাকা বা উপরে ৫০,০০০ প্রতি মাসে উপার্জন করতে পারো। আমার একটা পরামর্শ নিতে পারো, এখানে সত্যিই অনেক টাকা বানানো যায় আর এটা কোন ফাজলামো নয়, তুমি যাই করো গম্ভীর হয়ে করবে আর কঠোর পরিশ্রম করবে। কখনো চুরি, ধোঁকাবাজি করবে না আর তোমার কাজের প্রতি সৎ থাকার চেষ্টা করবে।
এটি আমার মৌলিক পোষ্ট না। আমিতো অনলাইনে আয় এখনো শুরুই করিনি। তবে পোষ্ট টি পড়তে গিয়ে মনে হলো নবীণদের সাথে শেয়ার কারাটা জরুরী। মূল পোষ্ট টি এখানে ,

বাংলাদেশ থেকে অনলাইন আয় রোজগারের ১০ উপায়

প্রশ্ন আসতে পারে, আমি অনুমতি নিয়েছি কিনা। এ ব্যপারে লেখক পূর্বানুমতি দিয়ে বলেছেন, "কোন প্রশ্ন থাকলে করে ফেলো আর দয়া করে এই পোস্টটি তোমার প্রিয় সোস্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করো।"

ইন্টারনেটে ফ্রীল্যান্স লেখালেখি এবং উপার্জন [এটি কোন সহজ আয়ের টিউন নয়]

ইন্টারনেটে ফ্রীল্যান্স লেখালেখি এবং উপার্জন [এটি কোন সহজ আয়ের টিউন নয়]

[মুখবন্ধঃ ইন্টারনেটে ফ্রীল্যান্স কাজ বা লেখালেখি করে আজকাল অনেকেই একটা নিয়মিত আয়ের সুযোগ করে নিয়েছেন। এই ফ্রীল্যান্স ফিল্ডে আমাদের অর্থাৎ বাংলাদেশের তুলনায় অনেক দেশ এগিয়ে আছে শুধুমাত্র একটি পরিষ্কার ধারণা ও গুছিয়ে কাজ করবার জন্য তাদের যথেষ্ট জ্ঞান থাকার কারণে। ফ্রীল্যান্স লেখালেখিতে কিছুটা সাফল্য পেয়ে আমার মনে হয়েছিল, এটি আমাদের তরুণদের জন্য একটি অপার সম্ভাবনাময় জগত উন্মোচিত করতে পারে। আর তাই প্রায় ২-৩ বছর আগে আমার মাত্র ৪-৫ মাস অভিজ্ঞতার আলোকে একটি আর্টিকেল লিখেছিলাম। তখন আমি একের পর এক ব্লগে নিবন্ধন করে চলেছি, বিভিন্ন ছদ্মনামে। আর প্রায় প্রত্যেকটি ব্লগেই আমি এই লেখাটা পোস্ট করেছিলাম। পরে কয়েকটি ব্লগে একই আর্টিকেল পুনরায় লিখার জন্য কয়েকজনের কাছে রীতিমত তিরস্কৃত হই। টেকটিউনস একটি অন্যরকম জগত। আমি মনে করি আমার ঐ লেখাটি এখানে দিলে একই অপরাধে আমাকে দণ্ডিত হতে হবে না। আরেকটি ব্যাপার, এখানের অনেক কিছু লিখা আছে যা অনেক পাঠকেরই জানা, তবে নতুনদের জন্য অজানা হতে পারে, লেখাটি ২-৩ বছর আগে লিখা - এটি বিবেচনায় রাখতে অনুরোধ করা হল]
__________________________________________________________________________________________________________________________________________

ই-কমার্স বা অনলাইন বিজনেস সম্পর্কে আমরা সবাই হয়তো কিছু না কিছু জানি। কিন্তু, ইন্টারনেটের বদৌলতে আমাদের নিজস্ব সৃজনশীল প্রতিভাকে আমরা কিভাবে কাজে লাগাতে পারি, সে সম্পর্কে আমরা অনেকেই মোটেই সচেতন নই। আপনি কি জানেন, কোনরকম দৈহিক পরিশ্রম বা পুঁজি ছাড়াই শুধুমাত্র আপনার মেধা ও মননকে কাজে লাগিয়ে আপনি ঘরে বসেই মোটামুটি সম্মানজনক একটা আয় করতে পারেন? এই আয় হতে পারে আপনার প্রধান আয়ের চেয়ে অনেকগুন বেশি। আপনি যদি একজন কম্পিউটার/সফটওয়ার্ প্রোগ্রামার, গ্রাফিক ডিজাইনার, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর অথবা ওয়েব ডেভেলপার হয়ে থাকেন, তাহলে ইন্টারনেট কর্মসংস্থান সাম্রাজ্যের অনেকটাই আপনার। মাসিক ভিত্তিতে আপনার জন্য হাজার কিংবা লাখ ডলারের কাজ আপনার জন্য অপেক্ষা করছে। ওয়েবে যেয়ে খুঁজলেই আপনি পেয়ে যাবেন এই অফুরন্ত সম্ভবনা। কিভাবে? একজন দক্ষ কম্পিউটার ব্যবহারকারী হিসেবে সেকথা আপনাকে বলা বাহুল্য। এই লেখাটি যেহেতু সাধারণ কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের জন্য লেখা, আমাদের বিষয়বস্তুটি কিছুটা ভিন্ন।
লেখালেখির কাজ আমরা অনেকেই করে থাকি। কেউ হয়তো নিতান্তই আত্ত্বিক  বা মানসিক পরিতৃপ্তির জন্যই লিখে থাকি। কেউ হয়তো কাগজে বা ম্যাগাজিনে এই লেখালেখির মাধ্যমে কিছুটা উপার্জনও করি। কিন্তু আপনি জানেন কি, ইন্টারনেটে লেখকদের জন্য রয়েছে এক অমিত সম্ভবনা। শুধুমাত্র কয়েকশ শব্দের বিনিময়ে আপনি প্রতিদিন আয় করতে পারেন বেশ কিছু ডলার। ইন্টারনেটে মেধাভিত্তিক কাজের মাধ্যমে ঘরে বসে যারা আয় করতে উৎসাহী, তাদের অনেকই জানেন না কোথায় শুরু করতে হবে। যারা লেখক হিসেবে এই সুযোগটি কাজে লাগাতে চান, তাদের অবস্থাও একই রকম। আমি এই শুরু করা সম্পর্কেই কিছু কথা বলব। তার আগে, আসুন জেনে নেই কি ধরনের কাজ আপনার জন্য এই সম্ভাবনাময় জগতে অপেক্ষা করছে।
ইন্টারনেটের লেখকদের জগত মূলতঃ দুটি ভাগে বিভক্ত। প্রথমটি পেশাদার লেখকদের জন্য আর অপরটি ফ্রীল্যান্স লেখকদের। দুটি জগতেই রয়েছে নিম্নলিখিত ধরনের কাজঃ
  • Essay/paper/research writing
  • Article writing
  • Creative writing (গদ্য, কবিতা, সিনেমা বা বিজ্ঞাপনের কাহিনী ইত্যাদি)।
  • Technical writing (টেকনিক্যাল ম্যানুয়াল, how-to articles ইত্যাদি)
  • Website content writing (ওয়েবসাইটের বিভিন্ন শাখার লেখা)
  • Copywriting (কোন পণ্যের বাজারজাতকরণের জন্য promotional content লেখা)
  • News/press release writing
  • Blog posting (ব্লগ এ লেখা)
  • Forum posting (ফোরাম এ লেখা)
  • Review writing (কোন পণ্যের গুণগত বিশ্লেষণ লেখা)
  • SEO অথবা Search Engine Optimization Writing (কোন বিষয়কে এমনভাবে লেখা যেন তা search engine সহজে খুঁজে পায়)
  • Rewriting (পুনঃলিখন)

পেশাদার লেখার কাজ

আপনি যদি পেশাদার লেখক হন, তাহলে বেশ কয়েকটি ওয়েবসাইটে আপনি সদস্য হয়ে লিখতে পারেন। এখানে আপনাকে নির্দিষ্ট চুক্তির অধীনে কাজ করতে হবে আর আপনাকে কিছু বিষয়ে সম্যক জ্ঞান রাখতে হবে, যেমনঃ
  • চুক্তির বিভিন্ন শর্তসমূহ।
  • পেশাদার লেখকদের জন্য নির্দিষ্ট নিয়মকানুন।
  • বিভিন্ন প্রচলিত লেখনীর ধরন যেমন MLA অথবা APA স্টাইল।
  • ভাষার উপর যথেষ্ট দখল।
পেশাদার লেখার কাজটা একটু জটিল এবং এর বাধ্যবাধকতাও অনেক। তবে পেশাদার লেখকদের সম্মানীর পরিমাণটাও বহুলাংশে বেশি।

ফ্রীল্যান্স লেখার কাজ


অপরদিকে আপনি যদি নিতান্তই একজন সাধারণ বা ফ্রীল্যান্স লেখক হয়ে থাকেন, ইন্টারনেটে আপনার জন্য আছে বিস্তর কাজ। আসুন জেনে নেই, কোথায় এবং কিভাবে আপনি এই বিশাল জগতে পা বাড়াবেন।

ফ্রীল্যান্স আর্টিকেল ডিরেক্টরি বা সাইট


ফ্রীল্যান্স লেখকদের জন্য বেশ কিছু ওয়েবসাইট আছে যা মূলতঃ article directories হিসেবে পরিচিত। ফ্রীল্যান্স লেখকদের জন্য বেশ কিছু ওয়েবসাইট আছে যা মূলতঃ article directories হিসেবে পরিচিত। Ezine Articles, Google Knol, ArticleDashboard, Article Pros, Article Directory, Triond ইত্যাদি এমন কিছু সাইট। এখানে আপনি আপনার পছন্দের বিষয়ভিত্তিক লেখা জমা দিয়ে পারিশ্রমিক পেতে পারেন। এই পারিশ্রমিক হতে পারে সরাসরি কিংবা কোন affiliate program এর আওতাভূক্ত। যেমন, আপনি যদি ডিজিটাল ক্যামেরা নিয়ে একটি আর্টিকেল লিখেন এবং ওয়েবসাইটে আপলোড করেন তাহলে হয়তো একই ওয়েব পেইজে Google AdSense এর মত কিছু সম্পর্কিত বিজ্ঞাপন (contextual ad) ভেসে উঠবে। আপনার লেখা পড়তে পড়তে কোন পাঠক যখন ঐ বিজ্ঞাপনগুলো click করবে তখন sponsor ওয়েবসাইট এবং সেখানে বিজ্ঞাপনদাতা উভয়েই একটি নির্দিষ্ট অংকের অর্থ আয় করবে। এই বিজ্ঞাপনের আয়ের কিছু লভ্যাংশ আপনি পেয়ে যাবেন। তবে জেনে রাখা ভাল, এ ধরনের ফ্রীল্যান্স লেখার মাধ্যমে আয়ের পরিমাণ সাধারণতঃ কম হয়ে থাকে।

ফ্রীল্যান্স ‘নিলাম’ সাইট


ফ্রীল্যান্স লেখকদের জন্য আমার মতে সবচেয়ে লাভজনক হল online writing bid বা লেখালেখির নিলাম। তবে এই নিলামের শর্ত প্রচলিত নিলামের মত কঠিন নিয়মের বেড়াজালে আবদ্ধ নয়। ব্যাপারটা একটু স্পষ্ট করে বলি।
ধরা যাক, আপনি একজন ফ্রীল্যান্স লেখক (রচনা/লেখা বিক্রেতা) এই নিলামের একটি ওয়েবসাইটে গিয়েছেন এবং registered user (সাধারণতঃ ফ্রী) হয়েছেন। এখানে আপনি পাবেন বিভিন্ন গ্রাহক বা ক্রেতার দেয়া লেখালেখি সম্পর্কিত অনেক প্রজেক্ট। যেকোন একটি প্রজেক্ট ক্লিক করলে আপনি সাধারণতঃ নিচের বর্ণনাগুলো পাবেনঃ
  • প্রজেক্টের ধরণ (article, copywrite, review, rewrite ইত্যাদি)
  • বিভিন্ন শর্তাবলী যেমনঃ
  • রচনার শব্দসীমা (৪০০/৫০০ শব্দ)
  • রচনার সময়সীমা (১ দিন/ ১১ ঘন্টা/ ৩ সপ্তাহ)
  • বিড লিমিট অর্থাৎ গ্রাহকের বেঁধে দেয়া সর্বনিম্ন ও সর্বউচ্চ নিলামের ডাক (যেমনঃ $30-60, $90 maximum ইত্যাদি)।
  • বিড লিমিটের বাইরে নির্ধারিত কোন rate (যেমনঃ $1 per 200 words, $0.005 per word ইত্যাদি)
  • রচনার কাঠামো (প্যারাগ্রাফ, শিরোনাম, ফাইলের ধরন যেমন টেক্সট, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, জিপ ইত্যাদি)।
  • নির্দিষ্ট কোন শব্দের নির্দিষ্ট সংখ্যক পুনরাবৃত্তি keyword density (যেমনঃ digital camera শব্দগুচ্ছটির ৫০০ শব্দে অন্ততঃ ৩ বার ব্যবহার, Nikon শব্দটির ৩০০ শব্দে অন্ততঃ ৫ বার ব্যবহার ইত্যাদি)।
  • Plagiarism (সাধারণ অর্থে - অন্যের লিখা নকল করা) সম্পর্কিত সতর্কীকরণ। এর প্রতিকারের জন্য আপনার গ্রাহক সাধারণতঃ কিছু শক্তিশালী সফটওয়ার্ (যেমন copyscape) ব্যবহার করবেন।
  • লেখার ধরন (যেমনঃ conversational, third person, first person, informal, funny, US/UK English ইত্যাদি)।
  • নমুনা লেখা বা sample writing জমা দেবার নির্দেশ।
  • অন্য কোন নির্দেশনা।
প্রজেক্টের শর্তাবলী যদি আপনার পছন্দ হয় তাহলে আপনি এখন বিড করবেন। ধরা যাক আপনি digital camera এর উপর একটি আর্টিকেল পছন্দ করেছেন। এই লেখাটি আপনি ১ দিনের মধ্যে লিখতে পারবেন। তাহলে বিড অপশনে গিয়ে আপনি ৫ ডলারে ১ দিনের মধ্যে আর্টিকেলটির জন্য বিড করুন। গ্রাহক যদি আপনার লেখার নমুনা এবং বিড পছন্দ করে তাহলে আপনি পেয়ে যাবেন কাজটি। একদিনের মধ্যে লিখে ফেলুন চমৎকার একটি লেখা আর তা জমা দিয়ে আয় করে নিন ৫ ডলার।

কিছু জানার বিষয়

  • আপনার লেখার জন্য সম্মানী দুইভাবে পেতে পারেনঃ
- ওয়েবসাইটের পেমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে। গ্রাহক আপনার পাওনা ওয়েবসাইটে আপনার একাউন্টে জমা করবে, যা আপনি বিভিন্ন প্রচলিত money transfer অপশনের মাধ্যমে (যেমন PayPal, Moneybookers, Wire Transfer, Cheque) আপনার ব্যাংক একাউন্টে স্থানান্তর করতে পারবেন।
- ওয়েবসাইটের সিস্টেমের বাইরে যেয়ে সরাসরি PayPal, Moneybookers ইত্যাদির মাধ্যমে।
  • ফ্রীল্যান্স নিলাম সাইটগুলোতে লেখা থেকে অর্জিত সম্মানীর একটি অংশ কমিশন হিসেবে ওয়েবসাইট গ্রহণ করে।
  • সম্মানী সম্পর্কিত কোন মতবিরোধ হলে ওয়েবসাইটের conflict resolution বা arbitration এর মাধ্যমে আপনি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত পেতে পারেন। তবে ওয়েবসাইটের সিস্টেমের বাইরে টাকাপয়সা আদানপ্রদানের ক্ষেত্রে আপনি কোন সাহায্য পাবেন না বরং এক্ষেত্রে সম্মানী না পাবার সম্পূর্ণ ঝুঁকি আপনার।
  • আপনি যদি এসমস্ত ওয়েবসাইটের সাধারণ সদস্য হন তাহলে অনেক ক্ষেত্রে আপনি মাসে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যার বিড করতে পারবেন। আনলিমিটেড বিড এর জন্য আপনাকে নির্দিষ্ট অংকের চাঁদা দিয়ে সদস্য হতে হবে।
  • বিড জেতার জন্য আপনাকে একটি যৌক্তিক বিড করতে হবে। ৫০০ শব্দ সম্বলিত ২০০ টি লেখা আপনি যেমন একদিনে দিতে পারবেন না, তেমনি, ১০০০ শব্দের একটি আর্টিকেল লেখার জন্য ১০ দিন সময় নেয়াটাও অযৌক্তিক।
  • আপনার জমাকৃত  নমুনা লেখাটি আপনার বিড জেতার মূল শক্তি হিসেবে কাজ করবে। তাই নমুনা হিসেবে একটি ভাল লিখা পাঠান।
অনলাইন বিড এর জন্য সাইটসমূহ
আর বসে থাকা কেন? নেমে পড়ুন আপনার এক নতুন অর্থবহ (এবং অর্থকরীও বটে!) যাত্রায়। বছর ঘুরে আসার আগেই হয়ে যান একজন নিয়মিত অনলাইন লেখক আর আয় করতে থাকুন অতিরিক্ত কিছু টাকা।
পরবর্তী লেখায় উপরের সাইটগুলোর কিছু বিশেষত্ব তুলে ধরতে চেষ্টা করব।
__________________________________________________________________________________________________________________________________________
[পরিশিষ্টঃ এই আর্টিকেলটি বিডিনিউজ২৪ এর  বাংলা ব্লগে লিখেছিলাম মুক্তচিন্তা নামে, আমাদের প্রযুক্তি ফোরামে লিখেছিলাম আমিনেই নামে আর প্রজন্ম ফোরামে লিখেছিলাম বাংলাআমারদেশ নামে। কিন্তু আজ লেখাটি সার্চ দিতে যেয়ে দেখি ভয়ংকর অবস্থা। আমার লেখাটি Ctrl+C ও Ctrl+V হয়েঃ অনলাইনফরআর্নিং নামে একটি ব্লগে দুটি ভাগে ভাগ করে এখানেএখানে পোস্ট করা হয়েছে। রংমহল ফোরামে ভবঘুরে নামের একজন পোস্ট করেছেন এখানেMe-Mine নামের ব্লগে একজন পোস্ট করেছেন এখানে। ইফতি নামে একজন আড্ডা ব্লগে লিখেছেন এখানে। একমাত্র নিয়াম নামে একজন বিডিঅনলাইন২৪ব্লগএখানে পোস্টটি দিয়ে উল্লেখ করেছেন যে তার কাছে ভাল লাগার কারণে তিনি এটা শেয়ার করলেন। আমার আসলে কোনটাতেই আপত্তি নেই। আমি চাই আমার জানা-টুকু ছড়িয়ে যাক আমার দেশের মানুষের মাঝে]